যমুনার বুকে জেগে ওঠা বালুচরে কৃষিবিপ্লব

বগুড়া থেকে আব্দুস সালাম বাবু

বগুড়ায় যমুনার বুকে জেগে ওঠা বালুচরে কৃষিবিপ্লব করেছেন চরাঞ্চলের মানুষ। দিগন্ত বিস্তৃর্ণ বালুচরে শোভা পাচ্ছে নানা রকম ফসলের সমারোহ। আর এই সব ফসল ঘরে তুলে লাভবান হচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ।

বর্ষায় অথৈ পানি। আর পানি শুকিয়ে গেলেই ধু ধু বালুচর। আর এই চরেই স্বপ্ন বুনেন চরাঞ্চলের হাজরো মানুষ। স্রোতহীন শান্ত এ নদী দেখে বোঝার উপায় নেই এক সময় যমুনা নদীর প্রমত্তা রুপ।

যমুনা নদীর তীরবর্তী সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটের চরাঞ্চল এলাকায় এখন সবুজের সমারহ। এবারের বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপরই চরের চাষিরা ফসল চাষে ব্যস্ত। মরিচ, ভুট্রা ও পাটের পাশাপাশি ধান, গম, সরিষা, চিনা বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, আলু, রসুন, পেঁয়াজসহ প্রায় সবধরনের শাক-সবজি আবাদ করেছেন তারা।

আরও পড়ুন:


৯টা-৫টা ডেস্ক ওয়ার্ক সম্ভব না: ভারতের সর্বকনিষ্ঠ পাইলট

যেকোনো মুহূর্তে সরকার পতন: রিজভী

ধর্ষণের পর শিক্ষার্থীর মৃত্যু, চিকিৎসক বলছেন ‘ভিন্ন কথা’


নদী ভাঙা অভাবী শত শত পরিবার নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরকে কাজে লাগিয়ে অভাব দূর করছেন। এসব পরিবারের নারীরাও পরিশ্রম করে ফসল ফলাচ্ছেন। চরাঞ্চলে ফসল চাষে লাভের আশায় এখন অনেক তরুণ উদ্যোগতারাও এগিয়ে এসেছেন।

আর চরগুলোতেও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত জাতের বীজের মাধ্যমে চাষাবাদ হওয়ায় প্রতিবছর চরাঞ্চলগুলোতেও কৃষি সম্প্রসারিত হচ্ছে, বাড়ছে উৎপাদন, দাবি কৃষি কর্মকর্তারাদের।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও সোনাতলার ৬০টির বেশি জেগে ওঠা চরে ১৬ হাজার ৭৩৩ হেক্টর জমিতে এবার ফসল চাষবাদ করেছেন চাষিরা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর সারা দেশের পরিস্থিতি বদলে যায়

ফাতেমা কাউসার

৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর সারা দেশের পরিস্থিতি বদলে যায়

৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর সারা দেশের পরিস্থিতি বদলে যায়। ঢাকাসহ সারাদেশে চলতে থাকে অসহযোগ আন্দোলন। ইতিহাসের সেই দিনগুলির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কাজী ফিরোজ রশিদ জানান সেদিন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উজ্জিবিত করেছিলো তাকে। নিজেকে প্রস্তুত করে হেমায়েত বাহিনীর সাথে ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলে একাধিক যুদ্ধে অংশ নেন তিনি। 

রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন ছাত্রনেতারা। ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ এক বিবৃতিতে, “বাংলার মুক্তি আন্দোলনকে ‘স্বাধীনতা আন্দোলন’ ঘোষণা করে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


দেশের নানা প্রান্তে তখন চলতে থাকে বাঙালীকে সংগঠিত করে তোলার কাজ। এসময় যারা নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করেছেন বাঙালির স্বাধীনতার জন্য তাদেরই একজন কাজী ফিরোজ রশিদ।

পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিশাল অংশ প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে এসময়। এই মুক্তিযোদ্ধা মনে করেন ছাত্রসমাজের মহান আত্মত্যাগ ছাড়া এদেশের স্বাধীনতা অর্জন মোটেই সহজ হতোনা।

যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষে গঠিত সশস্ত্র গেরিলা বাহিনী “হেমায়েত বাহিনীর” হয়ে টানা নয় মাস পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এই মুক্তিযোদ্ধা। 
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ

রিশাদ হাসান

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ। ২০২০ সালের এই দিনে দেশে সনাক্ত হয়েছিল নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জন রোগী। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও স্বাস্থ্য বিধি না মানায় আবারও বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, নিয়ম মেনে চললে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির তুলনায় আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারতো বাংলাদেশ। 

৮ মার্চ ২০২০। দুপুরে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য নিয়ে এলো এক দু:সংবাদ। সেদিন দেশে সনাক্ত হয় করোনায় আক্রান্ত ৩ জন রোগী।

নানা প্রতিকূলতায় শুরু হল করোনার সাথে বসবাস। সাধারণ হাসপাতালগুলো একে একে পরিনত হতে থাকলো কোভিড হাসপাতালে।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


এই এক বছরে বাংলাদেশে সনাক্ত ছাড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ। ১৮ই মার্চ আসে প্রথম মৃত্যুর খবর। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে আট হাজার। তবে সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখেরও বেশী।

বর্তমানে সংক্রমনের হার কম তবুও সন্তুষ্ট নন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

প্রতিদিন নানা দু:সংবাদের মাঝে আশার গল্পটা শুরু হয় বিশ্বের দশম রাষ্ট্র হিসেবে টিকা প্রয়োগ শুরু করা নিয়ে। এবছরের ৭ ফেব্রুয়ারী থেকে সারাদেশে শুরু হয় গণটিকাদান।

সম্প্রতি আবারও বাড়ছে সংক্রমণের হার। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলছেন, স্বাস্থ্য বিধি না মানাই এর প্রধান কারণ।

চুড়ান্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে কাজ করে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এরপর পৃথিবী থেকে করোনা বিদায় নিবে কি না সে প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা

সুলতান আহমেদ

উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা

নারীদের উদ্যোক্তা হয়ে উঠার গল্প সবাই শুনতে চায়, তবে রাষ্ট্র কতটুকু পারছে তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে? এসএমই ফাউন্ডেশনের এক জরিপে উঠে এসেছে ভয়াবহ বৈষম্যের কথা, হিসেব বলছে দেশে ১০০ জন উদ্যোক্তার মধ্যে মাত্র ৭ জন নারী উদ্যোক্তা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পদে পদে বাধা, ব্যাংক লোনের স্বল্পতা, সরকারি নীতি সহায়তা না পাওয়া নারী উদ্যোক্তা হওয়ার বড় অন্তরায়। 

বিশ্ব বাজারে দ্বিতীয় বৃহৎ পোশাক উৎপাদক দেশ বাংলাদেশ। যেই খাতে সবচেয়ে বেশি কাজ করেন নারীরা। সস্তা শ্রমকে পুঁজি করে শত কোটি টাকার মালিক হচ্ছেন অনেকেই, তবে দিন বদলায় না নারী কর্মীদের।

চাকুরীর বঞ্চনা ছেড়ে যখন নারীরা উদ্যোক্তা হতে চান সেখানেও যেনো অন্ত নেই নানাবিধ বাধার। এসএমই ফাউন্ডেশনের এক জরিপে দেখা যায় উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


হিসেব বলছে, দেশে মোট উদ্যোক্তা ৭৮,১৮৫৬৫ যার মধ্যে পুরুষ ৭২,৫৫০০০ আর নারী ৫,৬৩০০০ জন। শতকরা হিসেবে যা ৭.২ শতাংশ। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ই রয়েছেন ৯৯ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা। বড় ব্যবসায় নারীদের অংশগ্রহণ খুবই কম।

যদিও এসএমই ফাউন্ডেশন বলছে, নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, ঋণ বিতরণ, কিংবা যেকোন সহায়তায় পাশে রয়েছে তারা।

বর্তমানে অনলাইন ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন বহু নারী। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গুরুত্ব দেয়া উচিত নারী উদ্যোক্তা বাড়াতে।  

এছাড়া নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে পারিবারিক সহায়তা বাড়ানোর পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা

রিশাদ হাসান

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা

সাইবার অপরাধ। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন বলছে বয়স ভেদে এর শিকার ৭০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে নারীর প্রতি সহিংসতা। তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অনলাইনে হয়রানী নারী অগ্রগতিতে বড় বাধা। যা দমনে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আন্দোলন। 

দ্বাদশ শ্রেনীতে লেখাপড়া চলাকালীন স্মার্টফোন হাতে পেয়েছিলেন আইরিন। ইন্টারনেট ব্যবহারে অসচেতন থাকায় প্রথমে হ্যাকিং পরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন তিনি।

আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য মতে বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ মেয়ে শিশু অনলাইনে হয়রানীর শিকার। সাইবার ক্রাইম এ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে দেশের মোট সাইবার অপরাধের ৭০ শতাংশই নারী কেন্দ্রীক।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


ডিএমপির সাইবার ক্রাইম বিভাগ বলছে, ২০১৬ সাল থেকে সাইবার জগতে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতি বছর দ্বিগুন হারে বাড়ছে।

তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার অপরাধের শিকার হওয়া নারীদের সামাজিক ভাবে হেয় করার বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক।

তবে এমন নারীদের সহায়তা দিতে গড়ে উঠেছে কিছু সামাজিক সংগঠন। যারা নারীদের এমন বাস্তবতায় মানসিক সহায়তার পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে সচেতনতা তৈরিতেও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অর্ধেক মানব সম্পদ নারী। কাজেই সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ করা গেলে নারীরাও উন্নয়নে রাখতে পারে বড় ভূমিকা।
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

ফখরুল ইসলাম

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

নারী। আড়াইশো বছর ধরে অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী। যারা পরিবার থেকে গড়েন সমাজ। মাঠ, ঘাট, কিংবা কল কারখানায় শোষিত, নির্যাতিত এই নারী। তারা মুক্তির প্রতিক্ষায়। নিরবে নিভৃতে কাঁদে তাদের স্বপ্ন। 

রৌদ্রের খরাতাপে পাথর শ্রমিক মরিয়মের এই সংগ্রাম শুধু নারীকে টিকিয়ে রাখতে নয়, সেই সাথে পরিবারকে রক্ষারও। কিন্তু তাতেও কি জোটে ন্যায্য মুজুরী বা মর্যাদাটুকু ?

পুরুষের সঙ্গে কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে নারী সমানতালে এ বিশ্বকে উন্নত করলেও আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত। এখনো ঘর গৃহস্থালী কিংবা মাঠ ঘাট থেকে বাহিরে আসতে পারেনি এদেশের বেশিরভাগ নারী।

উত্তরাঞ্চলের দারিদ্রপীড়িত রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এখনো পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কায়িক শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। তারাও বঞ্চিত। আছে অধিকার নিয়ে অসন্তোষ।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


পোশাক শিল্প থেকে ভারী শিল্প সবক্ষেত্রে নারীর শ্রম আছে। সেই সাথে আছে শোষণও। নেই শুধু মর্যাদা। তাই নারী মর্যাদাহীন আর বঞ্চিত হলে অমানবিক হবে সমাজ, পিছিয়ে যাবে রাষ্ট্র। এমন মত নারী অধিকারকর্মীদের।

১৮৫৭ সালে নিউইয়র্কের নারী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পর ১৯১১ সাল থেকে প্রতিবছর ৮মার্চ পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এখনো দেশে হত্যা ধর্ষণ আর নির্যাতনের মত খড়গ নেমে আসছে নারীদের উপর। পুলিশের তথ্য মতে, পাঁচ বছরে সারাদেশের থানাগুলিতে ২৬ হাজার ৬৯৫টি ধর্ষণের মামলাই হয়েছে।

রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে নারীর ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীকে সমান অধিকার আর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই মিলবে নারীর প্রকৃত মুক্তি। গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব।
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর