একজন পিতার ত্যাগ একজন মায়ের থেকে কোন অংশে কম না

রাখি নাহিদ

একজন পিতার ত্যাগ একজন মায়ের থেকে কোন অংশে কম না

মালদ্বীপে যে রিসোর্টটায় উঠেছিলাম আমরা,তার অনেকগুলো রেস্টুরেন্ট এর একটার কুক কাম সুপারভাইজার বাংলাদেশের মিজান ভাই।

রেস্টুরেন্ট এ লাঞ্চ করতে গেলে উনি নিজে থেকে এসে পরিচিত হলেন। বললেন,বাঙ্গালী কাওকে দেখলে খুব ভাল লাগে তাই একপ্রকার যেচেই কথা বলেন।

বুফে লাঞ্চ ছিল,মেন্যু পছন্দের কোন ব্যাপার ছিল না। তবু আমার ছেলেদের মেন্যু উলটাতে দেখে উনি বললেন

- আঙ্কেল কোন কিছু পছন্দ হলে বলেন,আমি বানিয়ে দিব।

আমি হাও মাও করে উঠতেই উনি আমার মনের কথা বুঝতে পারলেন এবং ইশারা দিলেন

- আপা,টাকা লাগবে না,আমি খাওয়াব আঙ্কেলদের।

এর নাম হচ্ছে স্বদেশ/স্বজাতি প্রীতি। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশী শত্রু দেখলেও মনে হয় গিয়ে জড়িয়ে ধরি।

যাই হোক,ঘটনা সেটা না,ঘটনা অন্য। প্রতিবেলা মিজান ভাই এর সাথে দেখা হয় আর আমরা আরেকটু বেশী পরিচিত হই।

গল্প করে জানলাম উনি দেশ ছেড়েছেন পঁচিশ বছর আগে,তার বিয়েরও আগে। নানা রকম কাজ করতে করতে শেষ পর্যন্ত রেস্টুরেন্টের কাজে থিতু হন। ওই এক রিসোর্টেই আছেন তের চৌদ্দ বছর।

যারা মালদ্বীপ গেছেন তারা জানেন ওরকম জনবিচ্ছিন্ন রিসোর্টে দিনের পর দিন,মাসের পর মাস,বছরের পর বছর থাকা কি প্যারা। সিম্পলি পাগল হয়ে যাওয়ার কথা যে কোন মানুষের।

জিজ্ঞেস করলাম - দেশে যান কয় বছর পর পর ?

বললেন

- আপা,আমার ছোট মেয়ে ফাইভে পড়ে। তাকে এখন পর্যন্ত দুইবার দেখসি। জন্মের দেড় বছর পরে একবার আর তার আট বছর বয়সে একবার। পাছ ছয় বছর পর পর যাই।

- আর বড় জন কি করে?

- জ্বি আপনাদের দোয়ায় আমার বড় ছেলে জাপান যাচ্ছে গ্র্যাজুয়েশন করতে।

জিজ্ঞেস করলাম ভাবির সাথেও তো তাহলে জীবনে পাঁচ ছয় বারের বেশী দেখা হয় নাই।

উনি লজ্জা পেয়ে উত্তর দিলেন- জ্বি ওরকমই হবে

উনার কথা শুনে আমার কান্না চাপতে চাপতে গলা ব্যথা হয়ে গেল।

বললাম- এই জীবন ভালো লাগে? এই অথই পানির মধ্যে দিনের পর দিন,পালিয়ে যেতে ইচ্ছা করে না?

বললেন- আপা,এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। আগে কষ্ট হত খুব,ইচ্ছা করত চলে যাই দেশে। কিন্তু বউ বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকায়ে থেকে গেলাম।

কি অদ্ভুত তাইনা? বউ বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের মুখটাও না দেখে সারাটা জীবন যৌবন কাটিয়ে দিলেন।

আমি একজন কুক মিজান ভাইয়ের আড়ালে থাকা একজন পিতার স্যাক্রিফাইসের গল্প মাথায় করে রিসোর্ট থেকে ফিরলাম.

এলাম হুলহুমালের আরেক হোটেল এ। হোটেল এর রুম বয় এর নাম প্রদীপ। রুম বয় না বলে রুম ম্যান বলা ভাল,কারণ প্রদীপ বাবু একজন পুরদস্তুর পুরুষ মানুষ।

রুম ম্যান প্রদীপ বাবুও আমাদের পেয়ে খুব খুশী। মালদ্বীপ এমন কোন ভিনগ্রহ না,সেখানে প্রচুর বাঙ্গালিও যায় কিন্তু শ্রমিকশ্রেণীর মানুষেরা কেন জানি আমাদের সাথে খুব আপন আপন ব্যবহার করে।

প্রদীপ সাহেবের সাথে খুব ভাব হল আমাদের। গল্প করে জানা গেল উনি বেশীদিন না মাত্র দুই বছর হল মালদ্বীপ গেছেন। আগামী পাঁচ বছরে দেশে আসতে পারবেন কিনা জানেন না।

প্রদীপ বাবু একদিন আমাদের রুম ক্লিন করতে এসে বললেন - ম্যাডাম,একটা অনুরোধ ছিল।

- বলেন

- আমি দেশে একটা ছোট্ট জিনিস পাঠাব আমার বাচ্চার জন্য। আপনারা যদি একটু নিয়ে যেতেন। স্যারের অফিস এর ঠিকানা টা আমাকে দিলে আমি লোক পাঠাব,সে অফিস থেকে নিয়ে নিবে।

বললাম - আচ্ছা দিয়ে দিয়েন

যেদিন চলে আসব প্রদীপ বাবু ছোট্ট একটা প্যাকেট দিলেন র‍্যাপ করা!!

আমার স্বামী সিকিউরিটির কারণে র‍্যাপিং টা খুলে দেখাতে বললেন।

খুলে দেখা গেল তাতে একটা রেইন কোট। প্রদীপ বাবু গ্রামের স্কুলে পড়া তার পাঁচ বছর বয়সী পুত্রের জন্য একটা রেইন কোট পাঠাচ্ছেন। পুত্র ঝড় জল গায়ে মেখে স্কুলে যায়,নিজে থাকলে হয়ত ছাতা হাতে কোলে করে পৌঁছে দিতেন,যেহেতু নাই তাই প্রটেকশন পাঠাচ্ছেন।

ঘন ঘন চোখে পানি আসা খুব খারাপ কিন্তু আবার আমার চোখে পানি চলে এল।

মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার এই এক ঝামেলা!!মানুষের জীবনের এত ক্রাইসিস। এই মালটিকালারড ক্রাইসিস দেখে "আমার জলেই টলমল করে আঁখি তোমার চোখের অশ্রু কোথায় রাখি"অবস্থা হয়।

আমি দুই পিতার পাহার সমান ত্যাগ এর সাক্ষী হয়ে দেশে ফিরে এলাম।

আমার এক ভাসুর জেদ্দা থাকেন ত্রিশ বছরের বেশী সময় ধরে!!ঢাকা ইউনিভারসিটি থেকে মাস্টার্স পাশ করেই উনি জেদ্দা চলে যান। ওখানেই কর্মজীবনের শুরু।

আমি বিয়ের পরে উনার গল্প শুনেছি,কয়েকবার দেখেছিও।

মিরপুরে উনার পাঁচতলা বাড়ী, বড় ছেলে মায়ামি ইউনিভারসিটিতে পড়ে,মেয়েও পড়ে ঢাকার বিখ্যাত একটা প্রাইভেট ইউনিভারসিটিতে।

ভাবী অসাধারণ কর্মঠ,রূপবতী গুণবতী একজন মানুষ,উনার বাড়ী এত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন যে মনে হয় পা দুইটা হাতে নিয়ে হাটি। এরকম পরিষ্কার বাসায় হাটাও একটা ক্রাইম।

কিন্তু ট্র্যাজেডি হল,ভাইজান কোনদিন এই পরিষ্কার বাড়ীতে থাকতে পারেন নি,গুণবতী স্ত্রীর হাতের রান্না খেতে পারেন নি,রূপবতী স্ত্রীর সান্নিধ্য পাননি। উনি দুই দুই তিন বছরে একবার এসেছেন,অতিথির মত থেকে চলে গেছেন।

ভাইজানের জেদ্দার বাসায় বেড়াতে গেলাম একবার। না গেলেই বোধয় ভাল হত। ষাট বছর বয়সী ভাইজানের সেই নিঃসঙ্গ,একাকীত্বের জীবন না দেখলেই ভাল হত।

আমরা যাব বলে ভাইজান অনেক কিছু রান্না করেছিলেন।

খাবার সময় বললেন

-আমি তো বেশী কিছু রাঁধতে পারিনা। তোমার ভাবী থাকলে কত কিছু রান্না করে খাওয়াত। এ্যাজ ইফ ভাবী উনার সাথেই থাকেন,কয়েকদিনের জন্য বাপের বাড়ী বেড়াতে গেছেন। পরে মনে হল, হয়ত উনার কল্পনায় ভাবী উনার সাথেই থাকেন, নইলে বেচে আছেন কিভাবে? এতগুলো বছর ? একা?

শান এ নজুল শেষ। এবার মূল বক্তব্য।

সারা দুনিয়ার মানুষ,মা বলতে অজ্ঞান হয়ে যায়। একজন মায়ের ত্যাগকে যেভাবে গ্লোরিফাই করা হয় তার সহস্রভাগের একভাগও পিতার ত্যাগকে করা হয় না।

অথচ একজন পিতার ত্যাগ একজন মায়ের থেকে কোন অংশে কম না। বরং কোথাও কোথাও অনেক বেশী। পিতা তার নিজের অস্তিত্ব বিলিয়ে দেন নিজের অস্ত্বিত রক্ষা করতে এবং এই কাজটা এতটাই নীরবে করেন যে আমরা ভুলেই যাই যে উনি আছেন এবং উনার ছায়াতেই আমরা বেচে আছি।

পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রী তাপমাত্রায় হেরা পর্বতের উপত্যকায় তপ্ত মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে এক কাশ্মীরি লোক আরবি ক্যালেন্ডার বিক্রি করছিল ৫ রিয়েল দাম এর।

ট্যুরিস্টদের দিয়ে তাকিয়ে বলছিল

- এক লিজিয়ে না বেহেন জি,মেরে বিবি বাচ্চা ভুখা হ্যাঁয়।

আমার ইচ্ছা করছিল বলি,ভাই এই পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রী তাপমাত্রায় তপ্ত বালুর উপরে দাড়ায়ে ক্যালেন্ডার না বেঁচে সংসার ছেড়ে পালানো তো আরও সহজ ছিল। পালান নাই কেন?

উত্তর যদিও আমি জানি। পালান নাই কারণ উনি একজন পিতা।

"পিতা"সবচেয়ে আনসাং,সবচেয়ে কম প্রেইজড,সবচেয়ে আননোটিসড,কিন্তু সবচেয়ে ভ্যালুয়েবল মানুষ!!

যতক্ষণ পর্যন্ত উনি থাকেন ততক্ষণ পর্যন্ত,উনি যে আছেন, এটাও বুঝতে দেন না....................


পরকালের যে বিশ্বাসে মমির মুখে সোনার জিভ

ভক্তের নগ্ন ছবির দেখার ইচ্ছে পুরণ করলেন পূজা হেগড়ে

শ্বশুরের লালসার স্বীকার ছেলের বউ!

ভারতে ৩০ কোটি মানুষের দেহে করোনার অ্যান্টিবডি


news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী

আসিফ আকবর

পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী

কুমিল্লা শহরের প্রানকেন্দ্র ষ্টেডিয়াম এলাকা। টাউন হল জিলা স্কুল সার্কিট হাউজ প্রান্তর জুড়ে রাতের নির্জন রাস্তা। ষ্ট্রীট পতিতাদের গমনাগমনের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী সেই পথে হাঁটতে থাকা মানুষগুলো। কুমিল্লার সন্তান আমি, রাতজাগা আমাদের কিছু বন্ধুদের ছোটবেলার অভ্যাস। 

ফুল ফল চুরি করার জন্য আমাদের গ্যাং ছিল। দেশের মহল্লায় মহল্লায় যুগে যুগে এধরনের ব্যাপার স্যাপার দেখে বহু জেনারেশন বড় হয়েছে। মাঝেমধ্যে শব-ই বরাত শব-ই কদর কিংবা মেরাজের রাতে হঠাৎ করেই পতিতা উচ্ছেদে লাঠি হাতে মাঠে নেমে পড়তাম। এখন খারাপ লাগে, ওরা আসলে পতিতা না, সমাজের অব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে এই পথে এসেছে। 

এখনও শহরের মধ্যাংশে রাতের বেলায় তাদের অবাধ বিচরন। আমরা বন্ধুরা রাত জেগে আড্ডা দেই। মাঝে মাঝে শুনতে পাই তাদের হৈচৈ। কোন খদ্দের হয়তো টাকা দেয়নি তাই শায়েস্তা করার জন্য ষ্ট্রীট পতিতারা একজোট হয়ে দৌড়ানী দিচ্ছে, এসব ঘটনার স্বাক্ষী পথচারী কিংবা আমরা রাতজাগা বন্ধুরা। কুমিল্লার আড্ডা শেষে বাসায় যাওয়ার সময় তাদের সঙ্গে দেখা হয়। কোন একটা মেয়ের মোবাইলে হয়তো বাজছে আমার গাওয়া একাকী গভীর রাতে গানটি। ষ্টেডিয়াম আর এসপি’র বাংলোর সামনে তারা গভীর শীতের রাতে আগুন পোহায়। 

আড্ডা শেষে যাওয়ার পথে এখনো কথা হয় তাদের সাথে, মামা ডাকে। মেয়েদের অনুরোধে সেলফিও তুলেছি। একসাথে বসে রাস্তায় আগুন পোহানোও হয়েছে। যতটুকু সম্ভব তাদের সাহায্যে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এরা আসলে পরিস্থিতির স্বীকার, কেউ স্বেচ্ছায় নিশ্চয়ই এরকম পেশায় আসতে চায়না। বাস্তবতা যার যার কাছে সবসময়ই কঠিন কষ্টিপাথরের মত। কত হাজারো কোটি কষ্টের চেপে থাকা কান্না মরে যায় তাদের হাসির দমকে আর ঝলকে। লক্ষ্য একটাই, পরিবারের সদস্য আর সন্তানদের মুখে খাদ্য তুলে দেয়া। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


রুট লেভেল থেকে বড় হয়েছি, প্রাচূর্যও দেখেছি ভরপুর। ফেসবুক থেকে জ্ঞান অর্জনের প্রয়োজন নেই। কাজ করতে এসেছি ঢাকা শহরে, ঢুকেছি রঙীন দুনিয়ায়। আমার চোখেও ঘোর লেগেছে সত্যি, এখনো যে লাগেনা সেটাও অস্বীকার করব না। সুযোগের অভাবে বেশ ধরে থাকা কোট টাই হ্যাট কিংবা ক্যাপওয়ালা ভদ্রলোকদেরও আমার চেনা আছে। আর কিছু আছে ভদ্রমহিলা পারফর্মার। তাদের কেউ কেউ অনেক গনিত সমাধান করে ইন্ডাষ্ট্রীতে প্রতিষ্ঠাও পেয়েছে। নামডাক অর্জন শেষে হয়েছে সোসাইটি গার্ল। এদের আচার ব্যবহার শব্দচয়ন আর হাসিমুখের অন্তরালে খদ্দের কালেকশন চলে। শুধু গান গেয়ে অভিনয় করে ইনকামের রাস্তা তৈরী করা সহজ ব্যাপার নয়। 

সমাজে তাদের জন্ম দেয়া নামধারী বন্ধু ডিরেক্টর কিংবা স্বামীরাও নেমে যায় ব্যবসায়। মুখে কুলুপ এঁটে নিজের আর্টিষ্ট বৌ’কে বারবনিতা বানিয়ে ছেড়ে দেয় লোকালয়ে। সুযোগ পাওয়া কামাতুর বিত্তশালীরা সেই পতিতাদের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজে একটা অবস্থান তৈরীতে সহযোগীতা করে। আমরা শো’বিজের লোকজন এদেরকে চিনি। আমার কুমিল্লা’র ভাগ্নী পতিতাদের চেয়ে এরা আরো ভয়ঙ্কর। এ সমস্ত কলগার্ল কিংবা সোসাইটি গার্লদের কিছু ফ্যানফলোয়ার থাকে মজা লুটার জন্য। আমিও তাদের কাউকে ভাগ্নী বোন ভাবী ভেবেছিলাম, এখনো হয়তো ভাবতে বাধ্য হই। আসলে এগুলা সব হাওয়াই মিঠাই। আমরা পতিতা বলতে যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে দেহ ব্যবসার আদিরুপ। আমাদের জগতে সেই সোসাইটি গার্লরা ফেসবুক ষ্ট্যাটাস দিয়ে নিজেকে আরো বেশী মার্কেটিং করে। 

বিত্তশালী হওয়ার সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা, অবশ্য এতে সময় কম লাগে। টাকার অভাবে থাকা মেয়ে আর্টিষ্টটা আজ ফাইভ ষ্টার হোটেলে পার্টি করছে পয়সাওয়ালা ফূর্তিবাজদের সঙ্গে। আর দোষ হচ্ছে বাচ্চাকাচ্চাদের মুখের খাবারের জন্য দিনের পর দিন জীবনের আনন্দ মাটি করে বেঁচে থাকা সেই রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো মেয়েদের। আমার আশেপাশেও এরা আছে, ফনা তুলে নেচে চলছে মনের আনন্দে। পার্থক্য শুধু ষ্ট্যাটাসে, কেউ রাস্তায়, কেউ গ্র্যান্ড সুলতান কিংবা  ইন্টারকন্টিনেন্টালের মত ফাইভষ্টার হোটেলে। নিজেকে বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত নিতেই হলো - শত্রুর বন্ধুই আমার সবচেয়ে বড় শত্রু। শত্রুর সাথে মেলামেশা করা কেউ কখনোই আমার বন্ধু হতে পারেনা। এদের বিষমাখা ফনাওয়ালা উদ্ধত শির পিষে ফেলতে হবে পায়ের তালুতে। 

ভালবাসা অবিরাম...

(ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

অনলাইন ডেস্ক

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

নাসিরের স্ত্রী তামিমা তাম্মী (সুবাহ'র ফেসবুক থেকে নেয়া)

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন। এরপর থেকেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে আগের স্বামী রাকিবকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা তাম্মি।

বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নাসিরকে একহাত নেন তার সাবেক প্রেমিকা হুমায়রা সুবাহ। এবার নাসিরের স্ত্রীকে একহাত নিলেন সুবাহ।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। 

সেখানে নাসিরের স্ত্রীকে জাতীয় ভাবী আখ্যায়িত করেন তিনি। 

তার স্ট্যাটাসটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি। অন্যেদের লেখা পড়ছি, মনটা বেদনায় ভারাক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু মাঝে মাঝে ভীষণ মজাও পাচ্ছি। চিড়িয়ারখানার বান্দর দেখে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা যেমন আনন্দ পায় তেমন আনন্দ। বলবেন, কেন!

উত্তরটা হচ্ছে, যে আইনে মোসতাকের জীবনবাতি নিভে গেল, সে আইনটা যখন খসড়ার স্তরে, তখন টিভিতে টিভিতে এ আইনের পক্ষে, এমন আইনের অপরিহার্যতা তুলে ধরে পালাগান গাওয়া সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই এখন মোসতাকের জন্য বেদনাতুর মর্শিয়া গাইছেন, লিখছেন। এরা নিখাদ খচ্চর, বদ বান্দর।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি আমরা সবাই চুপ থাকি বলেই লেখক মুশতাক আহমেদরা মারা যান

শরীফুল হাসান

আমি আমরা সবাই চুপ থাকি বলেই লেখক মুশতাক আহমেদরা মারা যান

আড়াইবছর আগে যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হয় বারবার এই কথাগুলো লিখেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু বাংলাদেশ নয় সারা পৃথিবীর মধ্যে প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে জঘন্য হবে ডিজিটাল এই নিরাপত্তা আইন।

লিখেছিলাম, এটি কালা আইন। মুক্তমত প্রকাশে বিশ্বাসী এই আমি তীব্র ঘৃণাভরে এই আইন প্রত্যাখান করলাম। আফসোস সেদিন বহু মানুষ চুপ ছিল। আর উন্নয়নের গল্প বলনেওয়ালারা সেদিনও উন্নয়নের গল্প বলছিলো। উন্নয়নের এই ফেরিওয়ালাদের হয়তো বোধোদয় হয়নি কিন্তু গত আড়াই বছরে এই জাতির আশা করি বোধোদয় হয়েছে। কাজেই চলুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলি।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


মনে রাখবেন এই যে আমি আমি আমরা সবাই চুপ থাকি তার কারণেই লেখক মোশতাক আহমেদরা মারা যান, কিশোররা জেলে থাকে। আমি আপনি কেউই এই দায় অস্বীকার করতে পারব না।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বয়স যখন ষাট!

জসিম মল্লিক

বয়স যখন ষাট!

আমি ষাটের দ্বারপ্রান্তে প্রায় পৌঁছে গেছি! আর কয়দিন পরই ষাট পূর্ণ হবে। ভাবতেই একটা আনন্দের অনুভূতি হচ্ছে! আবার একটু টেনশনও হচ্ছে! ষাট বছর! অনেকদিনইতো। এতো বছর ধরে বেঁচে আছি! মাই গড! আবার ষাট এমন কোনো বয়সই না। এখনকার হিসাব অনুযায়ী ষাট মাত্র মধ্যবয়স। সেটা ভেবেই আনন্দের অনুভূতি। আর টেনশন হচ্ছে আমার বয়সী অনেকেই হুট হাট করে চলে যাচ্ছে যে!

আমার বয়স নিয়ে আমার ছেলে মেয়ে দু’জনের দুই রকম মনোভাব। অর্ক বলবে বাবা তোমার এখন একটু সবধানে সবকিছু করতে হবে। বয়স বাড়ছে না! সময় মতো খাবা, নিয়মিত জীম করবা, সাড়ে ছয়টায় ডিনার এবং এগারেটার মধ্যে বেডে যাবা। রাত জেগে লিখবা না। সকালে লিখবা। জাঙ্ক একদম খাবানা। এই কথাগুলো অরিত্রিও এবং সবসময় হেলথি খাবার খেতে বলবে। কিন্তু বয়স যে হচ্ছে এটা অরিত্রি একদম মানতে চায় না। আজকেই জেসমিনকে বলল, মা, তুমি এমন এ্যাক্ট করছ যেনো বাবার বয়স সত্তুর। বাবা, স্টিল ইয়ং। শুনেই মনটা ভাল হয়ে গেলো!

টরন্টো ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

১৯ বছর পর অস্ত্রোপচার করে যমজ বোনে পরিণত হলেন যমজ দুই ভাই


news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর