ওজন বাড়াতে খেজুর

অনলাইন ডেস্ক

ওজন বাড়াতে খেজুর

খেজুর অত্যন্ত ক্যালোরিবহুল একটি খাবার। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও শক্তি বৃদ্ধিকারক ফল। খেজুরকে প্রাকৃতিক শক্তির উৎস বলা হয়। খেজুর ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ।

আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি আমাদের দৈনিক ২০ থেকে ৩৫ গ্রাম আঁশজাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে, যা আমরা খেজুর থেকে গ্রহণ করতে পারি।

খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ইত্যাদি, যা অল্প পরিমাণে এবং কম সময়ে শক্তি জোগাতে সহায়তা করে। তা ছাড়া ডায়রিয়া হলে খেজুর একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। যেমন খেজুরে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে, যা আমাদের ডায়রিয়া-পরবর্তী সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

তা ছাড়া সারা দিনে একটি খেজুর আমাদের চোখের সুস্থতা দান করে। খেজুর উচ্চমাত্রায় সলিউবল ফাইবার সমৃদ্ধ, যা ন্যাচারাল ল্যাক্সাটিভ হিসেবে কাজ করে, আমাদের বাউয়েল মুভমেন্টে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

খেজুরে প্রচুর মিনারেল যেমন সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক ইত্যাদি থাকায় তা হাড়ের গঠন ও বর্ধনে সহায়তা করে। এবং বিভিন্ন ধরনের হাড়ের অসুখ থেকে রক্ষা করে।

খেজুরে অরগানিক সালফার রয়েছে, যা সচরাচর আমরা খাবারে কম পাই। অরগানিক সালফার আমাদের বিভিন্ন ধরনের সিজনাল অ্যালার্জি রিঅ্যাকশন থেকে রক্ষা করে।


পরকালের যে বিশ্বাসে মমির মুখে সোনার জিভ

ভক্তের নগ্ন ছবির দেখার ইচ্ছে পুরণ করলেন পূজা হেগড়ে

শ্বশুরের লালসার স্বীকার ছেলের বউ!

ভারতে ৩০ কোটি মানুষের দেহে করোনার অ্যান্টিবডি


তাছাড়া ওজন বাড়াতে খেজুরের জুড়ি নেই। একটি খেজুর থেকে আমরা ২৩ কিলোক্যালোরি পেয়ে থাকি এবং ১০০ গ্রাম খেজুর থেকে আমরা ২৮২ কিলোক্যালোরি পেয়ে থাকি। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি, অল্প খাবার খেয়ে আমরা যথেষ্ট ক্যালোরি পেতে পারি। ওজন বাড়াতে বা মাসল বিল্ড করতে খেজুর খুবই উপকারি একটি খাবার।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হজমশক্তি বাড়ায় আলুর রস!

অনলাইন ডেস্ক

হজমশক্তি বাড়ায় আলুর রস!

আলুর রসে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। আলুর রসে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। নিয়মিত আলুর রস খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। 

এছাড়া আলুর রস হজম শক্তি বাড়ায়, অ্যাসিডিটি কমায় ও পাকস্থলির সমস্যা দূর করে। লাল আলুর রস আলসার কমাতে সাহায্য করে। আলুর রসে ভিটামিন-সি থাকায় এটি সর্দি-কাশি কমাতে সাহায্য করে। 


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


কাঁচা আলুর রসে প্রাকৃতিক সুগার ও কার্বোহাইড্রেট থাকায়, এটি শারীরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য় করে।

ওজন কমাতে ও ক্ষত স্থান থেকে রক্তপাত কমাতে আলুর রস ভাল কাজ দেয়। লিভার পরিষ্কার রাখতে খুব ভাল কাজ দেয় আলুর রস। আলুর রস হৃদযন্ত্রও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তরুণদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে গাঁজা ও ইয়াবা

অনলাইন ডেস্ক

তরুণদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে গাঁজা ও ইয়াবা

মাদকসেবন যে কোনো বয়স্ক মানুষকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে যেটা কারও অজানা নয়। ব্রেন স্ট্রোক এমন একটি রোগ যা কোনো স্থান, কাল, পাত্র ভেদে হয় না। এদিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা চাঞ্চল্যকর প্রমাণ পেয়েছেন যে, গাঁজা ও ইয়াবা সেবন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (হেমোরেজিক স্ট্রোক) এবং রক্ত জমাটবাঁধা (ইসকেমিক স্ট্রোক) উভয় এর জন্যই প্রত্যক্ষভাবে দায়ী।

২০০০ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত অ্যাম্ফেটামিন বা ইয়াবা সেবন বহুলাংশে বেড়েছে। পিছিয়ে নেই কোকেন ও ক্যানাবিস বা গাঁজা সেবনের মাত্রা। জার্নাল অব আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (JAMA) গবেষণাপত্রে ৮ লাখ ১২ হাজার ২৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি স্ট্রোক রোগীর বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইয়াবা বা অ্যাম্ফেটামিন সেবনে স্ট্রোক ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

ইয়াবা ও কোকেন সেবনকারীরা হেমোরেজিক স্ট্রোক বা রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকে বেশি আক্রান্ত হয়। গাঁজা বা ক্যানাবিস সেবন ইসকেমিক স্ট্রোকের জন্য বেশি দায়ী। সর্বোপরি, ইয়াবা সেবনে স্ট্রোকজনিত মৃত্যুর হার বেশি প্রতীয়মান হয়।

মাদকের সাথে স্ট্রোক
প্রাকৃতিক বা সিনথেটিক ক্যানাবিনল গাঁজায় বিদ্যমান রাসায়নিক পদার্থ ফ্রি রেডিক্যাল বা বিক্রিয়ায় সক্ষম অক্সিজেন যৌগ তৈরি করে যা টিস্যুর অক্সিজেন কমিয়ে দেয়। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বলা হয় এ অবস্থাকে। এটি স্ট্রোক হওয়ার একটি স্বীকৃত মেকানিজম। এ ছাড়া কোষের শ্বসন তথা পাওয়ার হাউজ- মাইটোকন্ড্রিয়ার ওপরে মাদকের মেটাবোলাইটগুলো মারাত্মক প্রভাব ফেলে বলে জানায়  বিশ্ব সমাদৃত আমেরিকান জার্নাল নিউরোলজি। জার্নালে (২০০০-২০২০) সাল পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাপত্রগুলোর বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ এসব তথ্য পাওয়া যায় স্ট্রোক মেকানিজম বিষয়ে।


আইফোনে ১ টেরা স্টোরেজ!

বোমা আতঙ্ক তাজমহলে

আমি শিক্ষামন্ত্রীর ষড়যন্ত্র ও রাজনীতির শিকার: ভিসি কলিমুল্লাহ


ইউরোপীয় ও আমেরিকান বিজ্ঞানীরা একমত যে, ক্যানাবিনয়েড যৌগগুলো রিভার্সিবল সেরেব্রাল ভেসোকনিস্ট্রকশন বা মস্তিষ্কের রক্তনালির সংকোচন ঘটায় যার ফলে ইসকেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তরুণরা!

মেটাঅ্যানালাইসিসে দেখা যায়, মাদক সেবনে স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের ১৪.৭ ভাগ কৃত্রিম বা সিনথেটিক মাদক সেবন করেন। শতকরা ৮৮.৩ ভাগ স্ট্রোকই ইসকেমিক স্ট্রোক এবং ৪ শতাংশ স্ট্রোকের ধরণ নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। স্ট্রোকে আক্রান্ত মাদকসেবীদের বয়সের গড় ৩২.৩ বছর যেখানে সাধারণ মানুষের জন্য গড় বয়স ষাটোর্ধ্ব। এ ছাড়া দেখা যায় পুরুষ মাদকসেবীদের ঝুঁকি ৩.৪ গুণ নারী ইয়াবা ও গাঁজা সেবনকারীদের চেয়ে। অধিকাংশ মাদকজনিত স্ট্রোক ৮১ ভাগ ক্ষেত্রে ক্রোনিক মাদকসেবী বা দীর্ঘদিন ধরে যারা গাঁজা সেবন করছেন তাদের মধ্যে বেশি। আবার দেখা যায়, স্ট্রোক হওয়ার আগে হঠাৎ বেশি পরিমাণে গাঁজা ও ইয়াবা সেবন হয়েছে। শতকরা ৬৬ ভাগ ক্ষেত্রে গাঁজা সিগারেটের সঙ্গে সেবন করা হয়।

মাদক সেবনের ফলে সংঘটিত স্ট্রোকের প্রথম লক্ষণ হতে পারে মাথাব্যথা। এ ছাড়া কথা জড়িয়ে যাওয়া ও চোখে ঝাপসা দেখা সমস্যা নিয়েও রোগীরা চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হতে পারেন।

গত ৯ বছরে বৈশ্বিক স্ট্রোক ঝুঁকির হার প্রতি ৬ জনে ১ জন থেকে বেড়ে এখন শতকরা ২৫ ভাগ। অর্থাৎ চারজনে একজনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। স্ট্রোক এখন বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ও অক্ষমতার প্রধান কারণ, তবে সুস্থ জীবনযাপন করলে স্ট্রোক প্রতিরোধ সম্ভব।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তারুণ্য ধরে রাখে, ডিপ্রেশন কমায় বাদাম

অনলাইন ডেস্ক

তারুণ্য ধরে রাখে, ডিপ্রেশন কমায় বাদাম

বাদামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং মিনারেল থাকে। যা হার্ট অ্যাটাক এবং হৃদযন্ত্রজনিত অন্যান্য সমস্যা কমিয়ে দেয়। বাদামে ট্রিপটোফ্যানও থাকে যা ডিপ্রেশন কমাতেও সাহায্য করে।

এছাটা ত্বকের তারুণ্য ধরে রেখে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ায় বাদাম। বাদামে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড অ্যাসিড ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে ও ত্বকে উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে। এটি দেহকোষ বাড়তেও সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর প্রোটিন থাকে। দেহকোষের বাড়াতে প্রোটিন সাহায্য করে।

বাদাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। বাদামে রয়েছে খনিজ দ্রব্য ম্যাঙ্গানিজ। ২১ শতাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে বাদাম। এই খনিজ উপাদানটি ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, মেটাবলিজম, কোষে ক্যালসিয়াম শোষণ এবং ব্লাডসুগার কমাতে সাহায্য করে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

ভারতে বাড়ছে গাধার চাহিদা!

ভারতের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে বেদ, গীতা, সংস্কৃত

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এছাড়াও, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে সাহায্য করে। ভিটামিন ‘সি’ বাদামেও পাওয়া যায়। শীতে সর্দি-কাশির মত সমস্যা প্রতিরোধ করে এটি। প্রতিদিন বাদাম খেলে এটি আমাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরেরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।

আমাদের দেশে চিনা, কাঠ ও কাজুবাদাম বেশি পাওয়া যায়। চিনা বাদাম সহজলভ্য হওয়ায় এটি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জানুন হৃদরোগের আদ্যোপান্ত

অনলাইন ডেস্ক

জানুন হৃদরোগের আদ্যোপান্ত

বাংলাদেশে দিন দিন হৃদরোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বংশগত কারণ ছাড়াও অনিয়মিত জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস, কায়িক শ্রমের অভাব, ভুল ডায়েট, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি নানা কারণে হৃদরোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বংশগত কারণকে কোনো পরিবর্তন করা না গেলেও উল্লিখিত প্রতিটি কারণকে পরিবর্তন বা সংশোধন করে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমানো সম্ভব। শুধু তা–ই নয়, এই পরিবর্তনগুলো হৃদরোগের চিকিৎসা করা ছাড়াও প্রতিরোধ করতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

হৃদরোগ কী
হৃদপিণ্ড অকার্যকর বা হার্ট ফেইলিওর বেশ জটিল একটি সমস্যা। হার্ট যখন তার কাজ ঠিকঠাকমতো করতে পারে না,তখন হার্ট ফেইলিওর হয়। হার্টে ফেল করলে হৃৎপিন্ড সংকোচনের মাধ্যমে রক্ত বের করতে পারে না ফলে ফুসফুস, পা এবং পেটে পানি জমে যায়। হার্ট ফেইলুর হঠাৎ করে হতে পারে আবার ধীরে ধীরে হতে পারে।

হৃৎপিন্ড প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার সংকোচন-প্রসারনের মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত ও খাদ্যকণা পৌঁছে দেয়। একই সঙ্গে দেহের দুষিত রক্তকে বিশুদ্ধ করণের জণ্য ফুফুসে সরবরাহ করে। দেহের প্রতিটি আঙ্গের বেঁচে থাকার জন্য হৃৎপিন্ডকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হয়। নিজের প্রয়োজনীয় রসদ হৃৎপিন্ড নিজস্ব তিনটি করোনারি আর্টারির মাধ্যমে নিয়ে থাকে। হৃৎপিন্ড তার কাজ ঠিকমতো করতে না পারাকেই হার্ট ফেইলুর বলা হয় যা সহজভাবে হার্ট ফেল নামে পরিচিত।

হার্ট ফেইলুর বা হৃৎপিন্ডের ব্যথ্যতা বা কর্মহীনতার জন্য সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। অনেকে ভুল করে হার্ট অ্যটাক এবং হার্টফেইলকে একই রোগ ভেবে থাকনে। হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেইলর আলাদা সমস্যা, যদিও একটির কারণে অন্যটি হতে পারে। আবার দুটি একসঙ্গেও হতে পারে।

হার্ট ফেলের কারণ
হার্ট অ্যাটাক (মায়োকার্ডিয়াল ইনফারকশন, আনস্টেবল এনজাইনা), অ্যানিমিয়া (রক্তমূন্যতা), হার্ট ভাইরাস সংক্রামণ, হাইরয়েড গ্রন্থির রোগ, পেরিকার্ডিয়ামের রোগ সিটেমিক রোগ ইত্যাদি।

যেসব কারণে হার্টের সমস্যা থাকাকালে হার্ট ফেইলুর চরমপর্যায়ে যেতে পারে
১. মায়োকার্ডিয়াল ইসকোমিয়া/ইনফার্কশন
২. সংক্রমন
৩. হৃৎপিন্ডের ছন্দহীনত যেমন atrial Flabrillation
৪. ডায়বেটিস
৫. হার্ট ফেলের অপর্যাপ্ত চিকিৎসা
৬. শরীরে পানি ধরে রাখার মতো অষুধ, যেমন -ব্যাধানাশক, স্টেরয়েড।
৭. গর্ভাবস্থা, রক্তশূন্যতা ও থাইরয়েডের রোগ
৮. শরীরে অতিরিক্ত পানি প্রয়োগ


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

হার্ট ফেলের উপসর্গ
১. শ্বাসকষ্ট
২. শরীরে অতিরিক্ত পানি বা ইডেমা
৩. কাশি
৪. দুর্বল লাগা
৫. রাতে অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া
৬. ক্ষুধা মন্দা, বমি ভাব
৭. বুক ব্যাথা
৮. জটিলতা নিয়ে উপস্থিত, যেমন-কিডনি বিকল ইলেকট্রলাইটের তারতম্য, লিভারের সমস্যা, স্ট্রোক, হৃৎপিন্ডের ছন্দহীনতা।

হার্টফেল প্রতিরোধের জন্য যা করতে হবে
১. ধুমপান/তামাক/জর্দা/নস্যি বর্জন করতে হবে
২. কাঁচা/ভাজা সকল প্রকার আলগা যাথাযথ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
৩. উচ্চ রক্তচাপ , ডায়াবেটিস থাকলে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
৪. কায়িক শ্রম
৫. উত্তেজন পরিহার
৬. যে কোন সংক্রমণের চিকিৎসা করাতে হবে জরুরীভাবে
৭. রক্তশূন্যতা পূরণ করতে হবে
৮. ওজন আদর্শ মাত্রায় রাখতে হবে
৯. সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে
১০. পরিমিত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে
১১. আদর্শ জীবনযাপন করতে হবে

৩৫ বছরের পুরুষ এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সের নারীদের এখনিই  হৃদরোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরিক্ষাগুলো করিয়ে এ রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারেন।

এখানে মনে রাখা প্রয়োজন, হৃদপিণ্ড একটি যন্ত্র যা বিকল হওয়ার আগেই এ ব্যাপারে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। এজন্য প্রতিবছর কমপক্ষে একবার পিরিওডিক মেইনটেন্যান্স বা চেকআপ করান।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্বে শ্রবণ সমস্যার ঝুঁকিতে প্রতি চারজনে একজন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে শ্রবণ সমস্যার ঝুঁকিতে প্রতি চারজনে একজন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্বে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মঙ্গলবার এ বিষয়ে সতর্ক করে এর প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় অতিরিক্ত বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী শ্রবণ সংক্রান্ত এ প্রতিবেদনে সমস্যার মূল কারণ হিসেবে সংক্রমণ, রোগ, জন্মগত ত্রুটি, অতিরিক্ত শব্দ ও জীবনধারাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এসব সমস্যার অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিপোর্টে পদক্ষেপ গ্রহণ বাবদ একটি প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি বছর মাথাপিছু ১.৩৩ মার্কিন ডলার ব্যয় ধরা হয়েছে।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


এতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রতি পাঁচজনে একজনের শ্রবণ সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এ সংখ্যা আগামী তিন দশকে ১.৫ গুণ বেড়ে যেতে পারে।

বিশ্বে ২০১৯ সালে ১৬০ কোটি লোকের শ্রবণ সমস্যা ছিল। এ সংখ্যা বেড়ে ২৫০ কোটি হতে পারে।

রিপোর্টে শ্রবণ সমস্যার বড় ধরনের কারণ হিসেবে চিকিৎসার অভাবকে দায়ী করা হয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ঘাটতি রয়েছে। শ্রবণ সমস্যায় ভোগা প্রায় ৮০ শতাংশ লোক এসব দেশে বাস করে। তারা তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা পায় না।

এমনকি উন্নত দেশে তুলনামূলক ভালো সুযোগ-সুবিধা থাকলেও চিকিৎসায় সুষম বিন্যাস নেই। শিশুদের শ্রবণ সমস্যার ৬০ শতাংশই নিরাময়যোগ্য বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, শ্রবণ সমস্যা মোকাবেলায় সম্মিলিত ব্যর্থতার কারণে প্রতি বছর এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হচ্ছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর