শিশু ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে দুই জনের ফাঁসির আদেশ

রতন মাহমুদ, শরীয়তপুর

শিশু ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে দুই জনের ফাঁসির আদেশ

শরীয়তপুরের সখিপুরের লিজা (১১) নামের এক স্কুল ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা ও মরদেহ গুম করার অপরাধে ফরিদ শেখ (৪০) ও জাকির শেখ (৩২) নামের দুজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার বেলা ১১টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ছালাম মিয়া এ আদেশ দেন। রায়ের সময় আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। এই সময় রাষ্ট্র পক্ষের পিপি এ্যাডভোকেট ফিরোজ আহমেদ ও আসামি পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট শাহ আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সখিপুর সরদার কান্দি গ্রামের মৃত ছামেদ শেখের ছেলে ফরিদ ও আব্দুর রাজ্জাক শেখের ছেলে জাকির শেখ ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই বেলা সারে ১১টায় টাকার দিকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি খালি ঘরে নিয়ে শিশু লিজাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা বলে দেওয়ার ভয়ে লিজাকে হত্যা করে পাশ্ববর্তী পাটক্ষেতে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে গলিত অবস্থায় শিশু লিজার মরদেহ উদ্ধার করে সখিপুর থানা পুলিশ। এই বিষয়ে লিজার পিতা লেহাজ উদ্দিন শেখ বাদী হয়ে থানায় মামলা করে।

আরও পড়ুন:


সরকারের বিরুদ্ধে আল জাজিরার প্রতিবেদন উদ্দেশ্যমূলক: কাদের

এক কাতল মাছের দাম এতো!

সোনা চোরাচালানে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস

বিএনপির সাবেক এমপি সালাউদ্দিন কারাগারে


এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি এ্যাডভোকেট ফিরোজ আহমেদ বলেন, অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে শিশু লিজাকে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার দায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে উভয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও লাশ গুম করার অপরাধে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

তিনি আরও বলেন, আদালতের এই যুগোপযোগী আদেশকে সাধুবাদ জানায়। আশা করছি আদালত ধর্ষকের বিরুদ্ধে এই ধরনের আদেশ অব্যাহত রাখলে সমাজ ধর্ষণ ব্যাধি থেকে মুক্ত হবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে হামলার ঘটনায় ৫ মামলায় আসামি ১৬ হাজার ৮০০

অনলাইন ডেস্ক

ফরিদপুরে হামলার ঘটনায় ৫ মামলায় আসামি ১৬ হাজার ৮০০

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবের ঘটনায়  বৃহস্পতিবার রাতে করা চার মামলা সহ মোট ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ পাঁচ মামলায় ১৬ হাজার ৮০০ জনকে মোট আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে ২৬১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। বাকিরা অজ্ঞাত।

তার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মাতুব্বর বাদী হয়ে একটি মামলা।

সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালক মো. হাশমত আলী, এসিল্যান্ডের নিরাপত্তারক্ষী সমীর বিশ্বাস, এসিল্যান্ডের গাড়িচালক সাগর সিকদার মামলা দায়ের করেন।


নারায়ণগঞ্জের ৭ থানা ও ৮ ফাঁড়িতে এলএমজি তাক করে বসে আছে পুলিশ

মার্কেট–শপিং মল খুলল চার দিন পর, ক্রেতা কম

১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার : কাদের

পিগিং কার্যক্রমের জন্য টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

হাতেনাতে ধরা খেয়ে নিজে চলে গেল, ঝর্ণাকে সঙ্গে নিল না


এর আগে পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, ৫টি মামলা থানায় রুজু হয়েছে। ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে লকডাউনের প্রথম দিনে (৫ এপ্রিল) সালথা এসিল্যান্ড মারুফা সুলতানা বাজারে গেলে সেখানে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে।

পরে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে সালথা উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দেয় বেশকিছু দপ্তর।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রফিকুল মাদানীর ডিজিটাল মামলার প্রতিবেদন ৩০ মে ধার্য

অনলাইন ডেস্ক

রফিকুল মাদানীর ডিজিটাল মামলার প্রতিবেদন ৩০ মে ধার্য

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন আগামী ৩০ মে ধার্য করেছেন আদালত।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) এই মামলার এজাহার আদালতে আসে।

এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া এজাহার গ্রহণ করে মতিঝিল থানা পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিলের এই আদেশ দেন।


নারায়ণগঞ্জের ৭ থানা ও ৮ ফাঁড়িতে এলএমজি তাক করে বসে আছে পুলিশ

মার্কেট–শপিং মল খুলল চার দিন পর, ক্রেতা কম

১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার : কাদের

পিগিং কার্যক্রমের জন্য টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

হাতেনাতে ধরা খেয়ে নিজে চলে গেল, ঝর্ণাকে সঙ্গে নিল না


এর আগে আদনান শান্ত নামে এক ব্যক্তি মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মতিঝিল থানায় এই মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়, ইউটিউব ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী দেশ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন। তার এসব বক্তব্য দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। বিভ্রান্ত হয়ে তারা দেশের সম্পত্তির ক্ষতি করছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: ৫ জন দু’দিনের রিমান্ডে, ৯ আসামি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: ৫ জন দু’দিনের রিমান্ডে, ৯ আসামি কারাগারে

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে মর্মান্তিক লঞ্চডুবির ঘটনায় জব্দ করা এসকেএল-৩ লাইটার জাহাজ থেকে গ্রেপ্তার ১৪ আসামির মধ্যে চালকসহ পাঁচ আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে অপর ৯ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- এমভি এসকেএল-৩ লাইটার কোস্টার কার্গো জাহাজটির মাস্টার অহিদুজ্জামান, চালক মজনু মোল্লা, সুকানি আনোয়ার মল্লিক, হৃদয় হাওলাদার ও ফারহান মোল্লা।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ বিকেল ৪টায় নৌ-থানা পুলিশ আসামিদের মধ্যে পাঁচজনের সাতদিন করে রিমান্ডের আবেদন করে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবীরের আদালতে হাজির করে।


১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার: কাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯ থানা, ১২ পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িতে এলএমজি নিয়ে প্রস্তুত পুলিশ

মাওলানা মামুনুলের ফেসবুক পেজে নেই সেই লাইভ ভিডিও

খুব অকথ্য এসব ফিলিংস!


এ সময় আসামিদের সবার পক্ষে জামিন আবেদন করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা। আদালত শুনানি শেষে আসামিদের ব্যাপারে উপরোক্ত আদেশ দেন। পরে আদালতের নির্দেশে ৯ আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাবিত আল হাসান নামে লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে লঞ্চটি সদর উপজেলার কয়লাঘাট এলাকায় গেলে এসকেএল-৩ নামে লাইটার কোস্টার কার্গো জাহাজের ধাক্কায় নদীতে তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় লঞ্চটির ৩৪ জন  যাত্রী মারা যান।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আরবি পড়তে আসা ছাত্রীকে ‘ধর্ষণ করে’ ধরা মসজিদের ইমাম

অনলাইন ডেস্ক

আরবি পড়তে আসা ছাত্রীকে ‘ধর্ষণ করে’ ধরা মসজিদের ইমাম

মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি ভোরে স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন মঞ্জুরুল হক (২৫)। সেই সুবাদে মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে বিয়ের প্রলোভনে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করেন ওই ইমাম।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ঘটে এমন ঘটনা।

ধর্ষণের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


মার্কেট–শপিং মল খুলল চার দিন পর, ক্রেতা কম

১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার : কাদের

পিগিং কার্যক্রমের জন্য টানা দু’দিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

হাতেনাতে ধরা খেয়ে নিজে চলে গেল, ঝর্ণাকে সঙ্গে নিল না


বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত ইমামকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মঞ্জুরুল হক দিগলী ফকিরবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

তিনি একই উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। 

বুধবার ভোরে পড়তে এলে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় বুধবার রাতে মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ইমাম মঞ্জুরুলকে আসামি করে কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই ইমাম মঞ্জুরুল হককে আটক করে পুলিশ।

কেন্দুয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান বলেন, গ্রেপ্তার মঞ্জুরুল হককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতা আজিজুল হক মোল্লা ৩ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজত নেতা আজিজুল হক  মোল্লা ৩ দিনের রিমান্ডে

হেফাজতের নেতা আজিজুল হক মোল্লার (৩২) বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান আসামির রিমান্ডের এ আদেশ দেন। 

এ দিন রমনা থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আসামি আজিজুল হককে আদালতে হাজির করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


নজরদারিতে যেসকল হেফাজতের শীর্ষ নেতা

কেয়ামতের দৃশ্যমান যত আলামত ও নিদর্শন


 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আজিজুল হক নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশে সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দেওয়া হয়। ওই আইডি থেকে আগের রেকর্ডকৃত ভিডিও বিশেষ উপায়ে লাইভ হিসেবে প্রচার করে বর্তমান হেফাজতে ইসলামের সমর্থকগোষ্ঠীর চলমান উগ্রতাকে উসকে দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর উদ্দেশে গুজব ছড়ানো হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল আইনের মামলায় রিমান্ডে নেয়া আজিজুল হক মোল্লার আর হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজীজুল হক ইসলামাবাদী এক নন। গতকালই হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজীজুল হক ইসলামাবাদীর গ্রেপ্তারের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পরে তিনি নিজে খবরটি সঠিক নয় বলে জানায় নিউজ টোয়েন্টিফোরকে। আজীজুল হক ইসলামাবাদী গতকাল নিউজ টোয়েন্টিফোরকে বলেন, তিনি নিরাপদে আছেন এবং সুস্থ আছেন ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর