নেহার দেয়া তথ্যে নাম আসছে অনেক ভিআইপির

নাইম আল জিকো

অতিরিক্ত মদপান করিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় রিমান্ডে থাকা ডিজে নেহার কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। অশালীন অঙ্গভঙ্গিতে নেচে সমাজের বিত্তবানদের ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করাই ছিল তার পেশা।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, নেহার দেয়া তথ্যে নাম আসছে অনেক বড় বড় ব্যবসায়ি, সরকারি কর্মকর্তার। তবে এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি নেহার স্বামির।

ফারজানা জামান ওরফে ডিজে নেহা। দেখে বোঝার উপায় নেই নিম্নমধ্যবিত্ত সাধারণ এক পরিবারের সন্তান নেহা। দামি পোশাক ও প্রসাধনীতে নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করাই ছিল তার প্রধান হাতিয়ার। অশালীন অঙ্গভঙ্গিতে নেচে সমাজের বিত্তবানদের ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করাই ছিল তার পেশা। 

তার প্রতিটি পার্টিতেই দেখা মিলতো অল্প বয়সী নতুন নতুন মুখ। যাদের অধিকাংশ ছিল বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। পার্টি আয়োজন করে ধনী পরিবারের সন্তানদের দাওয়াত দিয়ে অবাধে মেলামেশার সুযোগ করে দিতেন ডিজে নেহা।


‘আমেরিকা-ইসরাইল কৌশলগত অচলাবস্থার সম্মুখীন হয়েছে’

ট্রাম্পের শয্যাসঙ্গী হওয়া ছিল সবচেয়ে বিরক্তিকর, দাবি পর্নতারকার

যে কাজে আগের ছোট-বড় গোনাহ ক্ষমা করেন আল্লাহ

লালমনিরহাটে নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ


মূলত ধনী ব্যক্তিদের পকেট কাটতে এসব তরুণীকে টোপ হিসাবে ব্যবহার করা হত। এ ক্ষেত্রে তার হয়ে তরুণ-তরুণীদের একটি চক্রও কাজ করতো বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, তরুণ-তরুণীদের একান্তে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে একাধিক আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের সঙ্গে নেহার যোগাযোগ ছিল। এসব পার্টিতে মাদক সরবরাহ করত অবৈধ মাদককারবারিরা।

২৮ জানুয়ারি উত্তরার একটি রেস্টুরেন্টে নেহার আয়োজিত মদের পার্টিতে অসুস্থ হয়ে পরলে ওই শিক্ষার্থীকে হাসাপাতালে নেয়া হয়। ৩১ জানুয়ারি ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। তার পরিবারের অভিযোগ, ওই ছাত্রীকে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নিউজ টোয়েন্টিফোরের সঙ্গে সাক্ষাৎকার: রাজনীতি নিয়ে নিজের ভাবনার কথা বললেন ইশরাক

মারুফা রহমান

রাজনীতির সুস্থ ধারা হারিয়ে যাওয়ায়, মেধাবীরা রাজনীতি বিমুখ। অথচ তারা এলেই চলমান রাজনীতির চেহারা বদলে যেতে পারে-এমনটাই মনে করেন, তরুণ বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। তার মতে, দেশের তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে ফেরাতে, শুধুমাত্র সরকার পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন রাষ্ট্রের মানসিকতার বদল।  

ইশরাক বিশ্বাস করেন, পদ-পদবী কাউকে নেতা বানায় না। একজন কর্মী নেতা হয়ে ওঠেন মানুষের ভালোবাসায়। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যত নিয়ে আরো কথা বলেছেন বিএনপির এই তরুণ নেতা। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নানা কর্মসূচিতে সরব ভূমিকা রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত মুখ বিএনপির তরুণ নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। 

নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বেশ অকপটে বলেন দেশের চলমান রাজনীতি আর আগামীর রাজনীতি নিয়ে তার ভাবনার কথা। 

বিএনপির মত বড় দলে কাজ করতে গিয়ে, সিনিয়রদের সাথে সমন্বয় করে কতখানি জায়গা পাচ্ছেন বা কাজ করতে পারছেন তরুণ নেতা ইশরাক হোসেন?


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


বাবা গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকাকে কাছ থেকে রাজনীতিতে দেখে আসা ইশরাক জানান, এখন রাজনীতি থেকে মেধাবীরা, ভাল মানুষেরা হারিয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করতে চান তিনি।

ইশরাক মনে করেন, রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন আনতে শুধুমাত্র সরকার বদল নয়, পরিবর্তন আনতে হবে রাষ্ট্রীয় মানসিকতায়, সংবিধানেও।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে সাথী ফসলের আবাদ

খোকন কর্মকার

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে সাথী ফসলে আগ্রহী হয়ে উঠেছে কৃষক। হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের বিভিন্ন চরের সাথী ফসলের আবাদ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। 

এই পদ্ধতি প্রচার ও প্রশিক্ষণ দিয়ে পুরো জেলায় কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হলে ফসল উৎপাদন বহু গুণ বৃদ্ধি পাবে আশা কৃষি বিভাগের। 

চাঁদপুরের দুর্গম চরাঞ্চলে একই জমিতে একসাথে মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন  আবাদ করছেন চাষিরা। কেউ কেউ এরসাথে কালিজিরাও আবাদ করেছেন।

গেল বছরের বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রায় প্রতিজন কৃষক ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জমিতে এমন সাথী ফসল চাষাবাদের কথা জানান। 


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


বিভিন্ন পরামর্শসহ সরকারির প্রণোদণার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। চলতি বছর চাঁদপুর জেলার দেড় থেকে দুই হাজার হেক্টর জমিতে সাথী ফসল আবাদ হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুস্থ্য ধারা না থাকায় মেধাবীরা এখন রাজনীতিবিমুখ

মারুফা রহমান

সুস্থ্য ধারা না থাকায় মেধাবীরা এখন রাজনীতিবিমুখ

রাজনীতির সুস্থ্য ধারা হারিয়ে যাওয়ায়, মেধাবীরা রাজনীতি বিমুখ। অথচ তারা এলেই চলমান রাজনীতির চেহারা বদলে যেতে পারে - এমনটাই মনে করেন, তরুণ বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। তার মতে, দেশের তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে ফেরাতে ,শুধুমাত্র সরকার পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন রাষ্ট্রের মানসিকতার বদল।

ইশরাক বিশ্বাস করেন, পদ-পদবী কাউকে নেতা বানায় না। একজন কর্মী নেতা হয়ে ওঠেন মানুষের ভালোবাসায়। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যত নিয়ে আরো কথা বলেছেন বিএনপির এই তরুণ নেতা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নানা কর্মসূচীতে সরব ভুমিকা রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত মুখ বিএনপির তরুণ নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বেশ অকপটে বলেন দেশের চলমান রাজনীতি আর আগামীর রাজনীতি নিয়ে তার ভাবনার কথা।

ইশরাক হোসেন বলেন, পদ পদবী দিয়ে যদি নেতা হতো তাহলে আমাদের এতো সংকট থাকতো না। তরুণদের আদর্শিক রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি যে রাজনীতি নয় এই জায়গাটাতেই পরিবর্তন আনতে চাই।

বিএনপির মত বড় দলে কাজ করতে গিয়ে, সিনিয়রদের সাথে সমন্বয় করে কতখানি জায়গা পাচ্ছেন বা কাজ করতে পারছেন তরুণ নেতা ইশরাক হোসেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক বলেন, নবীন প্রবীণদের সমন্নয়ের জায়গায় কিছুটাতো ঘাটতি হয়ই। যেটা আমার ক্ষেত্রেও হয়েছে। তবে আমি মনে করতে চাই নবীন-প্রবীণদের সমন্নয়ের জায়গাটাও দুইদিক থেকেই হয়।

আরও পড়ুন:


রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংক নিয়োগ দেবে ২৪৭৮ জন

সব গ্রামই হবে শহর, ৮ বিভাগের ১৫ গ্রাম নিয়ে কাজ শুরু

সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ আর নেই

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে


বাবা গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকাকে কাছ থেকে রাজনীতিতে দেখে আসা ইশরাক জানান, এখন রাজনীতি থেকে মেধাবীরা, ভাল মানুষেরা হারিয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করতে চান তিনি।

ইশরাক হোসেন আরও জানান, আমার বাবার সময়ে যতটুকু শুনেছি বা ইতিহাস পড়েছি বাড়ির সবচেয়ে মেধাবী ছেলেরা রাজনীতিতে যেত আরা পরিবারের সবাই তাকে সমর্থন করতো। কিন্তু এখন হয়েছে উল্টো, বাড়ির সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসীরা রাজনীতি করে।

ইশরাক মনে করেন, রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন আনতে শুধুমাত্র সরকার বদল নয়, পরিবর্তন আনতে হবে রাষ্ট্রীয় মানসিকতায়, সংবিধানেও।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সব গ্রামই হবে শহর, ৮ বিভাগের ১৫ গ্রাম নিয়ে কাজ শুরু

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

সব গ্রামই হবে শহর, ৮ বিভাগের ১৫ গ্রাম নিয়ে কাজ শুরু

দেশের সব গ্রামকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষে প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে ৮ বিভাগের ১৫ গ্রামকে শহরের সুবিধায় আনা হবে। নিরাপদ পানি, পয়নিস্কাশন, উন্নত সড়ককে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। ফলে শহর ও গ্রামের মধ্যে ব্যবধান কমে আসবে, চাপ কমবে শহরে।

বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৪১ সালে হবে উন্নত বাংলাদেশ। বাস্তবায়নে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। এর অংশ হিসেবে কমানো হবে শহর ও গ্রামের ব্যবধান।

এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামকে শহরের আদলে সাজাতে চায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে দেশের ৮ বিভাগে ১৫টি গ্রাম এবং পরবর্তীতে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত বাংলাদেশের সব গ্রামই এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

আরও পড়ুন:


সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ আর নেই

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

আমেরিকার ইরানবিরোধী নীতি ব্যর্থ হয়েছে: রাশিয়া

টিকা নিয়ে এ পর্যন্ত ৬৩০ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া


২০১৮ সালের নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকেই এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করে সরকার। কারিগরি টিম এরই মধ্যে কাজও শুরু করেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানান, গ্রামে পাকা রাস্তা হবে, শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়াও উন্নত জীবন যাত্রা নিশ্চিতে সব ধরণের সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করা হবে।

নিরাপদ পানি, পয়নিস্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি উন্নত এবং টেকশই সড়ক নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। মন্ত্রী আরও বলেন, রাস্তাগুলো গঠনগতভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। যার কারণে আগের চেয়ে রাস্তাগুলো অনেক বেশি টেকসই হবে।

নাগরিকদের মৌলিক চাহিদার পাশাপাশ নিজস্ব সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হবে দেশের সব গ্রাম।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনা টিকা: সচেতনতার অভাবে সাড়া মিলছে না প্রত্যন্ত গ্রামে

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

করোনা টিকা: সচেতনতার অভাবে সাড়া মিলছে না প্রত্যন্ত গ্রামে

সারাদেশের মতো নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের টিকাদান কার্যক্রম চলছে। এই উপজেলায় প্রথম দফায় টিকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৯৭০ ডোজ। সোমবার পর্যন্ত আবেদন পড়েছে ৩ হাজার ২৮৫টি। আর টিকা গ্রহণ করেছেন ২ হাজার ৫৮৮জন। 

স্বাস্থ্য সেবাদানকারী, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষক সমাজ ও সচেতনমহলের মানুষরা আগ্রহ ভরে এই টিকা গ্রহণ করলেও সাড়া মিলছে না প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষদের কাছ থেকে। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা: মো: মাকসুদুর রহমান সনি বলেন, জেলায় প্রথম এই হাসপাতালের এক সেবিকা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এরপর এখন পর্যন্ত ৬৯জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬৭জন আর মারা গেছেন ১ জন। মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৭৯টি। 

টিকাদানের শুরুতে মানুষের মাঝে তেমন আগ্রহ দেখা না গেলেও বর্তমানে সুশীল সমাজের মানুষরা আগ্রহ ভরে টিকা গ্রহণ করছেন। কিন্তু সচেতনতার অভাবে সাড়া মিলছে না প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষদের মাঝে। 

সচেতনতা ও প্রচার-প্রচারনার অভাবে এসব মানুষরা টিকা গ্রহণের গুরুত্ব সম্পর্কে এখনো জানেন না। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড ভিত্তিক সদস্যরা, শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধিরা, মসজিদের ইমামরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। 

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল মিরাট ইউনিয়নের ধনপাড়া গ্রামের মধ্যবয়স্ক দিনমজুর ফজলুর রহমান, কলিম উদ্দিন মানুষের মুখে শোনার পর করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে হাসপাতালে এসেছেন। হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে তারা হাসপাতাল ঘুরছেন। কোথায় কিভাবে আবেদন করে করোনা টিকা নিতে হবে তা তাদের অজানা। 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কেএইচএম ইফতেখারুল আলম খাঁন বলেন, স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের ১টি কেন্দ্রের ৩টি বুথের মাধ্যমে এই টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণ করছেন। প্রতিদিনই এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 


বিমান বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যায় মামলা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

সোহানা সাবার প্রাণপণে চাওয়া‍!


এই উপজেলায় টিকা গ্রহণের উপযুক্ত জনসংখ্যা হচ্ছে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ কিন্তু এখন পর্যন্ত ৬ হাজার আবেদনই পড়েনি। সচেতনমহল ও সুশীল সমাজের মানুষই এই টিকা বেশি গ্রহণ করছেন। প্রত্যন্ত এলাকার খেটে-খাওয়া, পিছিয়ে পড়া ও হতদরিদ্ররা টিকা গ্রহণ করছে না বললেই চলে। আমার স্বাস্থ্যকর্মীরা যে মানুষদের পাঠিয়ে দিচ্ছেন তারা শুধুমাত্র টিকা গ্রহণ করছেন।

টিকা গ্রহণের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম অনেক জটিল হওয়ার কারণে এসব মানুষরা আগ্রহী নন। তাই ইউনিয়ন ভিত্তিক তথ্যসেবা দান কেন্দ্রগুলো থেকে যদি এই সব মানুষদের টিকা গ্রহণের রেজিস্ট্রেশন সুবিধা প্রদান করা হতো এবং গ্রাম ভিত্তিক সচেতনামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে টিকা গ্রহণে গ্রামভিত্তিক মানুষদের আগ্রহ আগামীতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আমি মনে করি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর