যেভাবে হাঁটালে থাকবেন সুস্থ

অনলাইন ডেস্ক

যেভাবে হাঁটালে থাকবেন সুস্থ

শরীর ভালো রাখার জন্য মানুষের আয়োজনের কমতি থাকে না। আবার একটু অসচেতন থাকলে শরীরের সুখ অসুখে পরিণত হতে পারে। ছোট্ট একটা ‘টনিক’ আপনার স্বাস্থ্য ও শরীর ভালো রাখতে পারে। তা হলো—হাঁটা। নিয়মিত হেঁটেই নিজেকে সুস্থ রাখতে পারেন। ভালো থাকার জন্য নিয়মিত একটু হলেও শারীরিক পরিশ্রম জরুরি।

চিকিৎসকরা বলে থাকেন, হাঁটা এমন একটা উপায়, যার মাধ্যমে কষ্টসাধ্য পরিশ্রম ছাড়াও সহজেই সুস্থ থাকা যায়। কখন ও কতক্ষণ হাঁটতে হবে, হাঁটার উপকারিতা কী, এসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

কখন হাঁটবেন?
হাঁটতে গেলে প্রথমেই যে ভাবনাটা আসে, সেটা হলো কখন হাঁটবেন? চিকিৎসকেরা আজকাল বলছেন, যেকোনো সময়েই হাঁটতে পারেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনি হাঁটার জন্য যখন সময় বের করতে পারবেন, তখনই হাঁটবেন। তবে হাঁটার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় বিকেলবেলা। যাঁরা সকালে হাঁটতে যান, তাঁদের জন্য পরামর্শ, ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক না। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত।

কতক্ষণ হাঁটবেন?
প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে আপনি চাইলে সপ্তাহে প্রতিদিন নাও হাঁটতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও আপনি সুস্থ থাকবেন। অর্থাৎ একজন মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা উচিত।

শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে আরো বেশি সময় ধরে আপনি হাঁটতে পারেন। তবে কখনোই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত হবে না।  একবারে ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ক্ষমতা না থাকলে তিনবার ১০ মিনিট করে ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা একবার ২০ মিনিট, অন্যবার ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট করে নিতে পারেন।


তিন ছবি নিয়ে চিন্তায় সালমান

প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে মালদ্বীপে আলিয়া

আলোচনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টিকা গ্রহণ

কষ্টার্জিত জয় বার্সার


 

হাঁটার উপকারিতা
ভালো ঘুমে সাহায্য করে
হাড় ও পেশি মজবুত করে
১৫ মিনিট হাঁটলে ৫৬ ক্যালরি শক্তি খরচ হয়, ওজন কমে
সৃজনশীল চিন্তা করতে সাহায্য করে
মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ও টেনশন দূর করে শরীর-মন প্রাণবন্ত রাখে
রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে
ধমনির চাপ কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিহত করে
স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি কাদের?

অনলাইন ডেস্ক

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি কাদের?

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক নারীই স্তন ক্যানসারে ভুগছেন। বিশ্বে প্রায় আটজন নারীর মধ্যে একজন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ হাজারের বেশি মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার মধ্যে ৯৮ শতাংশ নারী ও ২ শতাংশ পুরুষ। প্রতি বছর শুধু স্তন ক্যান্সারে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি নারী মারা যাচ্ছেন।


এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানা থাকা দরকার।  

আজ আমরা  স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে খাবারের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।

স্তন ক্যানসারের কারণ কিছুটা আছে বংশগত এবং কিছুটা আমাদের লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিটা কমাতে পারি। সে ক্ষেত্রে যদি আমরা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে চান, বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ওজন বেশি, যেমন চাইল্ডহুড বা অ্যাডোলেসেন্স পিরিয়ডে যাদের ওজন বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের গবেষণা, বড় বড় স্টাডিতে দেখা গেছে, ১৮ বছর বয়সের পর যাদের ওজন ২০ কেজি বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৪৫ শতাংশ এবং পোস্ট 

মেনোপজ বা মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাদের ওজন বেড়ে যায়, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিটা বেড়ে যায়। সুতরাং আমাদের কিন্তু ওজনটা আদর্শ ওজনে রাখতে হবে এবং কিছু কিছু স্টাডিতে এও দেখা গেছে, যারা কিনা টিনএজার বা চাইল্ডহুডে ওজন বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি এবং মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওজন বেশি থাকে, তাদের ঝুঁকিটা বেশি থাকে। 

সুতরাং আমরা আদর্শ ওজন মেইনটেইন করব। সুষম বা ব্যালেন্স ডায়েটের মাধ্যমে আমরা চাইল্ডহুড কিংবা অ্যাডোলেসেন্স পিরিয়ড থেকে আমরা ওজনটা নিয়ন্ত্রণে রাখব। এ ক্ষেত্রে আমি বলব, অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদের সাহায্য নিয়ে যেন তার ওজনটা ঠিক রাখার চেষ্টা করে।

পরামর্শ
কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো আমরা যদি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিই, তাহলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে অনেকটা মুক্ত হব। যেমন, সবার প্রথমে যেটা বলা যায়, সেটা হচ্ছে চিনিজাতীয় খাবার। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার কিন্তু স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। তারপর আসি রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, যেমন ময়দার তৈরি খাবারগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এ সমস্ত খাবার আমাদের খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। তারপর হচ্ছে প্রসেস ফুড। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ১৫টা স্টাডিতে দেখা গেছে যে প্রসেস ফুড গ্রহণের ফলে ৯ শতাংশ স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

যে সমস্ত খাবার আমরা খাদ্যতালিকায় রাখব
সেগুলো হচ্ছে ফাইবার-জাতীয় খাবার, টকজাতীয় ফল বা সাইট্রাস ফুড। আমরা খাবারের তালিকায় রাখতে পারি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলস, এটার মধ্যে আছে গ্লুকোজ, সিনোলেট; যা কিনা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবল হচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি; এ জাতীয় খাবার। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের রক্তে ক্যারোটিনয়েডসের পরিমাণ বেশি, তাদের ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি যেমন কমে যায় এবং মৃত্যুর হারও তেমনই কমে যায়। আমরা এর মধ্যে রাখতে পারি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলগুলো, এটার মধ্যে একটি উপাদান আছে, যাকে কোসিনোলেড বলে, এটা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সংবাদ উপস্থাপনায় ও নাটকে রূপান্তরিত দুই নারী

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


 

আমরা খাবারের তালিকায় রাখতে রাখি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যেগুলো মাছের তেল বা বিচিজাতীয় খাবারে পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় এও দেখা গেছে, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড প্রায় ১৪ শতাংশ ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। সুতরাং আমরা খাবারের তালিকায় তৈলাক্ত মাছ, বিচিজাতীয় এবং বাদামজাতীয় খাবারগুলো রাখতে পারি। প্রোবায়োটিক, যেমন দই; এটা কিন্তু ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে। সেইসাথে আপনাকে মেইনটেইন করতে হবে—পর্যাপ্ত ঘুম যেন হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। প্রতিদিন যদি অন্তত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করেন, সেটাও কিন্তু ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে।

এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়-
যে কোনো রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ করা সবচেয়ে উত্তম। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই রোগ খুব সহজে প্রতিরোধ করা যায়।
 
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, প্রতিদিন ঘাম ঝড়িয়ে ৩০-৪৫ মিনিট ব্যায়াম করা, ফল ও সবজি খাওয়া, ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলা, ৩৫ বছরের পর পিল না খাওয়া, হরমন থেরাপি না নেয়া, শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো।

এ ছাড়া টেমক্সিফেন অথবা রেলক্সিফেন ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন না করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চল্লিশেও ফিট থাকার রহস্য

অনলাইন ডেস্ক

চল্লিশেও ফিট থাকার রহস্য

চল্লিশ বছরের পর নিজেকে ফিট রাখাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। কারণ ত্রিশের পর থেকেই শরীরে নানা রকম অসুখ বাসা বাঁধতে শুরু করে।  কিন্তু আপনি যদি সহজ কিছু দৈনন্দিন কাজ করেন তাহলে  আপনি থাকতে পারবেন ফিট।  এজন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হবে প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে যোগ করবেন বাড়তি কয়েকটা টিপস। শরীরকে ফিট রাখতে পরিমিত সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করা এ সময়টায় খুবই জরুরি। তবে যাঁরা নিয়মিত জিমে গিয়ে ব্যায়াম করতে পারেন না, ব্যায়ামের বিষয়ে কিছু সহজ পরামর্শ।

১. আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে না উঠতে পারেন এবং ব্যায়াম না করতে পারেন, তাহলে এই অভ্যাস করতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। নিজের সময়মতো উঠুন এবং ঘরেই কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। আধা ঘণ্টার মতো যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচ করুন।

২. হাঁটার জন্য একটু নির্দিষ্ট সময় বের করে নিন। একা হাঁটতে ভালো না লাগলে বন্ধুদের বলতে পারেন আপনার সঙ্গে হাঁটার জন্য। আর যদি আলাদা করে হাঁটার সুযোগ না হয়, তবে ধারেকাছে কোনো বাজারে যান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কিনুন। এতেও আপনার হাঁটা হয়ে যাবে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


৩. হাঁটার সময় পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। আসল ব্যায়াম শুরুর আগে ওয়ার্মআপ করে নেবেন।

৪. খালি পেটে ব্যায়াম করবেন না। অন্তত ব্যায়ামের আগে একটা বিস্কুট বা এক টুকরো আপেল খেয়ে নেবেন।

৫. সকাল বা রাতের খাবারের সঙ্গে সঙ্গেই ব্যায়াম করা শুরু করবেন না। কিছুটা বিরতি দিন। এর পর শুরু করুন।

৬. লিফট এড়িয়ে হেঁটে যান। এতে বোঝা যাবে শরীর কতটা সুস্থ আছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ছয়তলা যদি পাঁচবার ওঠানামা করা হয়, এটা ৩০ মিনিট জগিং করার সমান।

৭. সুস্থ দীর্ঘ জীবন পেতে এবং যৌবন ধরে রাখতে সকালে খানিকক্ষণ সূর্যালোকে থাকুন। সূর্যের আলোতে আছে ভিটামিন ডি যা হাড়কে মজবুত করে। এবং সঙ্গে মানসিক চাপ ও অবসন্নতাও কমিয়ে দেয়।

ব্যায়ামের জন্য এই বিষয়গুলো মেনে চললে চল্লিশের পর শরীরকে ফিট রাখতে কাজে দেবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জানুন থাইরয়েড সমস্যার আদ্যপান্ত

অনলাইন ডেস্ক

জানুন থাইরয়েড সমস্যার আদ্যপান্ত

দেশে অন্তত পাঁচ কোটি মানুষ থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন।বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। দেশে প্রায় ৩ কোটি অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি রোগীই জানেন না, তাদের এই সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

থাইরয়েডের হরমোনের তারতম্যজনিত সমস্যা দুই রকম হতে পারে। যেমন শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে বা হাইপোথাইরয়েডিজম, আবার বেড়ে গেলে হাইপারথাইরয়েডিজম। হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগের সংখ্যা হাইপারথাইরয়েডিজমের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের দেশে সেটি আরও প্রকট। বাংলাদেশের আয়োডিন ঘাটতিজনিত ব্যাপক জনগোষ্ঠী এ সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের সামগ্রিক জীবনমানের ওপরে থাইরয়েড হরমোন ঘাটতি সুগভীর ঋণাত্মক প্রভাব বিস্তার করে আছে। আমাদের দেশে ব্যাপক সংখ্যক নির্বোধ মানুষ, বন্ধ্যা দম্পতি ও স্থুলদেহী জনগোষ্ঠীর পেছনে হাইপোথাইরয়েডিজম অন্যতম কারণ।


সাধারণ লক্ষণসমূহ
১. অবসাদগ্রস্ততা, ঘুম ঘুম ভাব।
২. ওজন বৃদ্ধি।
৩. ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা।
৪. গলার স্বরের কোমলতা কমে যাওয়া এবং অনেকটা ভারী বা কর্কশ শোনানো।
৫. গলগণ্ড নিয়ে প্রকাশ করতে পারে।

হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যা
১. হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, বুকে ব্যথা অনুভব করা অথবা হার্ট ফেইলর হতে পারে।
২. হৃদযন্ত্রের আবরণে অথবা ফুসফুসের আবরণে পানি জমা।

স্নায়ু ও মাংসপেশির সমস্যা
১. মাংসপেশিতে ব্যথা বা শক্ত চাপ অনুভব করা।
২. স্নায়ু ও মাংসপেশি নির্ভর রিফ্লেক্স কমে যাওয়া।
৩. বধিরও হতে পারে।
৪. বিষণ্নতা ও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।
৫. মাংসপেশির টান কমে যাওয়া।

চর্ম বা ত্বকের সমস্যা
১. শুষ্ক, খসখসে ও ব্যাঙের ত্বকের মতো হয়ে যাওয়া।
২. ভিটিলিগো নামক এক ধরনের শে^তী রোগে আক্রান্ত হওয়া।
৩. চর্মে মিক্সিডিমা নামক এক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া।


‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

শেবাগ-শচিনের জুটিই হারিয়ে দিল বাংলাদেশকে

মন্ত্রী ও বিধায়ককে বাদ দিয়ে প্রার্থী চূড়ান্তে মমতার চমক!

শনিবার ঢাকার যে এলাকায় যাবেন না


 

প্রজননতন্ত্রে সমস্যা
১. মাসিকের সময় বেশি রক্তপাত হওয়া।
২. বাচ্চা হওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হওয়া।
৩. প্রজননে অক্ষমতা।

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা
১. পায়খানা শক্ত হওয়া।
২. পেটে পানি জমতে পারে ।

হাইপোথাইরয়েডিজম হলে শিশুদের বেলায় অবর্ধনজনিত রোগ বা ক্রিটিনিজম হবে এবং উঠতি বয়স্কদের বা প্রাপ্তবয়স্কদের মিক্সিডিমা হয়। ক্রিটিনিজমের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মাংসপেশি ও হাড় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বর্ধন না হওয়া। ফলে শিশু বেটে হয়, বোকা বা বুদ্ধিহীন হয়ে থাকে। জিহ্বা বড় হবে ও মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং নাভির হার্নিয়া হয়। হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অটোইমিউন ধ্বংসপ্রাপ্ত, ওষুধ, টিএসএইচ স্বল্পতা, গর্ভাবস্থায় মায়ের থাইরয়েড হরমোন স্বল্পতা ইত্যাদি।

কম হরমোনের চিকিৎসা
রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন। তবে অধিকাংশ রোগীই ভোগেন হাইপোথাইরয়েডিজম অর্থাৎ তাদের
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে কম পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য ডাক্তাররা তাদের থাইরক্সিন ট্যাবলেট খাবার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীকে ১০০ থেকে ২০০ মাইক্রোগ্রাম থাইরক্সিন দেওয়া হয়।

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
সারা জীবন ওষুধ খেতে হবে কি না তা রোগের ধরনের ওপর নির্ভরশীল। যার থাইরক্সিন ঘাটতি সামান্য, উপসর্গও কম তার সারা জীবন ওষুধ খাবার প্রশ্নই ওঠে না। ৬ মাস থোক ২ বছরেই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে। অনেক ওষুধ ছাড়াও সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু যার একেবারেই থাইরক্সিন নিঃসরণ হয় না বা কোনো কারণে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডটাকেই কেটে বাদ দিতে হয়েছে তাদের সারা জীবন ওষুধ না খেয়ে উপায় নেই।

ওষুধ খাওয়া হঠাৎ বন্ধ করা সম্পর্কিত বিষয়
ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যেতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অল্প দিনের মধ্যেই রোগটা ভয়ঙ্করভাবে ফিরে আসবে। জীবন সংশয় হতে পারে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বেলের শরবতের উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

বেলের শরবতের উপকারিতা

পুষ্টিগুণে ভরপুর দেশীয় ফল বেল। গরমের দুপুরে পাকা বেলের শরবত খুবই উপাদেয়।

বদহজম, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য বেলের শরবত একমাত্র সমাধান। প্রতিদিন বেলের শরবত হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

ইসরাইলে কনসার্ট করে দেয়া হল করোনার টিকা

৪ প্রেমিককে নিয়ে পালালো তরুণী, লটারিতে বেছে নিলেন বর


বেল পেট ঠাণ্ডা রেখে খাবার হজমে অত্যন্ত সহায়তা করে। বেলের শরবত হজমশক্তি বাড়ায় এবং শক্তি বৃদ্ধি করে। বেলের পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আধা পাকা সেদ্ধ বেল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী। 

এছাড়া ভিটামিন সি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যা করলে বাড়বে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা

অনলাইন ডেস্ক

যা করলে বাড়বে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা

বর্তমান সময়ে নারীদের পাশাপাশি পুরুষের বন্ধ্যত্বের সমস্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নিয়ম না মানাসহ বিভিন্ন কারণে এ সমস্যা বাড়ছে।বন্ধ্যত্ব বর্তমানের এক প্রচলিত সমস্যা। ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ ইত্যাদি বন্ধ্যত্বের কারণ। গবেষণায় বলা হয়, কেবল নারী নয়, ৩০ থেকে ৫০ ভাগ পুরুষও বন্ধ্যত্বের জন্য দায়ী। পুরুষের বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধে কিছু পরামর্শ

ওজনের ভারসাম্য রাখা
অতিরিক্ত ওজন শুক্রাণু তৈরিতে সমস্যা করে। বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধে তাই ভারসাম্যপূর্ণ ওজন রাখা জরুরি।

মদপান-ধূমপানের আসক্তি এড়িয়ে চলা
মদপান বা ধূমপান দেহের জৈবিক ক্রিয়াকলাপকে বাধা দেয়। এগুলো আসক্তির পর্যায়ে চলে গেলে বন্ধ্যত্বের সমস্যা হতে পারে।


‘চুম্বন বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যয়নের আগে একান্তে সময় কাটাই’

শেবাগ-শচিনের জুটিই হারিয়ে দিল বাংলাদেশকে

মন্ত্রী ও বিধায়ককে বাদ দিয়ে প্রার্থী চূড়ান্তে মমতার চমক!

শনিবার ঢাকার যে এলাকায় যাবেন না


 

মোবাইল ও ল্যাপটপের রেডিয়েশন থেকে দূরে থাকা
ইলেকট্রনিক গেজেট থেকে কম মাত্রার রেডিয়েশন হয়। এটি শুক্রাণু উৎপাদনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। প্যান্টের পকেটে মোবাইল না রেখে শার্টের পকেটে রাখুন।

পুষ্টিকর খাবার খান
পুষ্টির ঘাটতি, বিশেষ করে জিঙ্ক ও ভিটামিনের ঘাটতি হলে শুক্রাণু তৈরিতে অসুবিধা হয়। স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ ডায়েট মেনে চলুন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।

ব্যায়াম করা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
সংক্রমণ ও প্রদাহ ভালো শুক্রাণু তৈরিতে  বাধা দেয়। ব্যায়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধে নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর