সু চির দলীয় কার্যালয়ে সেনাবাহিনীর তল্লাশি ও ভাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক

সু চির দলীয় কার্যালয়ে সেনাবাহিনীর তল্লাশি ও ভাঙচুর

মিয়ানমারে অং সান সুচির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) কার্যালয়ে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ব্যাপক তল্লাশি ও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেছে দলটি। অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে আন্দোলনের মধ্যেই এনএলডি দফতরে হামলার ঘটনা ঘটল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তল্লাশি চালানোর পর কার্যালয় গুড়িয়ে দেয়া হয়। এনএলডির অভিযোগ- মঙ্গলবার রাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দরজা ভেঙ্গে এনএলডির সদর দফতরে প্রবেশ করে। তবে সেসময় দলের কোনো নেতাকর্মী কার্যালয়ে ছিলেন না।

দলের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে জানানো হয়, ‘সামরিক স্বৈরাচার সাড়ে ৯টার দিকে এনএলডি সদর দফতরে তল্লাশি ও তছনছ করেছে।’ তবে আর বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

বিবিসি জানিয়েছে, সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে কারফিউ চলছে। রাত ৮টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত কারফিউ কার্যকর থাকে। সে সময়ে এনএলডি কার্যালয়ে তল্লাশি করা হয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নিজের ৭ কোটি টাকা বেতন কমিয়ে বৃদ্ধি করলেন কর্মীদের বেতন

অনলাইন ডেস্ক

নিজের ৭ কোটি টাকা বেতন কমিয়ে বৃদ্ধি করলেন কর্মীদের বেতন

এমন নজির সত্যিই বিরল। কারণ কর্মীরা সব কিছু করতে পারে কিন্তু বেতন নিয়ে কোন ছাড় দেয় না কেউ। অফিসের সকল নিয়ম অনিয়ম মেনে নিলেও একজন কর্মীর অভিযোগের শেষ নেই। কিন্তু এমন একটি সংস্থা রয়েছে যেখানে না চাইতেই এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও কর্মীদের বিপুল পরিমাণ বেতন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কর্মীদের বেতন বাড়াতে গিয়ে নিজের বেতন কমিয়ে দিয়েছেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও! সংস্থা থেকে প্রতি বছরে কর্মচারীদের সমান বেতন নিচ্ছেন তিনিও!

সংস্থাটির নাম গ্রাভিটি পেমেন্টস। আর কর্মীবান্ধব এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সারাবিশ্বের নজরে এসেছেন সংস্থার সিইও ড্যান প্রাইস। মাত্র ১৯ বছর বয়সে গ্রাভিটি পেমেন্টস সংস্থা চালু করেন তিনি। তখন তিনি কলেজে পড়েন। একটি ঘর থেকেই শুরু হয়েছিল গ্রাভিটি পেমেন্টসের যাত্রা।

গ্রাভিটি পেমেন্টস একটি ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং সংস্থা। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটনের বালার্ডে। ২০০৪ সালে ড্যান প্রাইস এবং তাঁর ভাই লুকাস সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় ক্রেডিট কার্ড সংস্থায় পরিণত হয় এটি। সংস্থাটির গ্রাহকের সংখ্যা এখন ১৫ হাজারেরও বেশি।

শ’দুয়েক কর্মী কাজ করেন এই সংস্থায়। ২০১৫ সালে ছোট্ট এই সংস্থাটি সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যখন এর সিইও ড্যান তাঁর সংস্থার প্রত্যেক কর্মীর বেতন অন্তত ৭০ হাজার ডলার করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ২০১৯ সালে প্রত্যেক কর্মীর বেতন ১০ হাজার ডলার বাড়িয়ে দেন তিনি। প্রতি বছরই এ ভাবে বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মীদের।

আরও পড়ুন:


‘ফ্রান্সের অস্ত্র বিক্রির কারণে বিপর্যস্ত ইয়েমেন’

বরিশালে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া কাল

কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনায় টরন্টো সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতিবাদ


কঠিন সময়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির আবহে যাতে কোনও কর্মচারীকেই সমস্যায় না পড়তে হয় তার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিইও ড্যান। ড্যান আগের বছরে সংস্থা থেকে ১০ লক্ষ ডলার বেতন নিতেন। এখন তিনি বছরে মাত্র ৭০ হাজার ডলার বেতন নেন। অর্থাৎ ৯ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার।

ড্যানের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি সংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা এবং তাঁর ভাই লুকাস। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে আইনি লড়াইও চলেছে। তবে দু’ভাইয়ের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও এই সিদ্ধান্তে আখেরে সংস্থার লাভ হয়েছে অনেকটাই। ২০১৪ সালে যা লাভ করছিল সংস্থাটি ওই ঘোষণার পর তা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

২০২০ সালে মহামারির প্রভাব পড়ার আগে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৪০ লাখ ডলার আয় করেছিল সংস্থাটি। ড্যানের এখন বয়স ৩৬ বছর। ৩১ বছরেই ড্যান কোটিপতি হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, যে সমস্ত ধনকুবের নিজেদের আয়ের সামান্য অংশ দান করেন বা হয়তো নিজের নামে কোনও হাসপাতাল বানান, বেশির ভাগই কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এমন করে থাকেন। তিনি যে সে পথে হাঁটেত নারাজ তা-ও জানান তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘ফ্রান্সের অস্ত্র বিক্রির কারণে বিপর্যস্ত ইয়েমেন’

অনলাইন ডেস্ক

‘ফ্রান্সের অস্ত্র বিক্রির কারণে বিপর্যস্ত ইয়েমেন’

ফ্রান্স এবং তার মিত্র দেশগুলো সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার কারণে ইয়েমেন এখন বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক সংকটাপন্ন ও বিপর্যস্ত একটি জনপদে পরিণত হয়েছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের ইরানি মিশনে নিযুক্ত মানবাধিকার বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সাদাতি নেজাদ গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা বলেছেন। এ কূটনীতিক বলেন, ইয়ামানের এই বিপর্যয়ের জন্য যারা দায়ী তাদের মুখে নীতি-নৈতিকতার কথা মানায় না।

এর আগে গত বুধবার ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লা দ্রিয়াঁ মানবাধিকার পরিষদে দেয়া বক্তৃতায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইরানকে অভিযুক্ত করেছেন। ইরানে আটক ফ্রান্সের দ্বৈত নাগরিক ফারিবা আদেলখার মুক্তিও দাবি করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:


বরিশালে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া কাল

কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনায় টরন্টো সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতিবাদ

কানাডা ইমিগ্রেশনের মনগড়া তথ্য দিয়ে প্রতারণা, সতর্কতার পরামর্শ


২০১৯ সালে ৬০ বছর বয়সী আদেলখাকে ইরানে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে আটক করা হয়। ফ্রান্সের অভিযোগ নাকচ করে ইরানের কূটনীতিক মোহাম্মদ সাদাতি বলেন, মানবাধিকার ইস্যুতে ফ্রান্স এমন কোনো অবস্থান নেই যে, তারা ইরানের সমালোচনা করতে পারে। আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স এবং জার্মানি ইয়েমেনকে বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক বিপর্যয়ের দেশে পরিণত করেছে। তারা সেখানে রীতিমতো যুদ্ধাপরাধ করেছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইন্দোনেশিয়ায় স্বর্ণখনিতে ধ্বস, নিহত ৬

অনলাইন ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ায় স্বর্ণখনিতে ধ্বস, নিহত ৬

ইন্দোনেশিয়ার সুলাওসি দ্বীপের একটি ‘অবৈধ’ স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ ধ্বসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া ধ্বংস্তুপ থেকে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

গত বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবৈধ খনি ধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। গত বছরও সুমাত্রা দ্বীপে ভারী বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত দ্বীপের স্বর্ণখনিতে ভূমিধসে প্রাণহানি হয়েছিল।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


স্থানীয় অনুসন্ধান এবং উদ্ধারবিষয়ক সংস্থার প্রধান অ্যান্ড্রিয়াস হেন্ডরিক জোহানেস জানান, 'বুধবার গভীর রাতে মধ্য সুলাওয়েসী প্রদেশের পরিগি মৌতং জেলায় একটি খনিতে ধস নামে। এতে ২৩ জন আটকা পড়ে বলে অনুমান করা হয়েছিল। উদ্ধারকর্মীরা ১৬ জনকে উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে চারজন নারী ও দুজন পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে।'

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কিংবদন্তি বক্সার মাইক টাইসন এখন সেরা গাঁজা চাষি!

অনলাইন ডেস্ক

কিংবদন্তি বক্সার মাইক টাইসন এখন সেরা গাঁজা চাষি!

সাবেক মার্কিন বক্সার মাইক টাইসন ক্যারিয়ারে আয় করেছিলেন ৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি। কিন্তু ভাগ্যর কি নির্মম পরিহাস। কোটিপতি থেকে থেকেই এক সময় তিনি দেউলিয়া হতে বসেছিলেন। কিন্তু সে অবস্থা থেকে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন টাইসন। আবারও বিপুল অংকের আয় করতে শুরু করেছেন তিনি। হেভিওয়েট বক্সিংয়ে সর্বকালের অন্যতম সেরা টাইসনের অবসরের পর শুরু করা ব্যবসা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা ছিল। 

না, আবার বক্সিংয়ের কোর্টে নয়। এবার টাইসনের আয়ের পন্থাটি একটু ‘ভিন্ন’। সাবেক এই বক্সার এখন পুরোদস্তুর গাঁজাচাষি ও ব্যবসায়ী। গাঁজা বেচেই মাসে পাঁচ লাখ ডলার অর্থাৎ সোয়া ৪ কোটি টাকার বেশি আয় তার।

ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময় ধর্ষণ, মাদকসহ নানা অভিযোগ ওঠে টাইসনের বিরুদ্ধে। সেজন্য দর্শকপ্রিয় ‘আয়রন মাইক’ থেকে জুটেছিল ‘দ্য ব্যাডেস্ট ম্যান অন দ্য প্ল্যানেট’ কুখ্যাতি।


কার সাথে কার পরকিয়া তা চিন্তা করে মাথা নষ্ট করবেন না : আঁখি আলমগীর

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

তামিমার সাবেক স্বামীকে বাটপার বলছে মিম


টাইসন প্রতিষ্ঠিত গাঁজা চাষের কোম্পানির নাম ‘টাইসন র‍্যাঞ্চ’। এবার আর বেআইনি কিছু করছেন না তিনি। কারণ ১৬ হেক্টর জমির ওপর গড়ে ওঠা গাঁজার ফার্মটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। এই রাজ্যে গাঁজার ব্যবহার বৈধ।

২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ায় গাঁজার বৈধতা দেয়া হয়। শুধু ব্যবসাই নয়। মন চাইলে নিজের ফার্মে উৎপাদিত ফসল পরখ করতেও ভুল করেন না টাইসন।

নিজের ফার্মে উৎপাদিত গাঁজার গুণে মুগ্ধ হয়ে নিজেকে টাইসন দাবি করছেন ‘সেরা গাঁজার প্রস্ততকারক’ হিসেবে।

১৯৮৬ সালে ট্রেভর বারবিককে হারিয়ে সবচেয়ে কম বয়সে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের টাইটেল নিজের করে নেন মাইক টাইসন। পেশাগত ৫৮ ফাইটিংয়ে ৫০টাই জিতেছেন এই মার্কিন তারকা। ২০০৫ সালে কেভিন ম্যাকব্রাইডের কাছে হেরে অবসরে যান তিনি।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সৌদি যুবরাজ নিয়ন্ত্রণাধীন বিমানেই উড়ে গিয়েছিল খাশোগির হত্যাকারীরা

অনলাইন ডেস্ক

সৌদি যুবরাজ নিয়ন্ত্রণাধীন বিমানেই উড়ে গিয়েছিল খাশোগির হত্যাকারীরা

সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকারী দল যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি কোম্পানরি প্রাইভেট বিমানে করে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহর শহরে উড়ে গিয়েছিল বলে জানা গেছে সৌদি সরকারের গোপন নথি থেকে।

‘টপ সিক্রেট’ শিরোনামের এ নথিতে সৌদি আরবের একজন মন্ত্রীর সই রয়েছে। 

জানা গেছে, স্কাই প্রাইম অ্যাভিয়েশনের মালিকানা ২০১৭ সালে সৌদি আরবের সরকারি বিনিয়োগ তহবিলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, যাতে সার্বভৌম ৪০০ কোটি ডলারের তহবিল রয়েছে। এই কোম্পানির বিমান ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে খাশোগি হত্যায় ব্যবহৃত হয়েছে।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


সার্বভৌম তহবিল নিয়ন্ত্রিত হয় সৌদি রাজ পরিবারের মাধ্যমে, যার সভাপতি হলেন ৩৫ বছর বয়সী যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান। সিএনএন বলেছে, এসব তথ্য থেকে খাশোগি হত্যায় এমবিএস’র যুক্ত থাকার প্রমাণ মেলে। এমবিএস হচ্ছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ।

সূত্রঃ সিএনএন

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর