জুনের মধ্যে বসছে ১০ হাজার ইএফডি মেশিন: এনবিআর চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুনের মধ্যে বসছে ১০ হাজার ইএফডি মেশিন: 
এনবিআর চেয়ারম্যান

চলতি বছরের জুনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার ইলেকট্রনিক ফিসকেল ডিভাইস (ইএফডি) বসানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবন সভাকক্ষে ইএফডির প্রথম লটারি ড্র অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। শুক্রবার এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআর চেয়ারম্যান লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করেন।


আলজাজিরার বিষয়ে কথা বলে জেলখানায় যাওয়ার ইচ্ছা নেই: জাফরউল্লাহ

পরিত্রাতা যীশু: বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ নিধনে চলছে মহোৎসব

আইপিএলে শচীনের ছেলের ভিত্তিমূল্য কত?


এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, চলতি ফেব্রুয়ারির মধ্যে তিন হাজার, মার্চে চার হাজার এবং জুনের মধ্যে দশহাজার ইএফডি মেশিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বসানো হবে। আমরা এর জন্য ব্যপক প্রচারণা চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছি। 

ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরীর বাইরে অন্যান্য শহরেও ইএফডি মেশিন বসানো হবে বলেও জানান তিনি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এলপিজি শিল্প: ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক

এলপিজি শিল্প: ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস- লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি ও বিপণন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর প্রতিকারের জন্য সংশ্লিষ্টরা বারবার আবেদন-নিবেদন ও যুক্তি প্রদর্শন সত্ত্বেও ফলোদয় হয়নি। এলপিজি শিল্পসংশ্লিষ্ট মহল অবস্থাটাকে এই শিল্পে ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ধ্বংস করে দেওয়ার চক্রান্ত বলে মনে করছে।

সূত্র জানায়, দেশে এলপিজি বিপণন খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সূচনাকালে এ খাতের বিনিয়োগকারীরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন তাতে উত্থান-পতনের ধাপ অতিক্রম করতে হলেও গত এক দশকে এলপিজি শিল্পের দারুণ প্রসার ঘটে। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে এলপিজি গ্যাস ব্যবহৃত হয় ৮০ হাজার মেট্রিক টন আর এখন বছরে এলপিজির চাহিদা ১২ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই চাহিদা ২০২৫ সালে ২৫ লাখ মেট্রিক টনে পৌঁছবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। অর্থাৎ ৪-৫ বছরের মধ্যে এলপিজির চাহিদা দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে এলপিজি খাতের লক্ষণীয় বিকাশ ঘটছে। আর এই বিকাশে সরকার সব রকম সমর্থনও দিয়ে চলেছে। সরকার ইতিমধ্যে এলপিজি বোতলজাতকরণের জন্য ৫৬টি লাইসেন্স ইস্যু করেছে। বর্তমানে ২৮টি কোম্পানি এই পণ্য বিপণনে বাজারে সক্রিয় রয়েছে।
দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি এখন বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ঘটছে। এতে বাংলাদেশে মানুষের জীবনমান উন্নত হচ্ছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ এখন কাঠ, কয়লা, কেরোসিন ইত্যাদি জ্বালানির বদলে এলপিজি ব্যবহারের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। পাইপে আসা গ্যাসের বিকল্প হয়ে উঠেছে সিলিন্ডার ভর্তি গ্যাস। এই গ্যাসের বাজার শিগগিরই আরও বাড়বে। এলপিজি শিল্প সূত্র বলছে, এ খাতের বিকাশের ধারা টেকসই করার স্বার্থে সতর্কতার সঙ্গে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও ফলপ্রদ নীতিমালা তৈরি অত্যাবশ্যক। গেল পাঁচ বছরে এ খাতে ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ ঘটে গেছে এবং এখানে যে অবিরাম বিনিয়োগ প্রয়োজন তা-ও স্পষ্ট।

বিশ্বের উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও অপর্যাপ্ত সমস্যার মোকাবিলা করছে। জ্বালানির চাহিদা ও জ্বালানির সরবরাহের মধ্যকার যে পার্থক্য তার মূলে রয়েছে জ্বালানিসম্পদের অভাব এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎসের সীমাবদ্ধতা। গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সরকার মোট জনসংখ্যার ৫ থেকে ৭ শতাংশকে পাইপলাইনে সংযুক্ত করেছে। এরা দেশের মোট ব্যবহার্য প্রাকৃতিক গ্যাসের ১০ থেকে ১২ শতাংশ ব্যবহার করে।

ইদানীং জ্বালানির ঘাটতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সরকার নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ফলত প্রচলিত অন্যান্য জ্বালানির বদলে গার্হস্থ্য কাজে মানুষ এলপিজি ব্যবহারে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, বাণিজ্য ও শিল্প খাতও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প হিসেবে এলপিজিনির্ভর হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ ক্রমে কমে আসছে বলে অব্যাহত সরবরাহের জন্য তারা এমন করছে। এলপিজি আগে ছিল ঐচ্ছিক পদার্থ এখন এটা অপরিহার্য।

এলপিজি পুরোপুরি আমদানিভিত্তিক (৯৮ শতাংশের বেশি)। এর অধিকাংশ টার্মিনাল মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরভিত্তিক স্থাপনা। বাংলাদেশে প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ এলপিজির ব্যবহার হচ্ছে গার্হস্থ্য ও শিল্প খাতে। চটজলদি সংগ্রহ করা যায়, কার্বন নিঃসরণ খুব কম, নানা কাজে প্রয়োগ সম্ভব, পরিবহনও সহজ- এসব কারণে দেশে এলপিজির ব্যবহার বেড়েই চলেছে।

সূত্র জানান, বাংলাদেশে এলপিজি শিল্পের সুস্থিতি নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অন্যতম হচ্ছে এর মূল্য স্থিরকরণ। সিলিন্ডারপ্রতি এলপিজির দর বাজারে সরবরাহ ও ব্যবহারকারী পর্যন্ত পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কোন কোম্পানির পণ্য কতটা বিক্রি হচ্ছে তার ভিত্তিতে নির্ণীত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোম্পানিগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এলপিজি বেশ সস্তা। বাংলাদেশে এলপিজি পুরোপুরি আমদানিনির্ভর এবং এতে কোনো ভর্তুকি নেই। ভারতের মতো বিশাল দেশে তিনটি মাত্র এলপিজি কোম্পানি এবং সে দেশ গৃহকাজে গ্যাস ব্যবহারকারীদের যথেষ্ট ভর্তুকি দেয়।

ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দর বেঁধে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য তারা চলতি বছর ১৪ জানুয়ারি গণশুনানির আয়োজন করে। তবে এখনো তারা রেগুলেট করেনি। আন্তর্জাতিক বাজারদর, পরিবহন ও বিতরণে ব্যয় ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলো এবং তাদের ডিলারদের মুনাফার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্য স্থিরকরণ করতে হয়। এলপিজির বাজার বেশ কিছু ফ্যাক্টর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। যেমন-

অধিক প্রতিযোগিতা: দেশের এলপি গ্যাসের বাজারে বেশি কোম্পানির কারণে অনেক কোম্পানিকেই টিকে থাকার লড়াই করতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা; বাজারে টিকে থাকতে এদের অনেকেই লাভ ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করে ফেলায় এখন কেউ কেউ অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। ফলে অনেক ব্যবসায়ীই এ খাত থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

সিলিন্ডারে ভর্তুকি: সিলিন্ডারে ভর্তুকি দেওয়ার কারণেও দামের তারতম্য ঘটে। কোম্পানিগুলো সাধারণত সিলিন্ডারে ভর্তুকি সরবরাহ করে। এতে পরিবেশকরা কম মূল্যে বিক্রি করতে পারেন। বর্তমানে প্রতিটি সিলিন্ডারের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০০০-২২০০ টাকা। অথচ গ্রাহকের কাছে একটি নতুন সিলিন্ডার বিক্রি করা যায় সর্বোচ্চ ৭০০-৮০০ টাকায়। এতেও প্রতি সিলিন্ডারে ১৩০০-১৫০০ টাকা ভর্তুকি দিতে হয়।

ভ্যাট-ট্যাক্স জটিলতা: এলপিজির ব্যবহার বাড়াতে এর উৎপাদন খরচ কমানো জরুরি। আর উৎপাদন খরচ কমাতে হলে ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানো জরুরি। সরকারের পরিকল্পনা দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের কাছে এলপিজি পৌঁছানো। এর জন্য প্রয়োজন বিপুলসংখ্যক নতুন সিলিন্ডার। এলপিজি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত সরকারের জ্বালানিবান্ধব নীতিমালা মেনে চলার চেষ্টা করছে। এ খাতের উদ্যোক্তারা বরাবরই সরকারের কাছে একটি দাবি করে আসছেন, তা হলো সিলিন্ডার তৈরির কাঁচামালের আমদানির ওপর শুল্ক সুবিধা দেওয়া। বর্তমানে নতুন সিলিন্ডারে ৫ আর পুরনো সিলিন্ডারে ৭ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর রয়েছে।

আরও পড়ুন


এবারও বড় বাজেটের ঘোষণায় কাজ করছেন অর্থমন্ত্রী

টিকার কার্যকারীতা নিয়ে যা বললেন ড. বিজন কুমার শীল

বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, রাজধানীর দুই এলাকায় সংক্রমণ হার বেশি

‘উই’ এর উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের দ্বার উন্মুক্ত: প্রতিমন্ত্রী পলক


উচ্চ পরিবহন ব্যয়: সিলিন্ডার পরিবহনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়। এজন্য কারখানা থেকে ডিস্ট্রিবিউটর, খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত যেতে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। অথচ ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ঢাকায় বিক্রি করা হয় ১১০০ টাকায়। একই দামে দেশের অন্য কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সরবরাহ করতে হয়। অথচ এখানে ঢাকার বাইরে গেলে সিলিন্ডারপ্রতি পরিবহন ব্যয় প্রায় ৫০-১০০ টাকা বেড়ে যায়।

গভীর সমুদ্রবন্দর সংকট: এলপিজি কোম্পানিগুলো বলছে, দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর ও পর্যাপ্ত উত্তোলন অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। পরিবহনের বাড়তি ব্যয়ের অন্যতম কারণ গভীর সমুদ্রবন্দর ও উপযুক্ত অবকাঠামো সমস্যা। এর ফলে আমদানিকৃত গ্যাস জাহাজ থেকে খালাসে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয়। এতে বন্দরে বেশি খরচ গুনতে হয় আমদানিকারকদের।

এ ছাড়া এলপিজির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ওঠানামা করার কারণেও দেশের বাজারে দামের উত্থান-পতন ঘটে। কিন্তু গ্রাহকের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারকে সমন্বিত করা যায় না। এতে কোম্পানিগুলোকে লোকসান গুনতে হয়। এসব জটিলতার ফলে দেশের এলপিজি খাতে ৩২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আজ হুমকির মুখে। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ার উপক্রম এ খাতসংশ্লিষ্ট বিপুলসংখ্যক জনবলের।

এ খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ দেশে ব্যবসা করার ব্যয় অন্য যে কোনো উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ফলত এ খাতের ব্যবসায় টিকে থাকাটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা রাখতে মালিকদের দৌড়ঝাঁপ, চাইছেন ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাও

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা রাখতে মালিকদের দৌড়ঝাঁপ, চাইছেন ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাও

চলতি মাসের ৫ তারিখ ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে চলছে সাতদিনের লকডাউন। যা আগামীকাল রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে। করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো এক সপ্তাহের লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার। আর এ লকডাউনেও শিল্পকারখানা খোলা রাখতে গত শুক্রবার থেকেই সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন গার্মেন্টস মালিকরা। পাশাপাশি শ্রমিকের বেতন-বোনাস পরিশোধে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা চাইছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপানা পরিচালক ফারুক হাসান বলেন, করোনার পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হবে। আর তাই শিল্পকারখানা খোলা রাখার বিকল্প কোনো পথ নেই। করোনায় গোটা অর্থনৈতিক অবস্থা টালমাটাল। রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও খুবই খারাপ। এখন যদি কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, শিপমেন্ট করতে না পারি তাহলে তো আরও খারাপ অবস্থা হবে।


প্রপারলি রায় কার্যকর হচ্ছে না, এটা দুঃখের বিষয়: প্রধান বিচারপতি

৬ মাস বন্ধের পর ফের প্যারিসের মসজিদে নামাজ শুরু

জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা


তিনি বলেন, গত বছর প্রণোদনার অর্থে শ্রমিকের বেতন দিয়েছি। এবারও সামনে ঈদ আছে। সবকিছু বিবেচনা করে আমরা ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনার প্রস্তাবনা প্রস্তুত করছি। বিজিএমইএর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ এই প্রস্তাবনা দেবে। আমিও তাদের সঙ্গে থাকবো।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আবারও বিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হলেন শেখ কবির

অনলাইন ডেস্ক

আবারও বিআইয়ের প্রেসিডেন্ট হলেন শেখ কবির

আবারও বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন শেখ কবির হোসেন।  আগামী ২০২১-২২ সালের জন্য তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এ নিয়ে টানা ছয়বার প্রেসিডেন্ট হলেন তিনি।

শেখ কবিরের পাশাপাশি নতুন কমিটির সহসভাপতিও পুননির্বাচিত হয়েছেন এ কে এম মনিরুল হক। এছাড়াও প্রথম সহসভাপতি পদে নতুন মুখ হিসাবে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের ভাইস-চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

গত শুক্রবার বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহিদ এমপির সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

বিআইএ’র পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস সহিদ এবং নির্বাচন বোর্ডের সদস্য হিসাবে নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং মোস্তফা গোলাম কুদ্দুছ উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন বোর্ডের সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন নিশীথ কুমার সরকার, সেক্রেটারি জেনারেল ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেখ কবির হোসেন বর্তমানে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেম্বার অব গভর্নরস। 

এছাড়া তিনি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজম্যান্ট এর চেয়ারম্যান, সিডিবিএল এর চেয়ারম্যান, ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। নব-নির্বাচিত প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল) মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ভাইস-চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (২০২১-২০২২) মেয়াদের জন্য প্রথম সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান এবং মেঘনা লাইফ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান। অন্যদিকে পুনঃনির্বাচিত সহসভাপতি এ কে এম মনিরুল হক নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


প্রপারলি রায় কার্যকর হচ্ছে না, এটা দুঃখের বিষয়: প্রধান বিচারপতি

৬ মাস বন্ধের পর ফের প্যারিসের মসজিদে নামাজ শুরু

জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা


নির্বাহী কমিটির অন্য ১৭ জন সদস্য হলেন- মোজাফফর হোসেন পল্টু, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স; আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, চেয়ারম্যান, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স; ফরিদুন্নাহার লাইলী, সাবেক এমপি, চেয়ারপাসন, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; মো. ইসহাক আলী খান পান্না, সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালক, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স; নজরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; এম কামাল উদ্দিন, চেয়ারম্যান, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স; বেলাল আহমেদ, চেয়ারম্যান, জনতা ইন্স্যুরেন্স; মজিবুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স; সৈয়দ বদরুল আলম, পরিচালক, বেষ্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স; আলহাজ্ব মো. ইসমাইল নওয়াব, ভাইস চেয়ারম্যান, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ; বিএম ইউসুফ আলী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স; পি কে রায়, এফসিএ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, রূপালী ইন্স্যুরেন্স; ফারজানাহ চৌধুরী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স; মো. জালালুল আজিম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স; মো. ইমাম শাহীন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স; মো. গোলাম কিবরিয়া, মুখ্য নিবার্হী কর্মকর্তা, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং কাজিম উদ্দিন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নওগাঁর মাঠে মাঠে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ:

নওগাঁর মাঠে মাঠে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

নওগাঁর মাঠে মাঠে দুলছে ইরি-বোরো ধানের শীষ। অর্থাৎ কৃষকের স্বপ্ন। ইতোমধ্যে ধানের শীষ কিছুটা বের হতে শুরু করেছে। এছাড়া আগাম জাতের ধানের শীষগুলো বের হয়েছে। আর অল্পদিনের মধ্যেই ধান পাকা শুরু হবে। 

কৃষক ও কৃষি বিভাগ বলছেন, এ মৌসুম জুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের উৎপাত না থাকায় জেলার সব মাঠে ধান খুব ভালো হয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর ধানের ফলন বেশি হবে। এছাড়া ধানের ন্যায্যমূল্য পেতে সংশ্লিষ্টদের আগাম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি কৃষকদের।

রাণীনগরের কালীগ্রামের খলিলুর রহমান, বেতগাড়ীর ইসমাইল হোসেন, মহাদেবপুরের আসলাম ও পত্নীতলার কালামসহ অনেক কৃষকরা বলেন, চলতি মৌসুম জুড়ে বৃষ্টি না হলেও এবার শুরু থেকেই ধানের গাছে তেমন পোকামাকড় বা রোগ বালাই নেই। তাছাড়া পোকামাকড় ও রোগবালাই প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া ও ভাল পরিচর্চা করায় ধানের গাছগুলো খুব ভালো রয়েছে। ইতোমধ্যে ধানের শীষও বের হতে শুরু করেছে এবং আগাম জাতের ধানের শীষ বের হয়েছে। ধান পাকার সময় কোনরুপ প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে কৃষকরা ভালোভাবে ধান ঘরে তুলতে পারলে গত বছরের তুলনায় এ বছর ধানের বেশি ফলন হবে। 

আরও পড়ুন


দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে আরও এক মামলা

মুন্সীগঞ্জে বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মেয়রের স্ত্রীর মৃত্যু

করোনা কাউকে করে না করুণা: ওবায়দুল কাদের


তারা আরও বলছেন, প্রতি মৌসুমে ধান কাটার শুরুতেই দরপতনের ঘটনা ঘটে। এতে ভাল ফলন হলেও কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য দর না পেয়ে লোকসানের কবলে পরেন। তাই লোকসানের কবল থেকে রক্ষা পেতে শুরু থেকেই ধানের ন্যায্য দর পেতে সংশ্লিষ্টদের আগাম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামসুল ওয়াদুদ বলেন, কৃষি বিভাগের তদারকি, কৃষকদের সঠিক পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার কারনে কৃষকরা শুরু থেকেই ইরি-বোরো ধানের সঠিক পরিচর্চা করেছেন। এ কারনে গত বছরের তুলনায় এবার ধান খুব ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে হাজারও কৃষকের স্বপ্ন

সোহান আহমেদ কাকন, নেত্রকোনা

কালবৈশাখী ঝড় ও গরম বাতাসে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলসহ বিভিন্ন উপজেলায় কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা জানান, এক রাতেই জমির ধান সবুজ থেকে সাদা হয়ে গেছে। নষ্ট হয়ে গেছে ধানের শীষ। 

আর মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে হাজারও কৃষকের স্বপ্ন। এ অবস্থায় উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে দিশেহারা কৃষক। গেল রোববার আচমকা গরম বাতাস ও বৈশাখী ঝড়ো হাওয়ায় নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল মদন-মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরীসহ বেশকটি উপজেলার বোরো ধানে ব্যাপক ক্ষতি  হয়েছে।

কৃষকরা জানান, এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা থাকলেও এক রাতের গরম হাওয়ায়  জমির ধানের শীষ সাদা হয়ে গেছে। সমস্ত ধান চিটা হয়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে। এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আগে কখনো দেখেনি তারা। 

ধার দেনা করে লাভের আশায় ধানের আবাদ করেছেন তারা। এখন লাভ তো দূরের কথা, পরিবারের ভরণ পোষণ ও উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় এ অঞ্চলের ৪০ হাজার কৃষক।


১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার: কাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯ থানা, ১২ পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িতে এলএমজি নিয়ে প্রস্তুত পুলিশ

মাওলানা মামুনুলের ফেসবুক পেজে নেই সেই লাইভ ভিডিও

খুব অকথ্য এসব ফিলিংস!


গেল বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু (এমপি)। এসময় তিনি অসহায় কৃষকদের সহায়তার আশ্বাস দেন। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণে কাজ চলছে।

এ বছর নেত্রকোনায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর