চুলের যত্নে লেবুর উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

চুলের যত্নে লেবুর উপকারিতা

চুলের যত্নে আমরা কত কিছুই কিনে আনি বাজার থেকে। স্পেশাল শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, প্রোটিন ট্রিটমেন্ট, কেরাটিন ট্রিটমেন্ট আরও কত কী! কিন্তু আমরা কি জানি, আমাদের সবার রান্না ঘরে এমন একটা জিনিস আছে যেটা দিয়ে চুলের অনেকগুলো সমস্যার সমাধান করা যায়?

হ্যাঁ, আমি বলছি লেবুর কথা। চুলের যত্নে লেবু অসাধারণ। লেবুতে রয়েছে বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান যেমন, সাইট্রিক এসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন সি

চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করে লেবু। নারকেল তেল, জলপাই তেল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান নিয়মিত। ঝলমলে ভাব বাড়ার পাশাপাশি তাড়াতাড়ি লম্বা হবে চুল।


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কমলাপুর স্টেশন ভাঙার অনুমোদন দিল

পাপুলের এমপিকান্ডে জড়িতদের বিচার চাই

যে আমল করলে বিশ্বনবী হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন

নোরা ফাতেহির গোসলের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)


আগা ফাটা রোধ করতে লেবুর রস এবং জলপাই তেল একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের আগায় লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ৩ সপ্তাহে একবার করে করলে আগা ফাটবে না।

চুল পড়া কমাতে লেবুর রস, ভিনেগার ও লবণের মিশ্রণ লাগান চুলে। চুল পড়া কমে যাবে।

কন্ডিশনার হিসেবে লেবুর রস ও নারকেলের পানি সমপরিমাণ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন কন্ডিশনার হিসেবে। প্রাকৃতিকভাবে চুল ঝলমলে করবে এ মিশ্রণ। 

news24bd.tv / আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠোটের কালচে দাগ দূর করুন খুব সহজেই

অনলাইন ডেস্ক

ঠোটের কালচে দাগ দূর করুন খুব সহজেই

ঠোটের কালো দাগ নি:সন্দেহে বিব্রতকর। আপনি ঘরোয়াভাবেই খুব সহজে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে আমরা এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি।

গোলাপজল: তুলার বল তৈরি করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগান। এতে ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং ঠোঁট বাড়তি যত্ন পাবে। ঠোঁটের দাগও দূর হবে।

শসার জুস: অর্ধেক শসা ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন। তুলার বল দিয়ে এই জুস ঠোঁটে লাগাতে পারেন। ২০-৩০ মিনিট পর তা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। শসার জুস আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দিতে পারে।

বিট: এক টুকরো নিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ঘষতে থাকুন। ১৫-২০ মিনিট পর ভালো করে তা ধুয়ে ফেলুন। বিটের রস ঠোঁটের পোড়া ও কালচে ভাব দূর করবে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সতেজতা এনে দিতে পারে এবং ত্বক সুস্থ রাখে।

বেকিং সোডা: বেকিং সোডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চক্রাকারে ২-৩ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ভেজা ভাব শুকিয়ে গেলে ঠোঁটের কোনো জেল ব্যবহার করুন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার: এক চা-চামচ পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার নিয়ে তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দানকারী উপাদান হিসেবে কাজ করবে এটি।

ঘৃতকুমারী: ঘৃতকুমারীর রয়েছে তাক লাগানো গুণ। ঘৃতকুমারীর জলীয় অংশ ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানিতে তা ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


গ্লিসারিন: তুলা দিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে একটু গ্লিসারিন মাখিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁট আর্দ্র থাকবে। শুষ্কতা দেখা যাবে না।

লেবু-মধু: অনেকক্ষণ যাঁদের রোদে থাকতে হয়, তাঁরা লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে পারেন। এ মিশ্রণ কিছুক্ষণ ঠোঁটে রাখুন। এরপর ভেজা নরম কাপড় দিয়ে তা মুছে ফেলুন।

নারকেল তেল: আঙুলের মাথায় একটু নারকেল তেল নিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে রাখুন। এতে যে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, তা ঠোঁট আর্দ্র ও সবল রাখে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দাঁত ঝকঝকে করার ঘরোয়া পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক

দাঁত ঝকঝকে করার ঘরোয়া পদ্ধতি

দাঁতের হলদেভাব অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে আপনাকে। মুখের সৌন্দর্য্য অনেকাংশেই নষ্ট করে দিতে পারে এই হলদে দাগ। দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য দামি টুথপেস্ট থেকে শুরু করে দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়মিত যাওয়া কত কিছুই তো আমরা করি। কিন্তু একটি ঘরোয়া উপাদান দিয়েই আপনি চাইলে আপনার দাঁত ঝকঝকে করে তুলতে পারেন। উপাদানটি হল তেজপাতা।

দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী। তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোনও টক ফলের সঙ্গে। যেমন, কমলা লেবু বা পাতি লেবুর খোসার সঙ্গে।

নিম পাতা - দাঁত পরিষ্কার রাখা এবং ঝকঝকে করার জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই নিম পাতা ভালো সাদা দাঁত পেতে ব্যবহার করুন।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


তুলসি পাতা - হলুদ ছোপ তো পরিষ্কার করবেই সেই সঙ্গে দাঁতে অন্যান্য সমস্যাও রোধ করবে।

কাঠ কয়লা - এটা অনেক পুরনো পদ্ধতি। দুর্দান্ত কাজ করে। তাই তো লোকে এখনও ব্যবহার করে।

আপেল - দাঁত মাজতে হবে না। আপেল খেলেই দাঁতা পরিষ্কার থাকে। এতটাই উপকার আপেলে!
লেবুর খোসা - পাতি লেবুর খোসা দিয়ে দাঁত মাজলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। তবে, বেশি ব্যবহার করবেন না। তাহলে দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বেকিং সোডা - সপ্তাহে দুবার বা তিনবার টুথপেস্টের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে মাজলে খুব ভাল কাজ দেয়।
স্ট্রবেরি - ভিটামিস সি ভরপুর স্ট্রবেরি দাঁতের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রস বার করে দাঁত মাজলে দারুণ কাজে দেবে।
নুন - বেকিং সোডার সঙ্গে লবন মিশিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত সাদা ঝকঝকে হবে।
কমলালেবুর খোসা : এই খোসা দিনে দুবার দাঁতে ঘষলে এক সপ্তাহ পরে নিজের হাসি নিজেই চিনতে পারবেন না।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সহজেই দূর করুন চোখের নিচের কালি

অনলাইন ডেস্ক

সহজেই দূর করুন চোখের নিচের কালি

চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল এখন খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কম ঘুম,দুঃশ্চিন্তা,পানি কম খাওয়া ইত্যাদি কারণে চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল দেখা দেয়। 

 জেনে নিন চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে সেই টিপসগুলি।

১. ঠাণ্ডা টি ব্যাগ চোখের ওপর রাখলে ডার্ক সার্কলের সমস্যায় ভালো ফল পাবেন। রাতে শোবার আগে অন্তত মিনিট পনেরো নিয়মিত রাখতে হবে।

২. ২টি কটন বল শসার রসে ডুবিয়ে চোখের ওপর অন্তত ১৫ মিনিট রাখুন। এভাবে নিয়মিত শসার রস চোখের ওপর লাগাতে পারলে দ্রুত উপকার পাবেন।

৩. চোখের নিচের কালো দাগ থেকে রেহাই পেতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। বিশেষ করে ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, যার অভাবে চোখের নিচের এই কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল তৈরি হয়।

৪. আলু খোসাসহ বেটে বা পেস্টের মতো করে চোখের ওপরে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। দ্রুত উপকার পাবেন।

৫. কাজু বাদাম বেটে দুধের সঙ্গে গুলিয়ে, পেস্টের মতো তৈরি করে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন। এতেও উপকার মিলবে।

৬. টমেটো

টমেটো ডার্ক সার্কেল দূর করতে খুবই কার্যকরি। এক চা চামচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এমন দিনে দুইবার করুন। নিয়মিত ব্যাবহারে উপকার পাবেন।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


৭. শসা

শসা ত্বককে হাইড্রেট করে। শসা খেলে কোলাজেন উৎপাদন বেড়ে যায়, যা ত্বকের জন্য জরুরী। এছাড়া শসায় ভিটামিন কে, এ,ই,সি রয়েছে যা রক্তনালীগুলির স্থিতিস্থাপকতা এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

৮. দুধ

ঠাণ্ডা দুধে একটি কটন বল ভিজিয়ে চোখে লাগান। দশ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের ফোলাভাব কমে যাবে এবং কালো দাগ দূর হবে।

৯. বাদাম তেল

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে চোখের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চোখের চামড়া টানটান হবে।

১০. তরমুজ

তরমুজ বিটা ক্যারোটিন সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতে সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এতে ৯২ ভাগ পানি রয়েছে যা শরীরকে হাইড্রেট করতে পারে। এছাড়া তরমুজে ভিটামিন এ,বি১, বি৬, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে ত্বকের যত্ন

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ত্বকের যত্ন

লকডাউনের সুবাদে এবার তেমন বাইরে বেরোতে হচ্ছে না বটে, কিন্তু তার জন্য কি আর গরম কমে? বিশেষ করে যাঁদের তেলতেলে ত্বক, গরম আর ঘামের জোড়া ফলায় তাঁদের অবস্থা আরও কাহিল! মুখ তেলতেলে লাগছে, ব্রণ-হোয়াইট হেডস-ব্ল্যাকহেডসের উপদ্রবও শুরু হয়ে গেছে। এখন পার্লার যেহেতু বন্ধ, তাই ফেসিয়াল করে ত্বক তরতাজা করে নেওয়ারও উপায় নেই!

শীতে ত্বকের প্রয়োজন ছিলো প্রচুর পরিমাণে ‘ময়েশ্চারাইজিং’, তবে গরমে ত্বকের যত্ন নিতে অনেক বেশি কুশলী হতে হবে, কারণ সবকিছুই চাইতে সঠিক পরিমাণে। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ।

রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গরমে ত্বক ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে জানা যায়।

‘ক্যারিয়ার অয়েল’ ও ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ গরমকালে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ‘ক্যারিয়ার অয়েল’ বা বাহক তেল ব্যবহারে ত্বক তৈলাক্ত লাগে এবং ত্বকে নানাধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ ত্বকের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই ব্যবহার করতে হবে ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়েল নির্যাস সমৃদ্ধ জেল ভিত্তিক মৃদুমাত্রার ও মানানসই ময়েশ্চারাইজার।

গরমকালে, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে কমপক্ষে এসপিএফ ৪০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ঘামরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি কারণ এতে ত্বক সতেজ থাকবে ও চিটচিটে হবে না। সূর্যালোকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় থাকলে পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। পানিতে নামলে পানিরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং তা বাইরে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগেই মেখে নিতে হবে।  


আইটেম গার্ল জেরিন খান এখন ড. জেরিন খান

রাজধানীর খিলক্ষেতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

সিরাজগঞ্জে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল, বেবি বাম্পের ছবি ভাইরাল


সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরও চাই বাড়তি সচেতনতা। যেমন, বাইরে যাওয়ার সময় স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বকে অল্পতেই রোদেপোড়া ভাব দেখা দেয় তাদের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা উচিত।  

বহুমুখী কাজ করে এমন ফেইসওয়াস খুঁজে বের করতে হবে। আদর্শ ফেইসওয়াস ত্বক থেকে দূষণ, মেইক-আপ এবং রোদেপোড়াভাব দূর করে ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখে ও সতেজ রাখে।

গরমে ত্বকের স্বাভাবিক পরিচর্যা চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ টোনার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ, তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক ও ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। প্রাকৃতিক টোনার যেমন, গোলাপজল বা শশার রস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে।

ব্যাগে সাধারণ ফেইস মিস্ট রাখতে হবে যাতে যেকোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।

সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ঠোঁট শুষ্ক ও পানিশূন্য করে ফেলে। লিপ বাম ব্যবহার ঠোঁটকে সূর্য থেকে রক্ষা করে। সানব্লক সমৃদ্ধ লিপ বাম অথবা প্রাকৃতিক উপাদান যেমন, ‘ক্যারট সিড ওয়েল’, কাঠবাদাম তেল, ‘সিয়া বাটার অয়েল’ ও অন্যান্য উপাদানের মিশ্রণে তৈরি লিপ বাম ব্যবহার করতে পারেন।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়

গরমের দিন মানেই ঘাম বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। যাদের খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকে তাদের অনেক সময়ই জামা ঘামে ভিজে ওঠে। বগল, পিঠ, বুকে এ রকম ঘামে ভেজা ছাপ খুবই অস্বস্তিকর।ঘামের দুর্গন্ধ কাছের মানুষকেও দূরে ঠেলে দেয়। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকা জরুরি।  

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপনি যদি ঘাম ও দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে-  

পানি পান করুন:

গরমকালে প্রচুর পানি পান করা দরকার। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং এভাবে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়া রোধ করে। সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রতিদিন অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন।


ফাবিয়ানা আজিজ পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন ডিএমডি

এবার শাকিবের নায়িকা ভারত বাংলার এই সুন্দরী

গাজী গ্রুপে মার্কেটিং অফিসার পদে চাকরির সুযোগ

সাবেক স্বামীর ৯৭ কোটি টাকার উপহার বিক্রি করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি


সীমিত ক্যাফেইন গ্রহণ:

যখন আপনি কিছুতে মনোযোগ দিতে পারছেন না বা ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ খুব উপকারী। কিন্তু ঘামের ক্ষেত্রে এটি ভালো নয়। ক্যাফেইন হার্ট রেট বাড়ায় এবং ঘামের গ্রন্থিগুলো অতি-সক্রিয় করে। তাই আপনি যদি কম ঘামতে চান, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করুন।

ওজন: ওজন কমান। স্থূল ও আনফিট ব্যক্তিরা সহজেই অল্প পরিশ্রমে ঘেমে ওঠেন। ফিট থাকার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর