অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ডুবছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি

প্লাবন রহমান

অনিয়ম আর দুর্নীতিতে ডুবছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি

গণপরিবহন হিসেবে সাধারণ যাত্রীদের সেবার চেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টাফ বাসেই বেশি মনোযোগী বিআরটিসি। ঢাকায় ৪১৩টি বাসের মধ্যে ১৮২টিই চলছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবায়। সরকারের দফায় দফায় সহায়তা সত্ত্বেও-খুড়িয়ে চলছে রাষ্ট্রায়ত্ব এই পরিবহন সংস্থা।

বিভিন্ন ডিপোতে অচল পড়ে আছে প্রায় ৫০০ বাস। অভিযোগ-অনিয়ম দুর্নীতির কারণেই প্রত্যাশিত সেবা দিতে পারছে না বিআরটিসি। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি-আগের চেয়ে কমেছে অনিয়ম। ভালো সেবা দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বিআরটিসি।

বিআরটিসির সেবা নিয়ে এই হচ্ছে যাত্রীদের মূল্যয়ন-পর্যবেক্ষণ। অথচ- রাজধানীর গণপরিবহন নৈরাজ্যের মধ্যে যাত্রীদের ভরসা হতে পারতো রাষ্ট্রয়ত্ব এই পরিবহন সংস্থা। প্রায় ২ কোটি জনসংখ্যার রাজধানীতে যেখানে হাজার হাজার বেসরকারি বাস চলছে, সেখানে বিআরটিসি বাস যেন খুঁজে পাওয়ায় কঠিন।

তথ্য বলছে-ঢাকায় সরকারের বাস চলছে মাত্র ৪১৩টি। যার মধ্যে ১৮২টি-ই চলছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টাফ বাস হিসেবে। যেসব স্টাফ বাসের বেশিরভাগই এখন ডিপোতে।

গণপরিবহনের চেয়ে এসব স্টাফ বাসেই বেশি মনোযোগী বিআরটিসি। মাসে প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ টাকা আসছে স্টাফ বাস থেকে। কল্যাণপূর ডিপো ম্যানেজার নূর-ই-আলম বলছেন, স্টাফ বাসে অবশ্যই আমাদের লাভ হয় কারণ এই বাসটি শুধু এই কাজেই ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন:


তেল বহনকারী বগি লাইনচ্যুত: তেল নিয়ে কাড়াকাড়ি

জীবিকার সঙ্গে রাষ্ট্রভাষাকে যুক্ত করা হয়নি: আহমদ রফিক

গ্যালারী কায়ার আয়োজনে ৬১টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনী

বিদ্রোহীদের মদদ: শাস্তির আওতায় আসছে এমপি-মন্ত্রীরাও


বিআরটিসির বহরে আছে ১৮০৩টি বাস। যার মধ্যে টিকে আছে ১৩৫৩টি। বিভিন্ন ডিপোতে নষ্ট পড়ে আছে প্রায় ৫০০ বাস। অভিযোগ-অনিয়ম-দুর্নীতির কারণেই বিআরটিসি-র বাস টিকছে না বেশিদিন। প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না যাত্রীদেরও।

গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলছেন, বিআরটিসি চলছে তবুও কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। 

তবে-বিআরটিসির এই জেনারেল ম্যানেজার মো. আমজাদ হোসেন দাবি করছেন-উন্নত বিশ্বের মত গণপরিবহনে অবদান রাখতে না পারলেও-আগের চেয়ে ভাল অবস্থায় রাষ্ট্রায়ত্ব পরিবহন সংস্থা। অনিয়ম-দুর্নীতি কমেছে, দাবি তার।

অবহেলা আর কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ বাসই প্রত্যাশিত মেয়াদ পর্যন্ত সেবা দিতে পারছে না বিআরটিসি-র বাসম। সরকারি এ সংস্থার মোট বাসের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি অচল পড়ে আছে। যাতে বিআরটিসির অধিকাংশ ডিপোই পরিনত হয়েছে নষ্ট গাড়ির ভাগাড়ে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে আমের বাম্পার ফলনের আশা

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

নানা ফুলের সঙ্গে সৌরভ ছড়াচ্ছে আমের মুকুল। আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ও সময়মতো গাছ পরিচর্যা করা হলে এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন ফল গবেষণা কেন্দ্র।

ফাগুনের মৃদু হাওয়ায় গাছে গাছে দোল খাচ্ছে আমের মুকুল। বাগানজুড়ে ফুটন্ত মুকুলের এই শোভা আশা জাগিয়েছে কৃষক মনে। কারণ ধানের পরই আমের উপর বেশি ভরসা রাজশাহী অঞ্চলের চাষিদের।

আমের মুকুলের মনকাড়া ঘ্রাণ মাতোয়ারা করেছে মানুষকে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁর বাগানগুলোর গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে জানিয়েছেন ফল গবেষকরা।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?


আমের জন্য এখন আর, অফ ইয়ার বা অন ইয়ার নেই। গাছের পরিচর্যা করার কারণে প্রতি বছরই আমের ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে বাগান মালিকরাও পরিচর্যার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ফল গবেষকের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার রাজশাহী অঞ্চলে আমের বাম্পার ফলন হবে। গতবছর ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও করোনার প্রভাবে যে ক্ষতি হয়েছিল, এবার তা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

রাজশাহী অঞ্চলের চার জেলায় এবার আমচাষ হচ্ছে প্রায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইউনানি ওষুধে মেশানো হচ্ছে রং-ঘনচিনি

বাজারে গ্যাস্ট্রিকের নকল ওষুধের ছড়াছড়ি (ভিডিও)

ফখরুল ইসলাম

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পেতে আপনি যে সেকলো নামের ওষুধ খান, তা কি আসল ব্র্যান্ডের? কিংবা একই রোগের এন্টাসিড সিরাপ ভেজাল নয় তো? বাজারে এমন চাহিদা সম্পন্ন বেশ কিছু ওষুধ নকল করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিশেষ চক্র। 

আছে ইউনানী ওষুধের লাইসেন্স নিয়ে এ্যালোপ্যাথি ওষুধ বানানোর হিড়িকও। মেশাচ্ছে রং ও ঘণচিনি। এসব ওষুধই ছড়াচ্ছে অলিগলি কিংবা প্রত্যা্ন্ত অঞ্চলের ফার্মেসীগুলোয়। যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে ভোক্তাদের। ওষুধ। জীবনরক্ষা করে। মানুষকে মুক্তি দেয় অসুস্থ্যতা থেকে। রোগ সংক্রমণের ব্যাপকতায় বেশ কিছু ওষুধের চাহিদাও বাজারে বেশ। গ্যাস্ট্রিক, প্রেসার ডায়াবেটিস, কিডনী রোগের ওষুধ অন্যতম। অতি মুনাফার লোভে এইসব ওষুধই নকল করছে জালিয়াত চক্র। 

নিউজ টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধান সাভারের এই কারখানায়। বাজারের চাহিদাবহুল ওমিপ্রাজল গ্রুপের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধটি গোপনে মোড়ক নকল করে বানাচ্ছে কারখানাটি।

যেটি আবার একটি চক্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে সারাদেশের ফার্মেসীগুলোতে। শুধু সাভারেই নয় দেশে ওষুধের সবচেয়ে বড় বাজার মিটফোর্ডেও অসাধুচক্র অতিলোভে জীবনরক্ষাকারী ওষুধটি ভেজাল করতে ছাড়েনি। এখানেও ওমিপ্রাজল গ্রুপের এই সেকলো নকল করছে জালিয়াতচক্র। ওষুধটির হালকা প্রিন্টের মোড়ক দেখেই বুঝা যায় নকলের চিহ্ন। শুধু সেকলো নয় নকল করছে এমন আরো বহু ব্র্যান্ডের ওষুধ।

শুধু নকল নয় সাভারের এই ইউনানী লাইসেন্সধারী কোম্পানীটি ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে এ্যলোপ্যাথি ওষুধ। ক্যাপসুল বানাতেও বেশ দক্ষ কোম্পানীটি। পাশের আরেক ইউনানী কোম্পানীতো এন্টাসিড সিরাপসহ বানাচ্ছে নানা রকমের ওষুধ।


ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিলেন বাবা

পানি পানে আসা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও মাটিচাপা

কালো পোশাকে নতুন এক জয়া

সৌদি যাত্রীর ছোট ব্যাগ থেকে মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ


আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিভিন্ন সময়ে অভিযানে ভেজাল ওষুধ সিন্ডিকেটের একাদিক সদস্যকে আটক করে। যৌথ অভিযান চালায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরও। ওষুধ প্রশাসনের পরিসংখ্যান বলছে গত একবছরে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতের দায়ে জেল দিয়েছে ৫৭ জনকে।

ভেজাল ওষুধে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভোক্তারা। তাই ভেজাল ওষুধ ও বাড়তি দামের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানের দাবি তাদের।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীর বাউনিয়া সড়কের বেহাল দশা

তালুকদরি বিপ্লব

রাজধানীর বাউনিয়া সড়কের বেহাল দশা

সড়কটি হতে পারে রাজধানীর উত্তরা থেকে মিরপুরের যোগাযোগের অন্যতম সহজ মাধ্যম। কিন্তু পরিকল্পনার অভাবে তাই এখন পড়ে আছে চরম অবহেলায়। ঢাকার ভেতরে বাইরে যখন তৈরি হচ্ছে নিত্য নতুন রাস্তা তখন শুধু-ই ভোগান্তির অপর নাম উত্তর সিটির ৫২ নাম্বার ওয়ার্ড এর বাউনিয়া রোড। 

রাজধানীর ঢাকার বাউনিয়া। দেশের প্রধান বিমানবন্দরের রানওয়ের এক প্রান্তে এলাকাটির অবস্থান। শুধু তাই নয়, এই সড়কই উত্তরা মডেল টাউনকে যুক্ত করেছে অন্যতম প্রধান শহর মিরপুরকেও। এলাকাটি এখন সিটির সম্প্রসারিত ৫২ নাম্বার ওয়ার্ড, যার বেশিরভাগ রাস্তারই চিত্র এমন। 


‘পরমাণু সমঝোতার একমাত্র পথ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার’

এইচ টি ইমামের জানাজা ও দাফনের সময়

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর শোক

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে ওবায়দুল কাদেরের শোক


বিশেষ করে বাউনিয়া, বটতলা,পশ্চিম পাড়া ও পাবনারটেকের রাস্তাগুলো সংস্কারের অভাবে জায়গায় জায়গায় তৈরি হয়েছে ছোটবড় গর্ত। আর তাতে হরহামেশাই ঘটছে দূর্ঘটনা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাস্তায় কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থাও নেই। ফলে বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় জমে হাঁটু পানি। এছাড়া রাস্তার বেহাল দশায় এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাও মন্দা। ভাড়াটিয়া না পাওয়ায় বিলাসবহুল বাড়িগুলো পড়ে আছে ফাঁকা।

এদিকে অগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই রাস্তা উন্নয়ন ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু করবেন বলে জানায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। তবে আর প্রতিশ্রুতি নয় এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সামাধান চান ভুক্তভোগীরা।
news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অমর একুশে বইমেলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

সুকন্যা আমীর

অমর একুশে বইমেলার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

করোনা মহামারিতে থমকে থাকা সবকিছুই আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আর এমন সময়ে একুশে বইমেলা হবে জাতীয়ভাবে কোন বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন। এজন্য বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলা একাডেমিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। হে স্বাধীনতা শিরোনামে, এবারের মেলাকে উৎসর্গ করা হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। 

হাতে আছে দিন পনেরো। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জুড়ে এই নির্মাণ কাজ জানান দিচ্ছে অমর একুশে বইমেলার আগমনী বার্তা।


বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের গুরুত্ব, উচ্চারণ ও অনুবাদ

নামাজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ১৪টি কাজ

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

এইচ টি ইমাম আর নেই


প্রাথামিকভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে স্টল ও প্যাভিলিয়নের কাঠামো। এরপর লটারির মাধ্যমে তা হস্তান্তর করা হবে প্রকাশক ও সংশ্লিষ্টদের। ১৬ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে সকল স্টল নির্মাণের কাজ।

গতবারের তুলনায় এবারে বাড়ছে বইমেলার পরিসর। থাকবে প্যাভিলিয়ন, স্টল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ, লেখক বলছি মঞ্চ, সিসিমপুর, আশ্রয়কেন্দ্র ইত্যাদি।

চলতি বছর বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ পূর্তি এবং স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী। এজন্যই ‘হে স্বাধীনতা’ শিরোনামে এবারের বইমেলাকে উৎসর্গ করা হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

১৮ই মার্চ, ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেলা চলবে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে ভেজাল ওষুধ

ফখরুল ইসলাম

ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে ভেজাল ওষুধ

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পেতে আপনি যে সেকলো নামের ওষুধ খান, তা কি আসল ব্র্যান্ডের? কিংবা একই রোগের এন্টাসিড সিরাপ ভেজাল নয় তো? বাজারে এমন চাহিদা সম্পন্ন বেশ কিছু ওষুধ নকল করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিশেষ চক্র। আছে ইউনানী ওষুধের লাইসেন্স নিয়ে এ্যালোপ্যাথি ওষুধ বানানোর হিড়িকও।

মেশাচ্ছে রং ও ঘণচিনি। এসব ওষুধই ছড়াচ্ছে অলিগলি কিংবা প্রত্যান্ত অঞ্চলের ফার্মেসীগুলোয়। যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে ভোক্তাদের।

ওষুধ জীবনরক্ষা করে। মানুষকে মুক্তি দেয় অসুস্থ্যতা থেকে। রোগ সংক্রমণের ব্যাপকতায় বেশ কিছু ওষুধের চাহিদাও বাজারে বেশ। গ্যাস্ট্রিক, প্রেসার ডায়াবেটিস, কিডনী রোগের ওষুধ অন্যতম।

অতি মুনাফার লোভে এইসব ওষুধই নকল করছে জালিয়াত চক্র। নিউজ টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধান চলে সাভারের একটি কারখানায়। বাজারের চাহিদাবহুল ওমিপ্রাজল গ্রুপের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধটি গোপনে মোড়ক নকল করে বানাচ্ছে কারখানাটি।


বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের গুরুত্ব, উচ্চারণ ও অনুবাদ

নামাজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ১৪টি কাজ

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

এইচ টি ইমাম আর নেই


যেটি আবার একটি চক্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে সারাদেশের ফার্মেসীগুলোতে। শুধু সাভারেই নয় দেশে ওষুধের সবচেয়ে বড় বাজার মিটফোর্ডেও অসাধুচক্র অতিলোভে জীবনরক্ষাকারী ওষুধটি ভেজাল করতে ছাড়েনি। এখানেও ওমিপ্রাজল গ্রুপের এই সেকলো নকল করছে জালিয়াতচক্র। ওষুধটির হালকা প্রিন্টের মোড়ক দেখেই বুঝা যায় নকলের চিহ্ন। শুধু সেকলো নয় নকল করছে এমন আরো বহু ব্র্যান্ডের ওষুধ।

শুধু নকল নয় সাভারের এই ইউনানী লাইসেন্সধারী কোম্পানীটি ক্ষতিকর রং ও নিষিদ্ধ ঘণচিনি মিশিয়ে বানাচ্ছে এ্যলোপ্যাথি ওষুধ। ক্যাপসুল বানাতেও বেশ দক্ষ কোম্পানীটি। পাশের আরেক ইউনানী কোম্পানীতো এন্টাসিড সিরাপসহ বানাচ্ছে নানা রকমের ওষুধ।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিভিন্ন সময়ে অভিযানে ভেজাল ওষুধ সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্যকে আটক করে। যৌথ অভিযান চালায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরও। ওষুধ প্রশাসনের পরিসংখ্যান বলছে গত একবছরে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতের দায়ে জেল দিয়েছে ৫৭ জনকে।

ভেজাল ওষুধে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভোক্তারা। তাই ভেজাল ওষুধ ও বাড়তি দামের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযানের দাবি তাদের।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর