পরিত্রাতা যীশু: বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম

হারুন আল নাসিফ

পরিত্রাতা যীশু: বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম

ক্রাইস্ট দ্য রেডিমার বা পরিত্রাতা যীশু হলো ব্রাজিলের একটি বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক। ২০০০ সালে এটি বিশ্বের অন্যতম নতুন সপ্তাশচর্য হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়। বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টান ধর্মের প্রতীক এ ভাস্কর্যটি রিও ডি জেনিরো এবং ব্রাজিল উভয়ের সংস্কৃতির আইকনে পরিণত হয়েছে।

এটি রিও ডি জেনিরো নগরীর দিকে মুখ করে টিজুকা ফরেস্ট ন্যাশনাল পার্কে ৭০০ মিটার (২,৩০০ ফুট) উঁচু করকোভাডো পর্বতের শীর্ষে অবস্থিত।

ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার অ্যালবার্ট ক্যাকোটের সহযোগিতায় স্থানীয় প্রকৌশলী হিটার দা সিলভা কস্তা এর নকশা করেন। ফরাসি ভাস্কর পল ল্যান্ডোভস্কি এটি তৈরি করেন। রোমানিয়ান ভাস্কর গেওরগে লিওনিদা এর চেহারার নকশা করেন। 


নেহার ফোন থেকে যে তথ্য পাওয়া গেল!

সাইবার ক্রাইমের ফাঁদে শ্রীলেখা!

নারীসঙ্গের গোপন ভিডিও ফাঁসকারীদের খুঁজছে কারা অধিদপ্তর

বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব রক্তের অক্ষরে লেখা: প্রধানমন্ত্রী


ভাস্কর্যটি ৮ মিটার (২৬ ফুট) মূলবেদী বাদে ৩০ মিটার (৯৮ফুট) উঁচু। হাতদুটো ২৮ মিটার (৯২ ফুট) প্রসারিত। কংক্রিট ও সোপস্টোন দিয়ে তৈরি ভাস্কর্যটির ওজন ৬৩৫ মেট্রিক টন। 

এটি নির্মাণে ১৯২২ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত নয় বছর সময় লাগে এবং ব্যয় হয় ২৫০,০০০ মার্কিন ডলার (২০১৯ সালে ৩,৬০০,০০০ ডলার সমতুল্য)। এটি ১৯৩১ সালের ১২ অক্টোবর উদ্বোধন হয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলের আকাশে উড়লো প্রথম উড়ন্ত যান

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলের আকাশে উড়লো প্রথম উড়ন্ত যান

প্রথমবারের মত মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সফলভাবে একটি ছোট ড্রোন ওড়াতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ইনজেনুয়িটি নামের এই ড্রোন মঙ্গলের আকাশে এক মিনিটের কম সময়ে ওড়ে।

তবে অন্য একটি গ্রহের আকাশে এই প্রথম যন্ত্রচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত কোন যান ওড়ানোর এই সাফল্যে উল্লসিত নাসা। এই সাফল্য সামনের দিনগুলোতে আরও দুঃসাহসিক বিমান ওড়ানোর পথ প্রশস্ত করল বলে জানিয়েছে তারা।

মঙ্গলের বুক থেকে মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের এই ড্রোনটি প্রায় ৩ মিটার উপরে ওঠে, ড্রোনের পাখাগুলো ঘুরতে দেখা যায়, ড্রোনটি এদিক থেকে ওদিকে যায় এবং প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর ড্রোনটি আবার সফলভাবে মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইনজেনুয়িটি ড্রোনটির প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা পরীক্ষা করার পর এটিকে এখন তারা আরও উঁচুতে এবং আরও দূর পর্যন্ত ওড়াতে চান।


আরও পড়ুনঃ


বাঙ্গি: বিনা দোষে রোষের শিকার যে ফল

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

'টিকায় কিছু হবে না, লাভ যা হওয়ার মদেই হবে'

রাস্তা-ঘাট থেকে শুরু করে শ্বশুড় বাড়িতেও পদ-পদবীর দাপট


মঙ্গলের মাটি থেকে কোন বায়ুযান গ্রহটির আকাশে ওড়ানো খুবই কঠিন। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল খুবই পাতলা। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের মাত্র ১% শতাংশ ঘনত্ব গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচু’র গাছে আম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচু’র গাছে আম

ঠাকুরগাঁওয়ে আব্দুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে রোপনকৃত লিচু গাছে আম ধরেছে। এমন খবর গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পড়লে তা এক নজর দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমায় এলাকাবাসী। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।  

জেলা সদরের বালিয়া ইউনিয়নের (ছোট বালিয়া) মুটকি বাজার কলোনীপাড়া আব্দুর রহমানের বসতভিটায় ৫ বছর আগে রোপনকৃত গাছে এমন দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

এলাকাবাসী জানান, লিচুর গাছে আমের ফল বিষয়টি অবাক করার মতো। আব্দুর রহমান লিচুর গাছে আম ধরেছে এমন কথা তিনি বললে কেউ বিশ্বাস করতেন না। সবাই মনে করতো হয়তো তিনি লিচু গাছে কলম করে আম গাছের চারা রোপন করেছে। কিন্তু তা নয়। আব্দুর রহমানের কথা শুনে এলাকার কয়েকজন মানুষ বাড়িতে  গিয়ে দেখেন লিচু গাছে লিচু ফলের সাথে আম ঝুলছে।

এ ব্যাপারে আব্দুর রহমান জানান, ৫ বছর আগে বাড়িতে লিচু গাছের চারাটি রোপন করি। এবার লিচু গাছে আশানুরুপ মুকুল আসে। গাছ পরিচর্চা করতে গিয়ে চোখে পরে লিচু সাথেই এই ডালে একটি আমও ফলেছে। পরে বিষয়টি আশপাশে লোকদের জানালে তা ছড়িয়ে পরে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লঙ্গরখানা: গুরু নানকের আসল ব্যবসা!

হারুন আল নাসিফ

লঙ্গরখানা: গুরু নানকের আসল ব্যবসা!

লঙ্গরখানা শব্দটির অর্থ আমরা জানি। আর্তদের বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণের জন্য আপৎকালে লঙ্গরখানা খোলা হয়। লঙ্গরখানা শিখধর্মের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। অবশ্য শিখরা লঙ্গরখানা শব্দ ব্যবহার করেন না, তারা কেবল লঙ্গর শব্দটি ব্যবহার করেন।

শিখদের উপাসনালয়কে বলা হয় গুরুদুয়ারা, লঙ্গর তারই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। লঙ্গর ব্যতীত গুরুদুয়ারা সম্ভব নয়। লঙ্গরের মানবিক বৈশিষ্ট্য আমাদের কৌতূহলকে উসকে দেয়। লঙ্গর শব্দটি ফারসি। এর অর্থ: সমাজের দুঃস্থ ও নিঃস্বদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। সুফি-দরবেশদের খানকা বা আস্তানাকেও ফারসি ঐতিহ্যের সুবাদে লঙ্গর বলা হয়।

শিখদের বিশ্বাস নানকের যখন কুড়ি বছর বয়স, তখন তাঁর বাবা তাকে কিছু টাকা দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে বলেন। নানক দরিদ্র মানুষ দেখে বিচলিত ছিলেন। তাই তিনি টাকা দিয়ে গরীব-দুঃস্থদের আহারের ব্যবস্থা করলেন। বাবা জিজ্ঞেস করলেন, টাকা দিয়ে কী ব্যবসা করলে শুনি? নানক বললেন, টাকা দিয়ে দরিদ্র মানুষকে খাইয়েছি। এ-ই হল আসল ব্যবসা! এটি লঙ্গরের আদিকথা।

শিখরা বিশ্বাস করেন ক্ষুধার্ত থেকে ঈশ্বরের সাধনা-আরাধনা সম্ভব না। যে কারণে লঙ্গর ছাড়া গুরুদুয়ারা হয় না। কেবল প্রার্থনাসভা শিখদের কাছে মূল্যহীন। লঙ্গরে খেতে দেওয়া হয় রুটি, ডাল ও নিরামিষ। গুরু অঙ্গদের সময়ে অবশ্য মাংস দেওয়া হত। পরে মাংস বাদ দেওয়া হয়। এর কারণ, লঙ্গরে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের লোকজন যেন আসতে পারে। লঙ্গর কেবল শিখদের জন্য নয়, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবারই জন্য।

লঙ্গরকে ‘গুরু কা লঙ্গর’ বলা হয়। গুরু মানে গুরু নানক। ঢাকায় যে গুরুদুয়ারা রয়েছে, সেখানেও প্রতি শুক্রবার লঙ্গরের ব্যবস্থা করা হয়। লঙ্গরের মূল উদ্দেশ্য মানবজাতির সেবা। লঙ্গরের রান্নাঘরকে বলা হয় ‘পবিত্র রান্নাঘর’ বা ‘হলি কিচেন। রান্নাবান্নার কাজটি করে শিখরাই, ‘হলি কিচেনে’ পেশাদার বাবুর্চির প্রবেশ নিষেধ।

রান্না ও খাবার পরিবেশনে এমনকি ছোট ছোট শিখ শিশুরাও অংশ নেয়।

দিল্লির গুরুদুয়ারার লঙ্গরে বছরের প্রতিটি দিনই দু’বার করে খাবার পরিবেশন করা হয়। প্রতিদিন এখানে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ মানুষের খাবার আয়োজন করা হয়। প্রতি সপ্তাহে এক কিংবা একাধিক শিখ পরিবার লঙ্গরের দায়িত্ব নেয়। পরিবারের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেন। তারা বাজার, রান্নাবান্না থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশনা, এমনকি ধোয়া মোছার কাজ পর্যন্ত করেন।

পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে প্রতিদিন একলাখ লোকের খাবারের আয়োজন করা হয়। প্রতিদিন ২ লাখ রুটি ১৫০০ কেজি ডাল রান্না হয় আগতদের জন্য। পৃথিবীর সবচে বড় ফ্রি খাবার সার্ভিস এটি। প্রতিটি গুরুদুয়ারায় লঙ্গর আছে কিন্তু অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরের লঙ্গর একটি আলাদা ব্যাপার। সাপ্তাহিক ছুটি ও অন্যান্য বন্ধের দিনে খাবারের পরিমান দ্বিগুণ হয়। লঙ্গর কখনো বন্ধ থাকে না।


আরও পড়ুনঃ


২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

ভারতে যেতে আর বাধা নেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

করোনায় কাজ না থাকলেও কর্মীদের পুরো বেতন দিচ্ছেন নেইমার


অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরের লঙ্গরে এক লাখ লোকের জন্য ৭০০০ কেজি আটা, ১২০০ কেজি চাল, ১৩০০ কেজি ডাল ৫০০ কেজি ঘি ব্যাবহার হয় খাবার তৈরিতে। এতে ১০০ এল পি জি সিলিন্ডার, ৫০০০ কেজি লাকড়ি আর রুটি তৈরিতে বৈদ্যুতিক মেশিন ব্যাবহার হয়।

এই সুবিশাল রান্না ঘর চালায় ৪৫০ জন কর্মী এবং মন্দির পরিদর্শনে আসা কয়েকশ স্বেচ্ছাবেী। এরা তিনলাখ প্লেট, চামচ, বাটি ধুয়ে দেন। এর অর্থ সারা পৃথিবী থেকে স্বেচ্ছায় দান হিসাবে পাঠানো হয়। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে বছরে ১০ কোটি ডলার খরচ হয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিলুপ্তির পথে বিরল প্রাণী বনরুই

হারুন আল নাসিফ

বিলুপ্তির পথে বিরল প্রাণী বনরুই

বনরুই আঁশযুক্ত পিপীলিকাভুক দন্তহীন স্তন্যপায়ী প্রাণী। অনেকে এদের পাতালপুরী রুইও বলে। আঁশযুক্ত শরীর ও মৎসাকৃতি গঠনে বনজঙ্গলে চলাফেরা করা এই প্রাণীটিকে দেখতে রুই মাছের মতো লাগার কারণে বনরুই বলা হয়ে থাকে। এরা বিপদের আভাস পেলে নিজের শরীর গুটিয়ে নেয় বলে মালয় ভাষায় এদের বলে ‘পেঙ্গুলিং’- যেখান থেকে এসেছে এদের ইংরেজি নাম প্যাঙ্গোলিন।

এই স্তন্যপায়ী প্রাণীটি বাংলাদেশে মহাবিপন্ন। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল ও উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় অল্পসংখ্যক বনরুই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করছে। ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায়ও বনরুই আছে।

পৃথিবীর ৮ প্রজাতির বনরুইয়ের মধ্যে বাংলাদেশে তিনটির অস্তিত্ব ছিল। বর্তমানে কেবল ভারতীয় বনরুই (Indian Pangolin) ও চায়না বনরুই (Chinese Pangolin) পাওয়া যায়। এশীয় বৃহৎ বনরুই (Asian Giant Pangolin) নামে অপর একটি বনরুই চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

এদের শরীর ও লেজ গাঢ় বাদামি রঙের। বুক ও পেটে সামান্য লোম; আঁশের ফাঁকে ফাঁকেও লোম দেখা যায়। নাক সরু ও চোখা। জিভ লম্বা ও আঠালো। চোখ ও কান সরু। সামনের নখরগুলি পেছনের নখরের তুলনায় দ্বিগুণ লম্বা।

মাথাসহ শরীরের দৈর্ঘ্য ৬০-৭৫ সেমি, লেজ ৪৫ সেমি। শরীর নিচু ও প্রায় মাটি-ছোঁয়া। পিঠ, পাশ, হাত-পায়ের উপরদিক ও গোটা লেজ বড় বড় ত্রিকোণ শক্ত আঁশে ঢাকা। নিচের চামড়া থেকে আঁশ গজায় এবং বুকের দিক ছাড়া গোটা শরীর রক্ষা করে। আঁশ একেকটি করে ঝরে পড়ে ও নতুন করে গজায়।

এরা ভয় পেয়ে বলের মতো শরীর গুটিয়ে ফেলে, আঁশগুলো খাড়া করলে বনরুইকে সজারুর মতো দেখায়। এরা দুর্গন্ধযুক্ত এক ধরনের তরল নিঃসরণ ঘটাতে পারে।

 

বনরুই বড় ও মজবুত নখর দিয়ে কাঠের শক্ত গুঁড়ি ফেড়ে ফেলে এবং লম্বা ও আঠালো জিভ দিয়ে পোকামাকড় চেটে খায়। বুকে অবস্থিত গ্রন্থি পর্যাপ্ত লালা যুগিয়ে জিভ ভিজিয়ে রাখে। পিঁপড়া ও উইয়ের ঢিবি ভাঙার জন্য ওরা অগ্রপদের বাঁকা নখরগুলো কাজে লাগায়।

এদর নাকে ঢাকনি রয়েছে এবং পিঁপড়া খাওয়ার সময় পুরু চোখের পাতা পিঁপড়ার কামড় থেকে চোখগুলো বাঁচায়। এরা নখর গুটিয়ে অগ্রপদের ওপর ভর দিয়ে শরীর টেনে টেনে হাঁটে, কিন্তু শুধু পিছনের পায়ে ভর দিয়ে লেজের সাহায্যে ভারসাম্য রেখে দৌড়াতে পারে।

এরা নিশাচর, দিনের বেলায় নিজের খোঁড়া ২০০-৫০০ সেমি গভীর গর্তে কিংবা পাথরের মাঝখানে শরীর গুটিয়ে লুকিয়ে থাকে।বছরে একটি বা দৈবাৎ দুটি বাচ্চা প্রসব করে।

১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী আইনে বনরুইকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাণীটি এতোটাই হুমকির সম্মুখীন যে, আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) বনরুইকে লাল তালিকায় স্থান দিয়েছে।

বন্যপ্রাণী পাচারের ওপর নজরদারি করা বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ট্রাফিক’-এর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পৃথিবীতে যত প্রকার স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী রয়েছে তারমধ্যে মধ্যে বনরুই সবচেয়ে বেশি পাচারের শিকার হয়।


আরও পড়ুনঃ


গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

পাঁচ দেশের সঙ্গে বিশেষ ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা

এ বছর ৩৬ লাখেরও বেশি দরিদ্র পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

প্রকৃত কোন মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারে না: ভিপি নুর


প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা বিশ্বে প্রতিবছর কমপক্ষে ২০ টন বনরুইয়ের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাচার হয়। এরমধ্যে বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে গত ১৬ বছরে অন্তত ১৬ লাখ বনরুই পাচারের ঘটনা ঘটেছে। যা বন্যপ্রাণী পাচারের সংখ্যার দিক দিয়ে সবার শীর্ষে।

২০১৬ সালে সাইটিসের কপ (CITES Conference of Parties) সম্মেলনে আইইউসিএন এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত, শুধু এই তিন বছরেই বিশ্বব্যাপী পাঁচ লাখ বনরুই পাচারের শিকার হয়েছে।

গবেষকদের মতে, আশু পদক্ষেপ না নিলে এই বন্যপ্রাণীটি অচিরেই বাংলাদেশ থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পৃথিবীর দুই বিরল সাদা জিরাফ

হারুন আল নাসিফ

পৃথিবীর দুই বিরল সাদা জিরাফ
কিছুদিন আগেও পৃথিবীতে চারটি সাদা জিরাফ ছিলো। তিনটি কেনিয়ায়, একটি তানজানিয়ায়। কিন্তু চোরাশিকারিরা ২০২০ সালের মার্চে কেনিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে একটি সাদা মা জিরাফ ও তার বাচ্চাকে মেরে ফেলায় সেখানে এখন মাত্র একটি সাদা জিরাফ অবশিষ্ট রয়েছে।
 
২০১৭ সালে এই মা জিরাফ ও তার বাচ্চাকে কেনিয়ার ইশাকবিনি হিলোরা কনজারভেন্সিতে অন্য জিরাফদের সঙ্গে ঘুরতে দেখা যায়। তখন তাদের বেশ কিছু ছবি ও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

কলকাতায় বর্ষবরণে মঙ্গল শোভাযাত্রা

যন্ত্রাংশের প্যাকেটে রাখা বোমার বিস্ফোরণে শিশু নিহত

লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে করোনা শনাক্ত ৪১৯২


কেনিয়ার অবশিষ্ট জিরাফটির সুরক্ষার জন্য ২০২০ সালের নভেম্বরে এর একটি শিংয়ে একটি ট্রেকিং ডিভাইস সংযুক্ত করা হয়েছে। এই ডিভাইসটির মাধ্যমে ঘণ্টায় ঘণ্টায় জিরাফটির অবস্থান সম্পর্কে আপডেট পাওয়া যাবে। ফলে চলাফেরা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চোরাশিকারিদের হাত থেকে একে বাঁচানোর চেষ্টা করা সম্ভব হবে।

 
তানজানিয়ার তারাংগির ন্যাশনাল পার্কের রয়েছে অপর একটি সাদা জিরাফ। এটি দলের অন্য জিরাফদের সঙ্গে মিলেমিশেই থাকে। এর সঙ্গীরাও তার ব্যতিক্রম রঙে মোটেই বিচলিত নয়। তবে সাদা রঙের কারণে শিকারিরা আকৃষ্ট হয় বেশি। যেমনটি হয়েছে কেনিয়ার মা জিরাফ ও এর বাচ্চার বেলায়।
 
লুসিজম নামক একটি জিনগত সমস্যার কারণে প্রাণীদের ত্বকের কিছু কোষ ছাড়া বাকি কোষগুলো রঞ্জক উপাদান তৈরি করতে পারে না। তাই এদের গায়ের রং সাদাটে ধরনের হয়। তবে এদের সম্পূর্ণ আলবিনো বা ধবলগ্রস্ত প্রাণীদের মতো একেবারেই সাদা দেহ আর নীল বা লাল রঙের চোখ হয় না। আলবিনো প্রাণীদের ত্বকে মেলানিন উৎপন্ন হয় না। এদের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু লুসিস্টিকদের হয় না। ফলে তাদের বেঁচে থাকতে সমস্যা হয় না।
 
এই দুই সাদা জিরাফের মধ্যে কেনিয়ার জিরাফটি একটু বেশি সাদা। আর তানজানিয়ারটি একটু কম। বিশেষ করে এর পায়ের দিকে রঙের ছোপ দেখা যায়। স্বাভাবিক জিরাফের মতো না হলেও তা একবারে সাদাও নয়। কিন্তু শিকারির হাতে মারা পড়া জিরাফদুটো আরো বেশি সাদা ছিলো।
 
news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর