রাতের পার্টিতে একান্তে সময় দিতেন নেহা ও তার বান্ধবীরা

অনলাইন ডেস্ক

রাতের পার্টিতে একান্তে সময় দিতেন নেহা ও তার বান্ধবীরা

‘রাতভর মাস্তি হবে আনলিমিটেড। আনন্দ দিতে পুরো টিম নিয়ে প্রস্তুত আমরা। এই আয়োজন আপনার জন্যই। আমাদের টিমে রয়েছে বেশ কিছু অসাধারণ সুন্দরী, স্মার্ট, ভদ্র, শিক্ষিত মেয়ে ও ভাবি বয়সের নারী। বিটের তালে তালে নাচে-গানে মুগ্ধ হতে, অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে অংশ নিন আমাদের আয়োজনে।’ 

এভাবেই বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এসব পার্টিতে অংশ নেন ব্যবসায়ী, মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরিজীবী ও বিত্তশালী পরিবারের সন্তানরা। গুলশানের নিকেতন, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, কক্সবাজার, শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন এলাকায় আয়োজন করা হয় এসব পার্টির। কখনও কখনও নৌবিহারের আয়োজন করা হয়।খবর মানবজমিনের।

বিলাসবহুল লঞ্চে নাচ, গান থেকে শুরু করে থাকে চিত্ত বিনোদনের যাবতীয় আয়োজন।

লঞ্চের ভেতরে কেবিনের পরিবেশন ভিন্ন। মদে বুঁদ হয়ে সঙ্গীকে নিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটান পার্টিতে অংশগ্রহণকারীরা। লঞ্চ ছুটে যায় সদরঘাট থেকে চাঁদপুর, কখনও বরিশাল অভিমুখে..। এসব পার্টিতে অংশ নেন পরিচিত ডিজেরা। তবে ডিজেদের বাইরে আয়োজন থাকতো। আর এসব আয়োজনের হোতাদের একজন নেহা। এসব পার্টিতে নেহা ছিলেন নিয়মিত। দামি দামি পোশাক পরে এসব পার্টিতে যেতেন নেহা। ব্যবহার করতেন দামি ব্রান্ডের মেকআপ। পার্টিতে নিজের রূপ সৌন্দর্য দেখিয়েই আকৃষ্ট করতেন বিত্তশালী ও বিত্তশালী পরিবারের সন্তানদের। তার আয়ের উৎস ছিলো অনৈতিক এসব কার্যকলাপ।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ফারজানা জামান নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নেহা জানিয়েছেন মূলত বিলাসী জীবন-যাপনের জন্যই এই পথ বেছে নেন তিনি।

আরও পড়ুন:


কানাডার সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় ‘দায়েস বাংলাদেশ’

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌জুমার দিনে ‘সূরা কাহাফ’ তেলাওয়াতের ফজিলত

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌`জুমার’ দিনে যা করবেন

প্রতিদিন সকালে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি


নেহার দামি পোশাক থেকে শুরু করে হাতের মোবাইলফোনটি উপহার পাওয়া। নেহা ব্যবহার করেন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের আইফোন টুয়েলভ প্রো ম্যাক্স। এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রথমবার মেশার পরই এই ফোনটি গিফট পান তিনি। এজন্য নিজ থেকেই একটা দামি ফোন প্রয়োজন বলে জানিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ীকে। চট্টগ্রামের ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিলো আরও কয়েক ডিজে ও মডেলদের।

সোমবার রিমান্ডের চতুর্থ দিনে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন নেহা। গত বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে অনেক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন নেহা। কখনও কখনও রেগে যান। তিনি জানান, সমাজে ভালো মানুষের মুখোশপড়া যারা তাদের অনেকের আসল চরিত্র তার জানা। এখন তাকে সবাই খারাপভাবে দেখছে। কিন্তু যারা তাকে ডাকেন, যারা এসব পার্টিতে অংশ নেন, রাতভর নারী ও মদে বুঁদ হয়ে থাকেন তাদেরকে কেউ খারাপ বলার সাহস পাবে না। তবে এ বিষয়ে তিনি কারও নাম বলতে চান না।

তার ফোনের কললিস্ট যাছাই করে পাওয়া গেছে সেইসব ব্যবসায়ীদের পরিচয়। যাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিলো তার। তার মোবাইলফোনে হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে অসংখ্য ক্ষুদেবার্তা। বিভিন্ন ধরণের ছবি, ভিডিও, টিকটক। এসব ছবিতে স্বল্প পোশাকপড়া নেহা। পাশে বসা, দাঁড়ানো যুবক ও মধ্য বয়সী পুরুষ। ছবি রয়েছে অনেক তরুণীদের সঙ্গেও।

এরমধ্যে এক মধ্য বয়সী ব্যক্তি সম্পর্কে নেহার তথ্য হচ্ছে, প্রবাসী ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে বনানীর একটি তারকা হোটেলে পরিচয় হয়েছিলো তার। ওই ব্যবসায়ী যখনই দেশে আসেন ডাক পড়ে নেহার। কখনও কখনও ওই প্রবাসীর অন্য বন্ধুদের জন্য নিজের বান্ধবীদেরও নিয়ে যান নেহা। রাতভর মাস্তি হয়ে হোটেলে। কখনও কখনও উত্তরার একটি বাসাতেও যান তিনি।

গত বছরের মার্চে চট্টগ্রামের এক গাড়ি ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরিচয় হয় তার। শুরু থেকেই ওই ব্যবসায়ী বেশ আকৃষ্ট ছিলেন তার প্রতি। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনের গল্প শুনিয়ে কয়েক মাসে তিন-চার লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামের মাহতাব নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরিচয় ছিলো নেহার। নেহার মাধ্যমে অনেক তরুণীদের সঙ্গে পরিচয় হয় মাহতাবের। তারপর তাদেরও ডাকতেন। নিজের কাছে ছাড়াও পাঠাতেন বিভিন্ন জনের কাছে। চট্টগ্রামের ওই বব্যসায়ীরা প্রায়ই তরুণীদের দেশের বাইরে নিয়ে যেতেন। নেহাসহ আরেক তরুণীর বাইরে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু করোনার কারণে যাওয়া হয়নি। নেহাকে বন্ধুর মতো পাশে থেকে সকল অপকর্মে সহযোগিতা করতেন শাফায়াত জামিল বিশাল। নেহা পুলিশকে জানান, বিশার তার চাচাতো ভাই।

জিজ্ঞাসাবাদে পার্টির আয়োজকদের সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন নেহা। নেহা জানিয়েছেন, এটা গোপন কিছু না। সবাই জানে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়েও পার্টির আয়োজন করা হয়। একান্তে সময় কাটানোর জন্য ডজন খানেক বিভিন্ন বয়সের নারী থাকে এসব পার্টিতে। কর্মাশিয়াল পার্টিতে নতুন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর ব্যক্তিগত যোগাযোগ গড়ে ওঠে বলে জানান তিনি।

২৮শে জানুয়ারি উত্তরার ব্যাম্বু স্যুট রেস্টুরেন্টে পার্টিতে মদ সরবরাহ করেছিল বিশাল। বিশাল বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় মারা যাওয়া ওই ছাত্রীর ছেলে বন্ধু আরিফ ও তাদের বন্ধু তাফসিরকেও আটক করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। ওই দিনের পার্টিতে মদপানের পর অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন তাদের বন্ধু আরাফাতও।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ জানান, নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য জানা গেছে। এসব যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অপরাধে যারাই জড়িত থাকুক তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে প্রকাশ্য প্রবাসীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ!

রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে দিনে দুপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের এই ঘটনায় শাহিনুর আলীসহ আরও অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। 

ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই গৃহবধূ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছেন। 

মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তার একটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান আছে। গত এক বছর ধরে স্থানীয় শাহিনুর তাকে প্রেম নিবেদনের পাশাপাশি নানাভাবে বিরক্ত করত। স্বামী বিদেশ যাওয়ার এক মাস না পেরোতেই শাহিনুর অধিকতর উগ্র হয়ে পড়ে। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এই অবস্থায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ব্যক্তিগত কাজে ধর্ষণের শিকার নারী পশ্চিম শেখদি হযরত খাজা সাহের রোডের বাসা থেকে যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন। তিনি ভাঙ্গা প্রেস এলাকার ইত্তেফাক হাউসের সামনে পৌঁছামাত্র শাহিনুরসহ ওত পেতে থাকা আসামিরা তাকে জোর করে একটি সিএনজিতে তুলে। পরে শাহিনুরের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক আছে। ইতোমধ্যে অজ্ঞাত আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করেছি। শাহিনুরসহ অজ্ঞাত আসামিদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলছে। আশা করছি, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।
news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

অনলাইন ডেস্ক

ডেলিভারির সময় আয়ার হাতে নবজাতকের মাথা থেকে শরীর বিচ্ছিন্ন

এক প্রসূতির গর্ভ থেকে শিশুর শরীর বের হলেও মাথা ভেতরে রয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে যশোর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে। আয়া দিয়ে ডেলিভারির সময় এমন ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রতিষ্ঠানটির আয়া মোমেনা খাতুনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর হলেন বেনাপোলের গাজীপুরের বাসিন্দা আন্না।

গতকাল শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঘটে এই ঘটনা ঘটে।

শার্শা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আইয়ুব হোসেন অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী আন্না খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা বের হয়েছিল। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর ছিলেন প্রসূতি। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


তিনি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমার স্ত্রীর গর্ভে থাকা শিশুর পা আবার বের হয়ে এলে সে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। কোনো চিকিৎসক পাওয়া যায়নি আমার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশনের জন্যে। কোনো ডাক্তার বা নার্স আসেননি সহযোগিতা করতে। একপর্যায়ে হাসপাতালের আয়া মোমেনা খাতুন এগিয়ে আসেন এবং শিশুর পা ধরে টান দেন। এতে শিশুটির মাথা এবং ধড় আলাদা হয়ে যায়। মাথাটি রয়ে গেছে ভেতরে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটলেও রাত দশটা নাগাদ কোনো চিকিৎসক আসেনি আমার স্ত্রীর কাছে।

তবে কর্তব্যরত নার্সরা বলেন, প্রসূতির গর্ভের সন্তানের বয়স হয়েছে মাত্র ২০ সপ্তাহ, ওজন মাত্র ৩৯৯ গ্রাম। সকালে আলট্রাসনোগ্রাম করে দেখা গেছে, শিশুটি পেটের মধ্যে মৃত অবস্থায় রয়েছে। আয়া কখন কীভাবে কী করেছে তা জানা নেই বলে দাবি নার্সদের। 

এদিকে, যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও আরিফ আহমেদ ওই আয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কোতয়ালী থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, এরকম কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

জামায়াত নেতার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার : মা বলছে আত্মহত্যা

রংপুরের বদরগঞ্জে জামায়াতের এক নেতার বাড়ি থেকে তার মেয়ের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেয়েটির মায়ের দাবি শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে চিৎকার শুনে তিনি ঘরে গিয়ে গলাকাটা অবস্থায় মেরিকে ছটফট করতে দেখেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সে নিস্তেজ হয়ে যায়। মেরির মা নূরজাহান জানিয়েছেন, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মৃগিরোগে ভুগছিল। রোগ সহ্য করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে।

রংপুরের বদরগঞ্জে এই ঘটনা ঘটে।

রংপুরের বদরগঞ্জে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বুজরুক হাজিপুর গাছুয়াপাড়ায় মাহবুবা আক্তার মেরির বাবা মেনহাজুল হক রামনাথপুর বি ইউ দাখিল মাদ্রাসার সুপারিটেনডেন্ট এবং জামায়াতে ইসলামীর রোকন।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


 

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। ঘটনাটি অনেক পরে জানতে পেরে পুলিশে খবর দেওয়া হয় বলে সাংবাদিকদের জানান প্রতিবেশীরা। বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ছাড়াও সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আলামত হিসেবে ওই ঘর থেকে রক্তাক্ত একটি চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মেরি আত্মহত্যা করেছেন না কি তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক পোচের দাগ থাকা, পরিবারের পক্ষ থেকে যথাসময়ে থানায় খবর না দেওয়াসহ পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে মেনে নিতে পারছে না পুলিশ। 

বদরগঞ্জ থানার পরিদর্শক হাবিবুর রহমান এটিকে রহস্যজনক দাবি করে বলেছেন, সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। মৃত্যুরহস্য জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মেরি স্থানীয় ওয়ারেসিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এক সময় পড়ালেখা করলেও অসুখের কারণে তা চালিয়ে যেতে পারেনি। ওই পরিবারটির সঙ্গে প্রতিবেশীদের তেমন কোনো সম্পর্ক না থাকলেও মেরি শান্ত স্বভাবের ছিল বলে জানিয়েছেন আশপাশের লোকজন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বর্ণ চোরাচালান

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

অনলাইন ডেস্ক

সুইপার থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

সিঙ্গাপুরে স্থায়ীভাবে বসবাসরত দুই বাংলাদেশি শ্রমিক আবুল হাসেম ও আলমগীর। কিন্তু তাদের এই পরিচয়ের আড়ালে তাদের আরও একটি বড় পরিচয় হলো তাদের স্বর্ণ চোরাকারবারি। পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) এই দুজনের হঠাৎ বিত্তশালী হয়ে ওঠার গল্প যেন কল্পকাহিনিকেও হার মানিয়েছে। অঢেল বিত্তবৈভবের নিচে এক সময় চাপা পড়ে তাদের আসল পরিচয়। দুজনেই সিঙ্গাপুরে এক সময় সুইপারের কাজ করতেন। কিন্তু স্বর্ণ চোরাচালানের সুবাদে তাদের ভাগ্যের চাকা খুলতে বেশি সময় লাগেনি। তারা এখন হাজার কোটি টাকার মালিক।

দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সুকৌশলে ঢাকায় স্বর্ণের চালান পাচার করে আসছিলেন। কিন্তু গত বছর তাদের ৩২ কোটি টাকার একটি চালান ধরা পড়লে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।

কাস্টমসের নথি খুঁজে দেখা যায় ইতোমধ্যে পাচার হয়েছে আরও ২শ চালান। স্বর্ণ আনতে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয় প্রায় হাজার কোটি টাকা। আরও কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় সরকার।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


কাচ এবং টাইলসের স্যাম্পলের কার্টনে পাঠানো হয় স্বর্ণের বার। কিন্তু একই স্যাম্পল বারবার এলেও রহস্যজনক কারণে কাস্টমস কর্মকর্তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। 

চোরাচালানের টাকায় হাসেম এবং আলমগীর দেশে-বিদেশে ব্যবসা, বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমিসহ অঢেল সম্পদ কিনেছেন। আছে সুপার শপ, টিকেটিং ও আদম ব্যবসা। এমনকি বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তারা সিঙ্গাপুরে নাগরিকত্ব পেতেও সক্ষম হয়েছেন।

বিমানবন্দর থানার ওসি বিএম ফরমান আলী বলেন, বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণের চালান অহরহ ধরা পড়লেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নেপথ্যের কারিগরদের গ্রেফতার করা যায় না। তবে এ মামলাটির ক্ষেত্রে জড়িত গডফাদারসহ পুরো চক্রটিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। 

এ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে চক্রের মোট ৯ সদস্যকে চিহ্নিত করে পুলিশ। এরা হলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী আবুল হাসেম, আলমগীর হোসেন ওরফে আজিজুল, সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলামিন ও জালাল আহম্মেদ, বিমানবন্দরের কার্গো লোডার জলিল মিয়া ওরফে জালাল, স্থপতি কাওসার আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পী, জুয়েল রানা ওরফে সদর, আব্দুল লতিফ এবং ফরহাদুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন সুমন। এদের একেকজন চোরাচালানের কাজে একেক ধরনের দায়িত্ব পালন করে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতে প্রতিবেশীকে গলাকেটে হত্যা

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাাহ, গাজীপুর

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতে প্রতিবেশীকে গলাকেটে হত্যা

স্ত্রীকে উত্যক্তের প্রতিশোধ নিতে আবু জাফর ওরফে আকাশ নামের একব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে গলাকেটে হত্যা করেছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর সারদাগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সাথে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান জিএমপি’র উপ- কমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান।

তিনি জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সিটি করপোরেশনের সারদাগঞ্জ এলাকায় রুবেল হোসেন নামের ওই অটোরিক্সা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ। 

তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, ভিকটিম রুবেল হোসেন প্রতিবেশী এক নারীকে প্রায় উত্যক্ত করতেন। এনিয়ে ওই নারীর স্বামী আবু জাফর ওরফে আকাশের সঙ্গে তার শত্রুতা তৈরি হয়। এরই জের ধরে আবু জাফর ওরফে আকাশ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার সহযোগীদের নিয়ে রুবেলকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নেয়।


দুই পৌরসভায় নির্বাচন কাল, কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটের সরঞ্জাম

হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আতঙ্কিত বুবলীর থানায় জিডি

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রাকচালক গুলিবিদ্ধ

পিতার স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরল ছেলে, বাবার মৃত্যু


পরে সারদাগঞ্জ হাজী মার্কেট এলাকায় পতিত জমির ওপর রুবেলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে অটোরিক্সাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ শুক্রবার রাতে কাশিমপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মূল পরিকল্পনাকারী আকাশকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে, ফরহাদ হোসেন, জহিরুল ইসলাম ও ইজিবাইকের ব্যাটারী ক্রেতা রাশেদ আহাম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আকাশের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। 

নিহত রুবেল নওগাঁর রানীনগর থানার দেবরাগাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি করোনার কারণে কলেজ বন্ধ থাকায় অটো রিক্সা চালাতেন বলে জানা গেছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর