স্ট্যাচু অব ডেসিবালুস ইউরোপের উচ্চতম পাথুরে ভাস্কর্য
স্ট্যাচু অব ডেসিবালুস ইউরোপের উচ্চতম পাথুরে ভাস্কর্য

স্ট্যাচু অব ডেসিবালুস ইউরোপের উচ্চতম পাথুরে ভাস্কর্য

Other

স্ট্যাচু অব ডেসেবালুস দক্ষিণ পশ্চিম রোমানিয়ার ওরসোভা শহরের কাছে অবস্থিত। ভাস্কর্যটি দানিয়ুব নদী তীরে একটি পাহাড়ের ঢালের প্রাকৃতিক পাথর খোদাই করে নির্মাণ করা হয়েছে।

ডেসিবালুস হলেন দেশিয়া (বর্তমান রোমানিয়া)’র  শেষ রাজা। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৮৭ থেকে ১০৬ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন।

শৌর্য, বীর্য ও বীরত্বের জন্য তিনি এখনো রোমানিয়ার মানুষের কাছে জনপ্রিয়। তিনি রোমানিয়ার গৌরবোজ্জল সোনালি অতীতের প্রতীক।

news24bd.tv

দেখে এটিকে দেশিয়ার রাজার মতো পুরানো মনে হলেও এটি একেবারেই নতুন। এর বয়স মাত্র ১৭ বছর। ভাস্কর্যটির উচ্চতা প্রায় ৫৫ মিটার বা ১৮০ফুট, প্রস্থ ২৫ মিটার বা ৮০ ফুট। এটি ইউরোপের উচ্চতম পাথরের ভাস্কর্য।

আরও পড়ুন:


কোভিডে টরন্টোয় বন্দুক সন্ত্রাস বেড়েছে, বাংলাদেশিদের সতর্কতার পরামর্শ

ইসলামে নাম ব্যঙ্গ করার পরিণাম কী?

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল

news24bd.tv

কুরআন শরিফ ছিড়ে গেলে ইসলামের নির্দেশনা কি?

যে কারণে দোয়া কবুল হয় না


পুরো প্রল্পটির পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করেন ধনাঢ্য রোমানিয়ান ব্যবসায়ী আইওসিফ কনস্টান্টিন দ্রাগান (১৯১৭-২০০৮)।

ধারণা করা হয়, এ প্রকল্পের জন্য দ্রাগান ১০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় করেন।

দ্রাগানের ওয়েবসাইট অনুসারে, ব্যবসায়ী দ্রাগান ১৯৯২ সালে এই শিলাটি কিনে নেন। এরপর ইতালীয় ভাস্কর মারিও গ্যালোতি লোকেশনটি মূল্যায়ন করে একটি প্রাথমিক মডেল তৈরি করেন।

news24bd.tv

প্রধান ভাস্কর ওরসোভার শিল্পী ফ্লোরিন কোটারশিয়ার নেতৃত্বে বারোজন ভাস্কর ১৯৯৪ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত ১০ বছর পরিশ্রম করে এটি নির্মাণ করেন। প্রথম ছয় বছর ব্যয় হয় শিলটিকে মৌলিক আকার দিতে। বাকি চার বছর ব্যয় হয় খুঁটিনাটি সম্পন্ন করার কাজে।

খোদাই করা মুখের নীচে একটি শিলালিপি রয়েছে।

এতে লাতিন ভাষায় লেখা হয়েছে: ‘ডিসেবালুস রেক্স, ড্রাগন ফিসিট’। এর অর্থ: কিং ডিসেবালুস, মেড বাই দ্রাগান।

হারুন আল নাসিফ, কবি, ছড়াকার, সাংবাদিক

news24bd.tv তৌহিদ

সম্পর্কিত খবর