নিজেকে যুদ্ধাপরাধ মামলার প্রধান আসামি দাবি করে আত্মসমর্পণ করল বৃদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক

নিজেকে যুদ্ধাপরাধ মামলার প্রধান আসামি দাবি করে আত্মসমর্পণ করল বৃদ্ধ

এ এফ এম ফয়জুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

আদালতে এসে নিজেকে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি হিসেবে দাবি করা এ এফ এম ফয়জুল্লাহ নামের সেই বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ৪২তম রায় ঘোষণার আগে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ওই বৃদ্ধ আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজেকে মামলার প্রধান আসামি দাবি করে আত্মসমর্পণ করতে চান। পরে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগম বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এ এফ এম ফয়জুল্লাহ এতদিন পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে চাইলে তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর গফরগাঁও পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহবাগ থানাকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হলে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান আসামির সাথে কথা বলার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমিও এই মামলার সব আসামিকে সঠিকভাবে চিনি না।’ তবে এই মামলার আসামি বলে তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।

আরও পড়ুন:


বিএনপির ডাকা চট্টগ্রামের সমাবেশ স্থগিত

বাঙালীদের আত্মপরিচয় ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে: মহাদেব সাহা

সেবা বৈষম্য নিয়ে ক্ষুব্ধ নতুন যুক্ত ওয়ার্ডের বাসিন্দারা

কমলাপুর স্টেশন অক্ষত রেখেই মেট্রোরেলের পরিকল্পনা


আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) ট্রাইব্যুনালে একটি মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত ছিল। এই দিন সকালে ট্রাইব্যুনালের গেটের বাইরে নিরাপত্তা কর্মীদের কক্ষে বসে থাকা এক ব্যক্তি নিজেকে মানবতাবিরোধী মামলার পলাতক আসামি বলে আত্মসমর্পণ করতে আসেন। ওই ব্যক্তি নিজেকে ময়মনসিংহের এ এফ এম ফয়জুল্লাহ বলে দাবি করেন এবং আত্মসমর্পণ করতে চান। তবে এ সময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিল না। এরপর তাকে ট্রাইব্যুনালের গেটের বাইরে নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়। রায় ঘোষণার পর বেলা ২টার দিকে তাকে শাহবাগ থানায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।’

এদিকে বৃহস্পতিবার একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের তিন আসামিকে আমৃত্যু ও পাঁচ আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলার রায়ে একজনকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক জামাল হত্যার বিচার মেলেনি ১৪ বছরেও

ফাতেমা জান্নাত মুমু, চট্টগ্রাম

সাংবাদিক জামাল হত্যার বিচার মেলেনি ১৪ বছরেও

দীর্ঘ ১৪বছরেও হয়নি রাঙামাটির সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দীন হত্যার বিচার। তাই বিচার বিভাগের উপর আস্থাহীনতায় পরেছে তার পরিবার। ১৪ বছরেও কোনো কুলকিনার হয়নি জামাল হত্যা মামলার। গ্রেপ্তার করা হয়নি আসামিও। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাঙামাটির সাংবাদিক সমাজ।

আজ শনিবার সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে জামালের পরিবার আয়োজন করেছে কবর জিয়ারত, দোয়া, কোরআন খতম ও মিলাদ মাহফিল।

রাঙামাটির সাংবাদিক জামালের ছোট বোন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু বলেন, আমি হতাশ। ১৪ বছর পেরিয়ে গেলো ভাই হত্যার বিচার পাইনি। পাব কিনা তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


ঝুলন্ত হত্যা মামলাটি এখন ডুবন্ত সূর্য্য। তদন্তের পর তদন্ত হলো। কিন্তু জামাল হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হলো না। এ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তারা। ২০০৭ সালে ৫ মার্চ অপহরণ হয় আমার ভাই। ৬ মার্চ লাশ মেলে জঙ্গলে। কে বা কারা তাকে অপহরণ করেছে, হত্যা করেছে। কেন করেছে? কিছুই জানতে পারিনি আজও। শুধু এটা জানি আমার ভাই কখনো কারো রক্ত চক্ষুকে ভয় পেত না। কখনো আপোষ করেনি কোনো অপরাধ-অপরাধীর সাথে। তাই হয়তো তাদের ক্ষোভের শিকার হতে হয়েছে তাকে। বিচার না পেয়ে আমি আস্থাহীনতায় পরেছি। তবে সরকার চাইলে আমি আমার ভাই সাংবাদিক জামাল হত্যার বিচার পাবই।

অন্যদিকে, প্রতিবছর এ দিনে সাংবাদিক সমাজ জামাল হত্যার বিচার দাবিতে বিভিন্ন মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সামাবেশের আয়াজন করে থাকলেও এ বছর করেনি। কারণ দীর্ঘ বছরেও বিচার না পেয়ে হতাশা দেখা দিয়েছে সাংবাদিক মহলের মধ্যে।

তারা বলছে, দীর্ঘ বছর ধরে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার কারণে আইনের উপর আস্থাহীনতায় পরেছে তারা।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে ৫ মার্চ নিখোঁজ হয় রাঙামাটির সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দীন। এরপর ৬ মার্চ রাঙামাটি পর্যটন এলাকার হেডম্যান পাড়ার জঙ্গলে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে তার পুলিশ। সাংবাদিক জামাল সে সময় পার্বত্যাঞ্চলের একজন আলোকিত সাংবাদিক ছিলেন। তিনি দৈনিক বর্তমান বাংলা, বার্তা সংস্থা আবাস ও বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভিতে কর্মরত ছিলেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোটচাঁদপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামি পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গ্রেপ্তার

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

কোটচাঁদপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামি পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাদক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি পৌরসভার সদ্য বিজয়ী ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহবুব খাঁন হানিফকে গ্রেপ্তার করেছে কোটচাঁদপুর থানা-পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পৌর শহরের দুধসারা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক কাউন্সিলর আবু হানিফ ওই এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে। কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুল আলম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সদ্য বিজয়ী পৌর কাউন্সিলর আবু হানিফের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ১৯৯০ এর ১৯ (১) (ক) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫’শ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


 

পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোটচাঁদপুর সার্কেল) মুহাইমিনুল ইসলাম এর নির্দেশনায় থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মান্নান সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শুক্রবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক আবু হানিফ গত ৩০ জানুয়ারি কোটচাঁদপুর পৌর সভার নির্বাচনে সাবেক প্যানেল মেয়র আনারুল ইসলাম সেন্টুকে পরাজিত করে কাউন্সিলর হিসাবে বিজয়ী হন। এর ২৭ দিন পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাঈল হোসেনের কাছে শপথ নেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে বাবা, স্ত্রী ও মেয়েকে খুন: একজনের যাবজ্জীবন

মো. বুরহানউদ্দিন, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে বাবা, স্ত্রী ও মেয়েকে খুন: একজনের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জে বাবা, স্ত্রী ও মেয়েকে খুনের দায়ে আলফু মিয়া নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ নূরুল আলম মোহাম্মদ নিপু আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন- সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের মৃত আলা উদ্দিনের ছেলে আলফু মিয়া (৪১)। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাড.সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম এই রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?


মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে আলফু মিয়া পারিবারিক কলহের জের ধরে তার স্ত্রী বিউটি বেগম ও মেয়ে আফিফা বেগমকে মারধর করে। বিষয়টি দেখে তার বাবা আলা উদ্দিন তাকে শান্ত করতে তার ঘরে ঢুকলে বাবাকেও ডিউবওয়েলের হাতল দিয়ে মারধর করে। পরে আলফু মিয়া তার বাবা, স্ত্রী ও শিশু মেয়েকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। টিউবওয়েলের  হাতলের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে বসত ঘরের ভেতরেই তিনজন নিহত হয়।

স্থানীয় লোকজন আলফু মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পরদিন নিহত আলা উদ্দিনের ছেলে শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে আলফু মিয়াকে আসামি করে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার আলফু মিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করেন। মামলার দায়ের পর থেকে এবং আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আলফু মিয়া আদালতে হাজির ছিলেন।

তবে তার পক্ষে মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট রমজান আলী।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বরিশালে মানব পাঁচার মামলার রায়ে ২ জনের কারাদন্ড

রাহাত খান, বরিশাল

বরিশালে মানব পাঁচার মামলার রায়ে ২ জনের কারাদন্ড

বরিশালে একটি মানব পাঁচার মামলার রায়ে ২ জনকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড এবং ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের দন্ড দেয়া হয়েছে। একই সাথে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামীকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বরিশাল মানব পাঁচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল হোসেন গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ৩ আসামীর উপস্থিতিতে এবং এক আসামীর অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন। 

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলো বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার কাজীরচর এলাকার আব্দুল জলিল সরদার এবং ঢাকার বনানীর মেসার্স সানলাইট এন্টারপ্রাইজ নামক ট্রাভেল এজেন্সির মালিক মো. আনিছুর রহমান। খালাসপ্রাপ্তরা হলো দন্ডপ্রাপ্ত জলিল সরদারের স্ত্রী রাশিদা এবং জেসমিন আক্তার। 


আইটেম গার্ল জেরিন খান এখন ড. জেরিন খান

রাজধানীর খিলক্ষেতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

সিরাজগঞ্জে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল, বেবি বাম্পের ছবি ভাইরাল


ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে বরিশালের মুলাদীর কাজীরচর এলাকার আব্দুল জলিল পার্শ্ববর্তী খালাসীর চর এলাকার জনৈক আবুল কালাম ওরফে মিজানুর রহমানকে ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে লিবিয়া পাঠানোর কথা বলে সুদান পাঠিয়ে দেয়। সেখানে পৌঁছে বাংলাদেশী সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৬৫ জনকে বিপদগ্রস্থ অবস্থায় দেখতে পান আবুল কালাম। 

সেখান থেকে ট্রাকে করে ৭ দিন ও ৭ রাতে অবৈধভাবে তাকে সহ অন্যান্যদের লিবিয়া পাঠানো হয়। লিবিয়া পৌঁছার পর দুই লাখ টাকা মুক্তিপন আদায় করা হয় আবুল কালামের পরিবারের কাছ থেকে। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হলে লিবিয়া পুলিশ আবুল কালামকে গ্রেফতার করে। এর এক পর্যায়ে লিবিয়ায় কর্মরত বরিশালের মুলাদীর আব্দুল বারেক খান তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। 

দেশে ফিরে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ৪জনকে আসামী করে বরিশাল আদালতে একটি মামলা করেন আবুল কালাম। আদালত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করে তদন্তের জন্য মুলাদী থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর মুলাদী থানার উপ-পরিদর্শক মো. ফারুক হোসেন খান ৪জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেন। 

২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বরিশাল মানব পাঁচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরন করা হয়। ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গতকাল ওই রায় ঘোষনা করেন ট্রাইব্যুনাল। বাদী পক্ষে এপিপি কাইয়ুম খান কায়সার এবং আসামী পক্ষে হুমায়ুন কবির মামলা পরিচালনা করেন। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাইকোর্টে রিট করেছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমার সাবেক স্বামী

অনলাইন ডেস্ক

হাইকোর্টে রিট করেছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমার সাবেক স্বামী

বিয়ে ও বিচ্ছেদ রেজিস্ট্রেশন ডিজিটালাইজেশন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এই মর্মে হাইকোর্টে রিট করেছেন ক্রিকেটার নাসিরের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির আগের স্বামী রাকিব হাসান। রাকিব হাসান এবং তিন ব্যক্তি ও একটি সংগঠন এ রিট করেন। অন্যান্য রিটকারী হচ্ছেন- সোহাগ হোসেন, কামরুল হাসান ও এইড ফর ম্যান ফাউন্ডেশন। 

বৃহস্পতিবার করা এ রিটে আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে। 

রিটে বিয়ে-ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়ে সম্মান রক্ষায় প্রতারণার হাত থেকে বাঁচিয়ে (বিয়ে-ডিভোর্সের ক্ষেত্রে) সম্মান রক্ষা এবং পারিবারিক জীবন বাঁচাতে বিয়ে ও ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন ডিজিটাল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। রিটকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে বিয়ে ও বিচ্ছেদ রেজিস্ট্রেশন ডিজিটালাইজেশন করার নির্দেশনা চেয়ে সংশ্লিষ্টদের নোটিশ পাঠানো হয়। ক্রিকেটার নাসিরের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির আগের স্বামী রাকিব হাসানসহ তিন ব্যক্তি ও একটি সংগঠনের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এ নোটিশ পাঠান।


 

আইটেম গার্ল জেরিন খান এখন ড. জেরিন খান

রাজধানীর খিলক্ষেতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

সিরাজগঞ্জে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

মা হচ্ছেন শ্রেয়া ঘোষাল, বেবি বাম্পের ছবি ভাইরাল


নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিয়ে ও বিচ্ছেদ রেজিস্ট্রেশনের আইনগত বিধান থাকলেও তা ডিজিটাল না করার ফলে অসংখ্য প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিয়ে গোপন রেখে ডিভোর্স না দিয়ে বিয়ে করার ঘটনা অনেক ঘটতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়েও জটিলতা দেখা যাচ্ছে। বিয়ে সংক্রান্ত অপরাধ বেড়ে অসংখ্য মামলার জন্ম নিচ্ছে। তাই বিয়ে ও ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন ডিজিটাল হওয়া একান্ত আবশ্যক।
  
সম্প্রতি ক্রিকেটার নাসির  হোসেন বিয়ে করেন তামিমা তাম্মিকে। পরে রাকিব হাসান নামে এক ব্যক্তি নিজেকে তামিমার স্বামী দাবি করেন। তাদের একটি কণ্যা সন্তানও রয়েছে বলে জানান। এ বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। 

পরে তামিমা এবং নাসির সংবাদ সম্মেলন করে জানান যে তামিমা ২০১৬ সালেই রাকিবকে তালাক দিয়েছে। এসময় তিনি তালাক নামাও দেখান সাংবাদিকদের। পরে অবশ্য ফেইসবুকে ওই তালাক নামকে ভূয়া বলে জানানো হয়।

news24bd.tv/ আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর