বিদ্রোহীদের মদদ: শাস্তির আওতায় আসছে এমপি-মন্ত্রীরাও

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

বিদ্রোহীদের মদদ: শাস্তির আওতায় আসছে এমপি-মন্ত্রীরাও

তিন ধাপের পৌরসভা ভোটে নৌকার বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখা নেতাদের তালিকা করছে আওযামী লীগ। দলের প্রভাবশালী নেতা ছাড়াও এমপি প্রতিমন্ত্রীর নাম আসছে এ তালিকায়। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়া এসব এমপি মন্ত্রীদের বিষয় তোলা কাযনির্বাহী কমিটির সভায়। কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা।

গেল তিন ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে ২২টি পৌরসভায় মেয়র পদে জয় পান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। অনেকগুলোয় নৌকার হারের কারণও দলের বিদ্রোহীরা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও ১২ বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে জয় পান চার কাউন্সিলর প্রার্থী।

তিন ধাপে পৌর নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজের অভিযোগ উঠেছে দলের এমপি প্রতিমন্ত্রীসহ জেলা শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদেরকে নৌকা প্রতীক না দেয়ার কথা বলছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলছেন, দায়িত্বশীল পদে থেকে যারা বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:


সু চির প্রধান সহযোগী সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার

ট্রেন লাইনচ্যুত: সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

কারাবন্দীর নারীসঙ্গ: বরখাস্ত হলেন তারা

পার্টি আয়োজনই মৃত ছাত্রী ও তার বন্ধুদের পেশা : পুলিশ


আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, নৌকা বিরুদ্ধে যারাই অবস্থান নেবেন তাদের বিরুদ্ধেই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবং নেত্রী নিজে জানিয়েছেন বিদ্রোহীরা পরবর্তীতে নৌকা প্রতিক পাবেন না।

মদদদাতাদের পাশাপাশি বিদ্রোহী প্রার্থীদের ভবিষ্যতে দলের পদপদবিও হারানোর শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না নেতারা। এই শীর্ষ দুই নেতা আরও বলছেন, দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে কেউ নয়। সে যেই হোক দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তৃণমূল থেকে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে এরই মধ্যে কঠোর মনোভাবের কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ধান ও আম ছেড়ে মাল্টা চাষ

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে ধান ও আম ছেড়ে কৃষকরা এখন ঝুঁকছেন মাল্টা চাষে। জেলার পোরশার বরেন্দ্র ভুমিতে মাল্টা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন ওবায়দুল্লাহ শাহ নামে এক কৃষক। অধিক লাভজনক হওয়ায় তাঁকে অনুসরণ করে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন মাল্টা চাষে।

নওগাঁর  বরেন্দ্র ভুমি অধ্যুষিত পোরশা উপজেলা। এখানকার উঁচু নিচু জমিতে পানি ধরে রাখা খুবই কঠিন। তাই ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে এসব এলাকার কৃষক এখন  আম বাগান আর মাল্টা চাষে ঝুঁকেছেন।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সৌখিন চাষী ওবায়দুল্লাহ শাহ তাঁর নিজস্ব ৫৫ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন মাল্টা, বিভিন্ন প্রজাতির আম এবং পেয়ারা বাগান। এর মধ্যে প্রায় ১৮ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন মাল্টা বাগান। ফলনও হয়েছে ব্যাপক। সেই হিসেবে এ বছর মাল্টা বিক্রি করে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। ওবায়দুল্লাহ শাহ, সফল মাল্টা চাষী।

ওবায়দুল্লাহ শাহের মাল্টা চাষে সফলতা দেখে এলাকার অনেক চাষিই তাঁদের জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেছন। আগ্রহী কৃষক।

বরেন্দ্র অধ্যুষিত এসব উঁচু জমিতে মাল্টা চাষের উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে মাল্টা চাষীদের সার্বক্ষনিক পরামর্শ দেওয়ার কথা জানালেন কৃষি কর্মকর্তা  নওগাঁর পোরশা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলম।

কৃষি বিভাগ বলছে, মাল্টা চাষকে জনপ্রিয় করা গেলে একদিকে কৃষকেরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন অন্যদিকে পুষ্টিকর এ ফল আমদানি নির্ভরতা কমবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৫ খাল থেকে দুই মাসে পৌনে ২ লাখ টন বর্জ্য অপসারণ

তালুকদার বিপ্লব

৫ খাল থেকে দুই মাসে পৌনে ২ লাখ টন বর্জ্য অপসারণ

ঢাকার মৃত খাল, কালভার্ট ও ড্রেনের পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তিন মাসের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শেষ হচ্ছে ১৩ই এপ্রিল। সংস্থাটির বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানায়, গত প্রায় দুই মাসে ৫ খাল ও দুই কালভাট থেকে প্রায় পৌনে দুই লাখ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তবে খালে ময়লা ফেলা ও সীমানা পিলার চুরি বন্ধ হয়নি।

কিছুদিন আগেও জিরানী খালের ময়লা ছাড়া কিছুই চোখে পড়ত না। খালের পুরো পাড়ই ছিল ময়লার ভাগাড়। এমনকি কাপড়-চোপড় আসবাবপত্রের শেষ ঠিকানাও ছিলো এই খাল। রোববার জিরানী খালের ত্রিমোহনী ব্রিজ অংশে গিয়ে দেখা যায়, স্বস্তিকর দৃশ্য।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি জানায়, গত পৌনে দুই মাসে জিরানী খাল, মান্ডা খাল, শ্যামপুর খাল, কদমতলা খাল ও কমলাপুর খালের প্রায় ৩০ কিলোমিটার দৃশ্যমান করে ৭৫ শতাংশ সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। ১ কোটি টাকা খরচে ৫ খালসহ দুই বক্স কালভার্ট থেকে দেড় লাখ টন বর্জ্য-অপসারণ করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মোঃ বদরুল আমিন বলেন, খালের ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার আমরা এরইমধ্যে আমরা উন্মুক্ত করেছি। শহর থেকে যে পানি খালে গিয়ে পড়ছে সেগুলো কিন্তু অনেকটাই দৃশ্যমান।

কিন্তু চলমান অভিযানের মধ্যেও দৈনন্দিন গৃহস্থালির ময়লা ফেলা হচ্ছে খাল ও বক্স-কালভাটে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭৪ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আজিজুল হক বলেন, এটা আমাদের অনেক পুরোনো অভ্যাস এলাকাবাসীরা সকল ময়লা খালে ফেলে দেয়।

আরও পড়ুন:


মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে পরিবহন বন্ধ রাখায় বিচ্ছিন্ন রাজশাহী

শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. হানিফ আর নেই

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন


আর ১৫ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম বাবলা বলেন, বাসা-বাড়ির ময়লার সুয়ারেজ লাইনের সঙ্গে যে সংযোগ সেটি বন্ধ করা না গেলে আমরা যতই পদক্ষেপ নিই না কেন সব ব্যর্থ হবে।

এমনকি সীমানা চিহ্নিত করে বিভিন্ন স্থানে পিলার দেয়া হলেও ভূমিদস্যুরা সেগুলো সরিয়ে ফেলেছে। এমন অভিযোগ করে দক্ষিণ সিটি বলছে, এসব রক্ষণাবেক্ষণে মন্ত্রণালয়ে কাছ থেকে একশ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি বলছে, খাল হস্তান্তরের সময় কমলাপুর ও ধোলাইখাল পাম্পিং স্টেশন দুটি অচল পাওয়া যায়। ডিএসসিসি’র বর্জ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগের দাবী রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই পাম্পগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভ্যাকসিনে আগ্রহী নয় চরাঞ্চলের মানুষ

হুমায়ূন কবির সূর্য্য

ভ্যাকসিনে আগ্রহী নয় কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের মানুষ। এমনকি ভ্যাকসিন নিতে টাকা লাগবে কিনা, তা-ও জানা নেই অনেকের। রয়েছে ভ্রান্ত ধারণাও, অনেকে মনে করেন, চরে করোনার প্রকোপ নেই। জনপ্রতিনিধরা এসব মানুষকে টিকার আওতায় আনতে ভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও জেলা সিভিল সার্জন টিকা কার্যক্রম জোরদারে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন।

নদী বেষ্টিত প্রত্যন্ত এলাকা। উন্নয়নের ছোঁয়া নেই বললেই চলে। কুড়িগ্রামের এসব চরের মানুষ শতভাগ কৃষিজীবী। এখানে চিকিৎসা সেবাও অপ্রতুল। গ্রামের মানুষের ধারণা চরগুলোয় করোনার বিস্তার কম। এছাড়া টিকা নিলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এমনই সব ভ্রান্ত ধারণায় টিকা নিতে আগ্রহী নন মানুষ।

ভ্যাকসিন নিয়ে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কেও অবগত নন এসব কৃষিজীবী।


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, দারিদ্র পীড়িত এলাকার মানুষ দূরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে আগ্রহী নন। এজন্য ভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

টিকা কার্যক্রম সফল করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন।

কুড়িগ্রামের ১৬টি নদ-নদীতে ৫ শতাধিক চর রয়েছে। এসব চরে ৫ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফেলে দেয়া বর্জ্য থেকে এবার উৎপাদিত হবে বিদ্যুৎ

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

বাসা-বাড়ির ফেলে দেয়া বর্জ্য থেকে এবার উৎপাদিত হবে বিদ্যুৎ।  দুই এক মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। 

তিনি বলছেন প্রথমে সিটি কর্পোরেশন এ প্রকল্পে যুক্ত হবে পরে সকল পৌরসভা। তবে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি নগর পরিকল্পনাবিদদের। 

ঢাকার দুই সিটিতে গড়ে প্রতিদিন ৬ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টন বর্জ্য সংগৃহীত হয়।  দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় সংগৃহীত বর্জোর পরিমাণ লক্ষাধিক টন। এতদিন এই বর্জ্য রাখা হতো কর্পোরেশনের নিজস্ব ভাগাড়ে।

এই বিপুল পরিমাণ বর্জ্যকে এবার সম্পদে রুপ দিতে যাচ্ছে সরকার। স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের এবারের প্রকল্প বর্জ্য থেকে বিদ্যুত উৎপাদন।

এরই মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পনী চূড়ান্ত করেছে সরকার। জমি অধিগ্রহণ শেষ হলে মাস দুয়েকের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হবে।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


এদিকে নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবান হাবি্ব সরকারের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে উৎস থেকে বর্জ্যকে পৃথক করার পদ্ধতি আরো আধূনিক করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। বর্জ্য্ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে জনগনকে সম্পৃক্ত এবং সচেতন করে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি এই নগর পরিকল্পনাবিদের।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে বসলো মেট্রোরেলের শেষ গার্ডার

প্লাবন রহমান

স্বপ্ন পূরণে আরো একধাপ এগুলো ঢাকার মেট্রোরেল । উত্তরা থেকে আগারগাঁও পযর্ন্ত অংশে বসলো শেষ গার্ডার। যার মাধ্যমে দৃশ্যমাণ হলো প্রায় ১২ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট। মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলছেন- আসছে ডিসেম্বরে চালুর লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে মেট্রোরেলের কাজ। তবে-উদ্বোধন আসলেই কবে হবে, চূড়ান্তভাবে ঠিক হবে মে মাসে ট্রায়াল রান শুরুর পর।

দ্রুত এগুচ্ছে মেট্রোরেলের কাজ। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেলের এই গার্ডার বসানোর মধ্য দিয়ে পুরোপুরি যুক্ত হলো উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ। আর এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো এই অংশের প্রায় ১২ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট।

রোববার সকাল ১১টার দিকে এই অংশের শেষ গার্ডার স্থাপন করা হয়। মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাও অংশে মোট স্প্যান ৪৬৭টি। যেখানে ডাবল লাইনসহ ১১ দশমিক সাত তিন কিলোমিটার অ্যালাইনমেন্টে ভায়াডাক্ট তৈরি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৪ কিলোমিটার।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে মোট স্টেশন হচ্ছে ৯টি। যার মধ্যে উত্তরায় যে তিনটি স্টেশনকে ঘিরে মেট্রোরেলের ট্রায়াল রান হবে-সেগুলোর কাজ বেশি এগিয়ে। চলতি বছরেই বিজয় দিবসে উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছে প্রকল্পের কাজ। যাতে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ।

আসছে ডিসেম্বরে মেট্রোরেল চালুর ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী হলেও-এখনও অনেক কাজই বাকী। উত্তরা থেকে আগারগাও পযর্ন্ত কাজ বাকী ১৯ ভাগ। আর পুরো উত্তরা থেকে মতিঝিল অংশের কাজ বাকী ৪০ ভাগেরও বেশি। তবে-লক্ষ্য পূরণে দিন-রাত তিন শিফটে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর