গাড়ির ডিজাইনের বিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক

গাড়ির ডিজাইনের বিবর্তন

টেসলার ইলেকট্রিক সাইবারট্রাক

১৯৮২ সালের সায়েন্স ফিকশন মুভি ‘ব্লেড রানার’-এর গাড়িটির কথা মনে আছে? ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা সম্প্রতি সেই আদলে সাইবারট্রাক গাড়িটি বানিয়েছে৷ এর কাঠামো স্টেনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি৷ আর এর জানালা ভাঙবে না বলে দাবি করা হয়েছে৷ যদিও গাড়ির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানালায় মেটাল বল দিয়ে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গেই সেটি ভেঙে পড়েছিল৷ দুই বছরের মধ্যে সাইবারট্রাক বাজারে আসার কথা৷

প্রথম
গ্যাস ইঞ্জিনচালিত প্রথম গাড়ি এটি৷ ১৮৮৬ সালে জার্মান উদ্ভাবক কার্ল বেনৎসের তৈরি এই গাড়ির মধ্য দিয়েই বিশ্বে প্রথম মোটরচালিত গাড়ির যাত্রা শুরু হয়েছিল৷ প্রথম গাড়িটিতে দুটি আসন ছিল৷ পরে সামনে আরেকটি আসন যুক্ত করা হয়৷

নৌকা পদ্ধতি
১৯২০-এর দশক পর্যন্ত বেশিরভাগ গাড়ির নকশায় ঘোড়ার গাড়ির আকৃতির একটা প্রভাব থাকতো৷ তবে ছবিতে ফরাসি ডিজাইনার জ্য-অঁরি ল্যাবুদেতের নকশা করা একটি গাড়ি দেখতে পাচ্ছেন৷ স্প্যানিশ গাড়ি নির্মাতা হিস্পানো-সুইসা ১৯১৯ সালের প্যারিস মোটর শো-তে ‘এইচবি৬’ নামের এই গাড়িটি প্রথম প্রদর্শন করে৷ কাঠ দিয়ে যেভাবে নৌকা তৈরি করা হয়, এই গাড়ির ক্ষেত্রেও সেই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে৷

গাড়ির কাচ পরিষ্কার
জার্মান উদ্ভাবক রব্যার্ট বশ গাড়ির সামনের কাচ পরিষ্কারক ব্লেড পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক মোটর আবিষ্কার করেছিলেন৷ ১৯২৬ সালে এটি গাড়িতে যুক্ত করা হয়৷ এর আগে যান্ত্রিক উপায়ে কিংবা হাতেই কাচ পরিষ্কার করা হতো৷

এয়ারোডায়নামিক গুণসম্পন্ন
এয়ারশিপ সেপেলিন তৈরির সঙ্গে যুক্ত অস্ট্রীয় প্রকৌশলী পাউল ইয়ারাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে চেক প্রজাতন্ত্রের গাড়ি নির্মাতা টাট্রা ‘টি-৭’ নামের এই গাড়িটি বাজারে নিয়ে এসেছিল৷ ১৯৩৪ সালে বাজারে আসার পর এই ডিজাইন বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল৷

তিন চাকায় দ্রুতগতি
১৯৫০-এর দশকে এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার ফ্রিৎস ফেন্ড জার্মান গাড়ি নির্মাতা মেসাশ্মিট-এর জন্য তিন চাকার এই গাড়ির নকশা করেছিলেন৷ গাড়িটির স্টিয়ারিং হুইলকে ঘিরে একটি কন্ট্রোল প্যানেল বসানো ছিল, যা দেখতে অনেকটা বিমানের ককপিটের মতো মনে হতো৷ গাড়িটি ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারতো - তিন চাকার বাহনের জন্য যা খারাপ নয়৷

জেট, নাকি গাড়ি?

১৯৫৩ সালে মার্কিন গাড়ি নির্মাতা জেনারেল মটরস ‘ফায়ারবার্ড’ নামের এই গাড়িটি ডিজাইন করেছিল৷ স্টিয়ারিং হুইল হিসেবে এতে জয়স্টিক ব্যবহার করা হয়েছিল৷ কিন্তু রাস্তায় চলার জন্য এই ডিজাইন অবাস্তব মনে হওয়ায় ফায়ারবার্ড কখনো বাজারে আসেনি৷

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

news24bd.tv / আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলে চলছে নাসার রোভার, দেখা যাচ্ছে চাকার দাগ

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলে চলছে নাসার রোভার, দেখা যাচ্ছে চাকার দাগ

সফলভাবে অবতরণের পর মঙ্গলগ্রহে নাসার রোভার পারসিভারেন্স সফলভাবে টেস্ট ড্রাইভও সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস এজেন্সী নাসা। গতকাল শুক্রবার (৫ মার্চ, ২০২১) নাসা এই তথ্য জানায়।

ছয় চাকার এই রোভারটি গত বৃহস্পতিবার মঙ্গলের বুকে ৩৩ মিনিটে ৬.৫ মিটার (২১.৩ মিটার) ভ্রমণ করেছে। এটি চার মিটার সামনে যেয়ে বাম দিকে ১৫০ ডিগ্রি ঘুরে আবার ২.৫ মিটার পিছনে আসে। এসময় এর ক্যামেরায় এটি চলার ফলে এটির চাকার যে দাগ দৃশ্যমান হয় তা ফুটে ওঠে।

ক্যালিফোর্নিয়ার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি থেকে নাসার ইঞ্জিনিয়ার আনাইস জারিফিয়ান বলেন, “এটা আমাদের জন্য যানটি চালানোর প্রথম সুযোগ ছিলো। এটি চমৎকারভাবে সফল হয়েছে এবং এটি এই মিশনের জন্য অনেক বড় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।“

তিনি আরও বলেন, “এটি কেবলমাত্র শুরু ছিলো। আমরা এর পরে আরও বড় দূরত্ব পাড়ি দেবো।“

নাসার ইঞ্জিনিয়াররা মঙ্গলের বুকে চলার জন্য রোভারটির সাথে আরো দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তাছাড়া সব ঠিকঠাক থাকলে পরের দুইদিনও এটি চালানোর পরিকল্পনা আছে তাদের।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


উল্লেখ্য, রোভারটি মঙ্গল গ্রহের দিনের সময়ে প্রতিদিন ২০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। মঙ্গল গ্রহের প্রতিদিন পৃথিবীর দিনের চেয়ে বড়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

অনলাইন ডেস্ক

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

তুরস্কে এমন এক প্রাসাদ আছে যাকে বলা হয় “তুলোর প্রাসাদ”। স্থানীয় ভাষায় এর নাম পামুক্কালে।

তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দেনিজলি রাজ্যে আপনি দেখতে পাবেন এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাসাদ। এখানে প্রকৃতি আমাদের জন্যে তার উৎকৃষ্ট একটি সৃষ্টি উপহার দিয়ে গিয়েছে যা দেখতে বছর বছর ভিড় জমতে থাকে।

এই প্রাসাদ আসলেই তুলো দিয়ে সৃষ্টি হয়নি। তবে এর রঙ তুলোর মতো ধবধবে সাদা হওয়ার পেছনে রয়েছে অদ্ভুত সুন্দর কারণ। আপনার মনে হবে বরফের রাজ্যে এসে গেছেন। তবে যেটাকে আপনি বরফ ভাবছেন সেটা হলো সামান্য লবণ।

এখানে রয়েছে খনিজ লবণের প্রাচুর্য। মেন্দেরেস নদী ও আজিয়ান সাগরের সংযোগস্থলে রয়েছে এই বিশাল প্রাসাদ। তবে আবহাওয়া কিন্তু ভারতের মতোই নাতিশীতোষ্ণ।

পাহাড়ি এই উপত্যকায় থাকা খনিজ লবণ আপনার জন্যে প্রাকৃতিক স্পায়ের কাজ করবে। খনিজ লবণগুলি হাওয়ায় জমাট বেঁধে চুনাপাথরের এই শক্ত প্রাসাদ গড়ে উঠেছে। আবার এর সঙ্গে রয়েছে গরম ঝর্ণার প্রাচুর্য।

গরম জলের এই ঝর্ণাগুলি জায়গায় জায়গায় আবার সৃষ্টি করেছে ছোট ছোট জলাশয়ের। সেই উষ্ণ জলে আপনি স্নানও করতে পারবেন আবার তাতে পা ডুবিয়ে তার আরামও উপভোগ করতে পারবেন।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এমন অদ্ভুত প্রাকৃতিক বৈচিত্রের জন্যে এখন এই জায়গাটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষিত হয়েছে। ফলে পর্যটন শিল্প বিশাল মাত্রা নিয়েছে এখানে। সেটাকে ভিত্তি করেই নতুন আর্থিক উন্নতির পথ খোলায় সরকারও এর প্রতি এখন যত্নশীল হয়েছে।

এর পাশে আবার গ্রিক-রোমানদের প্রাচীন শহর হিয়েরাপোলিস রয়েছে। তার নিদর্শন স্বরূপ সেখানকার রাস্তা, মন্দির, স্নানাগার সব সুন্দর করে রক্ষনাবেক্ষন করা হয়ে থাকে। এই গোটা শহরটিও আপনি দেখতে পারবেন এয়ার বেলুনে করে ঘুরে ঘুরে।

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

অনলাইন ডেস্ক

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করতে করতে রাতে ঘুম না আসার সঙ্গে অতিরিক্ত স্মার্টফোন ঘাঁটার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু শরীর নয়, প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরেও প্রভাব পড়ে এই অভ্যাসের কারণে। এমনকি অনেক সময় বদলে যেতে পারে পুরনো অভ্যাসও! 

দক্ষিণ ক্যারেলিনার ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুন পিচার জানান, চট করে মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, প্রিয়জনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা, ছোটখাটো সমস্যাতেই প্রতিক্রিয়া দেখানো, এগুলো রাতে ঘুম না হওয়ার ফলেই হয়।

গবেষণা বলছে, অনিদ্রার কারণে শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে আসে। ফলে দাম্পত্য কলহও বাঁধতে পারে এর ফলে। খিটখিটে মেজাজের ফলে বহুদিনের সম্পর্ক ভেঙেও যেতে পারে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এর ফলে আস্তে আস্তে আত্মবিশ্বাসও কমে যেতে পারে। প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরেও। চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল, ফোলা ভাব এর কারণেই হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌন উত্তেজনাও কমে আসে এর ফলে। 

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে আপেল কুলের বাগান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ ও বিষমুক্ত কাস্মেরি আপেল কুলের বাগান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন  করেছেন  ফরিদপুরের তরুণ উদ্দ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। মফিজুর জানান, গেল বছরের মত এ বছরও তার আশানুরুপ কুল উৎপাদন হবে। বর্তমানে বাজারে আপেল কুলের দরও বেশ চড়া। 

এ কারণে এ বছরও ৬০-৭০লাখ টাকার কুল ও দেড় কোটি টাকার কুলের চারা বিক্রির আশা করছেন তিনি। তার এই সফলতা দেখে কুল বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকে।  

ফরিদপুর সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের তরুণ উদ্দ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। গেল বছর ৮বিঘা জমিতে কাস্মেরি আপেল কুলের চারা রোপন করেন তিনি। গাছ লাগানোর ৯ মাসের মাথায় প্রথম কুল ধরতে শুরু করে। তার উৎপাদন খরচ ১১ লাখ টাকা  হলেও প্রথম বছরেই  কুল বিক্রি করে আয় হয় তার প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।  

মফিজুর রহমান জানান, এবছরও তার বাগানে আশানুরুপ কুল উৎপাদন হবে। আবার এই বাগানের গাছ থেকেই কাটিং করে তৈরী করা হচ্ছে নতুন চারা। চলতি মৌসুমে কুল ও চারা বিক্রি করে প্রায় ২ কোটি টাকা আয় হবে এমন আশা করছেন তিনি।  

মফিজুর শুধু নিজে স্বাবলম্বী হননি, তার বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকে মফিজুরের সফলতা দেখে কুল বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন  এ অঞ্চলের শিক্ষিত যুবকরা।


ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিলেন বাবা

পানি পানে আসা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও মাটিচাপা

কালো পোশাকে নতুন এক জয়া

সৌদি যাত্রীর ছোট ব্যাগ থেকে মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ


সংশ্লিষ্ট বলছেন, এ ফলটি লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই এর আবাদ বাড়ছে। কুল চাষ প্রসারের লক্ষ্যে সব ধরণের সহায়তা করা হবে।   

ফরিদপুর জেলায় এ বছর ২৩০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ করা হয়েছে। যা থেকে প্রায় ২হাজার ৭শত মেট্রিক টন কুল উৎপাদিত হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

অনলাইন ডেস্ক

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাট রাজ্যে ঘটেছে এমনই এক আশ্চর্য ঘটনা। একটি ইয়ার্ড সেলে মাত্র ৩৫ মার্কিন ডলারে কেনা একটি চীনামাটির পাত্র শেষ পর্যন্ত পরিণত হল ১৫শতকের মূল্যবান এক চীনা আর্টিফ্যাক্টে।

এই চীনামাটির পাত্রটির মূল্য হতে পারে ৩ থেকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪ কোটি টাকা। সোথেবি নামে একটি কোম্পানি এই তথ্য জানিয়েছে। সোথেবি একটি ব্রিটিশ কোম্পানি যারা নিলামে মূল্যবান বস্তু কেনাবেচার কাজ করে।

সাদা রঙের চীনামাটির এই বাটিটি দৈর্ঘ্যে ৬ ইঞ্চি (১১ সে.মি.)। এতে সাদার উপরে কোবাল্ট ব্লু রঙের দৃষ্টিনন্দন ফুল ও অন্যান্য ডিজাইন করা রয়েছে।

একজন অ্যান্টিক কালেক্টর গতবছর কানেক্টিকাটের নিউ হাভেন এলাকায় ঘুরতে ঘুরতে ইয়ার্ড সেলে এই চীনামাটির পাত্রটি দেখে অবাক হন। পরবর্তীতে তিনি মাত্র ৩৫ ডলারে পাত্রটি কিনে সোথেবি’র দুইজন চাইনিজ আর্টিফ্যাক্ট বিশেষজ্ঞ এঞ্জেলা ম্যাকাথির ও হাঙ ইন কে ইমেইল করেন।

সোথেবি’র চাইনিজ আর্ট বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাকাথির বলেন, “এটা দেখার সাথে সাথেই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আমরা খুবই অসাধারণ কিছুর দিকে তাকিয়ে আছি। পাত্রটির উপরে পেইন্টিং, পাত্রটির আকৃতি, এমনকি এর নীল রঙ সাক্ষী দেয় যে এটি ১৫ শতকের একদম শুরুর দিকে তৈরি হয়েছিলো।“


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

ভারতে বাড়ছে গাধার চাহিদা!

ভারতের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে বেদ, গীতা, সংস্কৃত

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এই পাত্রটি এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সাতটি পাত্রের একটি। আগামী ১৭ মার্চ নিউইয়র্কে এটি মূল্যবান চীনা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ক্যাটাগরিতে নিলামে তোলা হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ কোম্পানিটি।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর