ইংরেজি ভার্সন চালু হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

অনলাইন ডেস্ক

ইংরেজি ভার্সন চালু হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভার্সন চালু করা হবে। এজন্য স্কুলে দু’জন আলাদা ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সেমিনার শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্কুলে ইংরেজি ভার্সন চালু করতে শিগগিরই পাইলটিং শুরু হবে। প্রথমে রাজধানীতে শুরু করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই এটা শুরু করতে চাচ্ছি আমরা।


শিশুকে ধর্ষণের পর জুতার ফিতা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা

বিদেশিদের জন্য সুযোগ, নাগরিকত্ব দেবে আমিরাত

পর্দা করে মিডিয়াতে কাজ করা সম্ভব না : সুজানা

মেসির পেছনে বার্সার ব্যয় ৫ হাজার ৭০২ কোটি টাকা!


 

তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে আরও দক্ষ করতে চাচ্ছি। সেজন্য এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি। ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় এক হাজার প্রাথমিক শিক্ষককে ৯টি প্রাইমারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের (পিটিআই) মাধ্যমে ইংরেজির বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত ‘বাধ্যতামূলক হচ্ছে’

অনলাইন ডেস্ক

মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত ‘বাধ্যতামূলক হচ্ছে’

মাদরাসা প্রতিষ্ঠার আগে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছে সংসদীয় কমিটি।

সেই সঙ্গে মাদরাসার প্রতিদিনের কাজ শুরুর আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ। 

কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ন চন্দ্র চন্দ, মো. মাহবুব উল আলম হানিফ, মুহিবুর রহমান মানিক এবং নাহিদ ইজাহার খান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। 

এছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার বাংলা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষার খাতা অন্য বোর্ডের শিক্ষকদের দিয়ে মূল্যায়ন করানোর সুপারিশ করেছে কমিটি।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?


বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য সরকার অনেক টাকা খরচ করে কিন্তু কাঙ্খিত ফলাফল আমরা দেখতে পাই না। তাদের শিক্ষার গুণগতমান প্রত্যাশিত মাত্রায়  অর্জিত হয় না। আলিয়া মাধ্যম থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের আমরা গুরুত্বপূর্ণ খাতে ভূমিকা রাখতে দেখি না। এ কারণেই আমরা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়র খাতা অন্য কোনো মাধ্যমের শিক্ষকদের মূল্যায়ন করার সুপারিশ করেছি। এটা করা গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা চাপ থাকবে এবং তারা নিজেদের গুণগত মান উন্নত করার চেষ্টা করবে। 

তিনি আরো বলেন, মাদ্রাসার অনেক শিক্ষকদের মধ্যে নিজেদের চাকরির স্বার্থে শিক্ষার্থীদের পাস করানোর প্রবণতা দেখা যায়। এটা হলে এই সুযোগ তারা পাবে না।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে সকল প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে। বৈঠকে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে মাদ্রাসার সিলেবাস ও কারিকুলাম আধুনিকায়ণে গৃহীত পদক্ষেপ; মাদ্রাসার পরীক্ষা পদ্ধতির আধুনিকায়ণ ও নকল প্রতিরোধে গৃহীত ব্যবস্থাসমূহ; উগ্রসাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে মাদ্রাসা শিক্ষক-ছাত্রছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গৃহীত পদক্ষেপ; মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি, নির্বাহী কমিটি, এডহক কমিটি গঠন প্রক্রিয়া ও কমিটি সংক্রান্ত উদ্ভূত জটিলতা নিরসন; মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ শিক্ষক/কর্মচারী নিয়োগ পদ্ধতি; প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন সংস্থাপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বেরোবি ভিসির মন্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর

বেরোবি ভিসির মন্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল, কুশপুত্তলিকা দাহ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম দুর্নীতি ও ঢাকায় বসে মিথ্যাচার, শিক্ষামন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সন্ধায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল শেষে উপাচার্যের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এসময় তাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?


দাহ শেষে বিক্ষোভ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি তুষার কিবরিয়া অতিসত্তর উপাচার্যের  অনিয়ম দুর্নীতির শাস্তি দাবি করে বলেন, তার দুর্নীতির তদন্ত করায় শিক্ষামন্ত্রীসহ ইউজিসির বিরুদ্ধে ঢাকায় বসে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্পে তিনি অনিয়ম করেছেন উল্টো তিনি সরকারের বিভিন্ন মহলের বিরুদ্ধে বিষাদগার করছেন। আমরা চাই অতিসত্তর তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্যাহার করা হোক।

বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া বলেন, বর্তমান উপাচার্য দিনের দিনের পর ঢাকায় থেকে লিয়াজো অফিসের নামে অনিয়ম দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। এর প্রতিবাদ করলেই হামলা মামলা দিয়ে যাচ্ছেন। আজ তিনি সরকার মহলের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তাকে জাতির উদ্দেশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে নইলে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।

বিক্ষোভ মিছিলে উপাচার্যকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন শ্লোগান দেওয়া হয়।

এসময় বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, ছাত্রলীগ কর্মী তানভীর, বায়েজিদ আহমেদ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কলিমুল্লাহ ক্যাম্পাসে আসুক আমরা চাই না: বঙ্গবন্ধু পরিষদ

অনলাইন ডেস্ক

কলিমুল্লাহ ক্যাম্পাসে আসুক আমরা চাই না: বঙ্গবন্ধু পরিষদ

ঢাকায় বসে মিথ্যাচার ও শিক্ষামন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগ এনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহস্পতিবার তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ৪৫টি অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। 

জানা গেছে, সম্প্রতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ১০তলা ভবন ও একটি স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণকাজে উপাচার্যের অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে ইউজিসির আরেকটি সরেজমিন তদন্ত কমিটি। এ ব্যাপারে উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এসব অভিযোগ ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেন উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

সেখানে উপাচার্য অভিযোগ করেন, এসব অভিযোগ ও ইউজিসির এমন তদন্ত শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির আশ্রয়, প্রশ্রয় ও আশকারায় হয়েছে।

উপাচার্যের ঢাকার সংবাদ সম্মেলনের পর রংপুরে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ায় তিনি ঢাকায় বসে মিথ্যাচার করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রীকে আক্রমণ করে কথা বলেছেন উপাচার্য৷ ইউজিসি নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন। সরকারের উন্নয়নসহ সব বিষয়েই তিনি বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য করেছেন। তাই তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। অতিসত্বর এসব মন্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলনসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কলিমউল্লাহর বক্তব্য রুচিবিবর্জিত ও বানোয়াট : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক

কলিমউল্লাহর বক্তব্য রুচিবিবর্জিত ও  বানোয়াট : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে দোষারোপ করে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিকে অনভিপ্রেত, অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রুচিবিবর্জিত বলে দাবি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) দুপুরে বেরোবি উপাচার্যের সংবাদ সম্মেলনের পর বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বক্তব্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বরাবর তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। ইউজিসি তাদের নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণে তদন্ত সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করে।

ইউজিসি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিধায় এ প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে মন্ত্রণালয় বা মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই। ফলে এ সংক্রান্ত বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অভিযোগ অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ সরাসরি শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন, যা নিতান্তই অনভিপ্রেত। তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে যে সভাটিতে মন্ত্রীর দেরিতে উপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন, সেই সভাটি গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সকালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে সভাটির সময় পরিবর্তন করে বিকেলে নেয়া হয়। ওই একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন ন্যূনতম নির্দেশিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সভা থাকায় এবং সেই সভাটি উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনার আগে হলে ভালো হয়; বিবেচিত হওয়ায় উপাচার্যদের সঙ্গে সভাটির সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন ন্যূনতম নির্দেশিকার সভাটি নির্ধারিত সময়ের চেয়েও অনেক প্রলম্বিত হওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী, সচিব এবং ইউজিসির চেয়ারম্যানসহ প্রতিনিধিদের উপাচার্যদের সেই সভায় যোগ দিতে দেরি হয়।’

‘শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত সকলের কাছে অনিচ্ছাকৃত এই বিলম্বের জন্য বিশেষভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। মন্ত্রীর সময়ানুবর্তিতার বিষয়টি সবার কাছে সুবিদিত। তিনি সময় মতো সকল সভায় অংশ নেন। সেদিনের সবারই অনিচ্ছাকৃত বিলম্বকে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কলিমউল্লাহ যে বক্তব্য রেখেছেন, তা শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনকই নয় নিতান্তই রুচি বিবর্জিত’ বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকাশনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর একটি বাণী একবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাওয়া হয়েছিল। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বড় ধরনের ছাত্র আন্দোলন চলছিল। সে পরিস্থিতিতে মন্ত্রী বাণীটি দেয়া সমীচীন মনে করেননি। এরপরে গত এক বছরে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মন্ত্রীর কাছে আর কোনো বাণী চাওয়া হয়নি।’

‘কলিমউল্লাহ উপরের বিষয়সমূহের বাইরেও মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার কথা উল্লেখ করে রাজনীতিকে জড়িয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। যার সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো বিষয়ের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা না থাকায় এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে। একই সঙ্গে কলিমউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে যেসব বক্তব্য রেখেছেন, সে সকল বিষয়ে এ মুহূর্তে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে।’

‘কারণ তার বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি ইউজিসি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সে বিষয়ে শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত আরেকটি অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।’

এমন পরিস্থিতিতে কলিমউল্লাহ কর্তৃক সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত অন্যান্য সব বক্তব্য সম্পর্কে মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন প্রাপ্তি ও বিবেচনার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় বক্তব্য উপস্থাপন করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ৪৫টি অভিযোগ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। সম্প্রতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ১০তলা ভবন ও একটি স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণকাজে উপাচার্যের অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে ইউজিসির আরেকটি সরেজমিন তদন্ত কমিটি। এর জন্য উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ওই কমিটির প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।

এসব অভিযোগ ও তদন্ত কমিটির সুপারিশ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেন উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। সেখানে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন কলিমউল্লাহ।

তিনি বলেন, এসব অভিযোগ ও ইউজিসির ‘এমন তদন্ত’ শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির আশ্রয়–প্রশ্রয় ও আশকারায় হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর আশকারায় পরিস্থিতি এ অবস্থায় এসেছে বলেও অভিযোগ করেন অধ্যাপক কলিমউল্লাহ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি শিক্ষামন্ত্রীর ষড়যন্ত্র ও রাজনীতির শিকার: ভিসি কলিমুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

আমি শিক্ষামন্ত্রীর ষড়যন্ত্র ও রাজনীতির শিকার: ভিসি কলিমুল্লাহ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুটি উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেছেন, আমি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ষড়যন্ত্র ও রাজনীতির শিকার।

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি বেরোবি ভিসির দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ ইউজিসির তদন্ত কমিটি পেয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এটিকে মিথ্যা সংবাদ আখ্যা দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতেই তার এ সংবাদ সম্মেলন।

মন্ত্রীর আসকারা ও পরামর্শেই ইউজিসি এমন প্রতিবেদন দিয়েছে উল্লেখ করে  ভিসি ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, ইউজিসির রিপোর্টের দায় শিক্ষামন্ত্রীর। 

তিনি বলেন, আমাদের দেশে দুর্নীতি নিয়ে যে সমস্যা সেটা হচ্ছে ধামাচাপা দেওয়ার একটা কালচার আছে। শিক্ষামন্ত্রীর অফিস থেকে কয়েক পৃষ্ঠার খণ্ডিত অংশ নিয়ে লিক করা হয়েছে। এটা রাজনীতির একটা অপকৌশল। শিক্ষাঙ্গন সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হীন রাজনীতি করার জায়গা না।


কার সাথে কার পরকিয়া তা চিন্তা করে মাথা নষ্ট করবেন না : আঁখি আলমগীর

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

তামিমার সাবেক স্বামীকে বাটপার বলছে মিম


ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবনের নির্মাণ ব্যয় ২৬ কোটি ৮৭ লাখ থেকে বাড়িয়ে ধরা হয় ৬১ কোটি টাকা। ৫১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে শেখ হাসিনা ছাত্রী হলের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ১০৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে মূল ডিপিপিতে পরামর্শক ফি না থাকলেও বর্তমানে উপাচার্য সেই খাতে ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এরপর ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের নানা অসঙ্গতি নজরে এলে ইউজিসিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়।

মঞ্জুরি কমিশন ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ইউজিসির সদস্য ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচারক ড. ফেরদৌস জামান এবং অতিরিক্ত পরিচালক ড. দূর্গা রানী সরকার।

চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি সরেজমিন পরিদর্শন করে ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মনোওয়ার হাবিব ও প্রাকৃত নির্মাণ লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা না করে প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েটকে পরামর্শক নিয়োগ দেয়া চুক্তির নিয়মাবলীর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাশাপাশি প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নকশা ও ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে শেখ হাসিনা ছাত্রী হল এবং ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে ভবনটির অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাই এখানে দ্বিতীয় নকশা ও ডিজাইনের প্রয়োজন আছে বলে তদন্ত কমিটি মনে করে না। প্রতিবেদনে উপাচার্য, তার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার মজনুর কাদের এবং অন্যান্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ জুন অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে বেরোবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

অধ্যাপক কলিমুল্লাহ জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদের (জানিপপ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) উপ-উপাচার্য ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাবির লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর