কেন খাবেন কুমড়ার বিচি?

অনলাইন ডেস্ক

কেন খাবেন কুমড়ার বিচি?

দৈহিক চাহিদা মেটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সব পুষ্টি উপাদান এর সমন্বয় করা।

খাবারের কম্বিনেশন অর্থাৎ কোন খাবারের সঙ্গে কোন খাবার খেলে পুষ্টি সরবরাহ সঠিক হবে এবং কিভাবে খেলে তা আমাদের দেহের চাহিদা মিটিয়ে সঠিক পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি দৈহিক সুস্থতা বজায় রাখবে, সেই দিকে যদি আমরা আলোকপাত করি, তাহলে বহুলাংশেই অনেক জটিল রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

তাই আমাদের ডায়েট চার্টে প্রতিদিন রাখা উচিত পুষ্টিগুণে ভরপুর কিছু খাবার। আর এমনই এক খাবার মিষ্টি কুমড়ার বিচি। যদিও আমাদের অনেকেই এটাকে আবর্জনা মনে করে ফেলে দিই। কিন্তু এর পুষ্টিগুণ জানা থাকলে আপনার চোখ কপালে উঠে যেতে পারে।

দেখে নেয়া যাক এর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা-

- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক আর ম্যাগনেসিয়াম যা অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে।

- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক, ফাইটোকেমিক্যাল যা রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

- এতে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে।

- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।

- এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে।

- এতে রয়েছে সেরোটোনিন নামের রাসায়নিক উপাদান যা স্নায়ুতন্ত্রের চাপ কমিয়ে অনিদ্রার সমস্যা কাটাতে সাহায্য করে।

- এতে রয়েছে ডিএইচইএ (ডাই-হাইড্রো এপি-অ্যান্ড্রোস্টেনেডিয়ন) যা পুরুষের প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে কমায় প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি।

- কুমড়োর বীজ রক্তের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া এতে থাকা ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।


মিয়ানমারের উপর আবারও নিষেধাজ্ঞার হুমকি বাইডেনের

বাচ্চার নাম 'ভামিকা' নিয়ে বিপাকে বিরাট-আনুশকা

যমজ দুই বোনের সঙ্গে যমজ দুই ভাইয়ের বিয়ে

রোষের মুখে ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী আইনপ্রণেতা


news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে যা খাবেন

বিষণ্ণতা ও মানসিক অস্থিরতা শুধু মন নয়, ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে শরীরেও। এছাড়া অনেকেই বলে থাকেন শরীরের ব্যথা যত সহজে নিরাময়যোগ্য, মনের ব্যথা ততোটা নয়।

ঘন ঘন মন খারাপ বা মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে তাই পরামর্শ নিতে হবে মনরোগ বিশেষজ্ঞের। অবশ্য সমাধান দিয়েছেন পুষ্টিবিদরাও। মন খারাপ ভাব কাটানোর জন্য আছে বিশেষ কিছু খাবার। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু পুষ্টিকর খাবারের নাম-

ভিটামিন বি-১২

অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি বেড়ে যায় 'ভিটামিন বি ১২' এর অভাবে। গড়ে প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন ২.৪ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ 'ভিটামিন বি ১২' এর দরকার হয়। পনির, কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ- এসব 'ভিটামিন বি ১২' এর চাহিদা পূরণে বেশি ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিজ্ঞান বলে 'ভিটামিন বি ১২' আমাদের শরীরে ভালো লাগার হরমোনকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

ভিটামিন সি

'ভিটামিন সি'-কে বলা যেতে পারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার যম। জটিল পরিস্থিতিতে পড়লে আগে এক গ্লাস কমলার জুস খেয়ে দেখা যায়। মাথার ভার অনেকটাই কমে আসবে। মনকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন সি অনবদ্য।


ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শুকরের খামার গড়ছে হুয়াওয়ে

হাতে নেই ছবি, তবুও বিলাসবহুল জীবনযাপন?

১৪ বছরের সুন্দরী কিশোরীকে বিয়ে করে বিপাকে পাকিস্তানি এমপি

মিয়ানমারের আর্থিক সংকট নিয়ে নতুন গুজব, আতঙ্কিত গ্রাহকেরা


ভিটামিন ডি

মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতে ভিটামিন ডি ভালো কাজ করে। এই ভিটামিন মেজাজ খিটখিটে হতে বাধা দেয়। কোনও কারণ ছাড়া হতাশা গ্রাস করলে বুঝবেন শরীরে হয়তো 'ভিটামিন ডি' এর ঘাটতি আছে। এর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায় সহজেই। দুধ, কুসুমসহ ডিম, সূর্যের আলো 'ভিটামিন ডি' এর জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করুন।

ম্যাগনেসিয়াম

মানসিক যেকোনও সমস্যা মোকাবিলায় ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক বললেও ভুল হবে না। ডার্ক চকলেট, পালং শাক, বাদামে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মানসিক চাপ কমানোর গোপন কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক চাপ কমানোর গোপন কৌশল

পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু— এসব বিভিন্ন কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। এই মানসিক চাপ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাপ কমানো জরুরি।চুইংগাম চিবালে মানসিক চাপ ও  দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। এর কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় ব্রেনে রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয়।

আবার কেউ কেউ বলেন চুইংগামের স্বাদ এবং গন্ধ দুশ্চিন্তামুক্ত হতে সহায়তা করে। ঘরের বাহিরে সময় কাটানোর ফলে মানসিক চাপ কমে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় ঘরের কাছে হলেও কয়েক মিনিট বাহিরে সময় কাটিয়ে আসলে মানসিক চাপ কমবে এবং আপনি সতেজ ও চাঙ্গা অনুভব করবেন।


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


 

প্রকৃত হাসি আপনার মানসিক চাপ কমায়। তাই যতদূর সম্ভব আমাদের হাসি মুখে থাকা উচিত। ল্যাভেন্ডার সৌরভ যেমন ল্যাভেন্ডার এয়ার ফ্রেশনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্ততঃ একটি গান শুনুন। গান মানসিক চাপ কমায়। গান ব্রেনে ডোপামিন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে থাকে, যা আপনার মুডকে উজ্জীবিত করে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। ব্রেথিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়াম  আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়ামে লম্বা করে দম নিন এবং ধীরে ধীরে দম ছেড়ে দিতে হবে। অন্তত দিনে দশ বার এভাবে ব্রেথিং এক্সারসাইজ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে। মানসিক চাপ অনুভব করলে আপনি ডায়েরীর পাতায় বা কোনো স্থানে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখুন এবং একটা সময় পর দেখবেন  সমস্যার সমাধান আপনি নিজ থেকেই পেয়ে যাবেন। ফলে আপনার মানসিক চাপ থাকবে না।

সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্ব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার কোনো ভাল বন্ধু থাকলে বা আপনজন কাউকে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন, দেখবেন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। তবে আপনার  বন্ধু বা আপনজন যদি স্বার্থপর হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমার বদলে বরং বেড়ে যাবে। তাই আপনার বন্ধু বা আপনজন কে তা আপনাকে জানতে হবে। প্রতিদিন দিনে অন্ততঃ একবার সকালে বা বিকালে ব্যয়াম করার অভ্যাস করুন। একটু হাটা-চলা, নৌকা চালানো বা শারীরিক পরিশ্রম আপনার মানসিক অবস্থা ভাল রাখতে সাহায্য করে।

ব্যয়াম করলে এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ কমায় এবং আমাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। এন্ডোরফিন অর্থ এন্ডোজেনাস মরফিন যা সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত। আমাদের কিনতে হয় না। এন্ডোরফিন নিঃসৃত হলে মনে কোনো ব্যাথা বেদনা থাকলে তা কমিয়ে দেয় এবং মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। একটি কথা সবার জানা দরকার মানসিক চাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে মুখের অভ্যন্তরে যে সব রোগ পরিলক্ষিত হয় তা সহজে ভাল হতে চায় না। তাই মুখের রোগে ভাল হতে চাইলে আপনাকে মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে।  

চাপ দূর করতে কী করা প্রয়োজন, এর জন্য একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার চাহিদা অনুসারে তালিকাটি সাজান এবং সেই তালিকা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই পদক্ষেপগুলোর চর্চা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লাইপোমা বা চর্বি গঠিত টিউমার

অনলাইন ডেস্ক

লাইপোমা বা চর্বি গঠিত টিউমার

চর্বি বা ফ্যাট: মানব দেহের মধ্যে ফ্যাট বা চর্বি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ত্বকের নীচের ফ্যাট বা সাব কিউটেনাস ফ্যাট মানব শরীরকে তাপ-শৈত্যের প্রভাব থেকে রক্ষা করে। প্রত্যেক মানব শরীরে এই চর্বি বা ফ্যাট কম বা বেশি পরিমাণে  আছে।

লাইপোমা- আর ত্বকের নীচের এই ফ্যাট বা চর্বি মাঝে মাঝে মানবের সাথে বৈরী আচরণ করে। ফ্যাট টিস্যু এক যায়গায় অথবা শরীরের বিভিন্ন যায়গায় জমা হয়ে গুটির আকার ধারণ করে  লাইপোমা বা এক ধরনের চর্বি জাতীয়  টিউমার তৈরি করে। 

বৈশিষ্ট্য: লাইপোমা একটি নির্দোষ টিউমার যা চর্বিযুক্ত টিস্যু দিয়ে গঠিত। নরম টিস্যু দ্বারা গঠিত টিউমারগুলোর মধ্যে লাইপোমা হচ্ছে সবচেয়ে সাধারণ। লাইপোমাগুলোতে হাত দিয়ে স্পর্শ করলে নরম অনুভূত হয়, সাধারণত নড়ানো চড়ানো যায় এবং সাধারণভাবে এগুলো ব্যথাহীন। অনেক লাইপোমা ছোট আকারের, সাধারণত এক সেন্টিমিটার ব্যাসের কম; কিন্তু কোনো কোনো লাইপোমা ছয় সেন্টিমিটারের চেয়ে বড় আকারের হতে পারেবা তার চেয়েও বড় হতে পারে।

কাদের হয়- সাধারণত নারী - পুরুষ উভয়ের হয়ে থাকে। ৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সের লোকদের এটি বেশি  হতে দেখা যায়, তবে শিশুদেরও এটা হতে পারে। কেন এই লাইপোমা হয়?  এই বিষয়ে তেমন কোন তথ্য পাওয় যায় নাই। কারও কারও মতে লাইপোমা দীর্ঘ দিন শরীরে অবস্থান করলে শরীরের মধ্যে এটি সংখ্যায় বেড়ে যায় এবং শেষ ধাপে ক্যান্সারে রূপান্তর হতে পারে।
লাইপোমা মানব শরীরের  ঘাড়, পিঠ, কাঁধে,  হাতের কব্জি, পেট, উরু এবং  হাতে হয়ে থাকে। এক কথায় এটি শরীরের যেকোন জায়গায় হতে পারে। 

লাইপোমার প্রকার-
বিভিন্ন ধরনের লাইপোমা রয়েছে। যেমন-
১। অ্যানজিওলাইপোমাঃ ত্বকের নিচে ব্যথাপূর্ণ গোটা। লাইপোমায় অন্য সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
২। অ্যানজিও লাইপো লিওমায়োমাঃ এটি অর্জিত লাইপোমা। একক উপসর্গবিহীন গোটা। ত্বকের নিচে গোলাকার টিউমার। পরীক্ষা করলে নরম মাংসপেশি কোষ, রক্তনালি, সংযোজক কলা ও চর্বি পাওয়া যায়।
৩।নিউরাল ফাইব্রোলাইপোমাঃ নার্ভ ট্রাংক বরাবর ফাইব্রো-ফ্যাটি টিস্যুর অতিরিক্ত বৃদ্ধি। নার্ভে চাপ পড়ে।
৪।কনড্রয়েড লাইপোমাঃ  মহিলাদের পায়ের গভীরে হয়। শক্ত, হলুদ টিউমার।
৫।স্পিনডল-সেল লাইপোমাঃ উপসর্গবিহীন। বয়স্ক পুরুষদের পিঠ, ঘাড় ও কাঁধের ত্বকের নিচে হয়। ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
৬।প্লিওমরফিক লাইপোমাঃ স্পিনডল-সেল লাইপোমার মতো এই লাইপোমাগুলো বয়স্ক পুরুষদের পিঠের বেশিরভাগ জায়গায় ও ঘাড়ে হয়ে থাকে।
৭। ইন্ট্রাডার্মাল স্পিনডল সেল লাইপোমা : এই লাইপোমা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মহিলাদের হয়। সচরাচর মাথা, ঘাড়, পেট, বুক, পিঠ এবং হাত ও পায়ে হয়ে থাকে।
৮।হাইবারনোমাঃ এই লাইপোমাতে থাকে বাদামি চর্বি। লাইপোমার সবচেয়ে সাধারণ ধরন হলো সুপারফিসিয়াল সাবকিউটেনিয়াস লাইপোমা, অর্থাৎ ত্বকে ঠিক নিচে অবস্থানকারী লাইপোমা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এগুলো বুক, পিঠ, পেট, উরু এবং হাতে দেখা যায়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কম ঘুমে কমে আয়ু

অনলাইন ডেস্ক

কম ঘুমে কমে আয়ু

রাত হলে সময় মতো বিছানায় যান ঠিকই কিন্তু ঘুম আসে না কিছুতেই! ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের প্রায় অর্ধেকটাই পার হয়ে যায় বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে। এমন সমস্যায় যারা আছেন, তারা অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের সাহায্য নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

এবার জেনে নেওয়া যাক, কম ঘুমের জন্য শরীরে কী কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে...


উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বৃদ্ধি করে

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বা কম হলে বাড়তে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। চিকিৎসকদের মতে, না ঘুমালে আমাদের শরীরের ‘লিভিং অরগানিজম’গুলো ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। নষ্ট হতে পারে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য। বাড়তে পারে উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপার টেনশনের মতো সমস্যা।

হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি করে

আমরা যখন ঘুমাই, তখন আমাদের হৃদপিণ্ড ও রক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়। কিন্তু ঘুম না হলে বা কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সমস্যা বাড়তে থাকে।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়

দীর্ঘদিন রাতে না ঘুমানো বা কম ঘুমানোর ফলে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন ব্যাহত হয়। যার ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।


আমি কাপুরুষ নই, আমি সিংহী : ফারিয়া শাহরিন

সোহানা সাবার প্রাণপণে চাওয়া‍!

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম


শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে

ঘুম মূলত আমাদের শরীরের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ ও শক্তি সঞ্চয়ের একটি পন্থা। যখন আমরা ঘুমাই, তখন আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী ‘লিভিং অরগানিজম’ কাজ করতে থাকে। কিন্তু আমরা না ঘুমালে এই ‘লিভিং অরগানিজম’গুলো কাজ করতে পারে না। ফলে ক্রমশ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়

মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে, যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ওরেক্সিন উৎপাদনের গতি মন্থর হয়ে যায়। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম না পেলে অতিরিক্ত বিষণ্ণতা, হ্যালুসিনেশন, স্মৃতিভ্রংশের মতো একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। দিনে দিনে নিজের বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও লোপ পেতে পারে।

হজমের সমস্যা বৃদ্ধি করে

প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বাড়তে পারে হজমের সমস্যাও। আমরা না ঘুমালে আমাদের শরীরের পাচনক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে খাবার হজমে সহায়ক পাচক রসগুলো উপযুক্ত মাত্রায় নিঃসরণে বাধা পায়। তাই হজমের নানা সমস্যা শুরু হয়।

সুতরাং, ঘুম আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি পন্থা। আমাদের দৈহিক প্রায় সকল কার্যকলাপই ঘুমের উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই কোন রকম অবহেলা না করে নিয়মিত প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানো অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু যদি নিয়মিত স্বাভাবিকভাবে ঘুম না আসে, তাহলে ইচ্ছেমতো ওষুধ না খেয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

এছাড়া শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম, খেলাধুলা ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। আর স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে চেষ্টা করুন। অবশ্যই ঘুমের সময়ে মোবাইল ঘাঁটাঘাটি থেকে দূরে থাকবেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যা খেলে পরিপুর্ণ ঘুম হয়

অনলাইন ডেস্ক

যা খেলে পরিপুর্ণ ঘুম হয়

সুস্থ জীবনযাপনে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ঘুম না হলে দেখা দিতে পারে নানাবিধ সমস্যা। সারা দিনের কর্মব্যস্ততার পর আমরা যখন ক্লান্ত হয়ে যাই, তখন আমাদের সবার কাম্য পরিপূর্ণ ঘুম। আজ জানব, কোন খাবার ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে আর কোন খাবারগুলো ঘুম আনতে সহায়তা করে।

ঘুমের সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক রয়েছে। এ জন্য কিছু খাবার গ্রহণ করতে হয়, কিছু খাবার বর্জন করতে হয়। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য পরিপূর্ণ ঘুম খুবই দরকার। গবেষকেরা মনে করেন, যাঁদের পরিপূর্ণ ঘুম হয়, তারা অনেক দিন পর্যন্ত সুস্থ থাকতে পারেন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা এ জন্য আবশ্যক।


আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

পুরুষ নিষিদ্ধ গ্রামেও যেভাবে গর্ভবতী হন নারীরা!

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)


 

কিছু খাবার ঘুমের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এর মধ্যে কফি অন্যতম। কফিতে আছে প্রচুর ক্যাফেইন, যা শারীরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ডার্ক চকলেট, যা হার্টের জন্য ভালো; কিন্তু ঘুমের জন্য ক্ষতি করছে। সফট ড্রিংকসকে আমরা ‘স্লিপ কিলার’ হিসেবে আখ্যা দিতে পারি। ওয়াইন আমাদের স্নায়ুকে দুর্বল করে ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারগুলো আমাদের নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটায়।

কোন খাবার ঘুম আনয়নে সহায়তা করে
কিছু কিছু খাবার আছে, যা আমাদের ঘুমের জন্য সহায়ক। তার মধ্যে দুধ অন্যতম। দুধে আছে ট্রিপটোফেন নামক একটি উপাদান, যা মস্তিষ্কের সেরোটোনিনের খুব ভালো উৎস। তাই রাতে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য আমরা এক গ্লাস দুধ পান করতে পারি। 

এ ছাড়া আছে কিছু ফর্টিফায়েড সিরিয়ালস, যা আমাদের রাতের খাবারে থাকলে তা ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুম এনে দেয়। এর মধ্যে ব্রাউন ব্রেডের কথা আমরা বলতে পারি; ব্রাউট আটার রুটি, ওটস—এ জাতীয় খাবারগুলো। এ ছাড়া মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম; যা মাংসপেশিকে শিথিল করে সুন্দর ঘুম এনে দেয়। আর একটি ভালো উপাদান হচ্ছে হারবাল টি, এটিও ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর