গাজীপুরে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ, গাজীপুর

গাজীপুরে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি

গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও জেলায় আগামীকাল করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন।  

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের ইপিআই ভবন থেকে মহানগরের শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল এবং জেলার চারটি উপজেলা কমপ্লেক্স এর জন্য এরইমধ্যে টিকা ও সংশ্লিষ্ঠ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। 


শিশু সন্তান রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে উধাও গৃহবধূ

স্বামী পালালেও ২০ কেজি গাঁজা নিয়ে স্ত্রী ধরা

ধর্ষণ ও হত্যাই যেন তার পেশা!


প্রথম দিনে কাদের টিকা দেওয়া হবে সেই তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। জেলায় আসা মোট ১লাখ ৮০ হাজার টিকার মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় দেওয়া হবে ৫৭ হাজার। বাকি টিকা দেওয়া হবে চারটি উপজেলায়। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

২০০ শয্যার কোভিড ইউনিট চালু হচ্ছে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক

২০০ শয্যার কোভিড ইউনিট চালু হচ্ছে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) চালু হয়েছে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট কোভিড ইউনিট। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে রাজধানীতে করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হলো বারোশ’ শয্যা।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ, হাইফ্লো নজেল ক্যানলা আর আইসিইউ সুবিধাও থাকছে এ কোভিড ইউনিটে। এতে হৃদরোগে আক্রান্ত কোভিড রোগী ছাড়াও যে কোনো করোনা রোগীই চিকিৎসা সেবা পাবেন।
প্রাথমিকভাবে ১০০ বেড চালু হলেও শিগগিরই চালু হবে পুরো ইউনিট। সেই প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট


এনআইসিভিডির সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক সিয়াম বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র কার্ডিয়াক সার্জারি এখানে হয়ে থাকে, এসব কিছু মাথায় রেখে কোভিড ইউনিট করা হয়েছে, কোভিড ইউনিট তৈরির নির্দেশনা এসেছে, সেভাবে সুরক্ষা মেনেই কাজ করা হচ্ছে।
এ হাসপাতালের কোভিড ইউনিটের পুরোটাই সেন্ট্রাল অক্সিজেনেরে আওতায় থাকছে। এছাড়া প্রয়োজনে আইসিইউ সেবা পাবেন ভর্তি রোগীরা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

অনলাইন ডেস্ক

যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়

খাবারের সঙ্গে শরীরের যে একটা সরাসরি যোগ রয়েছে, সেকথা নিশ্চয় কারও অজানা নেই। আর এ বিষয়টি তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে, রোগে ভোগের পিছনে আমরা কী ধরনের খাবার খাচ্ছি তা অনেকাংশেই নির্ভর করে।

গবেষকদের মতে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা দেহে ক্যান্সারের বাসা বাঁধার সুযোগ করে দেয়। নিয়মিত ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজি ও ফলযুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায় বলে মনে করেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।

কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণের সঙ্গে ছাড়তে হবে এমন কিছু খাবার, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। জেনে নিন এমনই কিছু খাবার সম্পর্কে:

আলুর চিপস: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আলুর চিপস ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য ব্যবহৃত কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। যা এই রোগটি সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই: আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়। তাই সম্ভব থাকলে এই খাবারটি এড়িয়ে চলুন।

প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার: সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে। এই তালিকায় রয়েছে বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে।

সফট ড্রিংকস: বাজারে পাওয়া কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলে গবেষণায় জানা যায়। এসব পানীয়তে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি থাক যা রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে।

অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে। আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

খোলা বাজারের শরবত: রমজান আসলে বা গরমের দিনে রাস্তার পাশে নানা ধরনের শরবতের পসরা সাজিয়ে বসে দোকানীরা। এসব শরবতে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং থাকে যা জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

লাল মাংস: লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। গরু, ছাগল, ভেড়া, শূকর ও অন্যান্য পশুর লাল মাংস সুষম খাবারের উৎস; যা শাক-সবজি ও ফলমূলে পাওয়া যায় না। অতিমাত্রায় লাল মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়- এ কথাটি পুরনো হলেও লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।


বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যা বললেন হেফাজত নেতারা

কবরের আজাব থেকে মুক্তি লাভের দোয়া

২০ এপ্রিল, ইতিহাসে আজকের এই দিনে

সিঙ্গাপুরগামী বিমানের বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ছে আজ


সাদা আটা:

দোকানে পাওয়া রুটি, পরোটা থেকে শুরু করে বড় বড় বেকারির কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুডের পিজা…এমনকি বাসায় বানানো রুটি-পরোটা – সবকিছুতেই এখন পরিশোধিত সাদা আটা-ময়দার ব্যবহার। সাদা আটায় থাকে উচ্চ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, বেশি বেশি গ্রহণে যা নানা রোগের কারণ হতে পারে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন:

বাজারে কিছু রেডি-টু-বেক মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেট পাওয়া যায়। এগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে প্যাকেটসহ দিয়েই তৈরি করা যায় সুস্বাদু খাওয়ার যোগ্য গরম গরম পপকর্ন। কিন্তু এসব পপকর্নে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে থাকতে পারে পিএফওএ জাতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক, যার নিয়মিত গ্রহণে কিডনি ও ব্লাডারে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব রাসায়নিক অত্যাধিক খেলে নারীদেহে বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা খুব বেশি পরিমাণে শর্করাযুক্ত খাবার খান তাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। রক্তে চিনি শোষণের মাত্রাও বেড়ে যায় বেশি শর্করা খেলে। তাই এর পরিবর্তে পুরো গম, কাঠবাদাম, কিনোয়া বা বার্লির আটা খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছে: আইইডিসিআর

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছে: আইইডিসিআর

করোনাভাইরাস রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা খুব দ্রুত মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। হাসপাতালে ভর্তির ৫ দিনেই ৪৮ শতাংশ করোনা রোগী মারা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।

গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা করে শনিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে আইইডিসিআর তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করে।
আইইডিসিআর বলেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির হার ৪৪ শতাংশ। এ সময়ে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় বড় অংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা (৩৩ শতাংশ) প্রাতিষ্ঠানিক বা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর হাসপাতালে করোনায় মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন। আর ৫ থেকে ১০ দিনের ভেতরে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ।
সংস্থাটি বলছে, করোনা মহামারিতে গত মাসে মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৩৮, যা এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে এসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪১–এ। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।


আরও পড়ুনঃ


বাইডেনের প্রস্তাবে রাজি পুতিন

২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


করোনা সংক্রমণে গত বছরের চেয়ে এ বছর নারীরা অধিক হারে মারা যাচ্ছেন বলে আইইডিসিআরের তথ্যে উঠে এসেছে।

তারা বলছেন, গত বছরের জুলাই মাসে যখন কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট মৃত্যুহার সর্বোচ্চ ছিল সে সময়ে নারী-পুরুষের মৃত্যুর (২২৬/৯৮২) অনুপাত ছিল ১:৩.৫। এ বছরের এপ্রিলে এসে দেখা যাচ্ছে যে নারী-পুরুষের মৃত্যুর (২৬৩/৬১৪) অনুপাত ১:২.২৩। অর্থাৎ গত বছরের চাইতে নারী বেশি হারে মৃত্যুবরণ করছেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আগামীকাল ৫০টি আইসিইউ শয্যাসহ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক

আগামীকাল ৫০টি আইসিইউ শয্যাসহ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন

৫০টি আইসিইউ শয্যা নিয়ে রোববার থেকে রাজধানীর মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) করোনা হাসপাতাল চালু হতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ হাসপাতালের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

শনিবার হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন।

হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ‘আমরা ৫০ শয্যার আইসিইউ সুবিধাসহ হাসপাতালটি আংশিকভাবে শুরু করছি। আমরা আরও জনবল নিয়োগ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে আগামী ২৯ এপ্রিলের মধ্যে এটিকে পূর্ণভাবে চালাতে পারব বলে আশা করছি।’

পূর্ণাঙ্গ হলে এই করোনা হাসপাতালে রোগীদের জন্য ২১২টি আইসিইউ, ২৫০টি এইচডিইউ ও ৫৪০টি আইসোলোটেড হাই কেয়ার রুম থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, এখানে ৫০০ জনেরও বেশি করোনা রোগিকে একসঙ্গে উচ্চ-প্রবাহের অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনা প্রতিরোধ করুন: ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই

অনলাইন ডেস্ক

নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনা প্রতিরোধ করুন: ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই

অতিমারি ভাইরাস করোনার প্রকোপ বাড়ছে দিনকে দিন। প্রতিদিনই লাখ লাখ মানুষের আক্রান্তের ও হাজারো মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে দেশে দেশে।

ভ্যাকসিন এলেও এই মহামারী প্রতিরোধ সম্ভব হয়ে উঠছে না। ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ হাজার ৪২৭ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ সময়ে শতক পেরিয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা।

এ পর্যায়ে এসেও করোনা প্রতিরোধ চেষ্টায় বসে নেই দেশি-বিদেশি চিকিৎসক ও গবেষকরা। তারা বিভিন্ন পরামর্শ ও চিকিৎসার কথা তুলে ধরছেন প্রতিনিয়ত।

এর মধ্যে ভারতীয় চিকিৎসক ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই করোনা নির্মূল সম্ভব দাবি করে একটি পরামর্শ দিয়েছেন। 

তার পরামর্শে বলা হয়েছে, করোনায় গরম পানি পান গলার জন্য ভালো। তবে করোনাভাইরাস আমাদের নাকের প্যারান্যাসাল সাইনাসের অন্তরালে ৩-৪ দিন লুকিয়ে থাকে, আর আমরা যে গরম পানি পান করি তার প্রভাব সেখানে পৌঁছাতে পারে না।

পরে ৪-৫ দিন পর দেখা যায় সাইনাসে লুকিয়া থাকা ওই করোনা ফুসফুস পর্যন্ত চলে যায়, তখন আমাদের শ্বাসক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণেই আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ গরম পানির ভাপ (গরম পানির বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে টানা) নেওয়া।

যা আমাদের নাকের প্যারান্যাসাল সাইনাসের অন্তরালে পৌঁছাতে পারে। মনে রাখতে হবে আমাদের নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে হবে।


আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছিলেন ছেড়ে দেননি: বাবুনগরী

ইফতারের আগে দোয়া কবুলের জন্য যে আমল করা উচিত

কখন রোজা ভাঙলে গোনাহ হবে না

আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না


তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাস তার কার্যকারিতা হারিয়ে অক্ষম হয়ে যায়। আর ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় করোনা এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে মানবদেহের যেকোনো ইমিউনিটি সিস্টেম তা প্রতিরোধে সক্ষম। এছাড়া ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাস বিনাশ হয়ে যায়।

তার দাবি সাধারণত পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের সবারই গরম পানির ভাপ নেওয়ার প্রক্রিয়াটা জানা। তবে আমাদের সবার উচিৎ করোনা মহামরীতে এই সুবিধাটা কাজে লাগানো। যারা বাড়ির বাইরে বের হন না তাদের দিনে অন্তত একবার হলেও ভাপ নেওয়া উচিৎ। আর যারা কোনো কাজে বাড়ি থেকে বের হন বাজার করেন- তাদের দিনে দু’বার ভাপ নেওয়া উচিৎ। এছাড়া যারা বেশি মানুষের সংস্পর্শে যাচ্ছেন তাদের প্রতিদিন তিনবার ভাপ নেওয়া দরকার।

চিকিৎসকদের মতে, গরম পানি পান ও এর নির্দিষ্ট তাপমাত্রার ভাপ নিঃশ্বাসের সঙ্গে নাকের ভেতরে নেওয়ায় করোনা প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব। যদি সব মানুষ এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এক সপ্তাহ চলে, তাহলে মহামারী করোনা বিনাশ হবে।

কিছু পরামর্শ:
গরম পানি ও এর ভাপ নেওয়ার প্রক্রিয়া এক সপ্তাহের জন্য শুরু করতে হবে। সকাল-সন্ধ্যা নিয়ম করে দিনে দু’বার পাঁচ মিনিট করে নিতে হবে। প্রত্যেকেই যদি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়- তবেই করোনা অনেকটাই প্রতিরোধ সম্ভব। এর মধ্য দিয়ে বিনাশ হবে এই মহামারী। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এই প্রক্রিয়ায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং বাড়তি কোনো খরচও নেই। ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই এটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর