ফালুদার রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক

ফালুদার রেসিপি

গরমে স্বাস্থ্যকর কিছু খেতে চাইলে নিশ্চিন্তে খেতে পারেন ফালুদা। এটি খেলে আরাম তো মিলবেই সেই সঙ্গে সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে। তবে ফালুদা বাইরে না খেয়ে ঘরে তৈরি করে নেয়াই ভালো। কারণ বাইরের খাবার স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি নাও হতে পারে। কিন্তু কিভাবে তৈরি করবেন তা জানা নেই? আজকে আপনাদের জন্য থাকছে ফালুদার রেসিপি। 

উপকরণ: নুডুলস ১/২ প্যাকেট, সাগুদানা ১/২ কাপ, দুধ ১লিটার, চিনি ১ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ২ চা চামচ সাজানোর জন্য, মোরব্বা, পেস্তা বাদাম কুচি, সুইট বল, বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফল, আইসক্রিম।

আরও পড়ুন: 


ভাস্কর্য নিয়ে স্ট্যাটাস, ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

ট্রাকভর্তি সীসা ছিনতাই, সিসিটিভি ফুটেজে ধরা ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে

বিয়ে আসর থেকে কনেকে অপহরণচেষ্টা, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা বললেন ষড়ষন্ত্র

রাঙামাটিতে লড়াই হবে দ্বিমুখী ও হাড্ডাহাড্ডি

দুম‌ড়ে গেল অ‌টোবাইক, মৃত্যু হলো মা-মেয়ের

৯টা-৫টা ডেস্ক ওয়ার্ক সম্ভব না: ভারতের সর্বকনিষ্ঠ পাইলট

প্রথমে দুই স্ত্রীর ঝগড়া, পরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন


প্রস্তুত প্রণালি :
প্রথমে নুডুলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখুন। সাগু ভিজিয়ে রাখুন। ফুলে উঠবে। এরপর ১ লিটার দুধ সামান্য জ্বাল দিয়ে এতে সাগু দিন। এরপর ২-৩ মিনিট পরই নুডুলস দিয়ে সিদ্ধ হলে চিনি ও এসেন্স দিন। চিনি গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন তারপর নামিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে স্বচ্ছ গ্লাসে বা বাটিতে প্রথমে ফালুদা ঢালুন। এরপর আইসক্রিম দিন। এর উপর রুহআফজা, মোরব্বা পেস্তা বাদাম কুঁচি, সুইট-বল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ফালুদা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চটপটি রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক

চটপটি রেসিপি

চটপটি খেতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু ইয়াম্মি চটপটি খেতে সবসময়ই কি বাইরে যাওয়া যায়? রাস্তার পাশের চটপটির ভ্যান থেকে খাওয়ার মজা অন্যরকম হলেও স্বাস্থ্যের জন্য যে তা ভালো না জানি সবাই। কিন্তু জিভকে সামাল দেয়া যে দুষ্কর! তবে এই মজার খাবারটির রেসিপি জানা থাকলে কিন্তু মন্দ হয় না! চটপটি খাওয়ার ক্রেভিং হলে চট করে যেন নিজেই বানিয়ে খেতে পারেন তার জন্যই আজকে সবচেয়ে সহজ করে ঘরে বানানো চটপটি রেসিপি দেয়া হলো। তাহলে বানিয়ে ফেলুন দারুণ ইয়াম্মি চটপটি!

ঘরে বানানো চটপটি যেভাবে করতে হয়
উপকরণ
ডাবলি বুট- ২ কাপ
আলু মাঝারি সাইজের- ২-৩ টা
পেঁয়াজ কুঁচি- ১/২ কাপ
মরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
জিরা গুঁড়া- ২ চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়া- ১.৫ চা চামচ
বেকিং সোডা- ১ চা চামচ
লবণ- স্বাদমতো
সয়াবিন তেল- ২ টেবিল চামচ
পাকা তেঁতুল- ১/২ কাপ
শুকনামরিচ- ২ টা
ভাজা জিরা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ
বিট লবণ- ১ চা চামচ
লবণ- স্বাদমতো
চিনি- স্বাদমতো
সরিষার তেল- ২ চা চামচ
পানি- প্রয়োজন মত
সিদ্ধ ডিমের ঝুরি- ১ কাপ
শসা কুঁচি- ১ কাপ
ধনিয়া পাতা কুঁচি- ১ কাপ
কাঁচা মরিচ কুঁচি- ১/২ কাপ
পেঁয়াজ কুঁচি- ১/২ কাপ
নিমকি- পছন্দমতো


হাতে নেই ছবি, তবুও বিলাসবহুল জীবনযাপন?

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


প্রণালী:

(১) প্রথমে ডাবলি বুট একটি বড় বাটিতে নিয়ে বেশি করে পানি দিয়ে ৫-৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ডিম ও আলু ভালোভাবে সিদ্ধ করে আলু ছিলে হাত দিয়ে ভেঙ্গে ছোটছোট দানা করে রেখে দিতে হবে। আলু শুধু ভেঙ্গে দিবেন, পেস্ট করবেন না।

(২) ডাবলি বুট ভেজানো হলে ভালোভাবে ধুয়ে একটি বড় পাত্রে নিয়ে এর সাথে পেঁয়াজ কুচি, মরিচগুঁড়া, জিরা, ধনিয়া, বেকিং সোডা, লবণ, তেল ও প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। চাইলে প্রেশার কুকার-এ সিদ্ধ করে নিতে পারেন, তাড়াতাড়ি হবে।

(৩) ডাল সিদ্ধ হলে তারপর হলুদ দিতে হবে, আর সিদ্ধ করে ভেঙ্গে রাখা আলুগুলোও এখন দিয়ে নেড়ে দিন। ডালের পানি পছন্দমতো ঘন হয়ে এলে লবণ দেখে (লাগলে দিয়ে) নামিয়ে ফেলুন । চটপটির জন্য ডাল রেডি, এবার তেতুলের টক তৈরির পালা।

(৪) এখন তেঁতুলগুলো ১ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রেখে হাত দিয়ে কচলে তেঁতুলের ক্বাথ বের করে নিতে হবে। তেঁতুলগুলো নরম হয়ে পানিতে মিশে গেলে তেঁতুলের বীচি ও আঁশ বেছে ফেলে দিয়ে তারপর ছেঁকে নিতে হবে। এবার টক তৈরির জন্য তেঁতুলের ক্বাথ রেডি।

(৫) এবার একটি পাত্রে তেল গরম করে শুকনা মরিচ ছিড়ে কুঁচি করে তেলে দিয়ে ভাজতে হবে। মরিচ পুড়িয়ে ফেলবেন না, ভাজা হলে জিরা গুড়া দিয়ে তেঁতুলের ক্বাথ দিয়ে নাড়তে থাকুন।

(৬) এরপর এতে বিট লবণ, লবণ ও চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। চটপটির জন্য যে তেঁতুলের টক বানানো হয় তা একটু ঘন হয় আর ফুচকার টক একটু পাতলা হয়। আপনি আপনার প্রয়োজন মত পানি মিশিয়ে পাতলা বা ঘন তেঁতুলের টক তৈরি করতে পারেন। টেষ্ট করে দেখুন, লবণ বা চিনি লাগলে দিন। ২-৩ মিনিট পরেই নামিয়ে ফেলুন, সহজেই তৈরি হয়ে গেল তেঁতুলের টক। এবার আপনি চটপটি পরিবেশনের জন্য রেডি।

পরিবেশন:
একটি পরিবেশন পাত্রে প্রথমে ডালের মিশ্রণ নিয়ে তার উপর ধনিয়া পাতা কুঁচি, কাঁচা মরিচ কুঁচি, পেঁয়াজ কুঁচি, শসা কুঁচি, সিদ্ধ ডিমের ঝুরি এবং সবশেষে ফুচকার ঠোসা বা নিমকপারা ভেঙ্গে দিয়ে তেঁতুলের টকের সাথে পরিবেশন করুন দারুণ মজার চটপটি।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সামুদ্রিক মাছের রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক

সামুদ্রিক মাছের রেসিপি

যেসব নারী তাদের গর্ভকালীন সপ্তাহে অন্তত ৩৪০ গ্রাম সামুদ্রিক খাবার খান তাদের সন্তান বুদ্ধিদীপ্ত হয়ে জন্মগ্রহণ করে। সামুদ্রিক মাছের নানাবিধ পুষ্টিগুণের কারণেই এমনটা হয়। মানুষের দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে নানা রোগ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম সামুদ্রিক এসব মাছ। এতে জিংক ও আয়োডিন আছে। জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আয়োডিন গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে।

সামুদ্রিক মাছের পুষ্টিগুণ মিঠাজলের মাছের তুলনায় অনেক গুণ বেশি। সারাবছরই বাজারে বিভিন্ন জাতের সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়। সামুদ্রিক মাছের মধ্যে রূপচাঁদা খুবই সুস্বাদু। সামুদ্রিক এ মাছে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। 

ক্যাপসিকামের সঙ্গে রূপচাঁদা দিয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু একটি খাবার। আসুন জেনে নিই কীভাবে রান্না করবেন ক্যাপসিকাম দিয়ে রূপচাঁদা মাছ। 

উপকরণ:
আস্ত রূপচাঁদা মাছ ৫টি, ক্যাপসিকাম কুচি মনমতো, পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, ক্যাপসিকাম ব্লেন্ড হাফ কাপ, তেল হাফ কাপ, লবণ স্বাদমতো, হলুদের গুঁড়া হাফ চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, জিরার গুঁড়া হাফ চা চামচ, আদা ও রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ।


ভাইরাল পাকিস্তানি ‘স্ট্রবিরিয়ানি’

যুক্তরাজ্য মুরগির মাংস খেয়ে মৃত ৫, অসুস্থ কয়েকশ

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলা, ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ নিহত তিন

স্কুলের খাদ্য তালিকা থেকে মাংস বাদ দিয়ে বিপাকে মেয়র


যেভাবে করবেন: 

প্রথমে মাছগুলো পরিষ্কার করে ধুয়ে দুপাশে লম্বা লম্বা কয়েকটি দাগে কেটে নিতে হবে। এখন লবণ ও হলুদ দিয়ে মাছগুলোকে মাখিয়ে হালকা করে তেলে ভেজে নিতে হবে। এবার প্যানে তেল দিয়ে গরম হলে পেঁয়াজ বাটা, আদা ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। 

ভাজা ভাজা হয়ে এলে জিরা, মরিচ ও হলুদের গুঁড়া দিন। তার পর হালকা পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে বলক এলে মাছ, ক্যাপসিকাম পেস্ট ও কাঁচামরিচ দিতে হবে। 

এর পর ঝোল কমে এলে ক্যাপসিকাম কুচি দিয়ে ২-৩ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুরগির ঝাল ফ্রাই

অনলাইন ডেস্ক

মুরগির ঝাল ফ্রাই

প্রতিদিনই আমরা নতুন নতুন খাবারের খোঁজ করি। যে কোন নতুন রেসিপি টেস্ট করে দেখা অনেকেরই পছন্দের। প্রত্যেকদিন একি খাবার খেতে ভালো লাগে না কারোই এবং এই জন্যই জন্ম নিয়েছে বিভিন্ন রেসিপি। দিন শেষে আমরা সবাই সুস্বাদু খাবার খেতে ভালবাসি এবং আমাদের পছন্দের খাবারের তালিকার মধ্যে মুরগির বিভিন্ন তরকারি আছেই।

যদি বিশেষ একটি মুরগির রেসিপির কথা বলতে হয় তাহলে মুরগির ঝালফ্রাই প্রথমে মাথায় আসে। এটা ভীষণ লোভনীয় এবং সুস্বাদু একটি খাবার। যারা ঝাল খেতে পছন্দ করেন না, ভয় পাবেন না। রেসিপিটিতে আপনার মন মতো ঝাল দিয়ে নিতে পারেন, তাহলে আজই বাসায় বানিয়ে ফেলুন এই চমৎকার রেসিপিটি।

উপকরণ:
১ কেজি মুরগি, ১ এবং ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুঁচি, ১/২ টেবিলচামচ রসুন কুঁচি, ১/২ টেবিলচামচ আদা কুঁচি, ১ চা চামচ সরিষা বাটা, ৩-৪ কাঁচা মরিচ, ২ টা টমেটো, ১ লাল ক্যাপ্সিকাম, ১ সবুজ ক্যাপ্সিকাম, ১/২ চা চামচ ধনে গুঁড়া, ১/২ চা চামচ জিরা গুঁড়া, ১/২ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়া, ২ টেবিলচামচ ধনে পাতা কুঁচি, ১ চা চামচ চিনি, ২/৩ কাপ তেল, স্বাদ অনুযায়ী লবণ।


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

স্বামী রণবীরের ছবিতে স্ত্রী দীপিকা আইটেম গার্ল

দেশেই যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি


প্রণালী:

একটি বড় প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ দিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট ভাজুন। তারপর ধনে গুঁড়া, জিরা ও হলুদ দিয়ে আরও ১ মিনিট ভেজে নিন। রসুন, আদা, গোলমরিচ এবং ১ চা চামচ লবণ দিয়ে মুরগির টুকরা মাখিয়ে পেঁয়াজে দিয়ে দিন।

১০-১৫ মিনিট মুরগিটি ভাজার পর কড়াইতে লেগে যেতে থাকলে ১ টেবিল চামচ পানি দিতে পারেন। কাটা টমেটো গুলো দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করে সরিষা বাটা এবং কাপ্সিকাম দিয়ে মুরগি রান্না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

ধনে পাতা ও চিনি দিয়ে ভাল করে নেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। গরম ভাত অথবা নান এর সাথে পরিবেশন করুন মুখরোচক মুরগির ঝাল ফ্রাই।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কাঁচকলার চিপস রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচকলার চিপস রেসিপি

চিপস খাওয়ার জন্য বায়না করে না, এমন বাচ্চা খুঁজে পাওয়া মুশকিল! বাইরে থেকে কেনা চিপস কতোটা স্বাস্থ্যসম্মত, সেটা নিয়ে সব মায়েরাই চিন্তায় পরে যায়। কিন্তু বাসায়ই পুষ্টিকর উপকরণ দিয়ে খুব সহজে মুচমুচে চিপস বানিয়ে নেওয়া যায়। কাঁচকলা এমন একটি সবজি, যা সহজলভ্য এবং শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারি। মুচমুচে কাঁচকলার চিপস খেতে বেশ ভালোই লাগে!

পরিবারের সবার স্বাস্থ্যের দিকটাও তো চিন্তা করতে হবে, তাই না? বিকালের নাশতায় কী ধরনের হেলদি স্ন্যাকস তৈরি করা যায়, এটা নিয়ে অনেকেই কনফ্যুশনে থাকেন। আজ এমনই একটি মজাদার স্ন্যাকসের রেসিপি শেয়ার করবো যেটা অল্প সময়ে ঝামেলাবিহীন উপায়ে বানিয়ে নেওয়া যায়। তাহলে দেড়ি না করে কাঁচকলার চিপস বানানোর রেসিপিটি জেনে নিন!

কাঁচকলার চিপস তৈরির পদ্ধতি

উপকরণ
কাঁচকলা- ২টি
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
হলুদ গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
লালমরিচের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
বেসন- ১/২ কাপ
কর্ন ফ্লাওয়ার- ২ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো- সামান্য
তেল– ভাজার জন্য


ইউনাটেড ৭৭৭ মডেলের সব বিমান চলাচল বন্ধ

উনকে নিজের প্লেনে করে বাড়ি পৌছেঁ দিতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প

মিয়ানমারে নিহত তরুণীর শেষকৃত্যে হাজার হাজার মানুষ

কঙ্কালের গায়ে লেগে থাকা শার্ট দেখে লাশ সনাক্ত করলেন স্ত্রী


প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমে কাঁচকলাগুলো পাতলা পাতলা স্লাইসে গোল করে কেটে নিন। কাটার সাথে সাথে লবণ ও হলুদ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। এভাবে মাখিয়ে না রাখলে খুব দ্রুতই কাঁচকলা কালো হয়ে যায়!

এবার একটি পাত্রে হলুদ গুঁড়ো, লালমরিচের গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো ও কর্ন ফ্লাওয়ার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। সামান্য একটু পানি দিয়ে বেসন গুলিয়ে নিন এবং এটি ঐ মসলার মিশ্রণে ঢেলে দিন। সামান্য লবণ দিয়ে সব উপকরণগুলো মিক্স করে ফেলুন।

তারপর গোল গোল করে কেটে রাখা কাঁচকলাগুলো এই মিশ্রণে দিয়ে দিন এবং ভালোভাবে কোটিং করে নিন। অর্থাৎ কাঁচকলার সাথে যাতে মসলাগুলো ভালো করে লাগে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

অন্যদিকে তেল গরম করতে দিন। অনেকে তেলে না ভেজে ওভেনে বেক করে নেন। ওভেন না থাকলে ডুবো তেলে মুচমুচে করে ভেজে নিতে হবে। গরম তেলে একে একে কাঁচকলার চিপসগুলো দিয়ে দিন এবং বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে থাকুন।

ভাজা হয়ে গেলে চিপসগুলো কিচেন টিস্যুতে তুলে রাখুন যাতে এক্সট্রা তেল শুষে নেয়। এবার উপর থেকে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন।

ব্যস, কাঁচকলার চিপস তৈরি হয়ে গেলো! রেসিপিটা খুব সহজ না? বিকালে চায়ের আড্ডাতে কিংবা বাচ্চাদের নাস্তার মেন্যুতে এই আইটেমটি রাখতে পারেন। ছোটবড় সকলেই কিন্তু বেশ মজা করেই খাবে! তাহলে হাতের কাছে উপকরণগুলো থাকলে আজই বানিয়ে নিন কাঁচকলার চিপস।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাছের ঝোল

অনলাইন ডেস্ক

মাছের ঝোল

মাছের ঝোল একটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি মসলাযুক্ত মাছ রান্নার পদ্ধতি। তবে ভারতের উড়িষ্যাতেও এ ধরনের পদ তৈরি করা হয়। অধিক মশলা দিয়ে রান্না করা এই তরকারী সাদা ভাতের সংগে পরিবেশন করা হয়। মাছের ঝোলে বিভিন্ন সবজি যোগ করা হয়। মানুষ বাংলার মানুষের কাছে মাছের ঝোল খুবই প্রিয়।

 

উপকরণ:
৫/৬ টুকরা মাছ
আলু,লম্বা করে কাটা কয়েক টুকরো 
১ ১/২ (দেড়) টেবিল চামচ সরিষা বাটা
১ ১/২ (দেড়) টেবিল চামচ পিয়াজ বাটা
১/২ চা চামচ হলুদ গুড়া 
১/২ চা চামচ মরিচ গুড়া
১/২ চা চামচ ভাজা জিরার গুড়া 
১/২ চা চামচ পাচ ফোড়ন বা কালোজিরা
লবন
১/২ চা চামচের অল্প চিনি
সরিষার তেল+ সাদা তেল
আস্ত কাচামরিচ


আত্মমর্যাদা ও সম্মান নিয়ে বিশ্বের বুকে চলবো: প্রধানমন্ত্রী

সৌদিতে আটক ইয়েমেনি তেলবাহী জাহাজ মুক্ত করতে আহ্বান

নরওয়েতে বোমারু বিমান পাঠানোয় ওয়াশিংটনকে মস্কোর হুঁশিয়ারি

অতিমারীর পর থেকে আমি আর সিরিয়াল কিসার নই: ইমরান হাশমী


সরিষা বাটার জন্য:

আমি কালো আর হলুদ দুই রকম সরিষাই সমান পরিমানে নিয়েছি. অল্প পিয়াজ, ২ কোয়া রসুন আর ৩/৪ টা কাচা মরিচ এক সাথে বেটে বা ব্লেন্ড করে নিতে হবে. যারা ব্লেন্ড করবেন,তারা আগে সরিষা গুড়ো করে নিবেন,তারপর সব একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিবেন।

প্রনালী :
মাছ ধুয়ে হলুদ,লবন,মরিচের গুড়া মাখিয়ে লাল করে ভেজে নিন। আলুও একি ভাবে লাল করে ভেজে নিন।
তেলে পাচ ফোড়নের ফোড়ন দিয়ে পিয়াজ বাটা দিয়ে অল্প পানি দিয়ে কষান। হলুদ,মরিচ,জিরার গুড়ো দিয়ে কষান। অল্প পানি যোগ করুন। ভাল মতো কশিয়ে অল্প পানি দিয়ে সরিষা বাটা দিন। 

গরম তেলে কখনো সরিষা বাটা সরাসরি দিবেন না, পানি মিক্স করে দিবেন। আর না হলে তিতা হয়ে যাবে। একটু কষিয়ে পানি দিন। লবন দিন আর মাছ এর সাথে আলু দিয়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে আসতে থাকলে কাচা মরিচ আর অল্প চিনি দিয়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে দিন। বেশি ঝোল হবে না। 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর