বিট লবণ স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা উপকারি?

অনলাইন ডেস্ক

বিট লবণ স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা উপকারি?

বিট লবণ কালো বা গোলাপি আভাযুক্ত এক ধরণের খনিজ পদার্থ। এতে রয়েছে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম সালফেট, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ফেরিক অক্সাইড, ফেরাস সালফেট ও ফ্লুরাইড ইত্যাদি। এ ছাড়া বিট লবণে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান।

ভারতের দিল্লির ফ্লুরোসিস গবেষণা ও পল্লী উন্নয়ন ফাইন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বিট লবণ খাওয়ায় ভারতে ফ্লুরাইড বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় ৬৬ মিলিয়নেরও বেশি।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বিট লবণের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হয়েছে। আসুন, এক ঝলকে বিট লবণের গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিই

অ্যাসিডিটি কমায়

বিট লবণ লিভারে পিত্ত উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং অ্যাসিডিটি ও ফোলাভাব নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। বিট লবণ গ্যাসের সমস্যা থেকে দূরে রাখে ও পেট ফাঁপা কমায়।

হজমে সহায়তা

যদি আপনার হজমের সমস্যা থাকে, তাহলে বিট লবণ খেতে পারেন। বিট লবণ হজমপ্রক্রিয়ার উন্নতি করে।

রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা

বিট লবণ শরীরে রক্ত ​​সঞ্চালন নিশ্চিত করে। এ ছাড়া রক্ত ​​জমাট বাঁধা ও কোলেস্টেরলের সমস্যা হ্রাস করে।


উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে সংবাদ প্রচার, চীনে বিবিসি বন্ধ


চুলের যত্নে

বিট লবণে থাকা মিনারেলস চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া চুল পড়া কমায়। খুশকি রোধেও সাহায্য করে।

ত্বকের যত্নে

ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী বিট লবণ। এর মধ্যে থাকে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এটি ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমান ঘরোয়াভাবে

অনলাইন ডেস্ক

প্রস্রাবের ইনফেকশন কমান ঘরোয়াভাবে

সারা দিনে আমরা যত পানি খাই তা আমাদের কিডনির মাধ্যমে ছেঁকে মূত্রনালি দিয়ে মূত্র হিসেবে বেরিয়ে যায়। প্রস্রাবের ইনফেকশনের কথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু যাদের এই ইনফেকশন আছে তারা  জানে কি যন্ত্রণাদায়ক এই রোগ। এই সমস্যাটিকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই) বলা হয়। প্রস্রাবের ইনফেকশন হলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নারীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। অনেকেই আবার প্রায়ই প্রস্রাবের ইনফেকশনে ভোগেন।

দীর্ঘ সময় এই স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে বরং ঘরোয়াভাবে এই সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করুন। প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি এমন কিছু খাবার খান যেগুলো প্রস্রাবের ইনফেকশন কমাবে।

পেঁপে
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবে অ্যাসিডিটি বাড়ায়। ফলে ইনফেকশন তৈরিতে দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।

ব্রোকলি
ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। পাশাপাশি এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ইনফেকশন থেকে মুক্তি মেলায়।

ক্রেনবেরি জুস
লাল রঙা জাম জাতীয় এই ফল প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বের করে দেয়। ক্রেনবেরিতে বেটা ক্যারোটিন, লাইকোপেন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

দারুচিনি
অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদানের কারণে শত শত বছর ধরেই সমাদৃত দারুচিনি। এটি শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বেড়ে উঠতে বাধা দেয়। একটি গবেষণায় জানা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার জন্য দায়ী ই. কোলি ভাইরাসকে প্রতিরোধ করে দারুচিনি।

মেনে চলুন কিছু বিষয়
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে বের হয়ে যাবে।

ইউরিন ইনফেকশন সেরে না উঠা পর্যন্ত চা-কফি, ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল পান করবেন না। কারণ এগুলো মূত্রথলির আরো ক্ষতি করতে পারে।

জাম জাতীয় ক্রেনবেরি ছাড়াও ব্লু বেরি ফল পেলে খাবেন, এসব ফল প্রস্রাব ইনফেকশন দূর করতে উপকারি।

মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না।

প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই খেলে উপকার পাবেন।

প্রস্রাবের ইনফেকশনের সময় অ্যাসিডিক ফল (লেবু, কমলালেবু) বেশি খেলে পরিস্থিতি আরো বিগড়ে যেতে পারে।

ডাক্তার প্রেসক্রাইব করলে অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স পুরো শেষ করুন। ভালো বোধ করলেও অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষ করা জরুরি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দ্রুত শক্তির জন্য ‘সুপার ফুড’

অনলাইন ডেস্ক

দ্রুত শক্তির জন্য ‘সুপার ফুড’

সুস্থ পেশি, ওজন নিয়ন্ত্রণ, উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য কাঠবাদাম খাওয়া বেশ উপকারী। এসকল গুণাগুণের জন্য একে ‘সুপার ফুড’ বলেও অভিহিত করা হয়। কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হওয়ায় এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। 

কাঠবাদামে সাধারণত ভিটামিন, মিনারেল, এসেনশিয়াল, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকায় কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। কাঠবাদামে যে পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন আছে, যা দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মানসিক তৃপ্তির কারণে অনেকক্ষণ খিদে লাগবে না। দ্রুত ক্লান্তি দূর করবে এবং দ্রুত শক্তির জোগান দেবে।


 কাঠবাদামে শর্করার পরিমাণ কম বলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী। ১২ থেকে ১৫টি কাঠবাদাম থেকে আপনি ১০০ কিলোক্যালোরি পাবেন। যাঁরা ১২০০ থেকে ১৪০০ কিলোক্যালোরির ডায়েট করছেন ওজন কমানোর জন্য, তাঁরাও কিন্তু মিড-মর্নিং স্ন্যাকসে কাঠবাদাম খেতে পারেন।

 কাঠবাদামে উপস্থিত ফ্ল্যামোনয়েডস, যা আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করবে। কাঠবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। কাঠবাদামে প্রচুর পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সহায়তা করবে।

কাঠবাদাম উচ্চ আঁশযুক্ত। ফলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, এতে প্রচুর এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায়, হৃদরোগীদের যে ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড দরকার, তার সরবরাহ করে থাকে কাঠবাদাম।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

অনলাইন ডেস্ক

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

প্রতিবছর সারাবিশ্বে সাত লাখ লোক স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার লোক মারা যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই তথ্য জানা যায়। মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর তৃতীয় কারণ স্ট্রোক। আমাদের দেশেও এ সংখ্যা কম নয়। স্ট্রোকে আক্রান্তদের দুই-তৃতীয়াংশই মারা যায় বা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে ও অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। আর একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় স্ট্রোক বলে।

স্ট্রোক দুই প্রকার। ইসকেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। সাধারণত রক্তনালির ভেতর জমাট বাধা রক্তপিণ্ড এ সমস্যা করে থাকে। মোট স্ট্রোকের শতকরা ৮০ ভাগই এ ধরনের স্ট্রোক। 

মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে গেলে রক্তক্ষরণ হয়। এটি হেমোরেজিক স্ট্রোক।

বয়স কম হোক কিংবা বেশি- অনেকেই হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা এর কারণ হিসেবে দায়ী করছেন অনিয়মিত জীবন যাপনকে। লাইফস্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনলেই হার্ট অনেকটা সুস্থ থাকবে।

চলুন জেনে নিই জীবনযাপনে কী পরিবর্তন আনতে হবে- 

নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে হার্ট সুস্থ থাকে। নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন শরীরচর্চা করতে হবে।

মদ্যপান এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকুন
ধূমপান একেবারে ছেড়ে দেয়া দরকার। অ্যালকোহলজাত পানীয় কম পান করুন।

রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা দরকার
শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শর্করা থাকলে তা কখনও ভালো নয়। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা এমনিই কমে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম দরকার
৭ ঘণ্টা ঘুম সুস্থ থাকার জন্য খুব জরুরি। স্ট্রেস থেকে দূরে থাকা দরকার। তার জন্য নিয়মিত যোগব্যায়াম করাও দরকার। নিয়মিত শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে রাতের ঘুম ভালো হয়। রক্তকণিকা সুস্থ থাকে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে
আপনার প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেড, আর ফ্যাট-এর পরিমাণে যেন সমতা থাকে। সতেজ ফল, শাক সবজি খান। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, এমন মাছ রাখুন রোজকার ডায়েটে। নুন, মিষ্টি, রেড মিট খাওয়া কমান।

news24bd.tv /আলী

পরবর্তী খবর

মাইগ্রেন থেকে ‍মুক্তির যত ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

মাইগ্রেন থেকে ‍মুক্তির যত ঘরোয়া উপায়

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।

সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের অধীনে এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা উচিত। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের কোনো সমস্যার জন্য হয় না।

মাইগ্রেনের সমস্যা সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো সময় হঠাৎ করে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। মাইগ্রেনের কারণে মাথার একপাশে তীব্র ব্যথা হয়। বমিভাব, মাথা ঘোরা ও ক্লান্তি মাইগ্রেনের প্রধান লক্ষণ।

এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা মাইগ্রেনের সমস্যা কম করতে পারে।আসুন, সেসব খাবার সম্পর্কে জেনে নিই—

আদা
মাইগ্রেন থেকে মুক্তি দিতে পারে আদা। লেবু ও আদার রস একসঙ্গে বা আদা চা মাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আদা কুচি করে চিবালেও উপকার পাওয়া যায়।

সবুজ শাকসবজি 
সবুজ শাকসবজিতে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। মাইগ্রেনের ব্যথায় ম্যাগনেসিয়াম খুবই কার্যকর। শস্য, সামুদ্রিক খাবার এবং গমেও প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকে।

মাছ
মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। এ দুটি উপাদান মাইগ্রেনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

বাদাম
কাজুবাদাম, ওয়ালনাট ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ, তাই মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করতে এগুলো খেতে পারেন।

দুধ
মাইগ্রেনের সমস্যায় ফ্যাট-ফ্রি দুধ পান করা খুবই উপকারী। দুধে ভিটামিন-বি পাওয়া যায়, যা কোষকে এনার্জি জোগায়।

কফি
সাধারণ মাথাব্যথার ক্ষেত্রে যেমন কফি বা চা পান করা উপকারী হয়, তেমনই এটি মাইগ্রেনের ক্ষেত্রেও সহায়ক।


সব মুছতে চান শ্রাবন্তী, কিন্তু কেন?

সারাদেশে মদ পানে ১৫ জনের মৃত্যু, বাড়ছে উৎকণ্ঠা

স্মার্টফোনের বহুমুখী ব্যবহারে কমছে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা


আঙুর

মাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমাতে আঙুর বা আঙুরের রস খেতে পারেন। অল্প পানিতে আঙুরের রস মিশিয়ে খেতে পারলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

ব্রকলি
ব্রকলিতে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়, যা মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঔষধি গুণসম্পন্ন চকলেট!

অনলাইন ডেস্ক

ঔষধি গুণসম্পন্ন চকলেট!

চকলেট ছোটবড় সকলের পছন্দ হলেও এর স্বাস্থ্য অপকারিতার কথা শুনে অনেকেই চকলেটকে এড়িয়ে চলে। তবে চকলেটেরও রয়েছে কিছু গুণ যা জানলে হয়তো চকলেট সম্পর্কে আপনার নেতিবাচক ধারণা পাল্টে যাবে।

কয়েক বছর আগে একাধিক গুণসম্পন্ন চকলেট তৈরির দাবি জানিয়েছিলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কম্পানি। তাদের দাবি ছিল, বিশ্বে প্রথম একাধিক গুণসম্পন্ন চকলেট তৈরি করেছে তারা। এই চকলেট খেলে কমবে রক্তচাপ সেইসঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকবে।

চকলেটের মূল উপাদান কোকো বীজে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকে। তার সঙ্গেই এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু চকলেট তৈরির সময় এই কোকো বীজের কার্যকারিতা কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়। কারণ চকলেট তৈরি করার সময় প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট ও চিনি মেশানো হয়।

একটি চকলেট বারে অন্তত ৭০ শতাংশ ফ্যাট ও চিনি থাকে। কিন্তু আমেরিকার কুকা এক্সোসিও নামের এক কোম্পানির দাবি, তাদের তৈরি নতুন চকলেট বারে ফ্যাট ও চিনির পরিমাণ মাত্র ৩৫ শতাংশ। তাই এই চকলেট শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং অধিক কার্যকর।


আরও পড়ুনঃ

ভাল থাকুক বিশ্বের সকল বাবা, যেভাবে দিবসটির শুরু

বিএনপি থেকে শফি আহমেদ চৌধুরীকে বহিষ্কার

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট রায়িসিকে অভিনন্দন জানাল হামাস

বিশেষ ট্রেন চালু, মাত্র এক ঘণ্টাতেই ঢাকা-গাজীপুর


ওই সংস্থার, মুখপাত্র গ্রেগরি আহারনিয়ানের দাবি, তারা কোকো গাছের নির্যাস ব্যবহার করে কোকো বিজের তিক্ততা কমিয়েছেন। কারণ চকলেট বারে চিনি, স্যাকারিন ও অতিরিক্ত ফ্যাট ব্যবহারের ফলে কোকো বিজের গুণ নষ্ট হয়ে যায়।

তাই নতুন চকলেটে চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ অর্ধেক কমিয়ে আনা হয়েছে। তাদের কম্পানি চিনি ও ফ্যাটের পরিমাণ ১০ শতাংশে নামিয়ে নতুন ধরনের চকলেট তৈরিরও চেষ্টায় রয়েছেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর