সুরা দুখান আমলের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সুরা দুখান আমলের ফজিলত

ইবনে মারদুবিয়া হজরত আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাতে অথবা জুমআর দিনে সুরা দুখান তেলাওয়াত করে, আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য জান্নাতে একটি মহল তৈরি করেন।

বাইহাকি বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাতে এ সুরা এবং সুরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করে। সে সকালে এমন অবস্থায় জাগ্রত হবে যে, তার সকল গোনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে।


ইসলামে নাম ব্যঙ্গ করার পরিণাম কী?

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল

কুরআন শরিফ ছিড়ে গেলে ইসলামের নির্দেশনা কি?

যে কারণে দোয়া কবুল হয় না


ইমাম তিরমিজি ও বাইহাকি হজরত আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি রাতে সুরা দুখান তেলাওয়াত করবে, সত্তর হাজার ফেরেশতা সকাল পর্যন্ত তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকবে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি সন্ধ্যা বেলায় সুরা দুখান, সুরা গাফের ও আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করবে, সকাল পর্যন্ত তাঁর হেফাজত করা হবে এবং সে কোনো প্রকার মন্দ কিছু দেখবে না।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা লাহাবের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা লাহাবের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

সুরা লাহাব পবিত্র কুরআনের ১১১ নম্বর সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৫ এবং সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আবু লাহাবের আসল নাম ছিল আবদুল ওয্‌যা। সে ছিল আবদুল মোত্তালিবের অন্যতম সন্তান। 

গৌরবর্ণের কারণে তার ডাক নাম হয়ে যায় আবু লাহাব। কোরআন পাক তার আসল নাম বর্জন করেছে। কারণ সেটা মুশরিকসুলভ। এছাড়া ‘আবু লাহাব’ ডাক নামের মধ্যে জাহান্নামের সাথে বেশ মিলও রয়েছে। 

সে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ) - এর কট্টর শত্রু ও ইসলামের ঘোর বিরোধী ছিল এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে কষ্ট দেয়ার প্রয়াস পেত। তিনি যখন মানুষকে ঈমানের দাওয়াত দিতেন, তখন সে সাথে সাথে যেয়ে তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রচার করত।

আরবি:

 بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
١  تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ 
٢ مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ 
٣ سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ 
٤ وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ 
٥ فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِنْ مَسَدٍ 

উচ্চারণ:

‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রাহীম’

ত্বাব্বাত ইয়াদা- আবী লাহাবিউ ওয়া তাব্বা. মা আগনা- 'আনহু মা-লুহু ওয়ামা- কাসাব. ছাইয়াছলা-না-রানযা-তা লাহাবিউ ওয়ামরাআতুহ, হাম্মা- লাতাল হাত্বোয়াব. ফীজী দিহা- হাবলুম মিম মাসাদ. 


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


বাংলায় অনুবাদ:

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
১. আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
২. কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
৩. সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
৪. এবং তার স্ত্রীও - যে ইন্ধন বহন করে,
৫. তার গলদেশে হবে এক খর্জুরের রশি ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন

নামাজ আদায় করতে আল্লাহ তাআলা কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও দ্বিতীয় রুকন। যা প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ্য মস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলিম পুরুষ ও মহিলার জন্য আদায় করা ফরজ। নামাজ শুরু করার পূর্বে রয়েছে সাতটি ফরজ কাজ।

১. পবিত্রতা অর্জন: সমূদয় অপবিত্রতা থেকে শরীর পবিত্র হওয়া। আল্লাহ বলেন- তোমরা অপবিত্র হলে পাক সাফ হয়ে যাও। (সূরা মায়িদা: আয়াত ৬)

২. পোশাক পবিত্র হওয়া: নামাজের পরিধেয় জামা, পাজামা, টুপিসহ যে সব পোশাক পরিধানে থাকবে তা পবিত্র হওয়া আবশ্যক। অপবিত্র হলে নামাজ হবে না। আল্লাহ বলেন- তোমার পোশাক পবিত্র কর।’ (সূরা মুদ্‌দাসসির: আয়াত ৪)

৩. স্থান পবিত্র হওয়া: নামাজি ব্যক্তি যে স্থানে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়বে, যেখানে হাঁটু ও হাত রেখে সিজদা করবে এসব স্থান অবশ্যই পবিত্র হতে হবে।

৪. আওরাতে সতর: পুরুষের জন্য নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত এবং মহিলাদের দু’হাতের কবজি, পাদ্বয় এবং মুখমণ্ডল ব্যতিত সমস্ত দেহ ঢেকে রাখা ফরজ। আল্লাহ বলেন- হে বনি আদম! প্রত্যেক নামাজের সময় তোমরা সুন্দর সাজসজ্জা/পরিচ্ছদ পরিধান করে নাও। (সূরা আরাফ: আয়াত ৩১)

আরও পড়ুন:


নামাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারীদের পরিণতি কী?

বাংলাদেশের মিডিয়া মুক্ত ও সোচ্চার: বিক্রম দোরাইস্বামী

আন্তর্জাতিক ১৩ প্রেস মুশতাক হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত চায়: নুর

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ


৫. সময়মতো নামাজ পড়া: প্রত্যেক ওয়াক্তের সময়ে ঐ নামাজ আদায় করা। আল্লাহ বলেন- নির্ধারিত সময়ে নামাজ কায়ম করা ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। (সূরা নিসা: আয়াত ১০৩)

৬. কিবলামুখী হওয়া: নামাজি ব্যক্তি বাইতুল্লাহর দিকে ফিরে নামাজ আদায় করবে। আল্লাহ বলেন- তোমরা (নামাজের সময়) কা’বার দিকে মুখ কর। (সূরা বাক্বারা: আয়াত ১৫০)

৭. নিয়ত করা: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- আমলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। (বুখারি)

উপরোক্ত কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে। যা বান্দার জন্য ফরজ বা আবশ্যক। হে আল্লাহ! সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে নামাজপূর্ব গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যথাযথভাবে মেনে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারীদের পরিণতি কী?

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারীদের পরিণতি কী?

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য নামাজ ফরজ। আল্লাহ তাআলা সব কিছু ছাড় দিতে পারেন কিন্তু নামাজের বিষয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। এই নামাজ যারা ত্যাগ করবে, তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতে পদে পদে লাঞ্ছনা, অসহায়ত্ব, কষ্ট এবং কঠিন শাস্তি। যার কিছু তুলে ধরা হলো-

দুনিয়ার জীবনে...

ক. আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার জীবনে সবকিছু থেকে বরকত কেড়ে নিবে।
খ. নামাজ ত্যাগকারীর চেহারায় কোনো নূর থাকবে না।
গ. আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো আমলের পুরস্কার পাবে না।
ঘ. অন্য কোনো লোক তার জন্য দোয়া করলে, সে দোয়া তার কোনো কাজে আসবে না।
ঙ. দুনিয়ার সকল সৃষ্টিজীবের নিকট সে হবে ঘৃণিত ব্যক্তি।

মৃত্যুকালীন অবস্থা...

ক. বেনামাজি অপদস্থ-লাঞ্ছিত হয়ে মৃত্যু বরণ করবে।
খ. প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে।
গ. এমন পিপাসিত হয়ে মৃত্যুবরণ করবে যে, দুনিয়ার সব সাগরের পানি পান করলেও তার পিপাসা মিটবে না।

কবরের অবস্থা...

ক. বেনামাজির কবরকে এমন সংকীর্ণ করা হবে যে, এক পাঁজরের হাড় অন্য পাঁজরে ঢুকে পড়বে।
খ. কবরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হবে, যে আগুনের আঙরা বা জ্বলন্ত কয়লার ওপর রাত-দিন পলটি খেতে থাকবে।
গ. কবরে এমন এক বিষাক্ত সাপ নিযুক্ত করা হবে। এ সাপটি দৈনিক পাঁচ বার বিষাক্ত ছোবল দিবে। ফজরের নামাজ তরক করার কারণে ফজর থেকে জোহর পর্যন্ত, জোহরের নামাজ তরক করার কারণে জোহর থেকে আছর পর্যন্ত, এভাবে আছর থেকে মাগরিব এবং মাগরিব থেকে ইশা পর্যন্ত। এর ছোবল এতটাই বিষাক্ত হবে যে, প্রতি ছোবলে বেনামাজি ৭০ গজ মাটির নিচে চলে যাবে।

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশের মিডিয়া মুক্ত ও সোচ্চার: বিক্রম দোরাইস্বামী

আন্তর্জাতিক ১৩ প্রেস মুশতাক হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত চায়: নুর

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

ওই সব লোক এখানে এসে মাতব্বরি করবে কেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


কিয়ামতের দিনের অবস্থা...

ক. আগুনের কয়লার উপর চেহারাকে টানা-হেঁচড়া করা হবে।
খ. হিসাবের সময় আল্লাহ তাআলা গজবের দৃষ্টি তাকাবে যার ফলে তার চেহারার গোস্ত খসে পড়ে যাবে।
গ. হিসাব হবে কঠিন। অতপর জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হবে।

এসব কঠিন আযাবের কথা চিন্তা করে আসুন সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি। আল্লাহ তাআলা সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে উপরোক্ত শাস্তি থেকে হিফাজত করুন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

সূরা আন-নাস (আরবি: سورة الناس‎‎; মানবজাতি)। আল-কুরআনের ১১৪ নম্বর এবং সর্বশেষ সূরা।

এর আয়াত, অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৬ এবং রূকু, তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আন-নাস মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। যদিও কোন কোন বর্ণনায় একে মক্কায় অবতীর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এর প্রতিটি আয়াতের মাধ্যমে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনষ্টিতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।

অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ:

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ

কুল আউযু বিরাব্বিন নাস

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

مَلِكِ النَّاسِ

মালিকিন্ নাস

মানুষের অধিপতির।

إِلَهِ النَّاسِ

ইলাহিন্ নাস

মানুষের মা’বুদের।

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ

মিন্ শররিল ওয়াস্ ওয়াসিল খান্নাস

তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ

আল্লাযী ইউওযাসবিসু ফী ছুদুরিন্নাস

যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে।

مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ

মিনা জিন্নাতি ওয়ান্নাস

জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যাদের দোয়া সব সময় কবুল হয়

অনলাইন ডেস্ক

যাদের দোয়া সব সময় কবুল হয়

আল্লাহ তাআলা পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন। এ জন্য অনেক ইসলামিক স্কলার সব সময় পবিত্রতা অর্জনকারী ব্যক্তিদের মুসতাজেবুদ দাওয়াহ মনে করেন। কোনো ব্যক্তি যখন সমস্যাগ্রস্ত হয়ে ওজুর মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে আল্লাহর কাছে একান্ত মনে প্রার্থনা করেন, তবে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির দোয়া কবুল করে নেন। তবে এ ছাড়াও এমন ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের দোয়া আল্লাহ সব সময় কবুল করেন। 

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা পবিত্র, তিনি পবিত্র বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুলগণকে যা করার আদেশ করেছেন ঈমানদারগণকেও সে কাজই করার আদেশ করেছেন।’ অতঃপর আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসুলগণ! তোমরা পবিত্র বস্তু (হালাল) হতে ভক্ষণ করো, এবং নেক কাজ (আমলে সালিহ) করো।’ (আল্লাহ তাআলা) আরো বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদেরকে আমি যেসব পবিত্র বস্তু রিজিক হিসেবে দিয়েছি, তা থেকে আহার করো।’

অতঃপর তিনি এমন এক ব্যক্তির উল্লেখ করলেন, যে দূরদূরান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সফর করে। ফলে তার চুলগুলো এলোমেলো ও ধূলি-ধূসরিত রুক্ষ হয়ে পড়েছে। সে আসমানের দিকে হাত উত্তোলন করে বলছে, ‘হে আমার প্রতিপালক! হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পরিধেয় বস্ত্র হারাম এবং আহার্য হারাম। এ অবস্থায় তিনি কেমন করে তার দোয়া কবুল করতে পারেন?’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৩৯৩)


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

আলোচ্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর কাছে মানুষের ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার জন্য পবিত্র দেহ ও আত্মার কেন প্রয়োজন, সেদিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যেহেতু মহান আল্লাহ পবিত্র সত্তার অধিকারী, তাই তিনি হালাল বস্তু ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করেন না। পবিত্র কোরআনেও এদিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, ‘তাঁরই দিকে ঊর্ধ্বারোহণ করে (দরবারে গৃহীত হয়) পবিত্র বাণীসমূহ ও নেক আমল তাকে উন্নীত করে।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ১০)

আমল কিভাবে পবিত্র হয়?
যে আমল ইখলাসের সঙ্গে আল্লাহ তাআলার জন্য; এবং তা হালাল খেয়ে ও হারাম খাওয়া ছেড়ে দিয়ে করা হয় তা পবিত্র। হালাল খাবার, বৈধ উপার্জন ও পবিত্র জীবন মুমিনের জন্য অপরিহার্য। এ ছাড়া তার জীবনের কোনো আমল আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য হবে না। এ জন্য পবিত্র কোরআনে বারবার হালাল আহার, অবৈধ উপার্জন ত্যাগ ও জীবনে পূত-পবিত্রতা অর্জনের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি তোমাদেরকে যে পবিত্র বস্তু রিজিক হিসেবে প্রদান করেছি তা হতে আহার করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৫৭)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘আমি তোমাদেরকে যে পবিত্র বস্তু রিজিক হিসেবে দিয়েছি, তা হতে আহার করো এবং তাতে সীমা লঙ্ঘন কোরো না।’ (সুরা : ত্বহা, আয়াত : ৮১)

হারাম খাওয়া দোয়া কবুলের অন্তরায়
আল্লাহ দোয়া কবুল করেন না—এমন অভিযোগ রয়েছে অনেকের। আলোচ্য হাদিসে এসব অভিযোগের উত্তর রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, হারাম খাবার, পানীয় ও বস্ত্র অর্থাৎ হারাম উপার্জনে যাপিত জীবন দোয়া কবুলের অন্তরায়। যে ব্যক্তি হারাম পরিহার করতে পারে না, তার দোয়া কবুল হওয়ার আশা করা যায় না। বিপরীতে যার জীবিকা পবিত্র, তার দোয়া কবুল হওয়ার কথা জানিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) সাদ (রা.)-কে বলেন, ‘হে সাদ! তোমার খাদ্য পবিত্র করো, তাহলে মুস্তাজাবুদ দাওয়াত (যার দোয়া কবুল হয়) হতে পারবে।’ (আল মুজামুল আওসাত, হাদিস : ৬৪৯৫)

যাদের দোয়া কবুল হয়
হাদিসে এসেছে, তিন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়। তারা হলো, অত্যাচার ও অবিচারের শিকার ব্যক্তি, মুসাফির ও সন্তানের জন্য বাবা-মায়ের দোয়া। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১৯০৫) এ ছাড়া হাদিসে অসুস্থ ব্যক্তি, এক মুসলিম ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে অপর মুসলিম ভাইয়ের দোয়াসহ একাধিক ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় বলে জানানো হয়েছে।

তবে দোয়া কবুলের জন্য কিছু আদব রয়েছে। যা রক্ষা করা প্রয়োজন। যেমন—বিনীত হয়ে দোয়া করা, পূর্ণ মনোযোগ থাকা, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আশা ও আস্থা রাখা, কান্না করা, হাত তুলে দোয়া করা, দোয়া কবুলের সময়গুলো অনুসরণ করা ইত্যাদি।

বিশেষ সতর্কতা
কোনো সন্তানেরই উচিত নয়, বাবা-মার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা। কেননা বাবা-মা সন্তানের জন্য জান্নাত ও জাহান্নাম। সন্তান যদি বাবা-মার বাধ্য হয় তবে জান্নাত সুনিশ্চিত। আর যদি অবাধ্য হয় তবে জাহান্নাম সুনিশ্চিত।

আবার কোনো ব্যক্তির সঙ্গে জুলুম করা হলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে আল্লাহর সঙ্গে পর্দা থাকে না। সে যে দোয়া করে আল্লাহ তাআলা তা কবুল করে নেন। সুতরাং কারো প্রতি জুলুম করা মারাত্মক অপরাধ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের নির্দেশনাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন। হাদিসগুলোর ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর