গুণে অতুলনীয় কমলার খোসাও

অনলাইন ডেস্ক

গুণে অতুলনীয় কমলার খোসাও

কমলা একটি অতি পরিচিত ফল। শীতকালেই বেশির ভাগ সময় আমাদের দেশে প্রচুর কমলা পাওয়া যায়। কমলার রসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে কমলা অতুলনীয়। তবে কমলার খোসাতেও রয়েছে প্রচুর উপকারিতা। কলার খোসার এসব উপকারিতা নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন। 

কমলার খোসা ত্বকের নমনীয়তা রক্ষায় অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটা ত্বকের তেলের ভারসম্য ঠিক রাখে, ত্বককে মসৃণ ও নরম করে তোলে। তবে কমলার খোসা সরাসরি ত্বকে কখনো প্রয়োগ করা উচিত নয়। ত্বকের জন্য তাজা কমলার খোসার সঙ্গে ডাল বাটা যোগ করতে হবে। মুসুরের ডাল বেটে নিয়ে এর সঙ্গে কমলার খোসা বাটা ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। 

তারপর এটা নিয়মিত ত্বকে লাগাতে পারলে ত্বক অনেক মসৃণ ও নরম হবে। এতে মুখের দাগও অনায়েসেই দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারে কমলার খোসা। কমলার খোসাতে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনিফ্লামেটরি ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান, যা ব্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

এগুলো মুখের ব্রণের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে থাকে। একটা গোটা কমলার খোসা এক কাপ পানিতে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর এ পানি ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর ফ্রিজ থেকে বের করে পানি মুখ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে ব্রণের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে।

কমলার খোসা রান্নায় ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ ও গন্ধ অনেকটাই বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি কমলা লেবুর খোসায় ভিটামিন সি রয়েছে, তা শরীরে প্রবেশ করে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ করে থাকে। বাড়তি কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করে কেক বিস্কুট ইত্যাদি তৈরির সময় কমলা লেবুর খোসা ব্যবহার করতেই পারেন। 


কানাডার সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় ‘দায়েস বাংলাদেশ’

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌জুমার দিনে ‘সূরা কাহাফ’ তেলাওয়াতের ফজিলত

দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ‌`জুমার’ দিনে যা করবেন

প্রতিদিন সকালে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি


এছাড়াও কমলার খোসা সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করলে একটা অসাধারণ ভিন্ন স্বাদ যোগ হবে। জ্যাম, জেলী তৈরির ক্ষেত্রেও এসব খোসা ব্যবহার করতেই পারেন।

শুকনো কমলার খোসা প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে খুবই উপকারি। কমলার খোসা ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে চেহারায় উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এছাড়াও ব্লাক হেডস ও হোয়াইড হেডস অপসারণের কাজেও কমলার খোসা খুবই উপকারি। কমলার খোসা গুঁড়ো করে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। রাসায়নিক স্ক্রাবারের থেকে অনেক বেশি উপকারি এ কমলার স্ক্রাবার।

ক্ষুধা মন্দা হলে বা পেট খারাপ হলেও কমলার খোসা খুবই উপকারি। একটা কৌটার মধ্যে চিনি নিয়ে এরমধ্যে কমলার খোসা রেখে দিতে হবে। এতে চিনির মধ্যে কমলার গন্ধ আসবে ও স্বাদও অনেকে বেড়ে যাবে। এ চিনি দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার ক্ষুধার উদ্রেক করে, ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে ও পেট খারাপের মতো সমস্যাও কমিয়ে দেয়।

কোনো কারণে চিনি ভিজে গেলে তাতে কিছু শুকনো কমলা লেবুর খোসা রেখে দিতে পারেন। শুকনো কমলার খোসায় রয়েছে আদ্রতা শোষণ করার ক্ষমতা। এটা সহজেই চিনির আদ্রতা শোষণ করে চিনিকে করে তুলবে ঝরঝরে।

বর্ষাকালে চিনিতে ভেজা ভেজা ভাব হলে এটা করে দেখতে পারেন। ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব ও গন্ধ দূর করার কাজেও ব্যবহার করতে পারেন কমলার খোসা।

news24bd.tv/আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সহজেই দূর করুন চোখের নিচের কালি

অনলাইন ডেস্ক

সহজেই দূর করুন চোখের নিচের কালি

চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল এখন খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কম ঘুম,দুঃশ্চিন্তা,পানি কম খাওয়া ইত্যাদি কারণে চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল দেখা দেয়। 

 জেনে নিন চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে সেই টিপসগুলি।

১. ঠাণ্ডা টি ব্যাগ চোখের ওপর রাখলে ডার্ক সার্কলের সমস্যায় ভালো ফল পাবেন। রাতে শোবার আগে অন্তত মিনিট পনেরো নিয়মিত রাখতে হবে।

২. ২টি কটন বল শসার রসে ডুবিয়ে চোখের ওপর অন্তত ১৫ মিনিট রাখুন। এভাবে নিয়মিত শসার রস চোখের ওপর লাগাতে পারলে দ্রুত উপকার পাবেন।

৩. চোখের নিচের কালো দাগ থেকে রেহাই পেতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। বিশেষ করে ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, যার অভাবে চোখের নিচের এই কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল তৈরি হয়।

৪. আলু খোসাসহ বেটে বা পেস্টের মতো করে চোখের ওপরে মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। দ্রুত উপকার পাবেন।

৫. কাজু বাদাম বেটে দুধের সঙ্গে গুলিয়ে, পেস্টের মতো তৈরি করে চোখের চারপাশে লাগাতে পারেন। এতেও উপকার মিলবে।

৬. টমেটো

টমেটো ডার্ক সার্কেল দূর করতে খুবই কার্যকরি। এক চা চামচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এমন দিনে দুইবার করুন। নিয়মিত ব্যাবহারে উপকার পাবেন।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


৭. শসা

শসা ত্বককে হাইড্রেট করে। শসা খেলে কোলাজেন উৎপাদন বেড়ে যায়, যা ত্বকের জন্য জরুরী। এছাড়া শসায় ভিটামিন কে, এ,ই,সি রয়েছে যা রক্তনালীগুলির স্থিতিস্থাপকতা এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

৮. দুধ

ঠাণ্ডা দুধে একটি কটন বল ভিজিয়ে চোখে লাগান। দশ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের ফোলাভাব কমে যাবে এবং কালো দাগ দূর হবে।

৯. বাদাম তেল

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে বাদাম তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে চোখের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চোখের চামড়া টানটান হবে।

১০. তরমুজ

তরমুজ বিটা ক্যারোটিন সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতে সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এতে ৯২ ভাগ পানি রয়েছে যা শরীরকে হাইড্রেট করতে পারে। এছাড়া তরমুজে ভিটামিন এ,বি১, বি৬, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে ত্বকের যত্ন

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ত্বকের যত্ন

লকডাউনের সুবাদে এবার তেমন বাইরে বেরোতে হচ্ছে না বটে, কিন্তু তার জন্য কি আর গরম কমে? বিশেষ করে যাঁদের তেলতেলে ত্বক, গরম আর ঘামের জোড়া ফলায় তাঁদের অবস্থা আরও কাহিল! মুখ তেলতেলে লাগছে, ব্রণ-হোয়াইট হেডস-ব্ল্যাকহেডসের উপদ্রবও শুরু হয়ে গেছে। এখন পার্লার যেহেতু বন্ধ, তাই ফেসিয়াল করে ত্বক তরতাজা করে নেওয়ারও উপায় নেই!

শীতে ত্বকের প্রয়োজন ছিলো প্রচুর পরিমাণে ‘ময়েশ্চারাইজিং’, তবে গরমে ত্বকের যত্ন নিতে অনেক বেশি কুশলী হতে হবে, কারণ সবকিছুই চাইতে সঠিক পরিমাণে। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ।

রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গরমে ত্বক ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে জানা যায়।

‘ক্যারিয়ার অয়েল’ ও ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ গরমকালে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ‘ক্যারিয়ার অয়েল’ বা বাহক তেল ব্যবহারে ত্বক তৈলাক্ত লাগে এবং ত্বকে নানাধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ ত্বকের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই ব্যবহার করতে হবে ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়েল নির্যাস সমৃদ্ধ জেল ভিত্তিক মৃদুমাত্রার ও মানানসই ময়েশ্চারাইজার।

গরমকালে, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে কমপক্ষে এসপিএফ ৪০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ঘামরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি কারণ এতে ত্বক সতেজ থাকবে ও চিটচিটে হবে না। সূর্যালোকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় থাকলে পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। পানিতে নামলে পানিরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং তা বাইরে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগেই মেখে নিতে হবে।  


আইটেম গার্ল জেরিন খান এখন ড. জেরিন খান

রাজধানীর খিলক্ষেতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

সিরাজগঞ্জে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল, বেবি বাম্পের ছবি ভাইরাল


সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরও চাই বাড়তি সচেতনতা। যেমন, বাইরে যাওয়ার সময় স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বকে অল্পতেই রোদেপোড়া ভাব দেখা দেয় তাদের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা উচিত।  

বহুমুখী কাজ করে এমন ফেইসওয়াস খুঁজে বের করতে হবে। আদর্শ ফেইসওয়াস ত্বক থেকে দূষণ, মেইক-আপ এবং রোদেপোড়াভাব দূর করে ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখে ও সতেজ রাখে।

গরমে ত্বকের স্বাভাবিক পরিচর্যা চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ টোনার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ, তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক ও ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। প্রাকৃতিক টোনার যেমন, গোলাপজল বা শশার রস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে।

ব্যাগে সাধারণ ফেইস মিস্ট রাখতে হবে যাতে যেকোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।

সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ঠোঁট শুষ্ক ও পানিশূন্য করে ফেলে। লিপ বাম ব্যবহার ঠোঁটকে সূর্য থেকে রক্ষা করে। সানব্লক সমৃদ্ধ লিপ বাম অথবা প্রাকৃতিক উপাদান যেমন, ‘ক্যারট সিড ওয়েল’, কাঠবাদাম তেল, ‘সিয়া বাটার অয়েল’ ও অন্যান্য উপাদানের মিশ্রণে তৈরি লিপ বাম ব্যবহার করতে পারেন।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়

গরমের দিন মানেই ঘাম বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। যাদের খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকে তাদের অনেক সময়ই জামা ঘামে ভিজে ওঠে। বগল, পিঠ, বুকে এ রকম ঘামে ভেজা ছাপ খুবই অস্বস্তিকর।ঘামের দুর্গন্ধ কাছের মানুষকেও দূরে ঠেলে দেয়। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকা জরুরি।  

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপনি যদি ঘাম ও দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে-  

পানি পান করুন:

গরমকালে প্রচুর পানি পান করা দরকার। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং এভাবে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়া রোধ করে। সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রতিদিন অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন।


ফাবিয়ানা আজিজ পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন ডিএমডি

এবার শাকিবের নায়িকা ভারত বাংলার এই সুন্দরী

গাজী গ্রুপে মার্কেটিং অফিসার পদে চাকরির সুযোগ

সাবেক স্বামীর ৯৭ কোটি টাকার উপহার বিক্রি করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি


সীমিত ক্যাফেইন গ্রহণ:

যখন আপনি কিছুতে মনোযোগ দিতে পারছেন না বা ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ খুব উপকারী। কিন্তু ঘামের ক্ষেত্রে এটি ভালো নয়। ক্যাফেইন হার্ট রেট বাড়ায় এবং ঘামের গ্রন্থিগুলো অতি-সক্রিয় করে। তাই আপনি যদি কম ঘামতে চান, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করুন।

ওজন: ওজন কমান। স্থূল ও আনফিট ব্যক্তিরা সহজেই অল্প পরিশ্রমে ঘেমে ওঠেন। ফিট থাকার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়

চুল কমবেশি সবারই পড়ে। হয়তো কারও কম, কারও বেশি। দিনে ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি হলেই তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার চুল পড়া নিয়ে বেশি চিন্তা করলেও চুল পড়ে বেশি। এই চুল পড়া সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য প্রথমেই জানতে হবে কী কারণে চুল পড়ছে।

কারণটা খুঁজে বের করে, তারপর সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তখন আপনা-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। তবে শুধু তা-ই নয়, চুল পড়া বন্ধ করতে ও চুলের গোড়া মজবুত রাখতে নিয়মিত বেশ কিছু যত্ন নেওয়াও প্রয়োজন।

চুলের যত্ন নিতে গেলেই যে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে কিংবা তা খরচ সাপেক্ষ হবে, তা কিন্তু নয়। কম খরচে, সামান্য কিছু ঘরোয়া জিনিসও হয়ে উঠতে পারে আপনার চুল পরিচর্যার উপকরণ। চলুন জেনে নেয়া যাক চুল পড়া রোধে জাদুর মতো কাজ করে যেসব ঘরোয়া উপকরণ-

আমলকী

আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান, যা চুল পড়া বন্ধ করতে দারুণ কাজ করে। মাথার ত্বক ভালো রাখতে এবং দ্রুত চুল বাড়াতে আমলকীর জুড়ি মেলা ভার।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

এক কাপ নারকেল তেলের মধ্যে ৪ থেকে ৫টি শুকনো আমলকী নিয়ে তা ফুটিয়ে নিন। তেল কালো হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ফোটাতে থাকুন। এরপর তা নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার ওই তেল দিয়ে মাথায় মাসাজ করে ৩০ মিনিট মতো রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু এবং পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ বার এটি ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা যেমন ত্বকের জন্য ভালো, তেমনই চুলের জন্যও উপকারী। এটি চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া মাথার ত্বকের চুলকানি ভাব দূর করে এবং এই ত্বকের স্বাভাবিক পিএইচ-এর মাত্রা সংরক্ষণে সাহায্য করে। আর খুসকি দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

একটি বড় মাপের অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে তার ভেতরের শাঁস বের করে নিন। তারপর ওই শাঁস ভালো করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন এটি ব্যবহার করুন।

মেথি

চুল পড়া আটকাতে মেথি খুব ভালো কাজ করে। এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল এবং লম্বা করতে সাহায্য করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন


সাই পল্লবীর ফাঁস হওয়া ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের


এক কাপ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে তা বেটে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর ওই পেস্ট চুলে এবং মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। পারলে একটা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। টানা ১ মাস সপ্তাহে ২ দিন করে এটি ব্যবহার করলে আপনি পেয়ে যাবেন উজ্জ্বল, ঘন, লম্বা চুল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রসুনের নানা উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

রসুনের নানা উপকারিতা

১৫০০ শতকে চীন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যানসারের চিকিৎসায়। আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা। বলছি, নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ রসুনের কথা। 

১. রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে।

২. টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০–১৫ শতাংশ কমে যায়। তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই।


সাই পল্লবীর ফাঁস হওয়া ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের


৩. বিপাকীয় ক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের ফলে যে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস তৈরি হয় তা হার্ট তথা সমস্ত শরীরের জন্য ক্ষতিকর। রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সেই ক্ষতি খুব ভাল ভাবে ঠেকাতে পারে।

৪. যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন।

৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু।

৬. ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি।

৭. লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে।

 তাই দিনের খাদ্য তালিকায় রসুন রাখা খুবই দরকারি। কাঁচা রোসন খেতে না পারলে তরকারির সাথে আস্ত রসুন দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর