পানির নীচে পৃথিবীর অষ্টম মহাদেশের খোঁজে
পানির নীচে পৃথিবীর অষ্টম মহাদেশের খোঁজে

পানির নীচে পৃথিবীর অষ্টম মহাদেশের খোঁজে

অনলাইন ডেস্ক

জিল্যান্ডিয়া! দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে যার অবস্থান! আর একেই ভূতাত্ত্বিকগণ দাবি করছেন পৃথিবীর অষ্টম মহাদেশ হিসেবে।  

অস্ট্রেলিয়া পূর্বপার্শ্বে সন্ধান পাওয়া পানির নীচে লুকিয়ে থাকা এই বিস্তৃত এলাকায় এই মহাদেশের পানির ওপরে থাকা একমাত্র অংশ নিউজিল্যান্ড। আর আকারে এটি প্রায় ভারতীয় উপমহাদেশের সমান। এ কারণেই বিজ্ঞানীরা এই ‘মহাদেশ’টির নাম দিয়েছেন জিল্যান্ডিয়া।

জিওলজিক্যাল সোসাইটি অব আমেরিকায় প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে বিজ্ঞানীরা বলেন, জিল্যান্ডিয়ার আয়তন ৫০ লাখ বর্গকিলোমিটার, যা পার্শ্ববর্তী অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের সমান। কিন্তু জিল্যান্ডিয়ার প্রায় ৯৪ শতাংশই তলিয়ে আছে সাগরের পানিতে।

আর মহাদেশের স্বীকৃতি পেতে যা যা দরকার, জিল্যান্ডিয়া তার সব কটিই পূরণ করেছে বলেও দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। এখন তাঁরা চেষ্টা করছেন নব আবিষ্কৃত তলিয়ে যাওয়া ভূখণ্ডের জন্য মহাদেশের স্বীকৃতি আদায়ের। স্বীকৃতি পেলে জিল্যান্ডিয়া হবে পৃথিবীর অষ্টম এবং ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।

বিজ্ঞানীদের ভাষ্যমতে, জিল্যান্ডিয়া দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের পানিতে তলিয়ে গেছে। তাই এই মহাদেশের নাম দেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ড ও ইন্ডিয়া দুই দেশ মিলিয়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নিউজিল্যান্ড আসলে এই মহাদেশেরই জেগে থাকা অংশ। বলা যেতে পারে, এই মহাদেশের পর্বতচূড়া।

২০১৭ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ১১ জন ভূতাত্ত্বিকের দীর্ঘ গবেষণার ফলাফল এই যে, জিল্যান্ডিয়াকে একটি মহাদেশ বিবেচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় চারটি বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। অন্যসকল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে এর ভূখন্ডের উচ্চতা মহাসাগরীয় ভূত্বকের তুলনায় উচ্চে অবস্থিত, তাছাড়া এর বৈচিত্র্যময় ভূখন্ডে আগ্নেয়, রূপান্তরিত ও পাললিক শিলার উপস্থিতি একে মহাদেশ হিসেবে বিবেচনায় শক্ত অবস্থানে রেখেছে। জিল্যান্ডিয়ার ভূত্বক, পার্শ্ববর্তী সমুদ্রতলের চেয়ে পুরু, কম ঘন এবং এর এলাকা পর্যাপ্ত যাতে একে মাইক্রো মহাদেশ থেকে আলাদা করেছে।

তবে আপাতত জিল্যান্ডিয়াকে বৃহৎ, সমন্বিত এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা যায় না, যার অর্থ এর মহাদেশ অবস্থা দাবী করতে পারে না। কিন্তু স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবং সমুদ্র তলের মাধ্যাকর্ষণ মানচিত্র ব্যবহার করে সম্প্রতি জিল্যান্ডিয়ার একটি সমন্বিত এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এই ভিত্তিতে ভূতাত্ত্বিকগণ জিল্যান্ডিয়াকে মহাদেশ হিসেবে দাবি করছেন।


রাতের পার্টিতে একান্তে সময় দিতেন নেহা ও তার বান্ধবীরা

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন সেনাপ্রধান

পাষণ্ড মামার ধর্ষণচেষ্টায় তিন বছরের শিশু রক্তাক্ত

ডিজে নেহার খদ্দেরের তালিকায় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরা!


জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা আইন অনুযায়ী, সমুদ্র পার্শ্ববর্তী দেশগুলো তাদের সামরিক সীমার পাশাপাশি ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) পর্যন্ত তার অর্থনৈতিক সীমানা নির্ধারণ করতে পারে। এই হিসেবে মহাদেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেলে নিউজিল্যান্ডের সামুদ্রিক সীমানা প্রায় ছয়গুণ বেড়ে যাবে এবং এই নতুন মহাদেশের খনিজ সম্পদ থেকে শুরু করে এই বিশাল এলাকার বিপুল সম্পদের অধিকার পাবে নিউজিল্যান্ড।

সূত্রঃ বিবিসি

news24bd.tv / নকিব