কবর আজাব থেকে বাঁচতে যে দুয়া বিশ্বনবি শিখিয়েছেন

অনলাইন ডেস্ক

কবর আজাব থেকে বাঁচতে যে দুয়া বিশ্বনবি শিখিয়েছেন

মানুষের জীবনে যে কয়টি ধাপ রয়েছে তন্মধ্যে একটি হলো আলমে বরজাখ বা কবরের জিন্দেগী। মৃত্যুর পর লম্বা একটা সময় মানুষকে কবরে অবস্থান করতে হয়। মানুষের মধ্যে অনেকেরেই কবরের জীবন থেকেই শুরু শাস্তি।

কবরের এ শাস্তি থেকে বেঁচে থাকতে মানুষকে দুনিয়ায় কিছু আমল করতে হয়। আর কিছু কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়। আবার কবরের জীবনের আজাব থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভে প্রিয়নবি (সা.) তার উম্মতকে দোয়া শিখিয়েছেন। আবার নামাজের শেষ বৈঠকে দোয়া-এ মাসুরা হিসেবেও এ দোয়াটি পড়া হয়। যা তুলে ধরা হলো-

اللَّهُــمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ


উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউ’জুবিকা মিন আ’জাবিল ক্বাবরি; ওয়া মিন আ’জাবি জাহান্নাম; ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ’ইয়া ওয়াল্ মামাতি; ওয়া মিং সাররি ফিতনাতিল্ মাসীহিদ্-দাজ্জাল। 


দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌জুমার দিনে ‘সূরা কাহাফ’ তেলাওয়াতের ফজিলত

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌`জুমার’ দিনে যা করবেন

প্রতিদিন সকালে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি


 

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমাকে কাবরের আজাব থেকে রক্ষা করো,আমাকে জাহান্নামের আজাব, এবং দুনিয়ার ফিৎনা ও মৃত্যুর ফেতনা এবং দাজ্জালের ফিৎনা থেকে রক্ষা করো। (বুখারি ও মুসলিম)

যে ব্যক্তি কবরের প্রশ্নোত্তর থেকে মুক্তি পাবে, তার পরবর্তী ধাপগুলো সহজ হয়ে যাবে।

আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়ে কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের তাওফিক দান করুন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সূরা মূলক পাঠের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা মূলক পাঠের ফজিলত

হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআন পাকে ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা আছে,

যা এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করেছে, ফলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে। সেই সূরাটি “তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক”

(আহমদ, তিরমিযী,আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবনে মাযাহ)

ব্যাখ্যা: (ঐ সূরা সুপারিশ করবে বা করেছে) বাক্যের মধ্যে দুইটা সম্ভাবনা আছে।

প্রথম যে, ঐ বাক্য অতীত কালের খবর দিচ্ছে যে, এক ব্যক্তি সূরা মুলক পড়তেন এবং সূরা মুলকের বহু ইজ্জত-সম্মান করতেন। যখন ঐ ব্যক্তি মারা গেল, তখন ঐ সূরা আল্লাহর কাছে সুপারিশ করে ঐ ব্যক্তির মুক্তির জন্য।

অত:পর আল্লাহ তায়ালা ঐ সূরার সুপারিশ কবুল করেন।

দ্বিতীয় যে, ঐ বাক্য ভবিষ্যৎকালের খবর দিচ্ছে, যে ব্যক্তি ঐ সূরা পাঠ করবে। কিয়ামতের দিন ঐ সূরা আল্লাহর দরবারে ঐ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে। এবং আল্লাহ তার সুপারিশকে কবুল করবেন।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) একবার নবী কারীম (সা.) এর কোন এক সাহাবী একটি কবরের উপর তাবু খাটালেন। তিনি জানতেন না যে, এখানে একটি কবর আছে। হঠাৎ তিনি দেখেন তার মধ্যে একটি লোক “তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক পড়তেছে।


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


এমনকি তা শেষ করে ফেলেছে, অত:পর তিনি নবী কারীম (সা.) এর নিকট আসলেন এবং তাকে এই সংবাদ জানালেন, নবী কারীম (সা.) বললেন, এই সূরাটি হচ্ছে আযাব বাধা দানকারী এবং মুক্তি দানকারী। যা পাঠককে আল্লাহ আযাব হতে মুক্তি দিয়ে থাকে।

(তিরমিযী ইহা নিজেই বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, হাদীসটি গরীব)

ব্যাখ্যা:

যে সাহাবী কবরের উপর তাবু খাটালেন, তিনি মৃত ব্যক্তির সূরা মুলক পড়া শুনলেন জাগ্রত অবস্থায় অথবা ঘুমন্ত অবস্থায়।

জাগ্রত অবস্থায় শুনাটা অগ্রাধিকার যোগ্য। সূরা মুলক আযাব হতে বাধা দানকারী এর উদ্দেশ্য হলো, যে ব্যক্তি এই সূরা পাঠ করবে, ঐ ব্যক্তিকে ঐ সূরা মুক্তি দিবে কবরের আযাব থেকে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র গুরুত্ব ও পাঠের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র গুরুত্ব ও পাঠের ফজিলত

সূরা আল- ওয়াক্বিয়াহ মহাগ্রন্থ আল কোরআনের ৫৬তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৯৬, রুকু আছে ৩টি। সূরা আল-ওয়াকিয়াহ মক্কায় অবতীর্ণ হয়, পারার ক্রম হচ্ছে ৩০। সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র নামের অর্থ, নিশ্চিত ঘটনা।

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি সূরা ওয়াক্বিয়াহ  পাঠ করবে, সে কখনো ক্ষুধায় কষ্ট ভোগ করবে না।’

এই সূরা পাঠ করলে দরিদ্রতা গ্রাস করতে পারেনা। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সূরা ওয়াক্বিয়াহ তিলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সূরা তিলাওয়াত করার আদেশ করতেন। (বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

আরও পড়ুন:


নাসির-তামিমার ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমে লেখা নিয়ে যা বললেন শবনম ফারিয়া

নীলক্ষেত মোড় অবরোধ

সৈয়দ আবুল মকসুদের জানাজা ও দাফন বুধবার

জীবনে একবারই না বলেছিলেন তিনি


হাদিসে নারীদের এ সূরা শিক্ষা দেয়ার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছে। মা আয়েশা (রাঃ)-কে এ সূরা পাঠের জন্য নির্দেশ করা হয়েছিলো। সূরা ওয়াক্বিয়াহ জুমাবার পড়া যেতে পারে। এছাড়া রাতে পড়ার জন্যে হাদিসে বলা আছে।

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?
তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন। আমীন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

পরোপকার মানবজাতির শ্রেষ্ঠত্বের অলংকার। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা ভালো কাজের নির্দেশ দেবে এবং মন্দ কাজে বাধা দেবে।’ (সুরা-৩ আলে-ইমরান, আয়াত: ১১০)। 

এ বিষয়ে বিশ্বনবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা জগদ্বাসীর প্রতি সদয় হও, তাহলে আসমানের মালিক আল্লাহ তাআলা তোমাদের প্রতি সদয় হবেন।’ (তিরমিজি: ১৮৪৭)।

ইসলাম সহানুভূতির ধর্ম। পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতা ইসলামের অন্যতম বিষয়। রাসুলে কারিম (সা.) বলেছেন, সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর পরিবার। তাই পরোপকারের চেতনায় কোনো শ্রেণিভেদ নেই। বড়-ছোট, ধনী-গরিব, আত্মীয়-অনাত্মীয়, স্বজাতি-বিজাতি, মুসলিম-অমুসলিম এসব ব্যবধানের ঊর্ধ্বে উঠে ইসলামের শান্তি ও সৌহার্দ্যের সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুমিন মিলেমিশে থাকে। তার মধ্যে ভালো কিছু নেই, যে মিলেমিশে থাকতে পারে না। যে ব্যক্তি মানুষের বেশি উপকার করে, সে-ই শ্রেষ্ঠ মানুষ।’ (আল-মুজামুল আওসাত: ৫৭৮৭)।

পরোপকারী হতে হলে অনেক ধনসম্পদের মালিক হতে হবে এমন নয়। প্রত্যেক মানুষই তার নিজ নিজ অবস্থানে থেকে পরোপকারী হতে পারে। পরোপকার নির্দিষ্ট সীমারেখায় আবদ্ধ নয়; ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় এবং ধর্মীয় ক্ষেত্রে এবং শারীরিক, আর্থিক ও মানসিক কর্মকাণ্ডে এর পরিধি পরিব্যাপ্ত ও বিস্তৃত।

পরোপকার মানুষকে মর্যাদার আসনে সমাসীন করে। পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব মনীষী স্মরণীয়–বরণীয় হয়ে আছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন পরহিতৈষী। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রথম ওহিপ্রাপ্তির পর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে খাদিজা (রা.)-কে বললেন, ‘আমাকে কম্বল দিয়ে জড়িয়ে দাও, আমি আমার জীবনের আশঙ্কা করছি।’ তখন খাদিজা (রা.) নবীজি (সা.)-কে অভয় দিয়ে বলেছিলেন, ‘আল্লাহ কখনোই আপনার অমঙ্গল করবেন না। কারণ, আপনি আল্লাহর সৃষ্টির সেবা করেন, গরিব-দুঃখীর জন্য কাজ করেন, অসহায়-এতিমের ভার বহন করেন, তাদের কল্যাণের জন্য নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।’ (বুখারি: ৪৫৭)।

পরোপকারে নিজেরও কল্যাণ সাধিত হয়। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘অবশ্যই দান-সদকা মানুষের হায়াত বৃদ্ধি করে। অপমৃত্যু থেকে বাঁচায় এবং অহমিকা দূর করে।’ (আল-মুজামুল কাবীর: ১৩৫০৮)।

অনাথ-অসহায় ও অনাহারির কষ্টে সমব্যথী হতে আল্লাহ তাআলা রমজান মাসে রোজা ফরজ করেছেন। নিঃস্ব ও অভাবীর অভাব মোচনে জাকাত ফরজ ও সাদাকুল ফিতর ওয়াজিব করেছেন। দান-সদকা ও অন্যের জন্য খরচে উদ্বুদ্ধ করে অনেক আয়াত নাজিল করেছেন। আল–কোরআনে রয়েছে, ‘কে আছে যে আল্লাহকে কর্জে হাসানা উত্তম ঋণ দেবে, তাহলে তিনি তার জন্য একে বর্ধিত করে দেবেন এবং তার জন্য সম্মানজনক প্রতিদানও রয়েছে।’ (সুরা-৫৭ হাদিদ, আয়াত: ১১)।


বিমান বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যায় মামলা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

সোহানা সাবার প্রাণপণে চাওয়া‍!


কোরআন কারিমে রয়েছে, ‘আল্লাহ মুমিনদের কাছ থেকে তাদের জীবন ও তাদের সম্পদ খরিদ করে নিয়েছেন, তাদের জন্য জান্নাত আছে, এর বিনিময়ে।’ (সুরা-৯ তাওবা, আয়াত: ১১১)। ‘নিশ্চয়ই দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, যে ক্ষেত্রে তারা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান করে তাদের প্রতিদান বর্ধিত করা হবে এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক প্রতিদান।’ (সুরা-৫৭ হাদিদ, আয়াত: ১৮)।

প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়াবি সমস্যাগুলোর একটি সমাধান করে দেয়, আল্লাহ তাআলা তার আখিরাতের সংকটগুলোর একটি মোচন করবেন। যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্তের অভাব মোচনে সাহায্য করবে, আল্লাহ তাআলাও তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দ্য দান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-গুণ গোপন করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন করবেন। আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে।’ (মুসলিম: ২৬৯৯)।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজে কিভাবে সূরা পড়বেন, কুরআন পাঠের কিছু দিক

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে কিভাবে সূরা পড়বেন, কুরআন পাঠের কিছু দিক

মহাগ্রন্থ আল কুরআন আল্লাহ তাআলার প্রেরিত অনন্য নিয়ামাত। এ নিয়ামাত নামাজে তিলাওয়াত করা আবশ্যক। তিলাওয়াত হতে হবে বিশুদ্ধ। নামাজে কিরাআত তিলাওয়াতের বিষয়াবলী জানা প্রত্যেক মুসলমানের অপরিহার্য দায়িত্ব। নামাজের কিরাআত তিলাওয়াত সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বর্ণনা তুলে ধরা হলো-

১. কুরআনের অক্ষর, বাক্য, আয়াতগুলো বিশুদ্ধ উচ্চারণ হতে হবে। তিলাওয়াত ভুল হলে গোনাহগার হতে হবে।
২. ফরজ নামাজের প্রথম দুই রাকাআতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে সূরা মিলাতে হবে। সূরা মিলানো ওয়াজিব।
৩. কমপক্ষে তিন আয়াত বা তিন আয়াতের সমপরিমাণ বড় এক আয়াত তিলাওয়াত করতে হবে।
৪. বিতর, সুন্নাত ও নফল নামাজের ক্ষেত্রে প্রত্যেক রাকাআতেই সূরা ফাতিহার সঙ্গে সূরা মিলাতে হবে।
৫. ফজর, মাগরিব, ইশা, জুমা, বিতর নামাজ জামাআতে পড়া কালীন সময়ে, দুই ঈদের নামাজে সূরা উচ্চ স্বরে তিলাওয়াত করতে হবে।
৬. ফজর, মাগরিব ও ইশার নামাজ একাকি আদায় করলেও উচ্চ স্বরে কিরাআত তিলাওয়াত করা উত্তম।
৭. সূরা ফাতিহার সঙ্গে সুরা মিলানোতে প্রত্যেক রাকাআতে আলাদা আলাদা সূরা তিলাওয়াত করা উত্তম।
৮. আস্তে আস্তে কিরাআতের নামাজে সূরা সমূহ মুখে উচ্চারণ করে তিলাওয়াত করতে হবে; মুখ বন্ধ করে মনে মনে পড়া যাবে না। এমনভাবে পড়তে হবে যাতে নিজ কানে আওয়াজ আসে।
৯. কিরাআত শেষ হওয়ার পূর্বে তিলাওয়াত করতে করতে রুকুতে যাওয়া মাকরুহ।
১০. ফরজ নামাজে ইচ্ছাকৃতভাবে কুরআনের ক্রমধারা ঠিক না রাখা মাকরুহ। ভুলে পড়লে মাকরুহ হবে না। ক্রমধারা অর্থ হচ্ছে- প্রথম রাকাআতে কুল হুয়াল্লাহু আহাদ পড়ে দ্বিতীয় রাকাআতে ইন্না আ’ত্বাইনা পড়া।

আরও পড়ুন:


বাড়িতে মায়ের শিক্ষাতেই ১০ মাসে হাফেজ হলো শিশু মুয়াজ

এবার মুখ খুললেন সাকিবপত্নী শিশির

বাংলাদেশি হাফেজ বশির ফের মালয়েশিয়ার মাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নির্বাচিত

সাতসকালেই সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটানায় ৫ জন নিহত


১১. ফরজ নামাজে একই সূরার অনেক আয়াত একত্রে পড়া এবং দু’আয়াতের কম ছেড়ে দ্বিতীয় রাকআতে সামনে থেকে পড়া মাকরুহ। আবার কেউ যদি দুই সূরা এভাবে পড়ে যে, মাঝখানে ৩ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা চেড়ে দিয়ে পরবর্তী সূরা পড়ে তবে তা মাকরুহ। যেমন- প্রথম রাকাআতে সূরা মাউন এবং দ্বিতীয় রাকাআতে সূরা কাফিরুন পড়ে মাঝে সূরা কাউছার ছেড়ে দেয় তাহলে মাকরুহ হবে। এ হুকুম ফরজ নামাজের জন্য নফলের জন্য নয়।

১২. ফরজ নামাজে একই রাকাআতে সূরা মিলানোর মধ্যে এক বা একাধিক আয়াত ছেড়ে দুই সূরা পড়া মাকরুহ। নফলের ক্ষেত্রে এ হুকুম প্রযোজ্য নয়।
১৩. যদি কেউ নতুন মুসলমান হয়। তবে অনতিবিলম্বে সূরা বা আয়াত শিখে নিতে হবে। শিখে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত নামাজে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ইত্যাদি তাসবিহ পড়বে। কুরআন শিক্ষা করার ব্যাপারে অলসতা করলে গোনাহগার হবে।

সুতরাং আল্লাহ তাআলা নামাজের কিরাআত তিলাওয়াতে সঠিকভাবে তিলাওয়াত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাড়িতে মায়ের শিক্ষাতেই ১০ মাসে হাফেজ হলো শিশু মুয়াজ

অনলাইন ডেস্ক

বাড়িতে মায়ের শিক্ষাতেই ১০ মাসে হাফেজ হলো শিশু মুয়াজ

ছোট একটি শিশু আবরারুল হক মুয়াজ। কোরআনের প্রতি তার ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে মানুষকে। মুয়াজ গিয়েছিলেন কোরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে। তিলাওয়াত শুনে মুগ্ধ হয়ে বাবা-মাকে জানায় নিজের আগ্রহের কথা। 

এরপর ১০ মাসেই মায়ের কাছে পড়ে পুরো কোরআন মুখস্ত করেছে আট বছরের শিশু মুয়াজ। কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানাধীন ছিলনী গ্রামের হাফেজ মাহবুবুর রহমানের ছেলে মুয়াজের এ প্রতিভা বিস্ময় জাগিয়েছে এলাকাজুড়ে।

মুয়াজের চাচা হাফেজ মাহমুদুল হাসান বলেন, মুয়াজকে নিয়ে তার বাবা একদিন কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহিদী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় যান। সেখানে ছোট ছোট বাচ্চাদের কোরআন তিলাওয়াত মগ্ন হয়ে শোনে মুয়াজ। বাসায় এসে বাবা-মাকে খুব দ্রুতই সে হাফেজ হবে বলে আগ্রহ প্রকাশ করে। 

আরও পড়ুন:


এবার মুখ খুললেন সাকিবপত্নী শিশির

বাংলাদেশি হাফেজ বশির ফের মালয়েশিয়ার মাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নির্বাচিত

সাতসকালেই সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটানায় ৫ জন নিহত

কাজ করলে একসঙ্গে করতে হবে এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য


মাহমুদুল হাসান জানান, হিফজ শুরু করার কিছুদিন পরই দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সুযোগটা আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়। মুয়াজের মা হাফেজা হওয়ায় ঘরে বসেই সে পুরো কোরআন মুখস্ত করতে পেরেছে। 

তিনি আরও জানান, মুয়াজের হাফেজ হওয়ার পেছনে তার মায়ের অসামান্য অবদান রয়েছে। তার মা মুয়াজকে কোলে নিয়ে নিয়মিত কোরআন পড়তেন। ওই সময় মুয়াজ তেলাওয়াত শুনত।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর