বরিশালে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে কাল

অনলাইন ডেস্ক

বরিশালে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে কাল

সারাদেশের মতো বরিশালেও আগামীকাল রবিবার শুরু হচ্ছে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রম। এ লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ। গ্রামের সাধারন মানুষ যারা কম্পিউটার চালাতে কিংবা এ্যাপসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে সক্ষম নয় তারাও কেন্দ্রে হাজির হলে সরকারিভাবে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গ্রামের সাধারণ মানুষ যারা করোনার টিকার রেজিস্ট্রেশন করতে সক্ষম নয়, তাদের রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হবে। আবার কেউ চাইলে কেন্দ্রে এসেও টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। 


নিউইয়র্কে প্রকাশ্য দিবালোকে অভিজাত দোকানে ডাকাতি

রাশিয়া ও চীনের সাথে আমেরিকার পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা: অ্যাডমিরাল চার্লস রিচার্ড

জাতিসংঘের নিন্দাপ্রস্তাব আটকে দিল চীন

ট্রাম্পের নীতিতে হাঁটছেন না বাইডেন, বিপাকে সৌদি আরব


সরকারি নির্দেশনা বরিশাল জেলায় ১৩১ টি বুথে একযোগে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে আগামীকাল রবিবার সকাল ১০টায়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় রয়েছে ১৭ টি কেন্দ্র। 

যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে ৮ টি, সদর হাসপাতালে ৮ টি এবং পুলিশ হাসপাতালে একটি বুথ রয়েছে। জেলার ৯ উপজেলায় রয়েছে ১১৪টি টিকা প্রদান বুথ। এরমধ্যে ৯ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ করে মোট ২৭ টি এবং ৮৭ টি ইউনিয়নে একটি করে ৮৭ টি বুথ করা হয়েছে। 

বরিশাল জেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ডোজ করোনার টিকা এসেছে। 

news24bd.tv /আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দাঁতের ব্যথায় যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

দাঁতের ব্যথায় যা করবেন

অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক ও প্রচলিত একটি ব্যথার নাম দাঁতে ব্যথা। এতে দাঁত ও চোয়াল উভয় অংশেই ব্যথা করে। দাঁতের ক্ষয়, সংক্রমণ, মাড়ির রোগ, জয়েন্টে সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দাঁত ব্যথা হয়। দাঁত ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পাশাপাশি ব্যথা কমাতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চলতে পারেন।

লবণ ও গোলমরিচ
লবণ ও গোলমরিচ সম পরিমাণে মিশিয়ে পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। দাঁতের ওপর এই পেস্ট লাগিয়ে কয়েক মিনিট রাখুন। দাঁতে ব্যথা কমে গেলেও এটা কয়েক দিন করে গেলে আরাম পাবেন।

লবণ গরম পানি
দাঁত, মাড়ি, গলায় ব্যথা কমাতে খুব ভাল কাজ করে লবণ মিশ্রিত গরম পানি। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এতে যেকোনও সংক্রমণ সেরে যাবে।

রসুন
এক কোয়া রসুন থেঁতলে অল্প লবণের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। খুব বেশি যন্ত্রণা হলে এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। যন্ত্রণা কমে যাবে।

লবঙ্গ
দুটো লবঙ্গ থেঁতলে নিয়ে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্টটা দাঁতে লাগান।

আদা
এক টুকরো আদা কেটে নিন এবং যে দাঁতে ব্যথা করছে সে দাঁত দিয়ে চিবাতে থাকুন। যদি চিবাতে বেশি ব্যথা লাগে তাহলে অন্য পাশের দাঁত দিয়ে চিবিয়ে যে রস এবং আদার পেস্ট তৈরি হবে সেটা ওই আক্রান্ত দাঁতের কাছে নিয়ে যান। জিভ দিয়ে একটু চেপে রাখুন দাঁতের কাছে। কিছুক্ষণের মাঝেই ব্যথা চলে যাবে।

বেকিং সোডা
একটা কটন বাড একটু পানিতে ভিজিয়ে নিন। এর মাথায় অনেকটা বেকিং সোডা লাগিয়ে নিয়ে ব্যাথা হওয়া দাঁতের ওপরে দিন। অন্যভাবেও বেকিং সোডা ব্যবহার করা যায়। এক চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস গরম পানিতে গুলে সেটা দিয়ে কুলকুচি করুন।


মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


 

দূর্বা ঘাসের রস
এছাড়া দূর্ব ঘাসের রসও দাঁতের ব্যথা কমাতে পারে। এটা দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও সহায়তা করে। 

তবে মনে রাখবেন, আপনার দাঁত ব্যথা করছে তার মানে নিশ্চয়ই দাঁতের ভেতরে কোনও সমস্যা আছে এবং অবশ্যই ডেন্টিস্টের সাহায্য ছাড়া সে সমস্যার থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা হলে কখন মনে করবেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী

করোনা হলে কখন মনে করবেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সোমবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৩ জন, যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে একদিনে মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

এর আগে গতকাল ছিল ৭৮জন। ১০ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছিল ৭৭ জনের, যা ছিল সেদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

এর আগে ৯ এপ্রিল মৃত্যু হয়েছিল ৬৩ জনের, ৮ এপ্রিল মৃত্যু হয় ৭৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭,২০১ জন। অর্থাৎ সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এ মুহূর্তে সবার জন্য দরকার সচেতনতা। কোন লক্ষণ দেখা দিলে কী করবেন। কখন হাসপাতালে ভর্তি হবেন। এ ব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী।

করোনার কোন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি-

১। শ্বাসকষ্ট হলে।
২। অক্সিমিটারের অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪% বা তার নিচে দেখালে।
৩। বুকে ব্যথা হলে।
৪। এক্সরে বা সিটি স্ক্যানে নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের সংক্রমণ দেখা দিলে।
৫। তীব্র দূর্বলতা যেমন হাটাচলা বা কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে এরকম অবস্থার সৃষ্টি হলে।
৬। কাশির তীব্রতা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেলে, জ্বর ৭ দিন বা তার অধিক কাল থাকলে।
৭। রোগী অসংলগ্ন আচরণ করলে।
৮। চিকিৎসক যদি বলে আপনার অক্সিজেন প্রয়োজন হবে তাহলে কোনোভাবেই বাসায় শুধু অক্সিজেন নিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। কারণ যাদের অক্সিজেন দরকার হয় তাদেরকে অক্সিজেনের পাশাপাশি আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওষুধ দিতে হয়।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে রোগ প্রতিরোধে আম-পুদিনার শরবত

অনলাইন ডেস্ক

গরমে রোগ প্রতিরোধে আম-পুদিনার শরবত

কাঁচা আমে রয়েছে ভিটামিন ‘সি’, যা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন সি খুবই কার্যকরি।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে ভিটামিন সি। তাই এর ঘাটতি পূরণে খাদ্য তালিকায় কাঁচা আম রাখা সবচেয়ে সহজলভ্য।

কাঁচা আম বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া গেলেও এর সঠিক পুষ্টিগুন পেতে শরবত খাওয়ার বিকল্প নেই। গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত খেলে যেন মুহূর্তেই শরীরে স্বস্তি দেয়।

বিভিন্নভাবে কাঁচা আমের শরবত তৈরি করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি উপায় হলো 'কাঁচা আম ও পুদিনা পাতা' দিয়ে তৈরি শরবত। কারণ, পুদিনা পাতা তাপ নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।


আরও পড়ুনঃ


শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ


এর রস পিষে দু'তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে পান করলে ক্লান্তিভাব দূর হয়। নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারেনা। এছাড়া শরীরের ব্যাথা কমাতেও পুদিনা পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এইডসের ৯৭ ভাগ কার্যকর টিকা উদ্ভাবনের দাবী বিজ্ঞানীদের

অনলাইন ডেস্ক

এইডসের ৯৭ ভাগ কার্যকর  টিকা  উদ্ভাবনের দাবী বিজ্ঞানীদের

করোনা ভাইরাসে যখন সারা বিশ্বে প্রতিদিন জীবন হারাচ্ছে হাজারও মানুষ তখনই এইচআইভির (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) টিকার বিষয়ে সুখবর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  হিউম্যান ট্রায়ালে বা মানুষের ওপর পরীক্ষায় এই টিকাটি প্রায় ৯৭ ভাগ কার্যকর বলে দাবী টিকাটির উদ্ভাবকদের।

বিজ্ঞানীদের দাবি, এইআইভি ভাইরাস মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধী কোষ মেরে ফেলে। নতুন এই টিকাটি ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষের রোগপ্রতিরোধী কোষকে জাগিয়ে তোলে। যা এইচআইভি ভাইরাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

গত বুধবার (৭ এপ্রিল) ইন্টারন্যাশনাল এইডস সোসাইটির ‘এইচআইভি রিসার্চ ফর প্রিভেনশন’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে স্ক্রিপ্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরা হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগোর ‘স্ক্রিপ্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ এবং এইচআইভি টিকা প্রস্তুতকারী অলাভজনক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল এইডস ভ্যাকসিন ইনিশিয়েটিভ (আইএভিআই)’-এর বিজ্ঞানীরা  যৌথভাবে নতুন এই টিকা তৈরি করেছেন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানুষের ওপর পরীক্ষার প্রথম দফায় এই টিকা ৪৮ জনের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। যার মধ্যে ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।

স্ক্রিপ্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট আরও জানায়, উদ্ভাবিত নতুন টিকা দ্রুত উৎপাদনে যাওয়ার জন্য মেসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ) প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা মডার্নার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে আলোচনা চলছে। 

এইচআইভি ভাইরাস আবিষ্কারের পর  থেকে এই পর্যন্ত অর্ধ শতকেরও বেশি সময় ধরে বেশ কয়েকটি টিকা আবিষ্কার ও পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কোনো টিকাই ৩১ শতাংশের বেশি কার্যকর হয়নি এবং এক বছরের বেশি সময় কার্যকর থাকেনি। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনার নতুন তিনটি উপসর্গ

অনলাইন ডেস্ক

করোনার নতুন তিনটি উপসর্গ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত বিশ্বের অনেক দেশ। টিকা আবিষ্কৃত হলেও তা সবার কাছে পৌঁছে দেয়া সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এদিকে ভাইরাসটিও প্রতিনিয়ত নিজের রূপ পরিবর্তন করে হয়ে উঠছে আরও ভয়াবহ।

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে নতুন করে আবারও তিনটি উপসর্গ দেখা গেছে। তবে সেগুলো করোনার নতুন ধরনের কারণে হচ্ছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।

করোনা মহামারির প্রথম থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ হিসেবে সর্দি-কাশি, জ্বর, স্বাদ অথবা ঘ্রাণের পরিবর্তন বিবেচিত হয়ে আসলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ে এগুলোর সঙ্গে নতুন করে আরও তিনটি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। সেগুলো হলো-

গোলাপী চোখ: চীনে ১২ জন রোগীর ওপর করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কনজেক্টিভাইটিস বা গোলাপী বর্ণের চোখ হল এই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার নতুন উপসর্গ। কারও মধ্যে এই উপসর্গ থাকলে তার চোখে গোলাপী ভাব থাকবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চোখ বারবার ফুলে যাবে এবং ঘন ঘন চোখ দিয়ে পানি পড়বে।

শ্রবণ ক্ষমতা কমে যাওয়া: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার নতুন উপসর্গ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা সংক্রমিত রোগীর শ্রবণ ক্ষমতা হ্রাসের কথা জানিয়েছেন। মোট ৫৬ জনের ওপর করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে তাদের ২৪ জনেরই কানে শ্রবণ ক্ষমতা লোপ পেয়েছে।

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল বা হজমে সমস্যা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত রোগীদের হজমেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। নতুন এই উপসর্গে রোগীর পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব বা ডায়রিয়ার মতো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

নতুন এই তিনটি উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সূত্রঃ জি নিউজ

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর