এখনকার বাচ্চাদের ভাবনা

রাখী নাহিদ

এখনকার বাচ্চাদের ভাবনা

বড় পুত্রের ইচ্ছা গ্র্যাজুয়েশন করতে কানাডা যাবে। সব ঠিক থাকলে যাবে ইন শা আল্লাহ। 

তাকে জিজ্ঞেস করলাম 
- বাবার লাখ লাখ টাকা খরচ করে পড়তে যাচ্ছ। এই টাকা ইনকাম করবা কত বছরে ? 
পুত্র উত্তর দিলো 
- বেশিদিন লাগবে না। ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েই থিয়েটার করা শুরু করব। ওখানে বড় বড় ডিরেক্টরদের সাথে পরিচয় হবে। তারা আমাকে হলিউড ম্যুভিতে রোল দিবে। তারপর টাকাই টাকা। বলা যায়না, আমি অস্কারও পেয়ে যেতে পারি।
আমি বললাম 
- হ্যা বাবা তা পেতেই পারো। তোমার কপাল মাশ আল্লাহ অনেক ভালো। যেভাবে GPA-5 পাইসো ওইভাবে অস্কার পেয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

আরও পড়ুন:


মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের খবর আগেই জানতো পশ্চিমাদেশগুলো

এবার ইসরাইলের ড্রোন ভূপাতিত করলো হিজবুল্লাহ

ইয়েমেনে ৩ হাজার গুচ্ছবোমা ব্যবহার সৌদি জোটের

পবিত্র কোরআনের কোন সূরাতে বিসমিল্লাহ নেই


অন আ সিরিয়াস নোট, আমার পুত্রের এইসব কথা শুনে রসিকতা মনে হলেও, সে সিরিয়াসলি বলে। No wonder! মানুষের পেট থেকে মানুষ, ছাগলের পেট থেকে ছাগল জন্ম নিলে, পাগলের পেট থেকে পাগল ছাড়া আর কি জন্ম নিবে......?

রাখী নাহিদ, নিউইয়র্ক (ফেসবুক থেকে নেয়া)

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী

আসিফ আকবর

পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী

কুমিল্লা শহরের প্রানকেন্দ্র ষ্টেডিয়াম এলাকা। টাউন হল জিলা স্কুল সার্কিট হাউজ প্রান্তর জুড়ে রাতের নির্জন রাস্তা। ষ্ট্রীট পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী সেই পথে হাঁটতে থাকা মানুষগুলো। কুমিল্লার সন্তান আমি, রাতজাগা আমাদের কিছু বন্ধুদের ছোটবেলার অভ্যাস। 

ফুল ফল চুরি করার জন্য আমাদের গ্যাং ছিল। দেশের মহল্লায় মহল্লায় যুগে যুগে এধরনের ব্যাপার স্যাপার দেখে বহু জেনারেশন বড় হয়েছে। মাঝেমধ্যে শব-ই বরাত শব-ই কদর কিংবা মেরাজের রাতে হঠাৎ করেই পতিতা উচ্ছেদে লাঠি হাতে মাঠে নেমে পড়তাম। এখন খারাপ লাগে, ওরা আসলে পতিতা না, সমাজের অব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে এই পথে এসেছে। 

এখনও শহরের মধ্যাংশে রাতের বেলায় তাদের অবাধ বিচরন। আমরা বন্ধুরা রাত জেগে আড্ডা দেই। মাঝে মাঝে শুনতে পাই তাদের হৈচৈ। কোন খদ্দের হয়তো টাকা দেয়নি তাই শায়েস্তা করার জন্য ষ্ট্রীট পতিতারা একজোট হয়ে দৌড়ানী দিচ্ছে, এসব ঘটনার স্বাক্ষী পথচারী কিংবা আমরা রাতজাগা বন্ধুরা। কুমিল্লার আড্ডা শেষে বাসায় যাওয়ার সময় তাদের সঙ্গে দেখা হয়। কোন একটা মেয়ের মোবাইলে হয়তো বাজছে আমার গাওয়া একাকী গভীর রাতে গানটি। ষ্টেডিয়াম আর এসপি’র বাংলোর সামনে তারা গভীর শীতের রাতে আগুন পোহায়। 

আড্ডা শেষে যাওয়ার পথে এখনো কথা হয় তাদের সাথে, মামা ডাকে। মেয়েদের অনুরোধে সেলফিও তুলেছি। একসাথে বসে রাস্তায় আগুন পোহানোও হয়েছে। যতটুকু সম্ভব তাদের সাহায্যে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এরা আসলে পরিস্থিতির স্বীকার, কেউ স্বেচ্ছায় নিশ্চয়ই এরকম পেশায় আসতে চায়না। বাস্তবতা যার যার কাছে সবসময়ই কঠিন কষ্টিপাথরের মত। কত হাজারো কোটি কষ্টের চেপে থাকা কান্না মরে যায় তাদের হাসির দমকে আর ঝলকে। লক্ষ্য একটাই, পরিবারের সদস্য আর সন্তানদের মুখে খাদ্য তুলে দেয়া। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


রুট লেভেল থেকে বড় হয়েছি, প্রাচূর্যও দেখেছি ভরপুর। ফেসবুক থেকে জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন নেই। কাজ করতে এসেছি ঢাকা শহরে, ঢুকেছি রঙীন দুনিয়ায়। আমার চোখেও ঘোর লেগেছে সত্যি, এখনো যে লাগেনা সেটাও অস্বীকার করব না। সুযোগের অভাবে বেশ ধরে থাকা কোট টাই হ্যাট কিংবা ক্যাপওয়ালা ভদ্রলোকদেরও আমার চেনা আছে। আর কিছু আছে ভদ্রমহিলা পারফর্মার। তাদের কেউ কেউ অনেক গনিত সমাধান করে ইন্ডাষ্ট্রীতে প্রতিষ্ঠাও পেয়েছে। নামডাক অর্জন শেষে হয়েছে সোসাইটি গার্ল। এদের আচার ব্যবহার শব্দচয়ন আর হাসিমুখের অন্তরালে খদ্দের কালেকশন চলে। শুধু গান গেয়ে অভিনয় করে ইনকামের রাস্তা তৈরী করা সহজ ব্যাপার নয়। 

সমাজে তাদের জন্ম দেয়া নামধারী বন্ধু ডিরেক্টর কিংবা স্বামীরাও নেমে যায় ব্যবসায়। মুখে কুলুপ এঁটে নিজের আর্টিষ্ট বৌ’কে বারবনিতা বানিয়ে ছেড়ে দেয় লোকালয়ে। সুযোগ পাওয়া কামাতুর বিত্তশালীরা সেই পতিতাদের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজে একটা অবস্থান তৈরীতে সহযোগীতা করে। আমরা শো’বিজের লোকজন এদেরকে চিনি। আমার কুমিল্লা’র ভাগ্নী পতিতাদের চেয়ে এরা আরো ভয়ঙ্কর। এ সমস্ত কলগার্ল কিংবা সোসাইটি গার্লদের কিছু ফ্যানফলোয়ার থাকে মজা লুটার জন্য। আমিও তাদের কাউকে ভাগ্নী বোন ভাবী ভেবেছিলাম, এখনো হয়তো ভাবতে বাধ্য হই। আসলে এগুলা সব হাওয়াই মিঠাই। আমরা পতিতা বলতে যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে দেহ ব্যবসার আদিরুপ। আমাদের জগতে সেই সোসাইটি গার্লরা ফেসবুক ষ্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে আরো বেশী মার্কেটিং করে। 

বিত্তশালী হওয়ার সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা, অবশ্য এতে সময় কম লাগে। টাকার অভাবে থাকা মেয়ে আর্টিষ্টটা আজ ফাইভ ষ্টার হোটেলে পার্টি করছে পয়সাওয়ালা ফূর্তিবাজদের সঙ্গে। আর দোষ হচ্ছে বাচ্চাকাচ্চাদের মুখের খাবারের জন্য দিনের পর দিন জীবনের আনন্দ মাটি করে বেঁচে থাকা সেই রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো মেয়েদের। আমার আশেপাশেও এরা আছে, ফনা তুলে নেচে চলছে মনের আনন্দে। পার্থক্য শুধু ষ্ট্যাটাসে, কেউ রাস্তায়, কেউ গ্র্যান্ড সুলতান কিংবা  ইন্টারকন্টিনেন্টালের মত ফাইভষ্টার হোটেলে। নিজেকে বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত নিতেই হলো - শত্রুর বন্ধুই আমার সবচেয়ে বড় শত্রু। শত্রুর সাথে মেলামেশা করা কেউ কখনোই আমার বন্ধু হতে পারেনা। এদের বিষমাখা ফনাওয়ালা উদ্ধত শির পিষে ফেলতে হবে পায়ের তালুতে। 

ভালবাসা অবিরাম...

(ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

অনলাইন ডেস্ক

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

নাসিরের স্ত্রী তামিমা তাম্মী (সুবাহ'র ফেসবুক থেকে নেয়া)

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন। এরপর থেকেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে আগের স্বামী রাকিবকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা তাম্মি।

বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নাসিরকে একহাত নেন তার সাবেক প্রেমিকা হুমায়রা সুবাহ। এবার নাসিরের স্ত্রীকে একহাত নিলেন সুবাহ।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। 

সেখানে নাসিরের স্ত্রীকে জাতীয় ভাবী আখ্যায়িত করেন তিনি। 

তার স্ট্যাটাসটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি। অন্যেদের লেখা পড়ছি, মনটা বেদনায় ভারাক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু মাঝে মাঝে ভীষণ মজাও পাচ্ছি। চিড়িয়ারখানার বান্দর দেখে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা যেমন আনন্দ পায় তেমন আনন্দ। বলবেন, কেন!

উত্তরটা হচ্ছে, যে আইনে মোসতাকের জীবনবাতি নিভে গেল, সে আইনটা যখন খসড়ার স্তরে, তখন টিভিতে টিভিতে এ আইনের পক্ষে, এমন আইনের অপরিহার্যতা তুলে ধরে পালাগান গাওয়া সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই এখন মোসতাকের জন্য বেদনাতুর মর্শিয়া গাইছেন, লিখছেন। এরা নিখাদ খচ্চর, বদ বান্দর।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি আমরা সবাই চুপ থাকি বলেই লেখক মুশতাক আহমেদরা মারা যান

শরীফুল হাসান

আমি আমরা সবাই চুপ থাকি বলেই লেখক মুশতাক আহমেদরা মারা যান

আড়াইবছর আগে যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হয় বারবার এই কথাগুলো লিখেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু বাংলাদেশ নয় সারা পৃথিবীর মধ্যে প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে জঘন্য হবে ডিজিটাল এই নিরাপত্তা আইন।

লিখেছিলাম, এটি কালা আইন। মুক্তমত প্রকাশে বিশ্বাসী এই আমি তীব্র ঘৃণাভরে এই আইন প্রত্যাখান করলাম। আফসোস সেদিন বহু মানুষ চুপ ছিল। আর উন্নয়নের গল্প বলনেওয়ালারা সেদিনও উন্নয়নের গল্প বলছিলো। উন্নয়নের এই ফেরিওয়ালাদের হয়তো বোধোদয় হয়নি কিন্তু গত আড়াই বছরে এই জাতির আশা করি বোধোদয় হয়েছে। কাজেই চলুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলি।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


মনে রাখবেন এই যে আমি আমি আমরা সবাই চুপ থাকি তার কারণেই লেখক মোশতাক আহমেদরা মারা যান, কিশোররা জেলে থাকে। আমি আপনি কেউই এই দায় অস্বীকার করতে পারব না।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বয়স যখন ষাট!

জসিম মল্লিক

বয়স যখন ষাট!

আমি ষাটের দ্বারপ্রান্তে প্রায় পৌঁছে গেছি! আর কয়দিন পরই ষাট পূর্ণ হবে। ভাবতেই একটা আনন্দের অনুভূতি হচ্ছে! আবার একটু টেনশনও হচ্ছে! ষাট বছর! অনেকদিনইতো। এতো বছর ধরে বেঁচে আছি! মাই গড! আবার ষাট এমন কোনো বয়সই না। এখনকার হিসাব অনুযায়ী ষাট মাত্র মধ্যবয়স। সেটা ভেবেই আনন্দের অনুভূতি। আর টেনশন হচ্ছে আমার বয়সী অনেকেই হুট হাট করে চলে যাচ্ছে যে!

আমার বয়স নিয়ে আমার ছেলে মেয়ে দু’জনের দুই রকম মনোভাব। অর্ক বলবে বাবা তোমার এখন একটু সবধানে সবকিছু করতে হবে। বয়স বাড়ছে না! সময় মতো খাবা, নিয়মিত জীম করবা, সাড়ে ছয়টায় ডিনার এবং এগারেটার মধ্যে বেডে যাবা। রাত জেগে লিখবা না। সকালে লিখবা। জাঙ্ক একদম খাবানা। এই কথাগুলো অরিত্রিও এবং সবসময় হেলথি খাবার খেতে বলবে। কিন্তু বয়স যে হচ্ছে এটা অরিত্রি একদম মানতে চায় না। আজকেই জেসমিনকে বলল, মা, তুমি এমন এ্যাক্ট করছ যেনো বাবার বয়স সত্তুর। বাবা, স্টিল ইয়ং। শুনেই মনটা ভাল হয়ে গেলো!

টরন্টো ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

১৯ বছর পর অস্ত্রোপচার করে যমজ বোনে পরিণত হলেন যমজ দুই ভাই


news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর