সিরাজগঞ্জে আলুর বাম্পার ফলনে চাষিরা বেজায় খুশি

অনলাইন ডেস্ক

সিরাজগঞ্জে আলুর বাম্পার ফলনে চাষিরা বেজায় খুশি

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের চলনবিল এলাকার উল্লাপাড়ায় বিস্তৃর্ণ জমিতে আলুর বাম্পার ফলনে চাষিরা বেজায় খুশি। কিন্তু আলু তোলার ভরা মৌসুমে দাম না পেয়ে তারা কিছুটা হতাশ হয়ে পরেছে বলে জানা যায়।

উল্লাপাড়া উপজেলার খাদ্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত চলনবিল অধ্যুষিত এলাকায় হিসেবে রয়েছে ধুনিয়া ইউনিয়ন, পাঙ্গাসী ইউনিয়ন, মোহনপুর ইউনিয়ন। এছাড়াও উপজেলার প্রায় এলাকায় আলুর চাষ হয়ে থাকে। এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে এখন শুরু হয়েছে আলু উত্তোলনের কাজ।

আলুর দাম নিয়ে চাষিরা জানান, আলুর বাম্পার ফলন হওয়া স্বত্বেও দাম কম নয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। যেমন ফলন হয়েছে তেমন যদি বাজারে দাম পেত তাইলে কৃষকরা লাভবান হতো। আলু রোপণের সময় বীজ ক্রয় করা হয়েছে ৪২ টাকা কেজি দরে।

আর সেই আলু বাজারে এখন ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা কেজি, যার ১ মন আলু ৪০০ টাকা থেকে ৪৪০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে কৃষকদের লাভের আশা তো দূরের কথা উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন সেনাপ্রধান

পাষণ্ড মামার ধর্ষণচেষ্টায় তিন বছরের শিশু রক্তাক্ত

ডিজে নেহার খদ্দেরের তালিকায় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরা!


উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি জানান, এ মৌসুমে উপজেলায় ৯৫০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। আবাদ হয়েছে ৯৫০ হেক্টর জমিতে। এবারে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৯ হাজার মেট্রিক টন। প্রতিবছরের চেয়ে এ বছর আলুর ফলন বেশ ভালো হয়েছে। তবে বাজারে এখন দাম কম তাই কৃষকরা কিছুটা হতাশ। 

তিনি আরও জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আলু বাড়িতে মজুদ রাখার নানা পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায় ১৫ দিন থেকে ১ মাসে মধ্যে আলুর দাম বৃদ্ধি হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় রংপুরে আলুর বাম্পার ফলন

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর

রংপুরে আলুর আশানুরূপ উৎপাদন হয়েছে। গেল বছর আলুর দর ভাল থাকায় লাভের আশায় এ বছর আরো বেশি জমিতে আলুর আবাদ করেছে কৃষকরা। তবে ন্যায্যমূল্য পাবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় তারা।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রংপুরে এ বছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। গেল বছর বাজারে আলুর দর ভাল থাকায় আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে কৃষকরা। এ বছরও লাভের আশায় বেশি জমিতে আলুর আবাদ করেছেন তারা।

কৃষকরা জানান, ধারদেনা করে আবাদ করলেও আলুর ন্যায্য দর পাবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় তারা। কারণ এরই মধ্যে কম দামে আলু কিনে মজুদ শুরু করেছেন পাইকাররা । বর্তমানে প্রতিমণ আলু ৩৬০ টাকা থেকে ৩৮০ টাকায়  কিনছেন পাইকাররা। এ অবস্থা চলতে থাকলে পুঁজি হারিয়ে পথে বসবেন তারা।


হুইল চেয়ারে বসেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রায় জাফরুল্লাহ

পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি তৃণমূল নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছে: কাদের

দেশের থানাগুলোতে ২৬ হাজার ৬৯৫টি ধর্ষণ মামলা চলমান

পুলিশ হেফাজতে আইনজীবীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ


এদিকে খুচরা বাজারেও প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে ।  এতেও হতাশ প্রান্তিক কৃষকরা।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এ জেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে  আলু উৎপাদন হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, রংপুরে  ৫৩ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশি শক্তিশালী হবে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশি শক্তিশালী হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশি শক্তিশালী হবে। আমি মনে করি- আমরা যা হারাবো, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি পাবো। আমাদের শক্তি আরো অনেক বেশি বাড়বে। অর্থনীতিতে আমরা আরো শক্তিশালী হবো। দিন দিন আমাদের অবস্থা আরো সুদৃঢ় হবে।

বুধবার অনলাইনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।


এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থা সংকটপূর্ণ

পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য


তিনি বলেন, এতদিন আমরা ছিলাম স্বল্পোন্নত দেশ। এখন চলে আসছি উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। জাতি হিসেবে আমরা গৌরবান্বিত। এই অর্জনে এ দেশের সব মানুষের অবদান আছে।

২৪ সালের পরিবর্তে ২৬ সালে নিয়ে গেছে ইউএনসিডিপি। সরকারি প্রস্তাবনায় এটা করা হয়েছে। আমরা কেন বাড়তি দুই বছর সময় নিলাম। অনেক কষ্ট করে একটা দেশ গ্রাজুয়েশন করে। গ্রাজুয়েশনের পর একটা দেশের সব সুযোগ-সুবিধাগুলো যদি কেড়ে নেয়া হয়। তাহলে আবার সে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে। আরো এগিয়ে যাওয়ার জন্য সুযোগ-সুবিধাগুলো অব্যাহত রাখতে একটা বাড়তি সময় দেয়া উচিত।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্বর্ণের দাম আরও কমল

অনলাইন ডেস্ক

স্বর্ণের দাম আরও কমল

স্ব‌র্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সে মোতাবেক বুধবার (৩ মার্চ) থেকে ভরিতে ১ হাজার ৫১৬ টাকা ক‌মি‌য়ে স্বর্ণের নতুন দর কার্যকর করা হয়েছে।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


মঙ্গলবার (২ মার্চ) বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩ মার্চ থেকে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা ক‌মি‌য়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ হাজার ১৫১ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৮ হাজার ১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৫৯ হাজার ২৫২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৯৩১ টাকা নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের দাম

অনলাইন ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে খাদ্যদ্রব্যের দাম। পরিস্থিতি আগামীতে আরো খারাপ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।   

যুক্তরাষ্ট্রে গেল বছরে খাবারের দাম ৩ শতাংশের কাছাকাছি বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক হারের দ্বিগুণ হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আমেরিকানরা এরই মধ্যে তাদের আয়ের ৩৬ শতাংশ খাবারের জন্য ব্যয় করছে। মহামারীর কারণে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়ায় গত বছর যুক্তরাজ্যে বিশেষ প্রচারে মুদি সামগ্রী বিক্রি ২০ শতাংশ কমে গেছে। 


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


মহামারী পরবর্তী খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি নতুন সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। এছাড়া মহামারীজনিত ব্যাঘাত এবং ক্রমবর্ধমান পরিবহন ও প্যাকেজিংয়ের চাপে প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন মূল্যবৃদ্ধির পথে হাঁটছে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

দেশীয় বাজারে সিমেন্টের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কাঁচামালের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন সিমেন্ট উৎপাদকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ক্লিংকার প্রস্তুতে ব্যবহৃত জ্বালানি কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্লিংকারের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। চীন হঠাৎ করে কয়লার আমদানি বৃদ্ধি করায় দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। উৎপাদন পর্যায়ে আগে যেখানে প্রতি টন কয়লার মূল্য ছিল ৪০ থেকে ৪২ মার্কিন ডলার, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ ডলারে। সিমেন্টের অন্যতম কাঁচামাল ক্লিংকারের দাম বাড়ছেই। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ক্লিংকারের দাম ৪২ ডলার থেকে বেড়ে ৫৪ ডলার হয়েছে। অন্যান্য কাঁচামালেও প্রতি টনে ৩ থেকে ৪ ডলার দাম বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে সিমেন্ট শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিসিএমএ সভাপতি ও ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনা-পরবর্তীতে পশ্চিমা দেশগুলোতে পুরোদমে অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও               এশিয়া অঞ্চলে নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ করোনাকালীন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনের মূল কাঁচামাল উৎপাদন কাক্সিক্ষত অনুযায়ী হয়নি। যার ফলে চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে কোনো কোনো দেশের প্রয়োজনীয় গুরুত্ব বিবেচনায় বেশি দামে নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামাল এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রী ক্রয় করছে। তিনি আরও বলেন, সিমেন্ট এবং স্টিলের মতো অতি প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামালের উৎস বাংলাদেশে নেই। তাই শতভাগ বৈদেশিক নির্ভরশীলতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে উঠানামার ওপরেই এ দেশে নির্মাণসামগ্রীর মূল্য নির্ভরশীল। তিনি আরও বলেন, চীন এবং ভিয়েতনামেও ব্যাপক উন্নয়নের ফলে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে কাঁচামাল আমদানির যে সোর্সিংগুলো রয়েছে সেগুলোও চীন এবং ভিয়েতনামের ক্রয় নিয়ন্ত্রণেই বেশি কাজ করছে। সূত্র বলছে, বাংলাদেশে সিমেন্ট তৈরির যে কয়টি মূল কাঁচামাল রয়েছে তার সবই আমদানিনির্ভর এবং এরমধ্যে ক্লিংকার অন্যতম। করোনা-পরবর্তী সময় অনেক দেশেই আবার নতুন করে উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাপক হারে শুরু হয়েছে। তাই গত কয়েক মাসে নির্মাণসামগ্রীর বিশ্বব্যাপী চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশে সিমেন্ট খাতের যে মূল কয়টি কাঁচামাল রয়েছে তার সবকটিই আমদানিনির্ভর। সেে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বাজারে তৈরি পণ্যের মূল্য পরিবর্তনের সমূহ সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশে সক্রিয় সিমেন্ট উৎপাদন কারখানা রয়েছে ৩৫টি। সারা দেশে সিমেন্টের চাহিদা ৩৫ মিলিয়ন টন হলেও কারখানাগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ৮০ মিলিয়ন টন। আগামী তিন বছরে সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা আরও ১১ মিলিয়ন টন যুক্ত হবে। দেশে সিমেন্টের বার্ষিক চাহিদা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টন। এ খাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে সরকারি কোষাগার প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্বও পায়। পাশাপাশি সরকার সিমেন্ট কোম্পানিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ আয়করও পেয়ে থাকে। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন। বিসিএমএ সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া, অসমন্বয়যোগ্য অগ্রিম আয়কর, তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে সিমেন্টের নিম্নমুখী দামের প্রবণতা এবং নদীপথে ও সড়কপথে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রায় সব সিমেন্ট কোম্পানি ক্ষতির সম্মুখীন। খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত সিমেন্ট খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

সূত্র- বিডি প্রতিদিন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর