অবৈধ মদ তৈরির কারখানায় অভিযানে গিয়ে পুলিশ সদস্য নিহত

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের উত্তরপ্রদেশে অবৈধ মদ তৈরির কারখানায় অভিযানে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও এক এসআই আহত হন। রাজ্যের কাসগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, মঙ্গলবার রাতে ওই মদের কারখানায় অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশ সদস্যদের ওপর লাঠি ও অস্ত্র নিয়ে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। বাকিরা কোনো মতে পালাতে পারলেও কনস্টেবল দেবেন্দ্র এবং এসআই অশোককে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয় পুলিশের বিশাল বাহিনী। দুই আহত সহকর্মীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মারা যান দেবেন্দ্র। গুরুতর আহত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অশোক।


মোশাররফ করিম ‘বাংলাদেশের শাহরুখ খান’: আনন্দবাজার

গাড়িতে উঠিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ

বরিশালে করোনার টিকা কেন্দ্রে ভিড় বেড়েছে

রায় শুনে কাঁদলেন দীপনের স্ত্রী

দীপন হত্যায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কে এই মেজর জিয়া?


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৮ বছরে ইরানের গ্যাস রপ্তানি দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

৮ বছরে ইরানের গ্যাস রপ্তানি দ্বিগুণ

ইরানের জাতীয় গ্যাস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোন্তাজের তোরবাতি বলেছেন, গত আট বছরের মধ্যে তার দেশের গ্যাস রপ্তানির পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার) তিনি জানান, বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে গ্যাস রপ্তানির এই প্রবৃদ্ধি ঘটেছে এবং চলতি ফার্সি বছরে ১,৮০০ কোটি ঘন মিটার গ্যাস রপ্তানি করেছে। ২০১৩ সালে গ্যাস রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৯০০ কোটি ঘন মিটার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরানকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তোরবাতি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ইরাক ও তুরস্ক হচ্ছে ইরানি গ্যাসের প্রধান ক্রেতা। একইভাবে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়াতেও বিপুল পরিমাণ গ্যাস রপ্তানি হয়। এসব দেশে ইরানের গ্যাস রপ্তানির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তোরবাতি।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


ইরানের এ কর্মকর্তা জানান, তার দেশ প্রতিদিন সাড়ে সাত কোটি ঘন মিটার গ্যাস রপ্তানি করে। তিনি জানান, তুরস্কে গ্যাস রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তুর্কি বাজারের অনেক কিছুই সরকারি খাত থেকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তর হচ্ছে; সে কারণে ইরানের বেসরকারি খাতের লোকজনকে গ্যাস রপ্তানি বাড়ানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়া উচিত।

সূত্রঃ পার্সটুডে

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দৈত্য তাড়াতে শিশুকে পিটিয়ে মারল মা ও তান্ত্রীক!

অনলাইন ডেস্ক

দৈত্য তাড়াতে শিশুকে পিটিয়ে মারল মা ও তান্ত্রীক!

তান্ত্রিকের পাল্লায় পড়ে নয় বছরের আপন শিশুকে পিটিয়ে হত্যা করেছে মা। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমটাই ঘটেছে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে দেলগোদা নামের ছোট একটি শহরে ।

জানা গেছে, নয় বছরের মেয়েকে ‘দুষ্টু আত্মা’ বা একটি দৈত্য ভর করেছে তান্ত্রীকের এমন কথা মেনে নেন মা। পরে তান্ত্রীকের কথায় রাজি হয়ে ঝাড়ফুঁক করে সেই আত্মা বা দৈত্য তাড়ানোর চেষ্টা করেন মা ও তান্ত্রিক। পরে তান্ত্রিকের কথামতো দুষ্টু আত্মাকে তাড়াতে গিয়ে নিজের মেয়েকেই পিটায় মা। কিন্তু ছোট্ট শিশু সেই মার সহ্য করতে না পেরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


এ ঘটনায় ওই শিশুর মা এবং ওই তান্ত্রিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার অভিযুক্ত দুই নারীকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের ১২ মার্চ পর্যন্ত আটকে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের মুখপাত্র অজিত রোহানা বলেন, শিশুটির মায়ের মনে হয়েছে যে তার মেয়ের ওপর একটি দৈত্য ভর করেছে। এজন্য তার শরীর থেকে ওই দুষ্টু আত্মা বের করতে তান্ত্রিকের বাসায় নিয়ে যায় শিশুটির মা। ওই তান্ত্রিক প্রথমে শিশুটির গায়ে তেল দেয় এবং একটি বেত দিয়ে অনবরত পেটাতে থাকে বলে জানান রোহানা।

পরে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। রোহানা বলেন, ওই তান্ত্রিক গত কয়েক মাস ধরে ওই এলাকায় এ ধরনের ঝাড়ফুঁকের মতো কর্মকাণ্ড চালাচ্ছিলেন। আর কেউ এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মানুষজনকে সতর্ক থাকার ব্যাপারেও আহ্বান করেছেন পুলিশের এই মুখপাত্র। কেননা এ ধরনের ঝাড়ফুঁকের কারণে এর আরও অনেকের মৃত্যু হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

অনলাইন ডেস্ক

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

পাকিস্তানে জরুরি অবতরণ করেছে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ শহর থেকে ভারতের লক্ষ্ণৌর উদ্দেশে বিমানটি যাত্রা শুরু করেছিল। মঙ্গলবার পাকিস্তানে করাচি শহরে বিমানে এক যাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দেয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সে কারণেই বিমানটি করাচি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

বিমান সংস্থার এক কর্মকর্তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি করাচিতে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের একটি মেডিক্যাল টিম ওই যাত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা দেয়।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শারজাহ থেকে লক্ষ্ণৌগামী ইন্ডিগোর ফ্লাইট ৬ই ১৪১২ বিমানটিতে মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় করাচি শহরে অবতরণ করেছে। দুর্ভাগ্যজনক যে, ওই যাত্রীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মেডিক্যাল টিম তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেছে।

মৃত ওই যাত্রীর পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘লিভ ইন থাকার সময় সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়’

অনলাইন ডেস্ক

‘লিভ ইন থাকার সময় সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়’

প্রাপ্ত বয়স্ক দুজন নর-নারী একসঙ্গে (লিভ ইন) থাকার সময় উভয়ের সম্মতিতে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় সেটি ধর্ষণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

পাঁচ বছর একসঙ্গে থাকা এক যুগলের সম্পর্ক ভাঙার পর দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে সোমবার (১ মার্চ) দেশটির প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি এ এস বোপান্না এবং বিচারপতি ভি রামাসুব্রামানিয়ামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

আদালত বলেছেন, ‘বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া ভুল। একজন নারীরও কাউকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা ভেঙে ফেলা উচিত নয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, একটি দীর্ঘদিনের লিভ ইন রিলেশনে যে শারীরিক সম্পর্ক হয় তা ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে।’


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


মামলার বাদী তরুণীর অভিযোগের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তারা দীর্ঘদিন একসঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গী প্রতারণা করে অন্য এক নারীকে বিয়ে করেছেন। এজন্য তিনি আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলা করেছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী বিভা দত্ত মাখিজা বলেন, একসঙ্গে থাকার সময় পরস্পর সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক হলে সেটিকে পরবর্তীতে ধর্ষণ বলে মামলা করা হয়েছে। এ কারণে তার মক্কেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাদী এর আগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছেন। এটি মামলার বাদীর একটি ‘অভ্যাসগত’ ব্যাপার।

এ সময় আদালত বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের বিবেচনায় ‘অভ্যাসগত’ শব্দটি আইনে নিষিদ্ধ। তখন মাখিজা বলেছেন যে, তিনি এই বিষয়টির সংবেদনশীলতা সম্পর্কে সচেতন ছিলেন তবে এই অভিযোগকারীর অভিযোগ যে মিথ্যা তা প্রমাণ করতেই ওই শব্দ ব্যবহার করেছেন।

এরপর আদালত আসামিকে আট সপ্তাহের জন্য জামিন দিয়ে এই সময়ের মধ্যে তাকে মামলার বাকি কার্যক্রমের জন্য প্রমাণাদি যোগাড় করতে বলেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ ছাত্রী উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

নাইজেরিয়ায় অপহৃত ২৭৯ ছাত্রী উদ্ধার

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি বোর্ডিং স্কুল থেকে অপহৃত ২৭৯ ছাত্রীর সবাইকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় গভর্নর এ কথা জানান। খবর এএফপির।

জামফারা রাজ্যের গভর্নর ড. বেলো মাতাওয়ালে বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে সব ছাত্রী এখন মুক্ত। তারা সবাই সরকারি ভবনে এসে পৌঁছেছেন। সবাই ভালো আছেন।

এর আগে কর্তৃপক্ষ বলেছিল, প্রত্যন্ত জাঙ্গিবি গ্রামের একটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শুক্রবার শত শত বন্দুকধারী এসে ৩১৭ জন শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে। কিন্তু স্থানীয় গভর্নর জানান, অপহৃত ছাত্রীর সংখ্যা ২৭৯ জন।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


সরকারি কর্মকর্তারা অপহরণকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব ছাত্রীর মুক্তির ব্যবস্থা করে।

উল্লেখ্য, গত তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে নাইজেরিয়ায় গণহারে শিক্ষার্থীর অপহরণের ঘটনা ঘটে। এর ফলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর