৬ মাসেই সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক

৬ মাসেই সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম হয়েছে। নভেম্বর মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছিল। তবে ডিসেম্বর মাসে এই বিক্রির পরিমাণ নভেম্বরের তুলনায় কমেছে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এরই মধ্যে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অর্থ্যাৎ অর্থবছরের ছয় মাসের মধ্যে ২০ হাজার ৪৮৭ কোটি ১২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের প্রকৃত বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

ডিসেম্বর মাসে ১ হাজার ৪৪২ কোটি ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। তবে নভেম্বর মাসের তুলনায় ডিসেম্বরে ১ হাজার ৯৬০ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বিক্রি কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারের সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকায় অতিক্রম করতে পারে।

সঞ্চয় অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের শেষে সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণ ৩৯০ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেড়ে ৩ হাজার ২১১ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় দাঁড়াতে পারে।

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ঋণের সুদ ৯ শতাংশ বাস্তবায়ন করার পরে অধিকাংশ ব্যাংক আমানতের সুদ ৬ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। অপরদিকে কিছু কিছু ব্যাংকের আমানতের সুদ ২ শতাংশ পর্যন্ত নেমেছে।

এখনো সঞ্চয়পত্রের সুদ ১২ শতাংশ হওয়ায় ১০ শতাংশ ট্যাক্স দেয়ার পরও মানুষ সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকেছে।


আল-জাজিরার প্রতিবেদন মিথ্যা ও মানহানিকর: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন

নিউ ইয়র্ক পুলিশের লে. কমান্ডার হলেন বাংলাদেশি শামসুল হক


২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছিল ৪৯ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা। তবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরের শুরুতেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। আর ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতির অর্থায়নে সরকার সঞ্চয়পত্র বিক্রিসহ অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনার মধ্যেও ভারতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক

করোনার মধ্যেও ভারতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বেড়েছে

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেও ভারতে বেড়েছে শতকোটিপতির সংখ্যা। দেশটিতে ২০১৯ সাল শেষে শতকোটিপতির সংখ্যা ছিল ১০৪। অন্যদিকে ২০২০ সাল শেষে যা হয়েছে ১১৩ জন।

এ তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা সংস্থা নাইট ফ্রাংকের ‘দ্য ওয়েলথ রিপোর্ট-২০২১’ অনুযায়ী। আসছে ২ মার্চ নাইট ফ্রাংক পুরো প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ ভারতে শতকোটিপতির সংখ্যা ৪৩ শতাংশ বাড়বে। ১৬২ জনে পৌঁছাবে।


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনার কারণে দেশটিতে ২০২০ সালে মোট সম্পদের পরিমাণ যাদের ১০ লাখ ডলারের ওপরে এবং ৩ কোটি ডলারের বেশি এমন ধনীর সংখ্যা কমেছে। মোট সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ ডলারের বেশি হলে তাদের হাই নেট ওয়ার্থ ইনডিভিজুয়্যালস (এইচএনডব্লিউআই) বলে।

যাদের ৩ কোটি ডলারের ওপরে তাদের আলট্রা হাই নেট ওয়ার্থ ইনডিভিজুয়্যালস (ইউএইচএনডব্লিউআই) বলে। ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২০ সালে এইচএনডব্লিউআই কমেছে সাড়ে ৩ লাখ। ইউএইচএনডব্লিউআই কমেছে ৬ হাজার ৮৮৪ জন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুপারশপে লোভনীয় অফারের চাপে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

নাঈম আল জিকো

বাহারি রকমের অফার ও অতিরিক্ত মূল্য ছাড়ের নামে সুপার শপ গুলো প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে বলে অভিযোগ, ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের। 

তারা বলছেন, তাদের এসব অফারের কারণে লোকশান গুনতে হচ্ছে তাদের। অনেকে লোকশানের ঘানি টানতে না পেরে এরই মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে চলেও গেছেন। 

রাজধানীর মোহাম্মাদপুর টাউনহল বাজারের দৃশ্য এটি। বাজারে নেই ক্রেতার সমাগম। তাই ব্যবসা কেমন চলছে তা জানতে চাইলে বিক্রেতারা বলছেন, সুপার শপের কারণে দিন দিন ক্রেতা হারাচ্ছেন তারা।

অভিযোগ স্বল্প মূল্যে খারাপ পণ্য গছিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার করার পাশাপাশি তাদের ব্যবসাকেও ক্ষতিগ্রস্থ করছে তারা।  

তাদের কথা যাচাই করতে রাজধানীর সুপার শপগুলো ঘুরে দেখা যায়, চটকদার সব অফার।রয়েছে একটি পণ্যের সাথে আরেকটা ফ্রি। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিক্রি করতে দেখা যায় বেশ কিছু পণ্যও। 


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


প্রতিদিন শত শত মানুষ প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ভিড় করেন এসব বিপণী বিতানে।অথচ সেসব ক্রেতাদের সুবিধার কথা চিন্তা করেও, কোন বিপণীবিতানে রাখা হয়নি টয়লেটের ব্যববস্থা। ঘাপলা রয়েছে কর্মি নিয়োগের ক্ষেত্রেও।

যা নিয়ে কর্মকর্তাদের কথার সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি কর্মচারীদের। রাজধানীতে যানজট সৃষ্টির অনেকগুলো কারণের মধ্যে, সুপার শপের পার্কিং অব্যবস্থাপনা অন্যতম। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রেমিট্যান্স প্রণোদনার আরও ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়

অনলাইন ডেস্ক

রেমিট্যান্স প্রণোদনার আরও ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়

অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৮ ( আট) শর্তে রেমিট্যান্সের বিপরীতে প্রবাসীদের নগদ প্রণোদনা দিতে আরও ১ হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে সরকার। সম্প্রতি চলতি (২০২০-২১)অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের রেমিট্যান্স প্রণোদনা বাবদ এই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ছাড় করা হয়েছে।

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো উৎসাহিত করতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রতি ১০০ টাকায় দুই টাকা করে নগদ প্রণোদনা পাচ্ছেন প্রবাসীরা। এই প্রণোদনা দিতে চলতি অর্থবছরে বাজেটে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গত অর্থবছরেও একই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। 

অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সরকারের রেমিট্যান্স প্রণোদনা খাত থেকে চলতি অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তি বাবদ এই এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর আগে গত নভেম্বরে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এই তিন মাসের জন্য দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ এক হাজার ৩২০ কোটি টাকা ছাড় করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। তার আগে আগস্টের শেষের দিকে প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় করা হয়। নিয়মানুযায়ী চার কিস্তিতে রেমিট্যান্স প্রণোদনার অর্থ ছাড় করে আসছে সরকার। তবে রেমিট্যান্সের ঝোড়ো গতির কারণে চলতি অর্থবছরে তিন কিস্তিতে বাজেটে বরাদ্দ অর্থের পুরোটাই শেষ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। তাই চতুর্থ কিস্তির অর্থ অন্য খাত থেকে এনে দেওয়া লাগতে পারে। 

রেমিট্যান্স প্রণোদনার তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রণোদনা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে এক হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ছাড় করা হলো। তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে প্রাপ্ত প্রণোদনা দাবির বিপরীতে সময়ে সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মতিঝিল অফিসে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাবে ক্রেডিট করার মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রণোদনার অর্থ পরিশোধ করবে। তবে এ ক্ষেত্রে আটটি শর্ত পরিপালন করতে হবে।

এগুলো হলো এই ছাড়কৃত অর্থ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুকূলে খাতভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রণোদনার অর্থ পরিশোধ করতে হবে। দাবি পরিশোধের পর নিরীক্ষায় প্রাপ্য অর্থের চেয়ে বেশি পরিশোধিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অর্থ আদায়পূর্বক গ্রহীতার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অর্থ বিভাগকে অবহিত করতে হবে। এই অর্থ ব্যয়ে প্রচলিত সব আর্থিক বিধিবিধান ও অনুশাসনাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। চলতি অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স প্রণোদনা পরিশোধে বিদ্যমান পদ্ধতি এবং এর প্রভাব সম্পর্কে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন অর্থ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে। কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ সংযুক্ত তহবিল থেকে উত্তোলন করা যাবে। রেমিট্যান্স প্রণোদনা পরিশোধে ছাড়কৃত অর্থের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং এই অর্থের যাতে কোনো ব্যত্যয় না ঘটে সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রদানের বিপরীতে প্রণোদনা প্রদানের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। 


দেশে গেলে ডাভ সাবান-চকলেট নেওয়ার কারণটা এবার বুঝছি

সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মজীবন

রোজার আগেই পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের সম্ভাবনা: কবিতা খানম


এদিকে প্রণোদনা দেওয়ার পর থেকে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে রেমিট্যান্সে। এমনকি মহামারি করোনার মধ্যেও তাতে কোনো ছেদ পড়েনি। উল্টো স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে করোনার সময়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম ১১ দিনেই ৮২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের মাস জানুয়ারির পুরো সময়ে আসে ১৯৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স। সব মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের হিসাবে (জুলাই-জানুয়ারি) রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৪.৯৫ শতাংশ। এ সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৪৯০ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। সেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ১০৪ কোটি ৬৩ লাখ ডলার।

এদিকে সদ্যোবিদায়ি ২০২০ সালে রেমিট্যান্স আহরণে অনন্য রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। গত বছরে দেশে দুই হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ (২১.৭৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে এক বছরে বাংলাদেশে এত রেমিট্যান্স আর কখনো আসেনি। এটি তার আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বা ১৮.৬০ শতাংশ বেশি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসের শুরুতে বোরো ধান উঠবে। এর মধ্যেই আমরা ১০ লাখ টন খাদ্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন খাদ্য এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম না কমা পর্যন্ত দেশেও এই পণ্যের দাম কমবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

রোববার দুপুর ২টার দিকে রংপুর জেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। ১০ লাখেরও বেশি টাকা ব্যয়ে আধুনিক নকশা কারুকাজে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়েছে।

আসন্ন রমজান মাসে খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণসহ দ্বিগুণ খাদ্য আমদানির জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, টিসিবি বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য আমদানির চিন্তা করছে, যাতে কোনো অবস্থায় সাধারণ মানুষের কষ্ট না হয়।


ঘুমের চাইতে নামাজ উত্তম

মেয়েটা সিগারেট খাচ্ছে আর ড্রাইভ করছে পাশে বয় ফ্রেন্ড!

তামিমাকে আমি আর ফেরত নিতে চাই না: রাকিব

তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন সাকিব


মন্ত্রী আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ছয় মাস আগে তেলের দাম ৭০০ ডলার ছিল। এখন তা বেড়ে সাড়ে ১ হাজার ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। যার কারণে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও তেলের দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যদি না কমে তাহলে আমাদের দেশেও কমানো যাবে না। কারণ আমরা ৯০ ভাগ তেলই আমদানি করি। এজন্য টিসিবির মাধ্যমে কম দামে তেল দিতে চাইছি আমরা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খোন্দাকার ইব্রাহিম খালেদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন

অনলাইন ডেস্ক

খোন্দাকার ইব্রাহিম খালেদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


যে কারণে ইসলাম ছেড়ে ইহুদি ধর্মে কুয়েতের নারী কণ্ঠশিল্পী (ভিডিও)

প্রেমিকের ৫ খণ্ড মরদেহের পাশে বসে ছিলেন প্রেমিকা শাহনাজ

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল

কুরআন শরিফ ছিড়ে গেলে ইসলামের নির্দেশনা কি?


তিনি বলেন, ‘গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। আজ বিকাল থেকে তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর করা হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর