মিয়ানমার থেকে চাল আমদানির প্রস্তাব বাতিল

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমার থেকে চাল আমদানির প্রস্তাব বাতিল

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেখান থেকে এক লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির প্রস্তাব বাতিল করেছে বাংলাদেশ। সরকারি চুক্তির (জি-টু-জি) আওতায় আতপ চাল আমদানির জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের এ প্রস্তাবটি বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাতিল করে দেওয়া হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠক শেষে কমিটির প্রধান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি সই হলেও আমরা মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রস্তাবটি বাতিল করে দিয়েছি।’

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সম্প্রতি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দিয়ে দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী দেশটিতে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন


অবশেষে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার

মরদেহ কাঁধে ২ কিলোমিটার হেঁটে গেলেন নারী পুলিশ

পাকিস্তানে ৪ টিকটকারকে গুলি করে হত্যা

মিয়ানমারে একদিনেই ১০ লাখ ডাউনলোড হলো যে অ্যাপ


এদিকে, মন্ত্রিসভা কমিটি রাশিয়া ও আর্জেন্টিনা থেকে গম আমদানিসহ কয়েকটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

সরকারি চুক্তির আওতায় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা হবে এক লাখ মেট্রিক টন গম। প্রতি টনের জন্য ৩৬৫ ডলার হিসেবে মোট ব্যয় হবে ৩০৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। আর আর্জেন্টিনা থেকে প্রতি টন ৩৫২ দশমিক ৯৮ ডলারে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে ১৪৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকায়।

কমিটি সার আমদানির দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মাধ্যমে মরক্কোর কোম্পানি থেকে দুই হাজার ১৫৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকায় চার লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার এবং এক হাজার ৩৩৭ কোটি ১৯ লাখ টাকায় তিন লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন টিএপি সার আমদানি করা হবে।

কমিটি ইউএই এবং সিঙ্গাপুরের দুই প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

করোনার কারণে সারা দুনিয়া লন্ডভন্ড। ঠিক তখনই পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ ও বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার আইটিসির সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর, এই ১২ মাসে পোশাকের বিশ্ববাজারে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম রফতানি করেছে ২৭ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারের আর বাংলাদেশ করেছে ২৯ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক। 

অর্থাৎ পোশাক রফতানি করে ভিয়েতনামের চেয়ে ১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। অথচ ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত ১১ মাসে বাংলাদেশের চেয়ে ভিয়েতনামের আয় ২ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার বেশি ছিল। ওই সময়ে তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ২৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আর ভিয়েতনামের ছিল ২৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকরা বলছেন, করোনাকালে সরকারের দেয়া প্রণোদনা এই খাতের ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে আরও নীতি ও অর্থ সহায়তা দরকার বলে জানান তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসির। 

ইউরোপের বাজারে ভিয়েতনাম মুক্তবাণিজ্য সুবিধা পেলেও বাংলাদেশ পাচ্ছে না। তাই ভিয়েতনাম এগিয়ে যায়। আর তাদের বাণিজ্য কৌশলও বেশ ভালো। কিন্তু এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। তাই জিএসপি সুবিধা বাতিল হয়েে গেলে সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ।    

 news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুশাসন রক্ষায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিতরণকৃত ঋণের অর্থ উদ্দিষ্ট খাতে বিনিয়োর নিশ্চিত করা জরুরি। নতুন ঋণের মাধ্যমে কোনো গ্রাহক আগের অন্য কোনো ঋণ পরিশোধ করছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি কিস্তিভিত্তিক প্রকল্প ঋণের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কিস্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে পরবর্তী কিস্তি ছাড় না করা বর্তমান সময়ে অত্যাবশ্যকীয় পরিপালনীয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


এতে আরও বলা হয়, ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং তদারকির বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ঋণ নীতিমালায় অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। ঋণের সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত সরেজমিন পরিদর্শনে কোনো গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগকে অবহিত করতে হবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারার ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দশ বছরে সাড়ে চারগুণ বেড়েছে বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ

সুলতান আহমেদ

দশ বছরে সাড়ে চার গুন বেড়েছে বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ। ২০০৯-১০ এ ১০ বিলিয়ন রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ছাড়িয়ে গেছে ৪৪ বিলিয়নের ঘর। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে জমাকৃত বৈদিশিক মুদ্রা দিয়ে এক বছরের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। 

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আমদানি কমে যাওয়ায় বাড়ছে বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ। আমদানি কার্যক্রম সহ ব্যবসায়ীক পরিবেশ দ্রুত স্বাভাবিক করার পরামর্শ তাদের। 

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা প্রায় এক কোটির অধিক প্রবাসির পাঠানো অর্থে শক্তিশালি হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। করোনা মহামারিতে যখন অস্বস্তিতে বিশ্বের অর্থনীতি তখনও নতুন নতুন রেকর্ডের জন্ম দিচ্ছে রেমিট্যান্স আর রিজার্ভ।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আর বৈদিশিক সহায়তা সব মিলে অন্যন্য উচ্চতায় বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ। দশ বছর আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরের জুনে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের রিজার্ভ ছিলো ১০.৭৫ বিলিয়ন ডলার, সেই রেমিট্যান্স ২০ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০১৩-১৪ সালে। তার থেকেও প্রায় পাঁচ বছর পর ২০১৯ এ রেমিট্যান্স ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। 


বিকৃত যৌনাচারে অনুশকার মৃত্যু: যা বললেন সিআইডি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


এরপর মাত্র বছরের ব্যবধানে ২০২০ এর অক্টোবরে রেমিট্যান্স ছাড়ায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের ঘর। করোনার গতি বেড়েছে রেমিট্যান্সের, সবশেষ ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখ তা ৪৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। তবে শঙ্কার জায়গা আমদানি কমে যাওয়া। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি দ্রুত চাঙ্গা করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

নীতি নির্ধারকদের অবশ্য বলছেন, শক্তিশালি অর্থনীতির পরিচয় বহণ করছে রেমিট্যান্স।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৯০ কোটি ডলার, যার প্রবৃদ্ধি ৩৫ শতাংশ।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আবারো এশিয়ার ধনীতম শিল্পপতির তালিকায় মুকেশ আম্বানি

অনলাইন ডেস্ক

চীনা শিল্পপতিকে টপকে আবারো এশিয়ার ধনীতম শিল্পপতির তালিকায় উঠে এলো মুকেশ আম্বানি। তার সম্পত্তির আনুমানিক বাজার মূল্য ৮ হাজার কোটি ডলার।

২০ শতাংশ সম্পত্তি বৃদ্ধি করে চীনা শিল্পপতি জোং শানশানকে পিছনে ফেলেছেন মুকেশ আম্বানি। আম্বানির ঠিক পরেই রয়েছে শানশান। তার সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য ৭৬.৬ বিলিয়ন ডলার।


দুই পৌরসভায় নির্বাচন কাল, কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম

হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আতঙ্কিত বুবলীর থানায় জিডি

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রাকচালক গুলিবিদ্ধ

পিতার স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরল ছেলে, বাবার মৃত্যু


গত এক সপ্তাহের মধ্যে ২২ বিলিয়ন ডলার খুইয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছেন শানশান। এর ফলে মুকেশ এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের চতুর্থ ধনী হয়ে উঠেছেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চূড়ান্ত সুপারিশ মিলেছে জাতিসংঘের

উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তি পালনের দ্বারপ্রান্তে এসে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের চুড়ান্ত সুপারিশ পেলো বাংলাদেশ। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সুপারিশ করেছে। এইলক্ষে পৌছাতে বাংলাদেশ সময় পাবে আগামি ৫ বছর। আজ বিকেল ৪ টায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশকে বলা হত তলাবিহীন ঝুড়ি। ১৯৭৫ সাল থেকে এতদিন সল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ ২০১৫ সালে প্রথম নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়।

জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি সিডিপির ত্রিবার্ষিক সভায় এবার জানানো হল উন্নয়নেশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতেই এক অনন্য উচ্চতায় উঠল বাংলাদেশ।


চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে দুই নৌকা ডুবি

চুয়াডাঙ্গায় নারীর রহস্যজন মৃত্যু, শাশুড়ি আটক

অতিরিক্ত পাথর বোঝাই ট্রাকের চাপে বেইলী ব্রিজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

অন্য পুরুষের সাথে সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ, স্ত্রীকে খুন


সিপিডির ত্রিবার্ষিক সভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত আসে বাংলাদেশের পক্ষে।এখন পাঁচ বছরের প্রস্তুতিকাল শেষে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠবে বাংলাদেশ।

উন্নয়নশীল দেশ হতে হলে একটি দেশের মাথাপিছু আয় হতে হয় কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলার। সেখানে ২০২০ সালেই বাংলাদেশের ছিল ১৮২৭ মার্কিন ডলার। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা বর্তমান সরকারের যথাযথ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়নের ফলে অর্থনীতিতে বিশ্বের বিস্ময় বাংলাদেশ।  

তবে এই অর্জনের ফলে বাংলাদেশ বাণিজ্যে যে সব অগ্রাধিকার পায় তার অনেকটাই হারানোর শঙ্কা রয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীরা বাংলাদেশকে কম সুদ ও সহজ শর্তে যে ঋণ দেয় তা হারাবে বাংলাদেশ। তবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠা বাংলাদেশের জন্য বিশেষ মর্যাদার বিষয়। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধারা তিন সূচকেই ঈর্ষনীয় সাফল্য এখন বাংলাদেশের।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর