জার্মানিতে বেড়েছে বেকারত্ব

অনলাইন ডেস্ক

জার্মানিতে বেড়েছে বেকারত্ব

জার্মানিতে বেড়েছে বেকারত্বের হার। করোনা মহামারি মোকাবিলা করতে গিয়ে অনেক কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে করোনার সময়ে । তাই চাকরিচ্যুত হয়েছেন বহু মানুষ। খবর ডয়েচে ভেলে। 

বেকারত্বের হার, শূণ্য দশমিক চার শতাংশ বেড়ে  ছয় দশমিক তিন শতাংশ হয়েছে এমাসে। তবে গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় এ বছরের জানুয়ারিতে বেকারত্বের হার কিছুটা কম বলেও জানানো হয়৷

২০১৯ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২০ সালের জানুয়ারি মধ্যে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে এক লাখ ৯৮ হাজার৷ তখন জার্মানিতে প্রথমবারের মতো করোনা মহামারি রোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যায়৷


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কমলাপুর স্টেশন ভাঙার অনুমোদন দিল

পাপুলের এমপিকান্ডে জড়িতদের বিচার চাই

যে আমল করলে বিশ্বনবী হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন

নোরা ফাতেহির গোসলের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)


তবে তুলনামূলকভাবে ২০২০ সালের প্রথম মাসের চেয়ে ২০২১ সালের প্রথম মাসে বেকারের সংখ্যা বেশি৷ ২০২০ সালের জানুয়ারির চেয়ে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে বেকারে সংখ্যা ৪ লাখ ৭৫ হাজার বেশি, জানিয়েছে সংস্থাটি৷

মহামারি মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণই এ মাসে শ্রমবাজার স্থিতিশীল থাকার কারণ বলে জানান, জার্মান এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সির (বিএ) প্রধান ডেটলেফ শেলে৷

news24bd.tv / আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘লিভ ইন থাকার সময় সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়’

অনলাইন ডেস্ক

‘লিভ ইন থাকার সময় সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়’

প্রাপ্ত বয়স্ক দুজন নর-নারী একসঙ্গে (লিভ ইন) থাকার সময় উভয়ের সম্মতিতে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় সেটি ধর্ষণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

পাঁচ বছর একসঙ্গে থাকা এক যুগলের সম্পর্ক ভাঙার পর দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে সোমবার (১ মার্চ) দেশটির প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না এবং বিচারপতি ভি রামাসুব্রামানিয়ামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

আদালত বলেছেন, ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া ভুল। একজন নারীরও কাউকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা ভেঙে ফেলা উচিত নয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, একটি দীর্ঘদিনের লিভ ইন রিলেশনে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় তা ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে।’


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

মামলার বাদী তরুণীর অভিযোগের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গী প্রতারণা করে অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছেন। এজন্য তিনি আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলা করেছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বিভা দত্ত মাখিজা বলেন, একসঙ্গে থাকার সময় পরস্পর সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক হলে সেটিকে পরবর্তীতে ধর্ষণ বলে মামলা করা হয়েছে। এ কারণে তার মক্কেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাদী এর আগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছেন। এটি মামলার বাদীর একটি ‘অভ্যাসগত’ ব্যাপার।

এ সময় আদালত বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বিবেচনায় ‘অভ্যাসগত’ শব্দটি আইনে নিষিদ্ধ। তখন মাখিজা বলেছেন যে, তিনি এই বিষয়টির সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন তবে এই অভিযোগকারীর অভিযোগ যে মিথ্যা তা প্রমাণ করতেই ওই শব্দ ব্যবহার করেছেন।

এরপর আদালত আসামিকে আট সপ্তাহের জন্য জামিন দিয়ে এই সময়ের মধ্যে তাকে মামলার বাকি কার্যক্রমের জন্য প্রমাণাদি যোগাড় করতে বলেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ ছাত্রী উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ ছাত্রী উদ্ধার

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি বোর্ডিং স্কুল থেকে অপহৃত ২৭৯ ছাত্রীর সবাইকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় গভর্নর এ কথা জানান। খবর এএফপির।

জামফারা রাজ্যের গভর্নর ড. বেলো মাতাওয়ালে বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে সব ছাত্রী এখন মুক্ত। তারা সবাই সরকারি ভবনে এসে পৌঁছেছেন। সবাই ভালো আছেন।

এর আগে কর্তৃপক্ষ বলেছিল, প্রত্যন্ত জাঙ্গিবি গ্রামের একটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শুক্রবার শত শত বন্দুকধারী এসে ৩১৭ জন শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে। কিন্তু স্থানীয় গভর্নর জানান, অপহৃত ছাত্রীর সংখ্যা ২৭৯ জন।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


সরকারি কর্মকর্তারা অপহরণকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব ছাত্রীর মুক্তির ব্যবস্থা করে।

উল্লেখ্য, গত তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে নাইজেরিয়ায় গণহারে শিক্ষার্থীর অপহরণের ঘটনা ঘটে। এর ফলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একমাস পরে সুচিকে দেখা গেল

অনলাইন ডেস্ক

একমাস পরে সুচিকে দেখা গেল

একমাস পরে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে দেখতে পাওয়া গেল। তবে সটা সরাসির না। ভিডিও কনফারেন্সে। গত ১লা ফেব্রুয়ারি সনোবাহিনী সু চিসহ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আটক করে ক্ষমাতা দখল করে। তারপর থেকে সু চির আর কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। গতকাল (সোমবার) আদালতে শুনানিতে হাজিরা দিতে তাকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, নেত্রীর শরীর ঠিক আছে। তার উপর অত্যাচারের কোনো বিষয় সু চি জানাননি। তবে এ দিন আদালতে তার বিরুদ্ধে আরো দুইটি নতুন অভিযোগ করা হয়েছে। কবে তিনি মুক্তি পেতে পারেন, সে বিষয়েও এখনো পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। 

১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই সুচি-র নেতৃত্বে গঠিত মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দেশের সেনা। বিনা রক্তপাতে তারা ক্ষমতা দখল করে। সু চি সহ একাধিক মন্ত্রী এবং শাসকদলের নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সেনা কিছু জানায়নি।


নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

‘জন্মের সময় মা-বাবা খুশি ছিলেন না, সুন্দরী বলেই মেনে নিয়েছে’

ভাঙা লেবানন বিএনপি আবারও জোড়া লাগলো

উচ্চ বেতনে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ


সোমবার জানা গেছে, সু চিকে নেপিদতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ সেনা শাসনকালে এই শহরটিকেই রাজধানী হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এখনো এই শহরে সেনার প্রভাব বেশি। গোটা শহরটিকে কার্যত ঘিরে রেখেছে সেনা।

আগে সু চি-র বিরুদ্ধে দুইটি বিষয়ে মামলা করা হয়েছিল। আইন ভেঙে ওয়াকিটকি বিদেশে আমদানি করেছেন তিনি। এবং দুই, করোনাকালে দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের আইন ভেঙেছেন তিনি। সোমবার তার বিরুদ্ধে আরো দুইটি নতুন ধারায় মামলা করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি কার্যত দেশদ্রোহের সামিল। বলা হয়েছে, তিনি এমন লেখা প্রচার করেছেন, যা দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে চিন্তাজনক।

এদিকে রোববারের পর সোমবারেও মিয়ানমারে গোটা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন গণতন্ত্রপন্থিরা। এদিনও সেনা আন্দোলনকারীদের দমন করতে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। বহু মানুষকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

রোববার সেনার গুলিতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারই জেরে সোমবার বিক্ষোভ আরো জোরদার হয়। এদিন কতজন গ্রেপ্তার হয়েছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের

অনলাইন ডেস্ক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হওয়া লেখক মুশতাক আহমেদের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সাথে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতেরও আহবান জানানো হয়েছে।

সোমবার (১ মার্চ) এক বিবৃতিতে হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পুনর্বিবেচনা চেয়ে বলেন, আইনটির পুংখানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ জরুরি। আইনটির অধীনে আটকদের দ্রুত মুক্তির দাবিও করেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক ওই দূত।

লেখক মুশতাককে গত বছর মে মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। বিনা বিচারে নয় মাস তিনি কারাবন্দি ছিলেন। বার বার তার জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কারাগারেই মারা যান মুশতাক। একই অভিযোগে এখন আটক রয়েছেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কিশোর। তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, অভিযোগের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে কিশোরের নিরাপত্তা এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন:


ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

‘জন্মের সময় মা-বাবা খুশি ছিলেন না, সুন্দরী বলেই মেনে নিয়েছে’

ভাঙা লেবানন বিএনপি আবারও জোড়া লাগলো


এ সময় মানবাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারকেই মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অপর আটককৃতদের সঙ্গে অসদাচরণের যে অভিযোগ এসেছে তারও দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত। মুশতাকের মৃত্যুর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের হামলায় ৩৫ জন আহত এবং সাত জন আটকের খবরেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাইকমিশনার মিশেল ব্যাসেলেট।

মুশতাকের মৃত্যুতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ায় রুহুল আমিন নামে একজনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা করা হয় জাতিসংঘের বিবৃতিতে। ব্যাসেলেট বলেন, সরকারের সমালোচনার শাস্তি দিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুর্বলভাবে সংজ্ঞায়িত বিধানগুলোর বিষয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।

জরুরি ভিত্তিতে আইনটির প্রয়োগ স্থগিত করা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এর বিধানগুলো পর্যালোচনা করা দরকার। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলাপে তিনি এবং তার দপ্তর প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান জাতিসংঘ দূত।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

অনলাইন ডেস্ক

ভারত-পাকিস্তানকে বন্ধু হিসেবে দেখতে চাই: মালালা

ভারত-পাকিস্তানকে চির শত্রু বললে খুব বেশি ভুল হবে না মনে হয়। সেই জন্ম লগ্ন থেকেই দুই দেশের মধ্যে কোন না কোন ইস্যু নিয়ে বিরোধ লেগেই আছে। যুদ্ধও হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। প্রায়ই শোনা যায় দু’দেশের সীমান্তে গোলাবর্ষণের খবর।

এমন অবস্থায় দুই প্রতিবেশী দেশের উদ্দেশে শান্তির বার্তা দিলেন শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি মালালা ইউসুফজাই।

রোববার জয়পুর সাহিত্য উৎসবে ভার্চুয়ালি যোগ দেন নোবেলজয়ী মালালা একথা বলেন। ওই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে মালালা আরও বলেন, “আপনি ভারতীয়, আমি পাকিস্তানি। এবং আমরা আমাদের মতো ভাল আছি। তাহলে এত বিদ্বেষ কেন? সীমান্ত, বিভাজন এবং বিভাজনের মাধ্যমে আলাদা করে জয় করা- এসব পুরনো দর্শন এখন আর কাজ করে না। মানুষ হিসেবে আমরা সবাই শান্তিতে থাকতে চাই।

ভারত-পাকিস্তানের আসল শত্রুতো হল - দারিদ্র, বৈষম্য ও অসাম্য। নিজেদের মধ্যে লড়াই না করে দুই দেশের উচিত এই শত্রুগুলির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে নামা। আমি চাই ভারত ও পাকিস্তানকে প্রকৃত বন্ধু হিসেবে দেখতে।”

আরও পড়ুন:


নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়

‘জন্মের সময় মা-বাবা খুশি ছিলেন না, সুন্দরী বলেই মেনে নিয়েছে’

ভাঙা লেবানন বিএনপি আবারও জোড়া লাগলো

উচ্চ বেতনে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ


এই অনুষ্ঠানে, সংখ্যালঘু নিপীড়ন নিয়েও সরব হন মালালা। ইসলামাবাদকে অস্বস্তিতে ফেলে তাঁর বক্তব্য, “পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ ও খ্রিস্টান সংখ্যালঘুরা বিপন্ন। একইভাবে ভারতে মুসলিম ও দলিতরা ভারতে সুরক্ষিত নন।”

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সমাজকর্মী মালালা ইউসুফজাইকে গুলি করেছিল এক সন্ত্রাসবাদী। সেই ঘটনায় শিউরে উঠেছিল গোটা বিশ্ব। তখন মালালা ছিলেন স্কুলছাত্রী। তারপর থেকে জল অনেকটাই গড়িয়েছে। নারীদের শিক্ষার অধিকার থেকে শুরু করে বৈষম্য ও সংখ্যালঘু নিপীড়নের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর