৫ বছর ধরে পরকীয়া, যে কারণে প্রেমিক ৫ খণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

৫ বছর ধরে পরকীয়া, যে কারণে প্রেমিক ৫ খণ্ড

৫০ বছর বয়সী এক প্রেমিকার হাতে রাজধানীতে খুন হয়েছেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সায়েদাবাদের কে এম দাস লেনের একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় সজীবের খণ্ড খণ্ড মরদেহ। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে প্রেমিকা শাহনাজকে।

গ্রেফতারের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন শাহনাজ। প্রেমিককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর ৫ খণ্ড করেন শাহানাজ। নিহত সজিবের সঙ্গে তার পাঁচ বছর ধরে অবৈধ সম্পর্ক চল‌ছিল।

বৃহস্পতিবার দুপু‌রে ওয়ারীর স্বামীবা‌গের কে এম দাস লেন এলাকার একটি চারতলা বাসায় এ ঘটনা ঘটে। লাশের তিন খণ্ড ঘরের মেঝেতে এবং দুই খণ্ড টয়লেটে পাওয়া যায়।

প্রতিবেশীরা বলছেন, ৫ থেকে ৬ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সায়েদাবাদের কে এম দাস লেনের ৬ তলা ভবনের চতুর্থ তলায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন ৫০ বছর বয়সী শাহনাজ ও বাসের টিকিট কাউন্টারের কর্মী ৩২ বছরের সজীব।

এদিকে স্ত্রী নিখোঁজ থাকায় মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়ারি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আটক শাহনাজের আসল স্বামী।

যে কারণে ইসলাম ছেড়ে ইহুদি ধর্মে কুয়েতের নারী কণ্ঠশিল্পী (ভিডিও)

প্রেমিকের ৫ খণ্ড মরদেহের পাশে বসে ছিলেন প্রেমিকা শাহনাজ

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল

কুরআন শরিফ ছিড়ে গেলে ইসলামের নির্দেশনা কি?


ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার ইফতেখারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, পারভিন তিন দিন ধরে নিখোঁজ জানিয়ে তার স্বামী ওয়ারি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পুলিশ তাকে (পারভিন) খুঁজতে গিয়ে এই (সজিবের) মৃতদেহ পায়।  

পুলিশ জানায়, সজিবের সঙ্গে পারভিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে কারণে পারভিন তার স্বামীর বাসা থেকে তিনদিন আগে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে সজিবের বাসায় ওঠেন। জিডি হওয়ার পর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে পারভিনের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সজিবের বাসায় যায় পুলিশ। সেখানে পারভিনকে পাওয়ার পাশাপাশি সজিবের লাশও মেলে।

পারভিনকে সন্দেহের কারণ জানতে চাইলে উপ-কমিশনার ইফতেখার বলেন, সজিবের সঙ্গে থাকতে গিয়ে পারভিন বুঝতে পারে, সজিবের অন্য মেয়েদের সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে এবং সজীবের মুখ্য উদ্দেশ্য পারভিনের টাকা ও স্বর্ণালংকার।

পারভিনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ‍তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে ঝগড়ার সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

তিনি বলেছেন, সজিবের সঙ্গে তার প্রথমে ঝগড়া হয়, তখন সজিব তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে ধস্তাধস্তির মধ্যে ছুরি পারভিনের হাতে চলে আসে। তখন তিনি সজিবকে ছুরি মারলে সে মারা যায়। এরপর পারভিন রান্না ঘরের বটি দিয়ে সজীবের মৃতদেহ পাঁচ টুকরা করার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। পারভিনের হাতেও কেটে যাওয়ার জখম থাকার কথা জানান তিনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের জানা গেছে, শাহানাজ স্বামীবাগ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। তার দুই ছেলে ও মেয়ে র‌য়ে‌ছে। নিহত সজিবের সঙ্গে শাহনাজের চার পাঁচ বছর ধরে অবৈধ সম্পর্ক চল‌ছিল। তারা একটি বাসায় মাঝে মাঝে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হ‌তেন। বৃহস্প‌তিবারও দুজ‌ন দেখা ক‌রে শারীরিক সম্পর্ক শে‌ষে টাকা ও সোনা গহনা পাওনা নি‌য়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হন। বাক‌বিতণ্ডার এক পর্যা‌য়ে স‌জিব শাহনাজ‌কে চড় থাপ্পড় মার‌লে শাহনাজ ক্ষিপ্ত হ‌য়ে ছু‌রিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থ‌লেই স‌জি‌বের মৃত্যু হয়। মৃতদেহ লুকাতে শাহানাজ মরদেহ ৫টি খণ্ড ক‌রেন। 

সূত্র জানায়, গত ২ দিন আগে হত্যাকারী শাহানাজ পারভিন তার প্রকৃত স্বামীর ঘর সংসার ছেলে মেয়ে রেখে স্বর্ণাংলকার কাপড়চোপড় ও টাকা-পয়সা এবং লাগেজ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে সজিব হাসানের সঙ্গে দেখা করেন। তার স্ত্রী পরিচয় দিয়ে সজিবের বাসায় অবস্থান করা শুরু করেন।

ওই নারী পুলিশের কাছে বলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে সজিব হাসান তার টাকাপয়সা ও স্বর্ণাংলকার নিয়ে বিক্রি করতে চাইলে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরেই সজিব হাসান তাকে ছুরি দিয়ে হত্যা করতে চাইলে ওই ছুরি কেড়ে নিয়ে উল্টো সজিব হাসানের বুকের নিচে আঘাত করেন। হত্যাকারী শাহনাজ পারভিন প্রেমিক সজিবের তুলনায় শারীরিক গঠনে খুবই ভালো। হত্যা শেষে ছুরি দিয়ে সজিবের দু’হাত, দু’পা বিছিন্ন করে হত্যা করা হয়। এ কাজে ব্যবহৃত ছুরি ও শিল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ভিডিও দেখুন

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে ভাই বলায় একি করলেন তিনি

অনলাইন ডেস্ক

বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে ভাই বলায় একি করলেন তিনি

'আমার সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন, আমি ডিসির সমমান পদমর্যাদায় আছি। আমি ২০তম বিসিএসে ক্যাডার হিসেবে যোগদান করার পর ৫ম গ্রেডে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমাকে আগে স্যার বলে সম্মোধন করে পরে কথা বলুন' বলেই ফোন কেটে দেন ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের নানা অনিয়ম ও হয়রানি শিকার হয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করতে ত্রিশাল প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আসলে এসব বিষয়ে জানতে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি মতিউর রহমান সেলিম নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেনকে ফোন দিলে তিনি এমন দাপুটে কথা বলেন।

জানা যায়, চলতি বছরের ৩ আগস্ট নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে যোগদান করেন ফারুক হোসেন। তিনি যোগদানের পর থেকেই উপজেলায় চলছে ঘনঘন লোডশেডিং, আর ভুতুরে বিল তো আছেই। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রামের গ্রাহকরা গাছ ও বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগের পরিবর্তে পিলারের আবেদন করলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ওই কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বাড়িতে মিটার না থাকলেও প্রায় অর্ধলাখ টাকার ভুতুরে বিল দিয়ে হয়রানির শিকার গিয়াস উদ্দিন নামের এক ভুক্তভোগী একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গিয়ে কোনো সুরাহা না পেয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন হয়। কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করার পর রেহায় পান ভুক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন। 

গ্রাহক হয়রানি আর লোডশেডিংয়ের বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে ভুক্তভোগীরা তার অসদাচরণের শিকার হন। বৃহস্পতিবার কয়েকজন ভুক্তভোগী আসেন ত্রিশাল প্রেস ক্লাবে। বিষয়গুলো জানতে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেনকে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি ফোন দিয়ে ভাই বলে সম্বোধন করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আমি ডিসিদের সমমর্যাদার। আগে আমাকে স্যার বলে সম্বোধন করেন পরে কোনো প্রশ্ন থাকলে করুন। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

স্যার ডাকার বিষয়টি সাংবিধানিক কোনো বাধ্যবাধকতা বা প্রজ্ঞাপন আছে কিনা জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেন বলেন, আমি ২০তম বিসিএসে সহকারী প্রকৌশলী ক্যাডার হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগে যোগদান করি। ৫ম গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে আমরা তো ডিসিদের পদমর্যাদার। তাদের স্যার ডাকলে আমাদের স্যার ডাকতে অসুবিধে কোথায়। আপনাদের ইউনিয়ন পর্যায়ে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে যদি স্যার ডাকতে পারেন আমরা কেন স্যার ডাক শুনতে পারি না।

বিদ্যুৎ বিভাগের এই অসাধু কর্মকর্তা নিজেকে বিসিএস ক্যাডার দাবি করলেও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইডে গিয়ে ১৯৮২ সালের পর থেকে বিদ্যুতের আলাদা কোনো ক্যাডারের তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০তম বিসিএস দাবি করলেও সেই তালিকাতেও তার নাম দেখা যায়নি।

উপজেলার একাধিক বিসিএস কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে ৮২ সালের পর থেকে বিদ্যুৎ বিভাগে আলাদা ক্যাডার আছে বলে আমাদের জানা নেই। তিনি নিজেকে কেন ২০তম বিসিএস কর্মকর্তা দাবি করলেন সেটা তিনি বলতে পারবেন।

সূত্র- কালের কণ্ঠ

পরবর্তী খবর

এ কেমন প্রতারণা, চিংড়ির মধ্যে ম্যাজিক বল

এস এম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি

এ কেমন প্রতারণা, চিংড়ির মধ্যে ম্যাজিক বল

ঝালকাঠিতে চিংড়ির মধ্যে ম্যাজিক বল ঢুকিয়ে বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঝালকাঠি পৌরসভার বড় বাজারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবেকুন নাহার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এ সময়ে বাজারের মাছ বিক্রেতা খানজু মিয়াকে চিংড়ি মাছের ভেতরে ক্ষতিকর বিষাক্ত কৃত্রিম ম্যাজিক বল ভেজাল দেওয়ার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। অভিযুক্ত খানজু মিয়া জরিমানার টাকা পরিশোধ করে আদালত থেকে মুক্তি লাভ করে।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাজারে অবস্থানরত সকল মাছ বিক্রেতাকে সঠিকভাবে ভেজালমুক্ত মাছ বিক্রি করার জন্য সচেতনমূলক নির্দেশনা প্রদান করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

হেফাজতের তাণ্ডব : ওসি নাজমুলকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতের তাণ্ডব : ওসি নাজমুলকে বদলি

হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের জেরে এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আহমেদকেও বদলি করা হয়েছে। 

গতকাল রবিবার (৯ মে) বিকেলে পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাকে বরিশাল রেঞ্জে যুক্ত করা হয়েছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. রইছ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, ওসি নাজমুলকে সরাইল থেকে বদলি করে বরিশাল রেঞ্জে যুক্ত করা হয়েছে। 

এর আগে হেফাজতের সহিংস ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের পৃথক আদেশে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আলাউদ্দিন চৌধুরীকে সিলেট রেঞ্জের রিজার্ভ ফোর্সে, সদর থানার ওসি মো. আবদুর রহিমকে রংপুর রেঞ্জে ও বিশ্বরোড মোড় খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি গাজী শাখাওয়াৎ হোসেনকে হাইওয়ে পুলিশের গাজীপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

শবে কদরের রাতে চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন ভাই-ভাবি

মো.বুরহান উদ্দিন সুনামগঞ্জ

শবে কদরের রাতে চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন ভাই-ভাবি

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে ঝগড়া বিবাদের জের ধরে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক দম্পতি।

নিহতের নাম আলমগীর হোসেন (৩২) এবং তার স্ত্রীর নাম মোর্শেদা বেগম (২৮)।

উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে রোববার (০৯ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

এই দম্পতির চার সন্তান রয়েছে। বড় ছেলের বয়স ৯ বছর। নিহতদের লাশ জামালগঞ্জ থানা-পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলীপুর গ্রামের তাহের আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে বাড়ির পাশের জায়গা বিক্রয় নিয়ে কিছুদিন হয় চাচাতো ভাই ঝনর মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার দ্বন্দ্ব চলে আসছে। বিক্রয় করা জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধে ২-৩ দিন হয় ঝগড়া বিবাদ চলছিল। এর জের ধরে রোববার রাত আটটায় রাসেল মিয়া আলমগীর হোসেনের ঘরে ঢুকে তাকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় আলমগীরের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম ফেরানোর চেষ্টা করলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে রাসেল মিয়া। গুরুতর আহত দুইজনকে জামালগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় পথেই তাদের মৃত্যু হয়। রাত পৌঁনে ৯ টায় জামালগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তাররা দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খুন হওয়া দম্পত্তির লাশ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। খুনীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ইফতারির সঙ্গে নেশার ওষুধ খাইয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

ইফতারির সঙ্গে নেশার ওষুধ খাইয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

ইফতারির সঙ্গে নেশার ওষুধ খাইয়ে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের এ ঘটনায় তিনজনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন- রিপন মিয়া, জসীম উদ্দিন ও ফয়সাল।

রোববার (০৯ মে) বিকেলে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয় । 

এদিকে, আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে ভিকটিম ওই শিক্ষার্থী। 

উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল রাতে উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নে ইফতারির সংগে নেশাজাতীয় ওষুধ মিশিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে রিপন মিয়া। এ ঘটনায় রিপনসহ আরও দুইজনকে আটক করে পুলিশ।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুজ্জামান বলেন, ধর্ষণে অভিযুক্তসহ তিনজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিম শিক্ষার্থী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। 

তিনি জানান, আটকৃতরা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ভিকটিমের স্বজন বাদী হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় নারী শিশু আইনে মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান মনিরুজ্জামান। 

পরবর্তী খবর