ইউএস বাংলা এখন আতঙ্কের বাহন!

অনলাইন ডেস্ক

ইউএস বাংলা এখন আতঙ্কের বাহন!

ফ্লাইট ছাড়ার আগে দেখা গেল ফ্লাইটের ওয়েদার রাডার কাজ করছে না। ঠিক করার জন্য বলা হলো তখন অফিস থেকে হচ্ছে হবে করা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর কর্তৃপক্ষের একজন ফোন করে বলছেন, স্পেয়ার নেই বা এটা এখন ঠিক করতে গেলে ফ্লাইটের টাইম এলোমেলো হয়ে যাবে। এভাবেই চালিয়ে যেতে হবে। এভাবেই বাধ্য করে ফ্লাইট চালানো পাইলট যাত্রী সবার জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। কথাগুলো বলছিলেন ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একজন পাইলট।

মাত্রাতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করতে গিয়ে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের এভাবে পাইলটদের চাপ প্রয়োগ করার অভিযোগ অনেক পুরনো। নেপালের কাঠমান্ডুতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৫১ জনের প্রাণহানির ক্ষেত্রেও সেই ফ্লাইটের আগে পাইলট আবিদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগ আছে ইউএস-বাংলা এয়ালাইনসের ওপর।

ইউএস বাংলার এয়ারলাইনসে কক্সবাজার যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যাওয়া চিকিৎসক ডা. আদিবা মাহবুবা জানান, এরা বিমানের ক্রটি নিয়ে জোর করে যাত্রী নিয়ে রওনা হয়, তার পর ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং করায়। এটা প্রথমবার নয় এর আগেও বহুবার এরকম হয়ে গেছে। এদের কাছে মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। একটা প্লেনের ল্যান্ডিং গিয়ার ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই কিভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব।

জানা যায়, সম্প্রতি ইউএস-বাংলার মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইট যাত্রাপথে কারিগরি ত্রুটি দেখতে পেয়ে ঢাকায় ফিরে এসে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। এর আগে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর পরই ল্যান্ডিং গিয়ারের সমস্যা বুঝতে পেরে শাহ আমানত (রহ.) বিমানবন্দরেই জরুরি অবতরণ করে ইউএস-বাংলার আরেক ফ্লাইট।

এ ছাড়া নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর রানওয়ের শেষ প্রান্তে গিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজের পেছনের চাকা ছিটকে যায়। উড়োজাহাজটি নির্ধারিত জায়গা থেকে আরও সামনে অবতরণ করে। রানওয়ের একেবারে শেষ প্রান্তে গিয়ে এটি থামে।

এর আগে ২০১৮ সালের মার্চে ঘটে বাংলাদেশের এভিয়েশনের সবচেয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। গত ১২ মার্চ নেপালে ইউএস বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৫১ জনের মৃত্যু হয়। কাঠমান্ডুর এভিয়েশনের দাবি, পাইলটও ছিলেন মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মধ্যে এবং সেই এয়ারক্রাফটের কারিগরি সক্ষমতার অভাব ছিল।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও ইউএস বাংলার সাবেক পাইলট ওয়াহিদ-উন-নবী বলেন, পাইলটের দক্ষতায় একবার দুবার করে তিনবার হয়তো বেঁচে গেলাম। কিন্তু চারবারের বেলায়ও যে বেঁচে যাব তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে। আর যাত্রী নিয়ে আকাশে ওড়া বিমান নিশ্চয়ই কারও কোনো টেস্টিং গ্রাউন্ড হতে পারে না। তিনি বলেন, হ্যাঁ এটা সত্য পাইলটরা পেশাদার, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেন। কিন্তু এয়ারক্রাফটের কারিগরি সক্ষমতার দিকগুলো মেনে না চললে এভিয়েশন খাত ধ্বংস হয়ে যাবে এটা সবারই মনে রাখা ও মেনে চলা উচিত।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলমের মতে, কারগরি ত্রুটি হতে পারে, কিন্তু নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। বাংলাদেশের প্রাইভেট এয়ারলাইনসগুলোর বিরুদ্ধে লাভের জন্য কিছু বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে, এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে সিভিল এভিয়েশনকে। যথাযথ নিয়ম রক্ষা না হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিভিল এভিয়েশনকে এয়ারলাইনসগুলোর জরিমানাসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিতে দেখা গেলেও বাংলাদেশে তা হয় না।

জানা যায়, পরপর একাধিক দুর্ঘটনায় পড়া বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস বাংলার বহরে থাকা বিমানগুলোর কারিগরি মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। এয়ারক্রাফটগুলোর বয়স, এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ সঠিক প্রক্রিয়ায় হয় কিনা, এগুলো চলাচলের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ কিনা তা নিয়েও সরকারের পক্ষ থেকেও একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষকে কয়েক দফায় চিঠি দিয়ে, বহরের প্রতিটি বিমানের কারিগরি মান ও পরিস্থতি জানাতে বলা হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে সব থেকেই কোনো ত্রুটিহীন প্রতিবেদন জমা পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এয়ারক্রাফটের কারিগরি সক্ষমতার দিক দেখার দায়িত্ব সিভিল এভিয়েশনের। তারা এর দায় এড়াতে পারে না। এখন যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে বহরে থাকা বিমানগুলো বাধ্যতামূলক সি-চেক বা পর্যালোচনা করতে হবে এবং ত্রুটি পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে সেই এয়ারক্রাফটের পরিষেবা। 

অভিযোগ আছে, ফ্লাইট পরিচালনার শুরু থেকেই গ্রাহক হয়রানির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এয়ারলাইনস সংস্থাটি। ইউএস বাংলা, তাদের ফ্লাইটসমূহে সোনা চোরাচালান ও মাদক চালান বহনেরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইদানীং ইয়াবা বহনকারী মাদকচক্রও নিরাপদ বাহন হিসেবে ইউএস-বাংলার ফ্লাইটগুলো অবাধে ব্যবহার করছে বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিএস ১৪৬ যোগে ঢাকায় আসা যাত্রী শাকিল মিয়ার কাছ থেকে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ২ হাজার ২৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই ইয়াবার বাজার মূল্য সাড়ে ১১ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, কক্সবাজারের টেকনাফের জনৈক আবিরের কাছ থেকে সে এই ইয়াবা সংগ্রহ করে নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছাতে ইউএস বাংলার ফ্লাইট ব্যবহার করে থাকে।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা থাকায় মাদকের বড় চালানগুলো বিমানে যাত্রীবেশে আনার ঘটনা ঘটে চলছে। এক্ষেত্রে ফ্লাইটের দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশ থাকারও অভিযোগ উঠেছে।

গন্তব্যে যাত্রী পৌঁছাতে না পেরে অন্য বিমানে যাত্রী তুলে দেওয়ার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাও ঘটানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। তাছাড়া মাঝ আকাশ থেকেই যাত্রীসমেত ফ্লাইট ফিরিয়ে আনা, এক স্থানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে অন্য গন্তব্যে পৌঁছানো, এসি বিকল থাকায় হাত পাখার বাতাস নিতে নিতে ইউএস বাংলার ফ্লাইট ভ্রমণের হাস্যকর নানা কাহিনি এখন যাত্রীদের মুখে মুখে ঘুরেফিরে।

এভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্ট একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখানে সরকারি এয়ারলাইনসের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে সময় ঠিক রাখার জন্য আগ্রাসীভাবে ফ্লাইট চালাচ্ছে তারা। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ থেকেও তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ফ্লাইট পরিচালনা। কুয়াশার মধ্যে বিমান বাংলাদেশ ফ্লাইট বন্ধ রাখলেও কোনো কোনো বেসরকারি এয়ারলাইনস তার মধ্যেই ফ্লাইট চালিয়েছে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

দেশে গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ২৬ লাখের বেশি মানুষ। এর মধ্যে অল্প মানুষের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবরও পাওয়া গেছে। তবে টিকা নেয়ার পর কারও করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি এতোদিনে। এই প্রথমবারের মতো একটি খবর পাওয়া গেলো যে করোনার টিকা নেয়ার পর শনাক্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনা শনাক্ত হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীনের। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, টিকা নেওয়ার দিন চারেকের মধ্যে মো. মোহসীনের মধ্যে করোনার কিছু উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। স্বজনরা মনে করছেন, খুব সম্ভবত টিকা নেওয়ার আগেই সংক্রমণ ঘটেছিল, উপসর্গ স্পষ্ট হয়েছে টিকা নেওয়ার পর। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও একই ধরনের অভিমত দিয়ে বলছেন, তিনি আগেই আক্রান্ত হয়ে থাকবেন। তারা এও বলছেন,  টিকা  নেওয়ার মুহূর্ত থেকেই সংক্রমণ প্রতিরোধের শক্তি দেহে তৈরি হয় না; এ জন্য কয়েকদিন সময় লাগে।


হাতে নেই ছবি, তবুও বিলাসবহুল জীবনযাপন?

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. সেলিম হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, সচিব স্যার অসুস্থবোধ করলে ১৮ই ফেব্রুয়ারি করোনার পরীক্ষার নমুনা দেন। এরপর ১৯শে ফেব্রুয়ারি করোনা পজেটিভ হওয়ার খবর আসে। ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তিনি টিকা নিয়েছিলেন। বর্তমানে তার সামান্য কাশি আছে। জ্বর নেই। শরীরটা একটু দুর্বল।

টিকা নেয়ার পর করোনায় শনাক্ত হওয়ার ব্যাপারে দেশের বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ভাইরাসটির শক্তিকালীন সময় ১৫ দিন। এর আগেই তিনি সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। তিনি হয়তো টের পাননি। তার লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। কিন্তু তিনি সংক্রমিত হয়েছেন।'

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ এ ব্যাপারে বলেন, বিষয়টি এ রকম যে আমরা টিকা দিলে করোনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। টিকার একটি কার্যকর সময় আছে। ৭ দিন পর অ্যান্টিবডি তৈরি শুরু হয়। তারমানে এমন নয় যে করোনা হবে না। ধীরে ধীরে অ্যান্টিবডি বৃদ্ধি পাবে। সুরক্ষা দেবে।

তিনি বলেন, করোনার টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার ৮ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ। তখন দেখা যাবে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে তার এ সংক্রমণটা হবে না। তিনি তো এখনো দ্বিতীয় ডোজ নেননি। তার সুরক্ষা হয়নি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মর্যাদা রক্ষায় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত ৫৫তম ব্যাচের ক্যাডেটদের মুজিববর্ষ গ্র্যাজুয়েশন প্যারেডে-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নৌপথ গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্রে কাজ করতে সবোর্চ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে মেরিড ক্যাডেটদের প্রতি আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

দেশনেত্রী বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। প্রতিযোগিতাময় বিশ্ব - কাজেই সেই বিশ্বে চলতে হলে আমাদের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রয়োজন। আর সেভাবেই ট্রেনিং নিতে হবে। সেই সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করে দিচ্ছি। আমরা আশা করব, যাঁরা আজ ট্রেনিং পেয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবেন, তাঁরা যে দেশে যাবেন, সেখানে আমাদের সভ্যতা, আমাদের সংস্কৃতিও আদান-প্রদান করতে পারবেন। এবং অন্য জায়গা থেকেও ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারবেন। নিজ দায়িত্ব, সততা, দক্ষতা ও কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে, যাতে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।’

আরও পড়ুন:


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষার নতুন সূচি ঘোষণা

লেবানন বিএনপির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কেটে ফেলা হল কিষানীর তিন হাজার গাছ

তামিমার পাসপোর্ট আসল কিনা মুখ খুললেন নাসিরের সাবেক প্রেমিকা


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন সরকারে থাকার সুযোগে সব খাতে উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন, করোনার মধ্যেও দেশের অর্থনীতি একেবারে স্থবির হয়ে পড়েনি। প্রত্যেকের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ইঞ্জিন কন্ট্রোল সিমুলেটরের মাধ্যমে এখন থেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মেরিন একাডেমির মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছে। তিনি বলেন,জাতির পিতা ১৯৭৪ সমুদ্র সীমা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নিলেও ৭৫ পরবর্তী সময় জিয়াউর রহমানসহ অন্য কেউ এটা নিয়ে কোনো কাজ করেনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না আজ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না আজ

গ্যাসের পাইপলাইন সংস্কার কাজের জন্য রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার গ্যাস থাকবে না। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ রাজধানীর মগবাজার তালতলা গলি, ওহাব সড়ক, নয়াটোলা, চেয়ারম্যান গলি, মধুবাগ এবং আশপাশের এলাকায় আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন:


পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আমি ভেতর ভেতর খুবই উন্মাদ: নোরা ফাতেহি

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির জন্য গঠনমূলক পন্থা প্রয়োজন: রাশিয়া

কম্ব্যাট ড্রোন উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  গ্যাসের স্বল্পচাপজনিত সমস্যা নিরসনে মগবাজার তালতলা গলি, ওহাব সড়ক, নয়াটোলা, চেয়ারম্যান গলি, মধুবাগ এলাকায় বিদ্যমান গ্যাস পাইপলাইনের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট সার্ভিস লাইন স্থানান্তর কাজের টাই-ইনের জন্য এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক

পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মর্মান্তিক পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কালো দিন। ২০০৯ সালের এই দিনে নারকীয় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল কিছু বিপথগামী সৈনিক।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধিরা নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক এবং নিহত কর্মকর্তাদের স্বজনরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) কোরআন খানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে।

দিনটি উপলক্ষে বিজিবির সব সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটে বিজিবির পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সদস্যরা দিবসটি উপলক্ষে কালো ব্যাজ পরিধান করবেন।

নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য বিজিবি কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা সেক্টর মসজিদ ও পিলখানার বর্ডার গার্ড হাসপাতাল মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিজিবির কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদদের আত্মীয়-স্বজন, পিলখানায় কর্মরত সব কর্মকর্তা দোয়া ও মিলাদে যোগ দেবেন।

আরও পড়ুন:


আমি ভেতর ভেতর খুবই উন্মাদ: নোরা ফাতেহি

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির জন্য গঠনমূলক পন্থা প্রয়োজন: রাশিয়া

কম্ব্যাট ড্রোন উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরান

তামিমার পাসপোর্ট নাকি ডিভোর্স পেপার, কোনটা আসল?


২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সপ্তাহ চলাকালে ২৫ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র বিদ্রোহ করেন বাহিনীর কয়েকশ সদস্য। তাদের হাতে পিলখানা সদরদপ্তরে নিহত হন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। পরে সরকারের সঙ্গে বিদ্রোহীদের আলোচনা শেষে পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড জমাদানের মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি হয়।

ঘটনার জেটপাট ও বিদ্রোহের এ ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়। হত্যার এক মামলায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিএনপির প্রয়াত নেরে আধাসামরিক বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম বদলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাখা হয়।

হত্যা, লুতা নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিদ্রোহের জন্য দায়ের করা ৫৭ মামলায় বিডিআরের মোট পাঁচ হাজার ৯২৬ জন সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে (চার মাস থেকে সাত বছর) কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি বহুল আলোচিত পিলখানা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। রায় প্রদানকারী তিন বিচারপতির স্বাক্ষরের পর ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার এ রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায়ের দৈর্ঘ্য এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ রায়।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

অনলাইন ডেস্ক

উপনির্বাচনে পাপুলের আসনে প্রার্থী কারা

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) সংসদীয় আসনে এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের পদ হারানোর পর উপনির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ আসনটি জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিলেও আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অনেকে লবিং করছেন কেন্দ্রেও।

এদিকে এ আসন ছাড়তে রাজি নয় বিএনপি। সুষ্ঠু ভোট হলে নিজেদের জয় নিশ্চিতে আশাবাদী তারা। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি জোট ইস্যুতে হাল ছাড়তে নারাজ। জানা যায়, হঠাৎ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের রাজনীতিতে ‘উড়ে এসে জুড়ে বসেন’ আলোচিত কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল।

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির মো. নোমানকে টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে এমপি নির্বাচিত হন পাপুল। সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে শত কোটি টাকার উন্নয়নের ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের মন জয় করেন তখন। নির্বাচনের পর তার আর খোঁজ পাননি তারা। তার গ্রামের বাড়িতে ঝুলছে তালা। বর্তমানে অর্থ ও মানব পাচার এবং ঘুষ লেনদেনে চার বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কুয়েতের কারাগারে বন্দী তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তার সংসদীয় পদ বাতিল করে সংসদ সচিবালয়। এদিকে আগামী ২ মার্চের পরে ওই আসনে তফসিল আর মার্চে উপনির্বাচনের ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের আংশিক) আসনে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন এখানকার সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরগরম হয়ে ওঠে রায়পুরের রাজনীতি।

মহাজোটের ডজনখানেক প্রার্থী তাদের কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে ফেসবুকে সরব রয়েছেন এখন। আলোচনায় রয়েছেন সাবেক এমপি আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, ঢাকা কলেজের সাবেক সভাপতি এ এফ জসীম উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন নয়ন, ডা. এহসানুল কবির জগলুল, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা শামছুল ইসলাম পাটোয়ারী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আলী খোকন।

এদিকে বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন হাওলাদার ও কর্নেল মজিদের নাম শোনা যাচ্ছে। জাতীয় পার্টি থেকে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এম আর মাসুদ ও শেখ মোহাম্মদ ফায়জুল্লাহ শিপন সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। এদিকে এই প্রার্থীরা কেন্দ্রেও লবিং-তদবির শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। জানতে চাইলে বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই পাপুলের বিষয়ে আদালতে মামলা করা হয়েছে। কিন্তু তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। সেদিন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আজ হয়তো বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষা হতো।’

আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসীম উদ্দিন বলেন, ‘পাপুলদের মতো লোক এমপি হন এটি রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা। এ অপরাজনীতি থেকে বের হয়ে স্বচ্ছ রাজনৈতিক চর্চা করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এখানকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন করার আগ্রহ রয়েছে। সুযোগ পেলে তা করে দেখাতে চাই।’

রায়পুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন হাওলাদার বলেন, ‘আসন ছেড়ে দেবে না বিএনপি। এ আসনে বারবার বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।’ এখনো সুষ্ঠু ভোট হলে বিএনপির জয় নিশ্চিত উল্লেখ করে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:


নৃশংস পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্তি আজ

যে শর্ত মানলে ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ


এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিঙ্কু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, মহাজোট প্রার্থী নোমান মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ায় পাপুলের আবির্ভাব ঘটেছে। আগামীতে আওয়ামী লীগের মধ্য থেকে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় এমন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জেলার এ দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার।

মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক এম আর মাসুদ বলেন, কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় দল নেবে না। প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই জাতীয় পার্টিকে নিয়ে নতুনভাবে তারা আশাবাদী বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ উল্লাহ এমপি নির্বাচিত হন। পরের বছর ১৯৭৪ সালে উপনির্বাচনে এমপি হন একই দলের ড. আউয়াল। এরপর জিয়াউর রহমানের আমলে বিএনপি গঠনের পর আসনটি চলে যায় তাদের দখলে। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচিত হন খোরশেদ আলম চৌধুরী। পরে জাতীয় পার্টির আমলে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে তিনি লাঙল নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মোহাম্মদ উল্লাহ এবং ১৯৯৬ সালে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জয়ী হন। বিএনপি নেত্রী আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের হারুনুুর রশিদ। এর পরের দুই নির্বাচনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নোমান ও ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র হিসেবে এমপি হন কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। সূত্র: বাংলাদেশে প্রতিদিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর