অন্ধকার জগতের রানী ডিজে নেহার যত কুকর্ম

অনলাইন ডেস্ক

অন্ধকার জগতের রানী ডিজে নেহার যত কুকর্ম

মদ পানের পর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মাধুরী ও তার বন্ধু আরাফাতের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর এখন একে একে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে অন্ধকার জগতের সব চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ঘটনায় গ্রেফতার ভুক্তভোগীর বান্ধবী ফারজানা জামান ওরফে ডিজে নেহা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নিজের অন্ধকার জগত সম্পর্কে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। 

 এই নেহার অন্যতম টার্গেট ছিলো শিল্পপতি কিংবা তাদের সন্তানরা। হাতের নাগালে কোনো শিল্পপতি পেয়ে গেলেই যেনো কপাল খুলে যেতো তার। কলাকৌশলে বিভিন্ন রকমের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেই জায়গা করে নিতো টার্গেটকৃতদের মনে।
রবিবার রিমান্ডের তৃতীয় দিনে নেহার ফোনবুকে পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ডজনখানেক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীর নাম্বার পেয়েছে। যেগুলো সাংকেতিকভাবে সংরক্ষণ করা। এসব ধর্নাঢ্যদের অনেকের কাছে মদ, তরুণী সরবরাহ করতেন তিনি। কখনও কখনও নেহা নিজেই তাদের সঙ্গ দিয়েছেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। 


তিন ছবি নিয়ে চিন্তায় সালমান

প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে মালদ্বীপে আলিয়া

আলোচনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টিকা গ্রহণ

কষ্টার্জিত জয় বার্সার


 

তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিজে নেহার পছন্দের মোবাইল ফোনে (আইফোন) টার্গেট করা ব্যবসায়ী ও ধনী যুবকদের নম্বর ‘ক্লায়েন্ট-১’, ‘ক্লায়েন্ট-২’, ‘ক্লায়েন্ট-৩’ এমন ধারাবাহিকভাবেই সংরক্ষণ করা আছে। জিজ্ঞাসাবাদে নেহা জানিয়েছেন, গত বছরের মার্চে চট্টগ্রামের এক গাড়ি ব্যবসায়ীর সঙ্গে একটি পার্টিতে তার পরিচয় হয়। এরপর ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে কৌশলে ৬ মাসে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নেহা। নেহার এসব কাজে সহযোগিতা করতেন তারই চাচাতো ভাই শাফায়াত জামিল বিশাল। বিশাল সার্বক্ষণিক নেহার সঙ্গেই থাকতেন।

৬ মাসের পরিচয়ে চট্টগ্রামের গাড়ি ব্যবসায়ী জিম্মি
২০২০ সালের মার্চে নেহার সাথে ইংরেজি ‘আর’ আদ্যাক্ষরে শুরু নামের চট্টগ্রামের এক গাড়ি ব্যবসায়ীর পরিচয় ঘটে। এর এক পর্যায়ে ওই ব্যবসায়ীকে একান্ত সম্পর্কে জড়িয়ে ইমোশনাল ব্লাকমেইলিং করতে থাকে। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত, ৬ মাসে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

আন্তর্জাতিক ইয়াবা ডন কার্লোসের সঙ্গে নেহার ঘনিষ্ঠতা
আন্তর্জাতিক ইয়াবা কারবারিদের মধ্যে কার্লোস অন্যতম। তার পুরো নাম আবু জাফর মোহাম্মদ কার্লোস। সে ইয়াবা ডন কার্লোস নামেও পরিচিত। ২০১৭ সালের মাঝামাঝিতে ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছিলো ‘আবু জাফর মোহাম্মদ কার্লোস’ নামের আন্তর্জাতিক ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে জড়িয়ে মিডিয়ায় আলোচনায় উঠে আসে বেশ কজন মডেল অভিনেত্রীর নাম। অনন্য মামুন পরিচালিত ‘অস্তিত্ব’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক কার্লোস। অস্তিত্ব সিনেমা বানানোর পর কার্লোস ঢাকার সিনেমা পাড়ার নামি-দামি নায়িকাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। এসব নায়িকার অনেককে নিয়ে তিনি থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় যাতায়াত শুরু করেন। এদের কয়েক জনের সঙ্গে তিনি লিভ টুগেদারও করছিলেন। এই কার্লোসও ডিজে নেহার খুব কাছের এবং ঘনিষ্ঠ একজন ছিলো বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, ২৮ জানুয়ারি উত্তরার ব্যাম্বু স্যুট রেস্টুরেন্টে ইউল্যাব শিক্ষার্থীদের মদপান করাতে নেহা ও তার খুব কাছের বন্ধু আরাফাত পার্টির আয়োজন করেন। মদপানের পর অসুস্থ হয়ে আরাফাতও মারা গেছেন। সেদিন নেহার ফোনেই তার চাচাতো ভাই শাফায়াত জামিল ওরফে বিশাল এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে মদ কিনে নিয়ে যায় ওই রেস্টুরেন্টে।

নেহা পুলিশকে জানিয়েছেন, খদ্দেরদের তালিকা সংরক্ষণ করতেন বিশাল। এছাড়াও অবৈধ দরদামে সে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মাধুরীর মৃত্যুর পর তার বাবার মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসাবে নিজেই আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বিশাল। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এছাড়া ওই ছাত্রীর ছেলে বন্ধু আরিফ এবং তাদের বাসায় আশ্রয়দাতা তাফসিরও কারাগারে আটক রয়েছেন। 

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেছেন, নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। এসব যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। যদি মামলার তদন্তের স্বার্থে লাশ তোলা প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করে তোলা হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজারে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজারের রামুতে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দেলোয়ার হোসেন (২৮) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ ইয়াবা, একটি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (০৩ মার্চ) রাত ৮টার দিকে রামু রাবার বাগান ভেতরে পাহাড়ের ডালে এই ঘটনা ঘটে। নিহত দেলোয়ার হোসেন টেকনাফের উত্তর জালিয়াপাড়া এলাকার কালা মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-৭ এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব রহমান ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইয়াবা পাচারের সংবাদে অভিযানে গেলে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে মাদক ব্যবসায়ীদের একটি দল। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এতে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে দেলোয়ার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:


বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের গুরুত্ব, উচ্চারণ ও অনুবাদ

নামাজের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব ১৪টি কাজ

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক

এইচ টি ইমাম আর নেই


রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজমিরুজ্জামান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মরোক্কোয় যুবকের মানববেতর জীবন যাপন

মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে মানবপাচারকারী দলের এক সদস্যকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে জেলা সিআইডি পুলিশ। বুধবার বিকেল ৩টায় জেলা সিআইডি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মো.হানিফ প্রকাশ মাসুদ (৪০) বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউপির ৮ নং ওর্য়াড বসন্তেরবাগের মৃত আলী আজমের ছেলে। সে এবং অপরাপর মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যদের ফাঁদে ফেলে মরোক্কোতে এক যুবক মানববেতর জীবন-যাপন করছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা সিআইড আরও জানায়, ধৃত আসামিসহ সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের অপরাপর সদস্যদের ধোকায় পড়ে উপজেলার একলাশপুর গ্রামের রফিকউল্যার ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩৯), বর্তমানে মরোক্কোর নাদোর শহরে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ওই ভিকটিম দেশে বেকার অবস্থার প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানের চেষ্টা করে। বিষয়টি জানতে পেরে মানবপাচার কারী চক্রের সদস্য মো. হানিফ প্রকাশ মাসুদ ইউরোপের দেশ স্পেন যাওয়ার জন্য ভিকটিমকে প্ররোচিত ও প্রলুব্ধ করে। বিনিময়ে ধৃত আসামি ভিকটিমের নিকট হতে ১১ লক্ষ টাকা দাবি করে। 

ভিকটিম সরল বিশ্বাসে মানবপাচার কারীদের কাছে নগদ ১১ লক্ষ টাকা প্রদান করে। টাকা পাওয়ার পর গত ২০১৯ সালে ২০ মার্চে হজরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর থেকে এয়ার এরাবিয়ার বিমান যোগে ভিকটিম আলাউদ্দিকে দুবাই পাঠিয়ে দেয়। দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে ভিকটিম আলাউদ্দিকে পাচারকারীদের অপর দুই সদস্য রিসিভ করে তাদের ভাড়া বাড়িতে নিয়ে রাখে। ভিকটিম আলাউদ্দিন এর সাথে থাকা ৩০০০ (তিন হাজার) ইউরো পাচার কারীরা জোর পূর্বক নিয়ে নেয়।

এরপরও পাচারকারীরা আরও টাকা পাচারকারীদের ব্যাংক একাউন্টে দিতে বললে ভিকটিমের ছোট ভাই মনির হোসেন আজিম গত ২০১৯ সালের ২৫ মার্চে ওয়ান ব্যাংক লিঃ চৌমুহনী শাখায় নগদ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশহাজার) টাকা পাচারকারীদের একাউন্টে জমা করে। পরবর্তীতে পাচারকারীরা দুবাই থেকে ভিকটিম আলাউদ্দিনের পাসপোর্টে আফ্রিকার দেশ মালির ভিসাইস্যু করে গত ২০১৯ সালের ৩ এপি্েরল দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে ইউথোপিয়া এয়ারলাইন্সের বিমান যোগে আফ্রিকার দেশ মালিতে পাচার করে দেয়।

মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য আফ্রিকান ইউরো ও ইব্রাহিমদ্বয় মালির বামাকো এয়ারপোর্ট থেকে ভিকটিম আলাউদ্দিনকে রিসিভ করে তাদের বাড়িতে জিম্মি করে অস্ত্রের মুখে জোর পূর্বক ভিকটিম আলাউদ্দিনের পাসপোর্ট নিয়ে যায়। ভিকটিম আলাউদ্দিনসহ মানবপাচারের শিকার মোট ১৯ (উনিশ) জনের একটা দল তৈরীকরে। আফ্রিকার দেশ মালি থেকে ইউরোরও ইব্রাহিম দ্বয়ের নেতৃত্বে পায়ে হেঁটে অনেকটা পথ যাওয়ার পর লরি গাড়িতে চড়ে সাহারা মরুভূমিও বড়বড় পাহাড়ি রাস্তা পাড়ি দিয়ে ৫ (পাঁচ) দিন অনাহারে থেকে মরক্কোর নাদোর শহরে পাচার করে দেয়।

মানবপাচারকারী চক্রের অপরাপর সদস্যরা তাদেরকে রিসিভ করে আলাউদ্দিনসহ মোট ০৯ (নয়) জনকে তাদের নাদোর শহরের ভাড়াবাড়িতে জিম্মি করে রাখে। তখন ভিকটিম আলাউদ্দিন জিম্মির বিষয়টি তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার নুপুর(২৫) কে ফোনে জানালে তখন ভিকটিমের মুক্তির জন্য তার স্ত্রী একলক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য ধৃত আসামি মো. হানিফ প্রঃ মাসুদকে মুক্তিপন হিসেবে দেয়।


পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা দাবি করলেন তিন যুবক


পরে নুপুর বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে ধৃত আসামিসহ মানবপাচারকারী চক্রের অপরাপর সদস্যদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে বেগমগঞ্জ থানার মামলা নং-২৭, তারিখ-১০/১২/২০২১খ্রিঃ ধারা-মানবপাচার ও প্রতিরোধ দমন আইনের ৭/৮/১০(১)রুজু হয়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় সিআইডি, নোয়াখালী মামলাটি স্ব-উদ্যোগে অধিগ্রহণ করে। পরবর্তীতে বিশেষ পুলিশ সুপার সিআইডি, নোয়াখালী এর তত্বাবধানে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় মো. হানিফ প্রকাশ মাসুদকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ কালে সে জানায় যে, সে এবং তার ভাই আব্দুল ওয়াদুদ ও অপরাপর আসামীরা একসঙ্গে অত্র মামলার ভিকটিমকে ইউরোপের দেশ স্পেনে পাঠানোর কথা বলে তাকে প্রথমে দুবাই নেয়, সেখান থেকে মালি নেয় এবং সাহারা মরুভুমি পার করে ভিকটিমকে মরোক্কোর নাদোর শহরে নিয়ে আটক রেখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অংকের মুক্তিপন দাবি করে বাদীর নিকট হতে সু-কৌশলে বিভিন্ন একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৪,০০,০০০/-(চৌদ্দ লক্ষ) টাকা নিয়ে যায়। গ্রেপ্তাকৃত আসামি এলাকায় বেকার এবং বিদেশ গমনে ইচ্ছুকদের বিভিন্ন ভাবে প্রলুব্ধ করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়া বিদেশ পাঠানোর কথা বলে বিভিন্ন লোকজনকে পাচার করে দিত।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নববধূকে রাস্তায় রেখে পালালেন বর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নববধূকে রাস্তায় রেখে পালালেন বর

নববধূকে বাড়িতে নেওয়ার পথে রাস্তায় রেখে পলিয়ে গেল বর। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গা ইউনিয়নের নলডাঙ্গা এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বরের নাম জাহিদ হাসান (শোভন)। স্থানীয় চাতাল ব্যবসায়ী রেজাউনুল হক লিটনের ছেলে তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল বিকেলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে নলডাঙ্গা ট্রাকচালক সমিতির কার্যালয়ে উভয়ের সম্মতিতে বিয়ে হয়।

এরপর নলডাঙ্গা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে গাইবান্ধা শহরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন শোভন। সাদুল্লাপুরের কালিবাড়ি মন্দিরের পাশের রাস্তায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে বসিয়ে রেখে অটোরিকশা থেকে নেমে পালিয়ে যান তিনি।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


ঘটনার পর থেকে শোভনের মোবাইল ফোন বন্ধ। কোনো উপায় না পেয়ে হয়ে রাত ১১টার দিকে সাদুল্লাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নববধূ ইতি আক্তার।

তিনি বলেন, ‘১০ বছর ধরে শোভনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। কয়েকদিন আগে শোভন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিয়ের দাবিতে তার এলাকায় গেলে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শোভন আমাকে বিয়ে করে। সেখান থেকে বাড়ি নেওয়ার পথে সাদুল্লাপুরে পৌঁছে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে পালিয়ে যায়।’

‘প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের পর শোভন এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারিনি। এমন ঘটনার জন্য শোভনের কঠিন শাস্তি চাই আমি।’

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘নববধূর অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। শোভনের অবস্থান চিহ্নিতসহ তাকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছি। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বিষপানে দুই বোনের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ পরিদর্শক  মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতরা রাতে নিজ বাড়িতে একসাথে ঘুমিয়ে ছিল। মাঝ রাতে তাদের বিষ খাওয়ার বিষয়টি পরিবারের লোকজন টের পায়।

পরে তাদেরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিস্ট জেনালের হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৪টার দিকে দুই বোন মারা যান। 


এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থা সংকটপূর্ণ

পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য


তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষপান করার কারন জানা না গেলেও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

নাটোর প্রতিনিধি:

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

নাটোরের বড়াইগ্রামে সুদি মহাজনের চাপে বিক্রিত শিশুকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন। বুধবার দুপুরে নাটোরের জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ ওই শিশুকে তার মায়ের কোলে তুলে দেন। এ সময় বড়াইগ্রামের ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম, অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম, নগর ইউপি চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালু উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত সোমবার সুদি মহাজনের চাপে বাধ্য হয়ে উপজেলার নগর ইউনিয়নের কয়েন গ্রামে ভ্যানচালক বাবা রেজাউল করিম তার  চাঁদনী আক্তার লিজা নামে ২২ দিন বয়সী কন্যা শিশুকে এক লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। 


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

ভারতে বাড়ছে গাধার চাহিদা!

ভারতের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে বেদ, গীতা, সংস্কৃত

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতেই ভুক্তভোগির বাড়িতে গিয়ে অনুসন্ধানে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করেন ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম। পরে বিক্রিত শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

শিশুকে ফিরিয়ে দেয়ার পাশাপশি জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে তাকে নগদ অর্থ, ফলমুল ও খাবার এবং একটি ভ্যান কিনে দেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমিসহ একটি ঘর এবং চলমান ঋণ পরিশোধের, নগর ইউপি চেয়ারম্যান ভিজিডি কার্ড করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর