পেঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ১২ টাকা বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক

পেঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ১২ টাকা বেড়েছে

রাজধানীতে হঠাৎ করে দেশি পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়ে গেছে। খুচরা বাজারে এক লাফে কেজিতে ৫ থেকে ১২ টাকা বেড়ে গেছে। এই দাম বাড়ার পেছনে একে অপরকে দায়ী করছেন। বৃহস্পতিবার কাওরান বাজারে দেখা গেছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৬ থেকে ৩৮ টাকা বিক্রি হয়েছে। 

আর পাইকারিতে দাম ছিল ৩৪ টাকা কেজি। কিন্ত এক সপ্তাহ আগেও কাওরান বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৬ থেকে ২৮ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

পেঁয়াজের ব্যবসায়ী মোসলেম বিশ্বাস গণমাধ্যমকে জানান, ‘এখন বেশির ভাগ দেশি পেঁয়াজের জোগান আসছে ফরিদপুর থেকে। সেখান থেকে আমরা আজ ৪০ কেজির প্রতি বস্তা ১ হাজার ২০০ টাকায় কিনেছি। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ কেজিপ্রতি ৩ টাকা। তাতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম পড়েছে ৩৩ টাকা। এ পেঁয়াজ কিছুতেই পাইকারিতে ৩৪-৩৫ টাকার কমে বিক্রি সম্ভব নয়।’ দাম বাড়ার জন্য এই বিক্রেতা দায়ী করেন ঘন কুয়াশাকে।

আরও পড়ুন:


কোমায় জন্ম দেয়া সন্তানকে তিন মাস পরে দেখলেন মা

আল জাজিরার প্রতিবেদন উদ্দেশ্যমূলক, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক: আমু

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের স্টাফ কোয়ার্টারে অগ্নিকাণ্ড

নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করতেই আর্থিক অনিয়মের প্রশ্ন: কবিতা খানম


পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৫ থেকে ২৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ এলাকার পাইকারি আড়তদার গণমাধ্যমকে জানান, পেঁয়াজের দাম মাঝে কমে গেলেও এখন আবার বেড়েছে। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় এবার কৃষক পর্যায়ে দাম বেড়ে গেছে।

এদিকে রাজধানীর মিরপুর ১১ ও শান্তিনগর বাজারে, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতারা জানান, জোগান আগের চেয়ে কমে গেছে, তাই দাম বাড়তি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বর্ণের দাম আরও কমল

অনলাইন ডেস্ক

স্বর্ণের দাম আরও কমল

স্ব‌র্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সে মোতাবেক বুধবার (৩ মার্চ) থেকে ভরিতে ১ হাজার ৫১৬ টাকা ক‌মি‌য়ে স্বর্ণের নতুন দর কার্যকর করা হয়েছে।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


মঙ্গলবার (২ মার্চ) বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩ মার্চ থেকে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা ক‌মি‌য়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ হাজার ১৫১ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৮ হাজার ১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৫৯ হাজার ২৫২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৯৩১ টাকা নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের দাম

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের দাম। পরিস্থিতি আগামীতে আরো খারাপ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।   

যুক্তরাষ্ট্রে গেল বছরে খাবারের দাম ৩ শতাংশের কাছাকাছি বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক হারের দ্বিগুণ হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আমেরিকানরা এরই মধ্যে তাদের আয়ের ৩৬ শতাংশ খাবারের জন্য ব্যয় করছে। মহামারীর কারণে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়ায় গত বছর যুক্তরাজ্যে বিশেষ প্রচারে মুদি সামগ্রী বিক্রি ২০ শতাংশ কমে গেছে। 


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


মহামারী পরবর্তী খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি নতুন সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। এছাড়া মহামারীজনিত ব্যাঘাত এবং ক্রমবর্ধমান পরিবহন ও প্যাকেজিংয়ের চাপে প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন মূল্যবৃদ্ধির পথে হাঁটছে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

দেশীয় বাজারে সিমেন্টের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কাঁচামালের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন সিমেন্ট উৎপাদকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ক্লিংকার প্রস্তুতে ব্যবহৃত জ্বালানি কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্লিংকারের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। চীন হঠাৎ করে কয়লার আমদানি বৃদ্ধি করায় দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। উৎপাদন পর্যায়ে আগে যেখানে প্রতি টন কয়লার মূল্য ছিল ৪০ থেকে ৪২ মার্কিন ডলার, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ ডলারে। সিমেন্টের অন্যতম কাঁচামাল ক্লিংকারের দাম বাড়ছেই। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ক্লিংকারের দাম ৪২ ডলার থেকে বেড়ে ৫৪ ডলার হয়েছে। অন্যান্য কাঁচামালেও প্রতি টনে ৩ থেকে ৪ ডলার দাম বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে সিমেন্ট শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিসিএমএ সভাপতি ও ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনা-পরবর্তীতে পশ্চিমা দেশগুলোতে পুরোদমে অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও               এশিয়া অঞ্চলে নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ করোনাকালীন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনের মূল কাঁচামাল উৎপাদন কাক্সিক্ষত অনুযায়ী হয়নি। যার ফলে চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে কোনো কোনো দেশের প্রয়োজনীয় গুরুত্ব বিবেচনায় বেশি দামে নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামাল এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রী ক্রয় করছে। তিনি আরও বলেন, সিমেন্ট এবং স্টিলের মতো অতি প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামালের উৎস বাংলাদেশে নেই। তাই শতভাগ বৈদেশিক নির্ভরশীলতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে উঠানামার ওপরেই এ দেশে নির্মাণসামগ্রীর মূল্য নির্ভরশীল। তিনি আরও বলেন, চীন এবং ভিয়েতনামেও ব্যাপক উন্নয়নের ফলে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে কাঁচামাল আমদানির যে সোর্সিংগুলো রয়েছে সেগুলোও চীন এবং ভিয়েতনামের ক্রয় নিয়ন্ত্রণেই বেশি কাজ করছে। সূত্র বলছে, বাংলাদেশে সিমেন্ট তৈরির যে কয়টি মূল কাঁচামাল রয়েছে তার সবই আমদানিনির্ভর এবং এরমধ্যে ক্লিংকার অন্যতম। করোনা-পরবর্তী সময় অনেক দেশেই আবার নতুন করে উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাপক হারে শুরু হয়েছে। তাই গত কয়েক মাসে নির্মাণসামগ্রীর বিশ্বব্যাপী চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশে সিমেন্ট খাতের যে মূল কয়টি কাঁচামাল রয়েছে তার সবকটিই আমদানিনির্ভর। সেে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বাজারে তৈরি পণ্যের মূল্য পরিবর্তনের সমূহ সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশে সক্রিয় সিমেন্ট উৎপাদন কারখানা রয়েছে ৩৫টি। সারা দেশে সিমেন্টের চাহিদা ৩৫ মিলিয়ন টন হলেও কারখানাগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ৮০ মিলিয়ন টন। আগামী তিন বছরে সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা আরও ১১ মিলিয়ন টন যুক্ত হবে। দেশে সিমেন্টের বার্ষিক চাহিদা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টন। এ খাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে সরকারি কোষাগার প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্বও পায়। পাশাপাশি সরকার সিমেন্ট কোম্পানিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ আয়করও পেয়ে থাকে। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন। বিসিএমএ সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া, অসমন্বয়যোগ্য অগ্রিম আয়কর, তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে সিমেন্টের নিম্নমুখী দামের প্রবণতা এবং নদীপথে ও সড়কপথে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রায় সব সিমেন্ট কোম্পানি ক্ষতির সম্মুখীন। খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত সিমেন্ট খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

সূত্র- বিডি প্রতিদিন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে অর্থপাচারকারীদের তালিকা জমা দেয়ার নির্দেশ

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সুইস ব্যাংকসহ গোপনে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে পানামা পেপারস ও প্যারাডাইস পেপারসে  যাদের নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ। 

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা তাদের পাচার করা অর্থ সুরক্ষিত রাখতে যেসব হাই সিকিউরিটি ব্যাংকের আশ্রয় নেন তার মধ্যে অন্যতম সুইচ ব্যাংক। এই ব্যাংকে অর্থ আছে নাম না জানা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। 

এমনি অবৈধ বা পাচার হওয়ার অর্থ কেলেঙ্কারীর আরো দুই আলোচিত নাম পানামা ও প্যারাডাইস কেলেঙ্কারী। যেখানেও এসেছে দেশের কয়েকজন শীর্ষ ব্যাবসায়ী ও ধনী ব্যাক্তির নাম। কিন্তু নাম আসলেও তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।

সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি হাইকোর্ট রিট আবেদন করেন দুই আইনজীবী। রিটের শুনানী নিয়ে সুনির্দিষ্ট তদন্তের রুল জারি করেন হাইকোর্ট।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


রুলে পানামা পেপার্স ও প্যারাডাইস পেপার্স কেলেঙ্কারীতে যেসব বাংলাদেশিদের নাম এসেছে তাদের ব্যাপারে দুদকের অবস্থান জানতে চান হাইকোর্ট।

গত ১ ফেব্রুয়ারি আলোচিত ব্যাবসায়ী মুসা বিন শমসেরসহ বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বিশেষ করে সুইস ব্যাংকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

করোনার কারণে সারা দুনিয়া লন্ডভন্ড। ঠিক তখনই পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ ও বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার আইটিসির সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর, এই ১২ মাসে পোশাকের বিশ্ববাজারে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম রফতানি করেছে ২৭ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারের আর বাংলাদেশ করেছে ২৯ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক। 

অর্থাৎ পোশাক রফতানি করে ভিয়েতনামের চেয়ে ১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। অথচ ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত ১১ মাসে বাংলাদেশের চেয়ে ভিয়েতনামের আয় ২ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার বেশি ছিল। ওই সময়ে তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ২৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আর ভিয়েতনামের ছিল ২৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকরা বলছেন, করোনাকালে সরকারের দেয়া প্রণোদনা এই খাতের ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে আরও নীতি ও অর্থ সহায়তা দরকার বলে জানান তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসির। 

ইউরোপের বাজারে ভিয়েতনাম মুক্তবাণিজ্য সুবিধা পেলেও বাংলাদেশ পাচ্ছে না। তাই ভিয়েতনাম এগিয়ে যায়। আর তাদের বাণিজ্য কৌশলও বেশ ভালো। কিন্তু এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। তাই জিএসপি সুবিধা বাতিল হয়েে গেলে সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ।    

 news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর