এক সময়ের পুলিশ ১০ বছর ধরে ভিক্ষুক
Breaking News
এক সময়ের পুলিশ ১০ বছর ধরে ভিক্ষুক

এক সময়ের পুলিশ ১০ বছর ধরে ভিক্ষুক

অনলাইন ডেস্ক

এক সময়ের পুলিশ অফিসার মনিষ মিশ্র। ১৯৯৯ সালের পুলিশ ব্যাচের মধ্যে সেরা ১০ শুটারদের একজন ছিল সে। কিন্তু কালের আবহে সেই পুলিশ অফিসার বিগত দশ বছর করছেন রাজপথে ভিক্ষা। কেউ করুণা করলে খাবার জুটেছে, না হলে অভুক্ত সারা দিন।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের এই পুলিশের আছে পরিবার পরিজন সবাই তাও আবার সমাজ রাষ্ট্রের ভালো জায়গায়। কিন্তু তারপরও কেন  মনিষের এই বেহাল দশা।  

জানা গেছে, মনীষের বাবা ও চাচা দুজনই অ্যাডিশনাল এসপি পদে থেকে অবসর নিয়েছেন। মনীষের ভাই থানার অফিসার ইনচার্জ। তার বোন কাজ করেন দূতাবাসে। ডাটিয়া জেলায় শেষ পোস্টিং ছিল সাব-ইনস্পেক্টর মনীষের। তারপরই মানসিক অসুস্থতা।

মানসিক ভারসাম্য হারানোর পরই মনীষের জীবনে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যায়। একসময় পুলিশের চাকরিটা চলে যায় তার। আর ‘পাগল’ ছেলে কোথায় কী করে বসে, তাই পরিবারও দূরে ঠেলে দেয়। এভাবেই চলে যাচ্ছিল তার ভবঘুরে জীবন। পুরনো ব্যাচমেটদের সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয় তার। মনীষকে দেখে তারা চিনতে পারেননি। কিন্তু মনীষের চিনতে ভুল হয়নি। এরপর যা ঘটে, তা কম নাটকীয় নয়।  


ভক্তের নগ্ন ছবির দেখার ইচ্ছে পুরণ করলেন পূজা হেগড়ে

পরকালের যে বিশ্বাসে মমির মুখে সোনার জিভ

টাচ ছাড়াই আনলক হবে আইফোন

কৃষকদের জঙ্গি আখ্যায়িত করলেন কঙ্গনা


মধ্যপ্রদেশ উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার পর রাস্তায় বিজয় মিছিলে যেন অপ্রীতিকর কিছু যাতে না ঘটে তা দেখার দায়িত্বে ছিলেন ডিএসপি রত্নেশ তোমর ও বিজয় ভাদোরিয়া।   সে সময় ফুটপাতে হঠাৎ তাদের নজর যায় এক ভিক্ষুকের দিকে। কী মনে করে পরনের ভালো জ্যাকেটটি পুলিশ অফিসার বিজয় তার হাতে তুলে দেন। রত্নেশ সিং তোমর দেন একজোড়া নতুন জুতা।

ফিরেই আসছিলেন তারা। কিন্তু ওই ভিক্ষুক ভাদোরিয়ার নাম ধরে ডাকায় বিস্মিত হন অফিসার। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আবারও এগিয়ে যান ওই ভিক্ষুকের দিকে। জিজ্ঞাসায় জানতে পারেন তিনি মনীষ মিশ্র। এরপর আর তাকে চিনে নিতে অসুবিধা হয়নি দুই পুলিশ অফিসারের।

ভাদোরিয়া বলেন, মনীষ আমাদের ব্যাচের সেরা ১০ শুটারদের একজন ছিল। সে একজন ভালো এথলেটও। সে বিভিন্ন থানায় পুলিশ ইনচার্জ হিসেবে কাজ করেছে।  

১৯৯৯ সালের ব্যাচমেট তারা! মনীষকে তারা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু মনীষের তীব্র আপত্তিতে শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এক আশ্রমে। সেখানেই তার মানসিক চিকিৎসারও ব্যবস্থা হয়েছে।

এই ১০ বছর ভোপালের একাধিক আশ্রম ও ভবঘুরে কেন্দ্রে তাকে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই তিনি পালিয়ে যান। তার পরিবারেরও দাবি, মনীষকে তারা ঘরে ধরে রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

;