কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচন: নৌকা’র শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর জগ প্রতীক

অনলাইন ডেস্ক

কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচন: নৌকা’র শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর জগ প্রতীক

চতুর্থ ধাপে ১৪ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচন হবে। শেষ সময়ের প্রচার প্রচারণায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তারা এক গাদা উন্নয়নের স্বপ্ন দিন-রাত পাড়ায় মহল্লায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন৷ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থণা করছেন। পুরো শহর ছেয়ে গেছে সাদা কালো পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার, লিফলেট ও স্টিকারে। বিকেল থেকে শুরু হয় প্রচার-প্রচারণা এবং মাইকিং। চলছে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের উঠান বৈঠকও। এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একাধিক প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারী অপরাধের অভিযোগ সহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা।

এছাড়া নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক’জন কিশোর গ্যাং লিডার। তাদের ভয়ে স্কুল শিক্ষক সহ সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ। তারাও এবার ভোট চাইতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। নিরিহ ভোটাররা এনিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পরেছে। তবে এ নিয়ে অভিযোগ করতেও রাজী নন তারা। শহরে বাড়ছে অচেনা বহিরাগতদের আনাগোনা। এতে কিছুটা আতঙ্কে আছেন সাধারণ ভোটাররা। কিন্তু ইভিএম পদ্ধতিতে এবার প্রথম ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় সাধারণ ভোটাররা অনেকটা উদ্বেলিত। ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রের গোপন বুথে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন এমন নিশ্চয়তায় আছেন তারা।

আরও পড়ুন:


ঝিনাইদহে নিহতদের ছয়জন নারী, তিনজন পুরুষ

সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে বসুন্ধরা গ্রুপের শোক

মোশাররফ করিম ‘বাংলাদেশের শাহরুখ খান’: আনন্দবাজার

গাড়িতে উঠিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ

এফ-৩৫ ও এস-৪০০ একসঙ্গে রাখা যাবে না, তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্র


এদিকে নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে দু’একটি হামলার ঘটনায় গুরুত্বর আহতের ঘটনাও ঘটেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে দু’নৌকা সমর্থকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। প্রচারণায় বাঁধা প্রদানের অভিযোগে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে এক গাদা। তবে ফুরফুরে মেজাজে প্রচারনা চালাচ্ছেন বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও ইসলামী আন্দোলন’র হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী। তাদের প্রচারণায় কোনো বাঁধা নেই।

স্থানীয়রা বলছেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী জগ প্রতীকের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী। একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, শুধু বড় বড় ভাষণ, উন্নয়নের ফুলঝুড়ি নয়, নাগরিকের সেবা নিশ্চিতে পছন্দের প্রার্থীকে এবার মেয়র হিসেবে দেখতে চান তারা। একটি পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে তাকেই জয়যুক্ত করতে চান তারা। যিনি বর্ষায় জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, মশার উপদ্রব লাঘবে সহায়ক হবেন। ড্রেনেজ সিষ্টেমের উন্নয়ন ঘটিয়ে শহরকে রাখবেন ময়লা আবর্জনা মুক্ত। শহরে থাকবে নিরবিচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ। জনজট মুক্ত সড়ক হবে নাগরিকের পায়ে হাঁটা চলার পথ। কলাপাড়া পৌরসভার ৪র্থ ধাপের এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ জন। কাউন্সিলর পদে মোট ৪৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে পুরুষ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এবারের পৌর সভা নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বিপুল চন্দ্র হাওলাদার। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র হাজী হুমায়ুন সিকদার।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জগ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কলাপাড়া পৌর আওয়ামী লীগের সদ্য বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র হাত পাখা প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন মো. সেলিম মিয়া। কাউন্সিলর পদে বেশিরভাগ ওয়ার্ডেই রয়েছে একাধিক প্রার্থী। পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করছেন দু’সহোদর। মো. কালাম সরদার ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. আল-আমিন সরদার। অপর দুই সহোদর মো. জাকি হোসেন জুকু ৩নং ওয়ার্ড হতে ও তার ছোট ভাই মো. খালিদ খান ৪নং ওয়ার্ড হতে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন। শহরে তাদের নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। গত দশ বছরে রহস্যজনকভাবে কোটিপতি বনে গেছেন তারা। একাধিক ফৌজদারী অপরাধের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

কলাপাড়া নির্বাচন অফিসার আবদুর রশিদ মিয়া বলেন, পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মাঝে এখন উৎসবের আমেজ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা। তবে নির্বাচন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে প্রচারণায় বাঁধা প্রদানের কটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেগুলো তদন্তের জন্য থানা পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আবদুর রশিদ আরও জানান, কলাপাড়ায় এই প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠানের জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। আচরণবিধি লংঘন রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে। পৌরসভায় মোট ১২হাজার ৮৯১ জন ভোটার রয়েছে। এরমধ্যে মহিলা ভোটার রয়েছে ৬ হাজার ৫৫৭ জন ও পুরুষ ভোটার রয়েছে ৬ হাজার ৩৩৪ জন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার অক্সিজেন কম লাগছে: ডা. জাহিদ

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়ার অক্সিজেন কম লাগছে: ডা. জাহিদ

রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

সোমবার রাতে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, অক্সিজেন এখন কম লাগছে। সকালে হাসপাতালের গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা খালেদা জিয়াকে দেখেছেন। এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া চান।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এর চেয়ে বড় মানবতা আর কী হতে পারে: হানিফ

অনলাইন ডেস্ক

এর চেয়ে বড় মানবতা আর কী হতে পারে: হানিফ

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, খালেদা জিয়ার সুস্থতাই এখন সবচেয়ে জরুরি। অথচ বিএনপির কাছে তার সুস্থতার চেয়ে অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করা মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করে তারা রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করতে চায়।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য এবং ঈদ উপহার বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, যেখানে আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার জামিন হয় নাই, সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার দরজা খুলে দিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে বাসায় রাখার ও চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এর চেয়ে বড় মানবতা আর কী হতে পারে?

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, এতোদিন আমরা শুনেছিলাম যে, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানো জরুরি। এখন মির্জা ফখরুল বললেন, রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে সরকার তাকে বিদেশ পাঠাচ্ছে না। তার মানে উন্নত চিকিৎসা নয়, রাজনীতি করার জন্য বিদেশ পাঠানোর দাবি, যেটা মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে প্রমাণিত।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কারাগারেই থাকতে হচ্ছে রফিকুল মাদানিকে

অনলাইন ডেস্ক

কারাগারেই থাকতে হচ্ছে রফিকুল মাদানিকে

পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে রফিকুল ইসলাম মাদানিকে। সোমবার মতিঝিল থানার মামলায় রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাকে আটক রাখার কথা বলেন আদালত।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান জানান।

এর আগে, রাজধানীর মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ।

তাকে আটক রাখার আবেদন করলে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার বিষয়

সরকারি সিদ্ধান্তকে 'নজিরবিহীন' বলে মন্তব্য করেছে জেডআরএফ

অনলাইন ডেস্ক

সরকারি সিদ্ধান্তকে 'নজিরবিহীন' বলে মন্তব্য করেছে জেডআরএফ

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) মন্তব্য করে বলেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত 'নজিরবিহীন'।

আজ সোমবার এক বিবৃতিতে জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এ সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট- সিসিইউতে ভর্তি আছেন খালেদা জিয়া। তাকে করোনা পরিবর্তী জটিলতাসহ অন্যান্য চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন একজন ৭৬ বছরের বয়স্কা নারী। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হন তিনি। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জটিল রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, খালেদার বিদেশে চিকিৎসার আবেদন মঞ্জুর না করা থেকেই প্রমাণিত হয়, বর্তমান সরকার তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তারা তাকে বিদেশে উন্নত ও সুচিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না। অথচ মানবতার কাছে আইন কোনো বিষয় নয়।

সরকারি সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়ে জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির চেয়ারপারসন নন তিনি বাংলাদেশের তিন তিনবারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী। বর্তমান সরকার মহামারী করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিষয়টি মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে পারতো।

জেডআরএফের বিবৃতিতে বলা হয়, বিশেষ বিবেচনায় অতীতে হিংস্র খুনি থেকে কুখ্যাত মাস্তানদের পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়ার নজির রয়েছে। অথচ দেশে দেশে রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক এই ক্ষমা করার বিধান রয়েছে শুধু চরম মানবিক বিষয় বিবেচনার জন্য।

news24bd.tv / কামরুল  

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের দায়িত্বশীল একজন চিকিৎসক।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট অনেকটাই কমে গেছে। এখন বেশিরভাগ সময়ই তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছেন। মাঝে মাঝে প্রয়োজনে এক লিটার অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে তাকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই চিকিৎসক আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের ডায়াবেটিসের মাত্রা কয়েকদিন ধরে বেশি ছিল। তবে গতকাল থেকে ধীরে ধীরে ডায়াবেটিসের মাত্রা কমে আসতে শুরু করেছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ এপ্রিল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি।

গত ৩ মে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে কেবিন থেকে সিসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে পরিবারের পক্ষ থেকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদন করা হয়। পরে সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার কোনো বিধান নেই বিদ্যমান আইনে।

news24bd.tv / কামরুল  

পরবর্তী খবর