অপবাদ দেওয়ার প্রবণতা মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কে চিড় ধরায়

অনলাইন ডেস্ক

অপবাদ দেওয়ার প্রবণতা মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কে চিড় ধরায়

অপবাদ দেওয়ার প্রবণতা এক মানুষের সঙ্গে অপর মানুষের সুসম্পর্কে চিড় ধরায়। সামাজিক ও জাতীয় ঐক্যের জন্যও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এ ধরনের প্রবণতা। যে কারণে ইসলামে অপবাদ দেওয়ার প্রবণতাকে ধিক্কার দেওয়া হয়েছে। 

ইসলামী দৃষ্টিতে অপর মুসলমানকে অপবাদ দেওয়া কবিরা গুনাহ। মহান আল্লাহপাক বলেন, 'যারা বিনা অপরাধে বিশ্বাসী পুরুষ ও বিশ্বাসী নারীদের কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।' সূরা আহ্যাব-৫৮।


আল্লামা মামুনুল হককে বাধা দেয়ার খবরে মাদরাসা ছাত্রদের বিক্ষোভ

ইসরাইলের আরো একটি ড্রোন ভূপাতিত করল ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা

যে নফল নামাজে ১২ বছর ইবাদতের সাওয়াব পাওয়া যায়

২০ দেশের নাগরিকের সৌদি ঢোকা নিষেধ


আল্লাহপাক আরও বলেন, 'তোমরা একজন আরেকজনের দোষ তালাশ করে বেড়িও না এবং কারও অগোচরে গীবত কর না।' 

হজরত আয়েশা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত, নবীপাক (সা.) বলেন, 'কেয়ামতের দিন সেই হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিন্দনীয় ব্যক্তি, যার অশ্লীল কথা শোনার ভয়ে মানুষ তার কাছ থেকে দূরে থাকে বা তার সংশ্রব ত্যাগ করে। বোখারি ও মুসলিম।

মহান আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সদাচরণের তৌফিক দান করুন। আমিন

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘যাদের কাছে জীবনের চেয়ে ধর্ম বড়, তাঁরা মেলায় গেছেন’

তসলিমা নাসরিন

‘যাদের কাছে জীবনের চেয়ে ধর্ম বড়, তাঁরা মেলায় গেছেন’

কুম্ভ মেলায় হলো ২৮ লক্ষ লোকের ভয়ংকর ভিড়। গতকাল সকাল পর্যন্ত  কুম্ভ মেলার  ১৮ হাজার ১৬৯ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে। ১০২ জনের পজিটিভ। কোভিডের পর হতে পারতো এই মেলা। ১ জন কোভিড পজিটিভ কিন্তু ৪০০ জনকে সংক্রামিত করতে পারে। যাদের কাছে জীবনের চেয়ে ধর্ম বড়, তাঁরা মেলায় গেছেন।

মুসলমানদের মধ্যেও জীবনের চেয়ে ধর্মকে বড় ভাবার লোক প্রচুর। কিন্তু সৌদি আরব গতকাল এক নোটিশ জারি করেছে। টিকা যারা নেয়নি, তারা মক্কায় ঢুকতে পারবে না, কোনও হজ্ব বা উমরাহ করতে পারবে না। সৌদি আরব এত যে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, তারাও কিন্তু জানে, ধর্মের চেয়ে জীবন বড়।

news24bd.tv আহমেদ

আরও পড়ুন


মামুনুল হকের শ্বশুরকে আ.লীগের কারণ দর্শানোর নোটিশ

এলাকা না ছাড়তে ব্যাংক কর্মচারীদের কড়া নির্দেশ

ব্যাংকে লেনদেন ৩টা পর্যন্ত, কাল থেকে সব বন্ধ

জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সন্ধ্যায়


 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এমন উদ্ভট, অবাস্তব লকডাউনের নজির পৃথিবীর আর কোথায় আছে!

গোলাম মোর্তোজা

এমন উদ্ভট, অবাস্তব লকডাউনের নজির পৃথিবীর আর কোথায় আছে!

লকডাউন>নিষেধাজ্ঞা, সর্বাত্মক লকডাউন>বিধি-নিষেধ।

শিল্প-কারখানা খোলা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে আগামী ৭ দিন বের হওয়া যাবে না। আইজিপি বলেছেন, ‘লকডাউনে কাউকে রাস্তাঘাটে দেখতে চাই না।’

গরীবের খাদ্য পৌঁছানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। তারা না খেয়ে ঘরে বসে থাকবে!


আরও পড়ুনঃ


যেভাবে পাওয়া যাবে ‘লকডাউন মুভমেন্ট পাস’

চীনে সন্তান নেয়ার প্রবণতা কমছে, কমছে জন্মহার

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ

বাদশাহ সালমানের নির্দেশে সৌদিতে কমছে তারাবির রাকাত সংখ্যা


কয়েক লাখ মানুষ ঢাকা শহর ছেড়ে গ্রামে চলে গেল, এখনও যাচ্ছে। শুধু মানুষই তো গেল, তাদের সঙ্গে করোনাভাইরাস তো আর গেল না-তাই না? এখন বলবেন,মানুষ চলে গেলে আমরা কি করব!

এমন উদ্ভট, অদূরদর্শী, অবাস্তব লকডাউনের নজির পৃথিবীর আর কোথায় আছে!

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শহর থেকে দলে দলে গ্রামে ছুটলে লকডাউনের মানে হয় না

শওগাত আলী সাগর

শহর থেকে দলে দলে গ্রামে ছুটলে লকডাউনের মানে হয় না

মানুষের ‘মবিলিট’র (Mobility) সাথে কোভিড ভাইরাসের ছড়িয়ে পরার নিবিড় সম্পর্ক আছে। সে কারণেই ‘ঘরে থাকার’ বা ‘লকডাউনে’র প্রসঙ্গটি এসেছে।

মানুষ নিজ নিজ ঘরে থাকলে, বাইরে না বেরুলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পরা নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু লকডাউনের ঘোষণায় দলে দলে মানুষ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়, শহর থেকে গ্রামে ছুটতে শুরু করলে লকডাউনের মূল যে স্পিরিট সেটি আর কার্যকর থাকে না।
 
লকডাউনের ঘোষণায় হাজার হাজার কিংবা শতশত মানুষ যখন রাস্তায় বেরিয়ে পরে, গ্রামের উদ্দেশ্যে ছুটতে থাকে, তখন তারা তাদের সাথে কোভিডের  ভাইরাসকেও সঙ্গে নিয়ে যান। সারা রাস্তায় ভাইরাস ছড়াতে ছড়াতে তারা গ্রামে যান। গ্রামে গিয়ে সেখানেও ছড়ান।

আরও পড়ুন


‘দ্রুত মার্কিন সেনা বহিষ্কার ইরাকে স্থিতিশীলতা ফিরবে’

হবিগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য হলেন কানাডা প্রবাসী মাহমুদ

মামুনুলকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, আ. লীগের ২ পক্ষের সংঘর্ষ

বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও গণজমায়েত না করার নির্দেশ


আবার যাদের শরীরে এখনো ভাইরাস ঢুকতে পারেনি তারা রাস্তায় ভাইরাসের সংস্পর্শে আসেন। গ্রামে গিয়ে সংস্পর্শে আসেন। আবার লকডাউন কেটে গেলে যখন শহরে ছুটেন তখনো তারা ভাইরাস ছড়াতে ছড়াতে ছুটেন। লকডাউনের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের এই যে মবিলিটি, সেটি বন্ধ করা না গেলে লকডাউন আসলে অর্থহীন হয়ে যায়।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একসময় কাউকে কিচ্ছু বলতে হবে না

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু

একসময় কাউকে কিচ্ছু বলতে হবে না

করোনা নিয়ে লেখালেখি, টকশোতে বলাবলি, পরিপত্রের চালাচালিতে একটা কষে লকডাউন দিয়ে দিলেই করোনার ঝামেলা মিটে যায়। 

এরপর যে যার মতো কারখানা খোলা রাখুক, অর্থনীতির চাকা বনবন করে ঘুরুক, ঝাঁকবেঁধে ঈদের শপিং করুক, পকেটে, থুতনীতে মাস্ক টাঙিয়ে চলুক, কোনো সমস্যা নেই।


‘খেলাফত প্রতিষ্ঠা হলে ধরব আর জবাই করব’ বক্তব্য দেওয়া হেফাজত নেতা রিমান্ডে

ফরিদা পারভীনের ফুসফুসের ৫০ শতাংশ আক্রান্ত

সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও খোলা বসুন্ধরা সিটি শপিংমল

এদেশে জন্ম নেওয়া কি পাপ, প্রশ্ন নুরুর


একসময় কাউকে কিচ্ছু বলতে হবে না, বীরবাহাদুরদের রশি দিয়ে বেঁধেও ঘরের বাইরে আনা যাবে না,এখন যারা মাস্ক পরে না ওরা নিজেরাই দরজা জানালা আটকে ঘরের মধ্যেই মাস্ক পরে বসে থাকবে।

অটো লকডাউনে শপিংমল, রাজপথ,কারখানা এমনিতেই চিৎ হয়ে পরে থাকবে।

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু'র ফেসবুক থেকে নেওয়া

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একজন মওলানার অধঃপতন দেখে ইসলামকে গালমন্দ মূর্খতা

আসিফ নজরুল

একজন মওলানার অধঃপতন দেখে ইসলামকে গালমন্দ মূর্খতা

‘স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে, স্ত্রীকে খুশি করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে কোনো সত্যকে গোপন করারও অবকাশ রয়েছে। হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হকের দেওয়া এমন বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ব্যাপক সমালোচনায় অবশেষে এমন বক্তব্য সম্বলিত ভিডিও মামুনুল তার ফেসবুক পেইজ থেকে সরিয়ে ফেলেন। এ ইস্যুতে মামুনুল হককে গালি দেওয়ার পাশাপাশি ইসলাম ধর্মকেও গালমন্দ করে অনেকে।


‘খেলাফত প্রতিষ্ঠা হলে ধরব আর জবাই করব’ বক্তব্য দেওয়া হেফাজত নেতা রিমান্ডে

ফরিদা পারভীনের ফুসফুসের ৫০ শতাংশ আক্রান্ত

সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও খোলা বসুন্ধরা সিটি শপিংমল

এদেশে জন্ম নেওয়া কি পাপ, প্রশ্ন নুরুর


এ ব্যাপারে ফেইজবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

তার স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

‘একজন মওলানার অধঃপতন দেখে ইসলাম ধর্মকে গালমন্দ করা মূর্খতা বা শয়তানী কাজ। একজন মওলানার অধঃপতনকে ইসলাম ধর্মের কথা বলে যৌক্তিকতা দেওয়া তেমনি একটি মূর্খতা বা শয়তানী কাজ।’

আসিফ নজরুল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক (ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর