মুখের দুর্গন্ধ দূর করার প্রাকৃতিক উপায়গুলো

অনলাইন ডেস্ক

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার প্রাকৃতিক উপায়গুলো

মুখের দুর্গন্ধে কথা বলতে পারছেন না। এমন অবস্থায় অনেককে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়। এমন একটি সমস্যা আপনার ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার ও জীবাণুর কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

তবে মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার পিছনে মুখের ভিতরে বা দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব ছাড়াও আরো অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন, লিভারের সমস্যা থাকলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

দিনে দুই বেলা ব্রাশ করা দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা জরুরি। যদি এরপরও মুখে দুর্গন্ধ হয়, তাহলে বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। এটি মুখ থেকে এসিডিটি দূর করবে এবং ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমিয়ে দেবে।  

পানি শূণ্যতায় ভুগলেও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এটি আপনাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে এবং মুখের বাজে গন্ধ দূর করবে। 

ব্রাশ করার মানে এই নয় যে কেবল দাঁতই ব্রাশ করবেন। জিহ্বাও ব্রাশ করা জরুরি। জিহ্বার জন্যও মনোযোগ প্রয়োজন। ব্যাকটেরিয়া জিহ্বাতেও বৃদ্ধি পায়। এতে মুখে দুর্গন্ধ হয়। 

মুখের বাজে গন্ধ দূর করতে চিনি ছাড়া চুইঙ্গাম চিবুতে পারেন। এটি মুখের লালা উৎপন্ন করতে সাহায্য করবে। এটি ব্যাকটেরিয়াকে দূর করতে সাহায্য করবে এবং খাদ্যকণাও পরিষ্কার করবে। 


ট্রাম্প প্রশাসনের সব কৌঁসুলিকে পদত্যাগের নির্দেশ

আল জাজিরার প্রতিবেদনের বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে ৬ অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ

এবার অনন্য মামুনের ‘মেকআপ’ সিনেমা সেন্সর বোর্ডে নিষিদ্ধ

সেই ছোট থেকেই যে রোগে ভুগছেন কাজল আগরওয়াল


চায়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি মুখের দুগর্ন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে পলিফেন। এটি মুখের সালফার উপাদানকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। 

মাড়ির রোগ থেকে কখনো কখনো মুখে দুর্গন্ধ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ছাড়া কখনো কখনো শরীরের ভেতরকার সমস্যার জন্যও মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই গন্ধ কোনোভাবেই না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

এছাড়াও, বেকিং সোডা, অ্যাপেল সিডের ভিনেগার দিয়ে মুখ পরিস্কার করলে দুর্গন্ধ দূর হয়। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে ত্বকের যত্ন

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ত্বকের যত্ন

লকডাউনের সুবাদে এবার তেমন বাইরে বেরোতে হচ্ছে না বটে, কিন্তু তার জন্য কি আর গরম কমে? বিশেষ করে যাঁদের তেলতেলে ত্বক, গরম আর ঘামের জোড়া ফলায় তাঁদের অবস্থা আরও কাহিল! মুখ তেলতেলে লাগছে, ব্রণ-হোয়াইট হেডস-ব্ল্যাকহেডসের উপদ্রবও শুরু হয়ে গেছে। এখন পার্লার যেহেতু বন্ধ, তাই ফেসিয়াল করে ত্বক তরতাজা করে নেওয়ারও উপায় নেই!

শীতে ত্বকের প্রয়োজন ছিলো প্রচুর পরিমাণে ‘ময়েশ্চারাইজিং’, তবে গরমে ত্বকের যত্ন নিতে অনেক বেশি কুশলী হতে হবে, কারণ সবকিছুই চাইতে সঠিক পরিমাণে। আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মী ও ঘাম থেকে রক্ষা এবং সতেজভাব ধরে রাখা বেশ কঠিন কাজ।

রূপচর্চা-বিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গরমে ত্বক ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে জানা যায়।

‘ক্যারিয়ার অয়েল’ ও ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ গরমকালে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ‘ক্যারিয়ার অয়েল’ বা বাহক তেল ব্যবহারে ত্বক তৈলাক্ত লাগে এবং ত্বকে নানাধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’ ত্বকের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই ব্যবহার করতে হবে ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়েল নির্যাস সমৃদ্ধ জেল ভিত্তিক মৃদুমাত্রার ও মানানসই ময়েশ্চারাইজার।

গরমকালে, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে বাঁচতে কমপক্ষে এসপিএফ ৪০ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ঘামরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করাও জরুরি কারণ এতে ত্বক সতেজ থাকবে ও চিটচিটে হবে না। সূর্যালোকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় থাকলে পুনরায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। পানিতে নামলে পানিরোধক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং তা বাইরে যাওয়ার আধা ঘণ্টা আগেই মেখে নিতে হবে।  


আইটেম গার্ল জেরিন খান এখন ড. জেরিন খান

রাজধানীর খিলক্ষেতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

সিরাজগঞ্জে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল, বেবি বাম্পের ছবি ভাইরাল


সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরও চাই বাড়তি সচেতনতা। যেমন, বাইরে যাওয়ার সময় স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বকে অল্পতেই রোদেপোড়া ভাব দেখা দেয় তাদের অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা উচিত।  

বহুমুখী কাজ করে এমন ফেইসওয়াস খুঁজে বের করতে হবে। আদর্শ ফেইসওয়াস ত্বক থেকে দূষণ, মেইক-আপ এবং রোদেপোড়াভাব দূর করে ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখে ও সতেজ রাখে।

গরমে ত্বকের স্বাভাবিক পরিচর্যা চালিয়ে যেতে হবে। উচ্চ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ টোনার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ, তা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক ও ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। প্রাকৃতিক টোনার যেমন, গোলাপজল বা শশার রস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে।

ব্যাগে সাধারণ ফেইস মিস্ট রাখতে হবে যাতে যেকোন সময় ব্যবহার করতে পারেন।

সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ঠোঁট শুষ্ক ও পানিশূন্য করে ফেলে। লিপ বাম ব্যবহার ঠোঁটকে সূর্য থেকে রক্ষা করে। সানব্লক সমৃদ্ধ লিপ বাম অথবা প্রাকৃতিক উপাদান যেমন, ‘ক্যারট সিড ওয়েল’, কাঠবাদাম তেল, ‘সিয়া বাটার অয়েল’ ও অন্যান্য উপাদানের মিশ্রণে তৈরি লিপ বাম ব্যবহার করতে পারেন।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তির উপায়

গরমের দিন মানেই ঘাম বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। যাদের খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকে তাদের অনেক সময়ই জামা ঘামে ভিজে ওঠে। বগল, পিঠ, বুকে এ রকম ঘামে ভেজা ছাপ খুবই অস্বস্তিকর।ঘামের দুর্গন্ধ কাছের মানুষকেও দূরে ঠেলে দেয়। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকা জরুরি।  

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপনি যদি ঘাম ও দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে-  

পানি পান করুন:

গরমকালে প্রচুর পানি পান করা দরকার। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং এভাবে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়া রোধ করে। সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রতিদিন অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন।


ফাবিয়ানা আজিজ পারটেক্স স্টার গ্রুপের নতুন ডিএমডি

এবার শাকিবের নায়িকা ভারত বাংলার এই সুন্দরী

গাজী গ্রুপে মার্কেটিং অফিসার পদে চাকরির সুযোগ

সাবেক স্বামীর ৯৭ কোটি টাকার উপহার বিক্রি করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি


সীমিত ক্যাফেইন গ্রহণ:

যখন আপনি কিছুতে মনোযোগ দিতে পারছেন না বা ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ খুব উপকারী। কিন্তু ঘামের ক্ষেত্রে এটি ভালো নয়। ক্যাফেইন হার্ট রেট বাড়ায় এবং ঘামের গ্রন্থিগুলো অতি-সক্রিয় করে। তাই আপনি যদি কম ঘামতে চান, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করুন।

ওজন: ওজন কমান। স্থূল ও আনফিট ব্যক্তিরা সহজেই অল্প পরিশ্রমে ঘেমে ওঠেন। ফিট থাকার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়

চুল কমবেশি সবারই পড়ে। হয়তো কারও কম, কারও বেশি। দিনে ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি হলেই তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার চুল পড়া নিয়ে বেশি চিন্তা করলেও চুল পড়ে বেশি। এই চুল পড়া সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য প্রথমেই জানতে হবে কী কারণে চুল পড়ছে।

কারণটা খুঁজে বের করে, তারপর সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তখন আপনা-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। তবে শুধু তা-ই নয়, চুল পড়া বন্ধ করতে ও চুলের গোড়া মজবুত রাখতে নিয়মিত বেশ কিছু যত্ন নেওয়াও প্রয়োজন।

চুলের যত্ন নিতে গেলেই যে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে কিংবা তা খরচ সাপেক্ষ হবে, তা কিন্তু নয়। কম খরচে, সামান্য কিছু ঘরোয়া জিনিসও হয়ে উঠতে পারে আপনার চুল পরিচর্যার উপকরণ। চলুন জেনে নেয়া যাক চুল পড়া রোধে জাদুর মতো কাজ করে যেসব ঘরোয়া উপকরণ-

আমলকী

আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান, যা চুল পড়া বন্ধ করতে দারুণ কাজ করে। মাথার ত্বক ভালো রাখতে এবং দ্রুত চুল বাড়াতে আমলকীর জুড়ি মেলা ভার।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

এক কাপ নারকেল তেলের মধ্যে ৪ থেকে ৫টি শুকনো আমলকী নিয়ে তা ফুটিয়ে নিন। তেল কালো হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ফোটাতে থাকুন। এরপর তা নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এবার ওই তেল দিয়ে মাথায় মাসাজ করে ৩০ মিনিট মতো রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু এবং পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ বার এটি ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা যেমন ত্বকের জন্য ভালো, তেমনই চুলের জন্যও উপকারী। এটি চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া মাথার ত্বকের চুলকানি ভাব দূর করে এবং এই ত্বকের স্বাভাবিক পিএইচ-এর মাত্রা সংরক্ষণে সাহায্য করে। আর খুসকি দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

যেভাবে ব্যবহার করবেন

একটি বড় মাপের অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে তার ভেতরের শাঁস বের করে নিন। তারপর ওই শাঁস ভালো করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন এটি ব্যবহার করুন।

মেথি

চুল পড়া আটকাতে মেথি খুব ভালো কাজ করে। এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল এবং লম্বা করতে সাহায্য করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন


সাই পল্লবীর ফাঁস হওয়া ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের


এক কাপ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে তা বেটে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর ওই পেস্ট চুলে এবং মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। পারলে একটা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এর পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। টানা ১ মাস সপ্তাহে ২ দিন করে এটি ব্যবহার করলে আপনি পেয়ে যাবেন উজ্জ্বল, ঘন, লম্বা চুল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রসুনের নানা উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

রসুনের নানা উপকারিতা

১৫০০ শতকে চীন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যানসারের চিকিৎসায়। আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা। বলছি, নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ রসুনের কথা। 

১. রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে।

২. টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০–১৫ শতাংশ কমে যায়। তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই।


সাই পল্লবীর ফাঁস হওয়া ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল

ডিভোর্সের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন প্রেমে জড়ালেন শ্রাবন্তী!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জাতিসংঘের


৩. বিপাকীয় ক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের ফলে যে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস তৈরি হয় তা হার্ট তথা সমস্ত শরীরের জন্য ক্ষতিকর। রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সেই ক্ষতি খুব ভাল ভাবে ঠেকাতে পারে।

৪. যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন।

৫. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু।

৬. ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি।

৭. লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে।

 তাই দিনের খাদ্য তালিকায় রসুন রাখা খুবই দরকারি। কাঁচা রোসন খেতে না পারলে তরকারির সাথে আস্ত রসুন দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাকের পরিচর্যায় যা করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক

নাকের পরিচর্যায় যা করতে পারেন

সুন্দর নাকে কালো দাগ দেখতে খুব বাজে লাগে।  নাকের ডগায় এ কালো দাগগুলোকে বলে ব্ল্যাকহেডস। গরম আর ধুলাবালুর প্রকোপে এর থেকে রেহাই পাওয়াটা কঠিনই বটে। তবে আপনি চাইলে নিয়মিত পরিচর্যায় ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

দূর করার পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো:

দুধে ১ চিমটি খাবার সোডা মিশিয়ে নিতে হবে। এর মধ্যে তুলা ভিজিয়ে নাকের উপর আলতো করে মুছে নিতে হবে। এতে নাকের উপরে জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার হবে।

১শ’ গ্রাম গোলাপজলে ১ চা-চামচ কর্পূর মিশিয়ে রেখে দিন। দিনে দুই থেতে তিনবার তুলোয় এই গোলাপ পানির মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার করলে ব্ল্যাক হেডস বা হোয়াইট হেডসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


অনেকের নাকের দুই পাশে কালচে ছাপ দেখা যায়। এ থেকে মুক্তি পেতে ১ চামচ মুলতানি মাটি, চার-পাঁচটি লবঙ্গগুঁড়া, গোলাপজলে মিশিয়ে নাকের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন।

নাকের উপর থেকে কালো ছোপ দূর করতে টকদই, মধু ও ডিমের সাদা অংশ এক সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর