তরুণ-তরুণীদের মিলিত হতে সুযোগ করে দিতেন নেহা

অনলাইন ডেস্ক

তরুণ-তরুণীদের মিলিত হতে সুযোগ করে দিতেন নেহা

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নতুন তথ্য দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া তরুণী ফারহানা জামান নেহা। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করতে ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে পুলিশ।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন নেহা। তার তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার রহস্য বেরিয়ে আসবে।  তবে নেহা কীভাবে নানা অনৈতিকভাবে কাজ করতেন, তার সঙ্গে কার সম্পর্ক, ডিজে পার্টি ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। এসব তথ্য নিয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।

আরও পড়ুন:


ভূতের ভয় দেখিয়ে ২ শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করল কবিরাজ

বুকে পবিত্র কোরআন শরীফ চেপে ধরে ধর্ষণ থেকে রক্ষা পান গৃহবধূ

১১, ১৩, ১৪, ১৬ ও ১৭ বছরের ৫ মৃত কিশোরীকে ধর্ষণ করে মুন্না

‘করোনায় আক্রান্ত’ বলে ধর্ষণ থেকে বাঁচলেন তরুণী

‌‘বাড়ি চলে যান, নইলে অ্যাকশন’, বিক্ষোভকারীদের মিয়ানমারের সেনাবাহিনী


সূত্র জানায়, রিমান্ডে নেহা পুলিশকে তথ্য দিয়েছেন, ওয়েস্টার্ন দামি ড্রেস পড়ে ক্লাবে যেতেন তিনি।  ব্যবহার করতেন দামি ব্র্যান্ডের সব মেকআপ। রূপের ঝলক দেখিয়ে আয়োজন করতেন ডিজে পার্টি।  সেই পার্টিতে নিয়ে আসা হতো ধনী পরিবারের সন্তানদের।  সেখান থেকে অনৈতিক কার্যকলাপও চলতো।  এটাই ছিল নেহার আয়ের উৎস।  ভালো লাগা তরুণ-তরুণীদের একান্তে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ঢাকা ও ঢাকার বাইরের একাধিক আবাসিক হোটেল এবং রিসোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

কোমলপানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মাকে অচেতন করে অস্ত্রের মুখে মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের এ ঘটনা এখন টপ অফ দ্যা কান্টি। ওই ছাত্রী প্রায় দুই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে।

এ ঘটনায় নোয়াখালী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা করা হয়েছে।

আসামিরা হলো- বেগমগঞ্জে উপজেলার আলাইয়ারপুরে হীরাপুর গ্রামের  রাসেল (২৫), জোবায়ের (২৪), সাইফুল ইসলাম ইমন (২২) এবং ফয়সাল নামের ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর মা।

বৃহস্পতিবার রাতে বেগমগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে গ্রেপ্তার করেছে।

ওই ছাত্রীর মা সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সাল থেকে একই এলাকার ইমন, রাসেল আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে।

ঘটনার ব্যাপারে বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার জানান, রাতেই ইমন ও ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, ‘এরপর একদিন রাসেল ও ইমন আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে কৌশলে কোমলপানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমাকে অচেতন করে অস্ত্রের মুখে মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে এক দোকানিকে ডেকে এনে জোর করে মেয়ের সঙ্গে দাঁড় করিয়ে উভয়কে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে তারা।

‌ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘পরে ওই ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে টাকা, স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় এবং একাধিকবার তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বাধ্য হয়ে মেয়েকে বিয়ে দিয়েও রেহাই পাইনি। বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে  তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘর থেকে ৫০ হাজার টাকা, ১ ভরি স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায়। এরপর থেকেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা নিতে থাকে।’

তিনি বলেন, দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খোলেননি। এবার থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাননি। বর্তমানে তারা অসহায় হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাহায্যে পুনরায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

ছাত্রী মা বলেন, ‘বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে তুলে নিয়ে যায়। উঠিয়ে নেওয়ার তিন মাস পরে রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিরপুরের একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে আনি। এ ঘটনার ১৫ দিন পর রাসেল পুনরায় মেয়েকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। ১০ দিন পর আবারও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মেয়ে নিয়ে আসি।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ গত ২৪ ডিসেম্বর রাসেল আবার আমার মেয়েকে নিয়ে যায়। এখনো সে কোথায় আছে, কীভাবে আছে জানি না। গত সপ্তাহে রাসেল প্রস্তাব দিয়েছে এবার ১ লাখ টাকা দিতে। টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘মেয়ের সন্ধান চাইলে ইমন আমাকে তার সঙ্গে এক রাত কাটানোর প্রস্তাব দেয়। সে বলে তার সঙ্গে রাত কাটালে আমাকে মেয়ের সন্ধান দেবে।’

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল কাদের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান।

গত বছরের অক্টোবর মাসে মেয়ের মা তাকে বিষয়টি জানান। সর্বশেষ দুই মাস ধরে মেয়েটি নিখোঁজ রয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘এরা সবাই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে ওই মেয়ের বিষয়ে আমি কিছুই শুনিনি। তবে পূর্বের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতাম।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার

কাশিমপুর কারাগারে লেখক মুসতাকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

কাশিমপুর কারাগারে লেখক মুসতাকের মৃত্যু

‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার ‌লেখক মুসতাক আহমেদ মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কাশিমপুর কারাগারে মারা যান তিনি।

র‌্যাবের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার মুসতাক আহমেদ গত বছরের মে মাস থেকে কারাবন্দী ছিলেন।

কারা সূত্র জানিয়েছে, মুসতাকে কারাগারে মাথা ঘুরে পড়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


মুসতাক আহমেদের মৃত্যুর ব্যাপারে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোহাম্মদ শরীফ জানান, কাশিমপুর কারাগার থেকে ওই বন্দিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে।

সূত্র জানায়, গত ১১ জানুয়ারি ডিজিটাল‌ নিরাপত্তা আইনের মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুস্তাক আহমেদ ও রাষ্ট্রচিন্তার কর্মী দিদারুল ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

গত বছরের মে মাসে রমনা থানায় মুসতাকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে র‌্যাব তিনটি মামলা করে।

তাঁদের বিরুদ্ধে যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে জাতির জনক, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহামারি করোনাভাইরাস সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সম্পদের মিথ্যা তথ্য দেয়ায়

এসআইর ৬ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

এসআইর ৬ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সিরাজগঞ্জ সদর থানার চাকরিচ্যুত এসআই আব্দুল জলিলের ৬ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। 

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।

আদালতের পেশকার মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আব্দুল জলিলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বিচারক। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬(২) ধারায় ৩ বছর এবং ২৭(১) ধারায় ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। তবে ২ ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


দুদকের নোটিশের জবাবে আব্দুল জলিল ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ২৩২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। তবে দুদক তদন্তে তার অর্জিত সম্পদ পায় ২৭ লাখ ৭০ হাজার ৮৩২ টাকার। এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর রমনা থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। 

২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বর জলিলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। মামলায় ৮ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ৪ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। অন্যদের হদিস নেই।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ব্যবসায়ী হত্যার দায়ে কর্মচারির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে ব্যবসায়ী হত্যার দায়ে কর্মচারির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ২০১৯ সালে  শহিদুল ইসলাম শিপন নামে এক ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে কর্মচারি মো. ইমন নামে এক আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। 

বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন। 

এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. ইমন আদালতের ডকে উপস্থিত ছিলেন । তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানাধীন পানাহার গ্রামের মো. আল আমিন মিয়ার ছেলে। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, মো. ইমন নিহত শহিদুল ইসলাম শিপনের স্থানীয় রমনির হাট বাজারে ‘মায়ের দোয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারি ছিলেন। ব্যবসায়ী শিপন ও তার কর্মচারি ইমন বেশিরভাগ সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই রাত্রিযাপন করতেন। 


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


২০১৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের মতো ব্যবসায়ী শিপন ও কর্মচারি ইমন প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। রাতে ইমন হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে ব্যবসায়ী শিপনকে হত্যা করে তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে এবং মোটরসাইকেলটি কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করে। 

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী শিপনের বড় ভাই তৌহিদুল ইসলাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালত এ পর্যন্ত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ শেষে আসামি মো. ইমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকালে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডদেশও দেয়া হয়। আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, পাবলিক প্রশিকিউটর গুলজার আহমেদ জুয়েল। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খুলনায় হেরোইন পাচার মামলায় যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

খুলনায় হেরোইন পাচার মামলায় যাবজ্জীবন

খুলনায় হেরোইন পাচার মামলায় রিপন শেখ নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। 

একই মামলায় অপর দুই আসামি শাহিন মোড়ল ও মহিউদ্দিনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রায় ঘোষণাকালে আসামি রিপন শেখ ও মহিউদ্দিন মোল্লা পলাতক ছিলেন।


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল ডুমুরিয়ার চুকনগর বাজার থেকে ৪৫ গ্রাম হেরোইনসহ রিপন শেখসহ ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি মো. অহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ডুমুরিয়া থানার এসআই মো. আশিকুল আলম তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর