ত্বকের যত্নে গোলাপজল

অনলাইন ডেস্ক

ত্বকের যত্নে গোলাপজল

সৌন্দর্যের সঙ্গে গোলাপের সম্পর্ক বরাবরই নিবিড়! আর এই গরমে নিমেষে তরতাজা হয়ে উঠতে গোলাপজলের এক ঝলক হালকা মিষ্টি সুগন্ধই যথেষ্ট! চুল ও ত্বকের যত্নে গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন। এতে থাকা ভিটামিন, প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জ্বল বাড়ায়, চুল ভালো রাখে।

গোলাপজল ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। প্রাচীনকাল থেকেই সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গোলাপজলের ব্যবহার হয়ে আসছে। সব রকমের ত্বকের জন্যই উপকারী প্রাকৃতিক এই উপাদান। সব ধরনের ত্বকের সমস্যা সমাধানে, ত্বককে সিক্ত (হাইড্রেট), নরম এবং মসৃণ রাখতে সাহায্য করে গোলাপজল।

ত্বক পরিস্কারের জন্য গোলাপজলের থেকে ভালো কিছু আর নেই। গোলাপজল শুধু ত্বক পরিস্কারই করে না, ত্বকের পিএইচ লেভেল বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তার জন্য তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে দিনে দুবার লাগান। প্রত্যেকদিন গোলাপজল ব্যবহার করলে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস নিমেষে ভ্যানিশ হয়ে যাবে।

৬ চামচ গোলাপজলের সঙ্গে ২ চামচ নারকেল তেল এবং ২ চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে প্রত্যেকদিন ২ বার করে ব্যবহার করুন। ময়শ্চারাইজারের কাজ করবে।


‘যুক্তরাষ্ট্রের ৪২ বছরের ব্যর্থ নীতি পরিহারের সময় এসেছে’

কক্সবাজারে ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

এখনই বাড়ছে না স্বর্ণের দাম

মেস থেকে শাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার


মেকআপ তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন গোলাপজল। অন্যান্য মেকআপ তোলার প্রসাধনীতে অ্যালকোহল জাতীয় এমন কিছু পদার্থ থাকে, যা ত্বককে শুষ্ক করে দেয়। তাই মেকআপ তোলার জন্য আদর্শ হল গোলাপজল। দু চামচ গোলাপ পানির সঙ্গে এক চামচ আমন্ডের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। মেকআপ তোলার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে ময়শ্চারাইজও করবে এই মিশ্রণ।

অনেকেরই চোখের নিচের অংশ ফোলা থাকার সমস্যা দেখা দেয়। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তুলোয় অল্প করে গোলাপজল নিন। আর গোটা মুখে ভালো করে লাগিয়ে দিন। মিনিটের মধ্যে দেখবেন চোখ মুখের ফোলাভাব ভ্যানিশ।

ত্বকের অ্যালার্জি বা যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গোলাপজলের সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতার গুঁড়ো মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কপালের বলিরেখা দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

কপালের বলিরেখা দূর করার টিপস

কপালের যে ভাঁজ দেখা যায় তাই-ই মূলত কপালের বলিরেখা। ত্বকের বয়স হয়েছে তার প্রকাশ এটি। এছাড়া আরও কিছু কারণ রয়েছে। অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে ঘোরাঘুরি, ফেসিয়াল মুভমেন্ট, বয়স এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলস। কপালে বলিরেখা পরার নির্দিষ্ট বয়স নেই। ২০ বছরের বয়সেও বলিরেখা পড়তে পারে আবার ৫০ বছর বয়সেও বলিরেখা মুক্ত থাকতে পারেন। বলিরেখা মূলত জীবনযাপন, খাওয়া-দাওয়া, ত্বকের যতেœর ওপর নির্ভর করে।

দূর করার কিছু পদ্ধতি:

ক্যাস্টর অয়েল :  কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল আঙুলে নিয়ে কপালে বলিরেখার ওপর ম্যাসাজ করুন। এটি সারা রাত রেখে দিন। সকালে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ক্যাস্টর অয়েলে রিসিনোলিক অ্যাসিড ত্বক কন্ডিশনিং করে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

লেবুর রস : প্রাকৃতিক ব্লিচিং লেবুর রস ত্বকের দাগ দূর করার সঙ্গে সঙ্গে কপালের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করবে। তুলার বল লেবুর রসে ভিজিয়ে বলিরেখার ওপর ম্যাসাজ করতে থাকুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেনসিটিভ ত্বক যাদের তারা লেবুর রস সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করবেন না। সমপরিমাণ লেবুর রস এবং পানি একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।


জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে আরও এক মামলা


খাঁটি নারকেল তেল : কপালের বলিরেখা দূর করে নারকেল তেল। কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল নিয়ে কপালে বলিরেখার জায়গায় আস্তে আস্তে মিশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ম্যাসাজ করতে থাকুন।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে করুন। নারকেল তেলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের র‌্যাডিকেল দূর করতে সাহায্য করে। ফ্রি র‌্যাডিকেল ত্বকের বলিরেখা তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

জোজোবা অয়েল : জোজোবা অয়েল ত্বকের অ্যাসেনশিয়াল উপাদান। কয়েক ফোঁটা জোজোবা অয়েল আঙুলে নিয়ে কপালে ম্যাসাজ করুন। ওপর থেকে নিচের দিকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করুন। জোজোবা অয়েলে আছে ভিটামিন ই, যা ত্বক থেকে বয়সের ছাপ কমিয়ে দিয়ে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

অ্যালোভেরা জেল : কপালের বলিরেখা দূরীকরণে দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং একটি ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাকটি বলিরেখায় ব্যবহার করুন।

১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা জেল এবং ডিমের সাদা অংশ ভিটামিন ই-এর অন্যতম উৎস। অ্যালোভেরা জেলের ম্যালিক অ্যাসিড ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চুল পড়া বন্ধে অ্যালোভেরার ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক

চুল পড়া বন্ধে অ্যালোভেরার ব্যবহার

চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী অ্যালোভেরা জেল। অ্যালোভেরা হচ্ছে বাংলায় ঘৃতকুমারী। চুল পড়া বন্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেল।

যেভাবে ব্যবহার করবেন অ্যালোভেরা:

গোসলের আধা ঘণ্টা আগে সরাসরি চুলের গোড়ায় লাগান এটি। শ্যাম্পু শেষে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরার একটি পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে ব্লেন্ড করুন স্প্রে বোতলে পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন এই জেল। বাইরে বের হওয়ার আগে এটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত স্প্রে করুন। চুল হবে ঝলমলে।

১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস ও আধা কাপ নারিকেল তেল মেশান। মৃদু আঁচে ১৫ মিনিট গরম করুন মিশ্রণটি। ভেজা চুলে চক্রাকারে ম্যাসাজ করুন এটি। সারারাত রেখে পরদিন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।


১৪ এপ্রিল থেকে লকডাউন, জরুরি সেবার প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৭৪৬২

দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারে ভেসে এলো দুই টনেরও বেশি ওজনের মরা তিমি


রাতে ঘুমানোর আগে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন। পরদিন সকালে ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আধা কাপ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মেশান। মিশ্রণটি মৃদু আঁচে গরম করে নিন। ঠাণ্ডা হলে তুলার বল ডুবিয়ে মাথার তালু ও চুলে লাগান। চুল হালকা করে খোঁপা করে শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ৪০ মিনিট পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তরমুজ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

অনলাইন ডেস্ক

তরমুজ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই পানি। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে। প্রচণ্ড এই গরমে বাজার এখন তরমুজে ভরপুর। অনেক তরমুজ থেকে সেরা তরমুজটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন কাজ। ভালো তরমুজ খুঁজে বের করতে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে আমরা আজ সে বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করবো। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই: 

তরমুজ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন:

১। হলুদাভ ফিল্ড স্পট আছে এমন তরমুজ কিনবেন। ছোট হোক কিংবা বড়, আকার অনুযায়ী তরমুজ ভারি হওয়া চাই। ভারি হওয়া মানে রসে টইটম্বুর ফলটি।

২। ডেনসিটি বেশি মানে সাইজের তুলনায় ওজন বেশি এমন তরমুজ কিনবেন। তরমুজের একটা অংশ মাটির সংস্পর্শে থাকে। সেই অংশ যদি গাঢ় হলুদ হয়, তবে বুঝবেন তরমুজ পাকা।

৩। তরমুজের গায়ে বাদামী বর্ণের জালিকা থাকলে কিনবেন।

৪। খুব বড় বা অতিরিক্ত ছোট নয়, মাঝারি সাইজের তরমুজ কিনলেই ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

৫। তরমুজের বোঁটা শুকনা হলে বুঝবেন এটি পাকা। বোঁটা তাজা ও সবুজ হলে এটি পাকার আগেই তুলে আনা হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গৃহস্থালি কাজে কলার খোসার ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক

গৃহস্থালি কাজে কলার খোসার ব্যবহার

কলা খাওয়ার পর এর খোসাকে আমরা ফেলে দেই। কিন্তু আপনি কি জানেন এই ফলের খোসা গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করা যায়। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

মাংস নরমের কাজে:

মাংস রান্নার আগে কলার খোসার কুচি দিয়ে আধা ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। মাংস নরম হয়ে যাবে দ্রুত।

জুতা চকচকে:

জুতা পালিশ করতেও দারুণ কাজে আসে কলার খোসা। এক টুকরো কলার খোসা চামড়ার জুতার ওপর ভালো করে ঘষুন। চকচকে হবে জুতা।


মামুনুল হক সম্পর্কে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একদিনে ঝরল আরও ৫২ প্রাণ

দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড গড়ল করোনা

দেশে ফের করোনা শনাক্তের রেকর্ড


রূপার গয়না চকচকে:

অনেকদিন ধরে রূপার গয়না অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তা ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে ফেলে। কলার খোসা পেস্ট করে খানিকটা পানি মিশিয়ে পাতলা করে নিন। মিশ্রণটি দিয়ে গয়না পরিষ্কার করে নিন। আগের মতো চকচকে হয়ে যাবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওজন কমাতে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন এই পাঁচ রকমের বাদাম

অনলাইন ডেস্ক

ওজন কমাতে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন এই পাঁচ রকমের বাদাম

অতিরিক্ত ওজন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। অতিরিক্ত ওজন শারীরিক সৌন্দর্য নষ্ট করে ও শরীরের বিভিন্ন রোগও বাসা বাঁধে। তাই সুস্থ থাকতে হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। 

ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারে দিকে নজর দেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাড়তি ওজন কমাতে আমরা কত কিছুই না করি। দ্রুত ওজন কমাতে ডায়েটে রাখুন পাঁচ রকমের বাদাম।  

১) চীনাবাদাম: ক্ষুধা পেলে একমুঠো চিনেবাদাম খেয়ে নিতে পারেন। এতে শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাবে, ক্ষুধাও কমবে।

২) কাজু বাদাম: কাজু বাদামে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কম থাকলেও এতে কপার, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাই ওজন কমাতে কাজু বাদাম খান।

৩) আমন্ড: আমন্ডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা আপনার খাওয়ার ইচ্ছা বা ক্ষুধার বোধ কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে তালিকায় রাখুন আমন্ড।  


মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে মানতে হবে যে নির্দেশনা

দুই রমণীই মামুনুলকে প্রভু মানে

বাংলাদেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য ফাঁস!

লকডাউন কি বাড়বে?


৪) আখরোট: প্রতিদিন সকালে একমুঠো আখরোট নিয়মিত খেতে পারলে ভাল থাকবে স্বাস্থ্য, সেই সঙ্গে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমবে অনেকটাই।

৫) পেস্তা বাদাম: ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন বি৬ ও পটাশিয়াম থাকার কারণে পেস্তা পুষ্টিগুণে ভরপুর এক খাবার। পেস্তার মধ্যে থাকে দুটি প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল ও টোকোফেরল। অন্যান্য বাদামের তুলনায় পেস্তায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মাত্রা বেশি থাকায় দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতেও উপকারি পেস্তা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর