ব্রণের দাগ দূর করতে যা করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক

ব্রণের দাগ দূর করতে যা করতে পারেন

ব্রণের দাগ খুব অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই খুব সহজেই মুখে ব্রণের দাগ দূর করতে পারবেন। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ঘরোয়া উপায়ে দূর করতে পারেন ব্রণের দাগ। 

যা করবেন-

১. লেবুর রসে তুলার টুকরো ডুবিয়ে ব্রণের দাগের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২. ১ টেবিল চামচ বেসন, ২ টেবিল চামচ টকদই, ১ চা চামচ মধু ও ১ চিমটি হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে  ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।


কোভিডে টরন্টোয় বন্দুক সন্ত্রাস বেড়েছে, বাংলাদেশিদের সতর্কতার পরামর্শ

ইসলামে নাম ব্যঙ্গ করার পরিণাম কী?

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল


৩. মধু ও দারুচিনির গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণের দাগের ওপর লাগিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

৪. ১ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার, ২ টেবিল চামচ মধু ও প্রয়োজনমতো পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৫. ত্বকে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

প্রচন্ড গরমে অনেকেই ঘামাচির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এই ঘামাচি শরীরের মুখ, হাত, পা, ঘাড়, বুক, পিঠ এমনকি যে কোনো জায়গায় হতে পারে। এর ফলে শরীরে অনেক চুলকানি হয় এবং লালচে ভাব তৈরি হয়।

ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। তবে জানেন কি, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা সহজেই এই বিরক্তিকর ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

>> কাঁচা আলু ঘামাচির সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর। কাঁচা আলুর পেস্ট তৈরি করে শরীরে লাগাতে পারেন। এতে ঘামচি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

>> তরমুজ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। তাই তরমুজের পাল্প ঘামাচিতে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> ঘামচিতে ফিটকিরি মিশ্রিত পানি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে গোসল করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> বেসনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে প্রলেপ দিয়ে কিছু সময় পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন।

>> লাউ এমনিতেই ঠাণ্ডা একটি সবজি। ঘামাচির জন্য লাউ আগুনে ঝলসে নিয়ে তা থেকে রস বের করে কিছুদিন খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

>> লেবুর রসে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ঘামাচি দূর করতে বেশ কার্যকরী। ঘামাচিতে উপকার পেতে দিনে ৩ থেকে ৪ গ্লাস লেবুর রস মিশ্রিত পানি পান করুন।

>> কয়েক দিন শরীরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ঘামাচি ভালো হয়ে যায়। সেজন্য অ্যালোভেরা পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে তা শরীরে প্রলেপ মেখে নিতে হবে। জেল আপনা-আপনি শুকিয়ে গেলে পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে

>> ঘামাচিতে উপকার পেতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো যেসব স্থানে ঘামাচি আছে, সেখানে বরফ ঘষা। তাছাড়া ঠাণ্ডা পানিও ভালো আরাম দেয় ঘামাচিতে।

>> মুলতানি মাটির পেস্ট ঘামাচিতে বেশ উপকারী। এই পেস্ট তৈরি করতে লাগবে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি,  গোলাপ জল ২ টেবিল চামচ ও পানি পরিমাণমতো। ঘামাচির জায়গায় এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কয়েক দিনের মধ্যে ঘামচি ভালো হয়ে যাবে।


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


>> এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় বেকিং সোডার পানিতে ভিজিয়ে তা ভালো করে নিংড়ে ঘামাচির স্থানে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> নিমপাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নিমপাতার পেস্ট শরীরে লাগিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে শুকাতে হবে। এভাবে ৪ থেকে ৫ বার দিনে ব্যবহার করলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এক মুঠো নিমপাতা ২ কাপ পানিতে ২০ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘামাচির জায়গায় ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে লাগাতে হবে। এভাবে দিনে ৪ থেকে ৫ বার করতে পারলে ভালো।

>> চন্দন বাটা বা চন্দন গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচির স্থানে কয়েকবার লাগালে কিছুদিনের মধ্যেই ঘামাচি ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া চন্দন ও ধনেপাতা বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কারণ ধনেপাতায় আছে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ আর চন্দন ঘামাচির জ্বালা ও চুলকানি দুই-ই কমায়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ন্যাচারাল লুকের জন্য ৬টি বিউটি টিপস

অনলাইন ডেস্ক


ন্যাচারাল লুকের জন্য ৬টি বিউটি টিপস

নিজেকে সবার কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে কার না ভালো লাগে। বলছি ফ্রেশ লুকের কথা। সতেজ, সজীব একটি ত্বক পেতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। আজকে আমরা ৬টি বিউটি টিপসকে সম্পকে জানবো। যা আপনাকে প্যারফেট একটা ন্যাচারাল লুক দিবে।

১. সানস্ক্রিন আবশ্যক

আপনি যখন সঠিক বিউটি টিপসের একটা নিয়মে থাকবেন তখন অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে প্রাথমিক স্কিনকেয়ার নিয়বগুলো, কোনভাবে ভুলে গেলে চলবে না। আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি যখনি বাইরে যাবেন বা বেরোবেন তার ১৫ মিনিট আগে সর্বদা সানস্ক্রিন প্রয়োগ করতে হবে। রোদে পোড়া থেকে আপনাকে সানস্ক্রিন রক্ষা করবে সবসময়।

২. ময়েশ্চারাইজার

আপনি যদি মনে করেন আপনার মুখটি খুব নিস্তেজ দেখাচ্ছে, তাহলে আপনি মাঝারি কভারেজের জন্য একটি ময়শ্চারাইজারের উপর নির্ভর করতে পারেন। এই উচ্চ কভারেজ ভিত্তিগুলি কেবলমাত্র বড় অনুষ্ঠানের জন্য রাখুন। আর সবসময় মাঝারি কভারেজেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে নিস্তেজভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।

৩. গরম লেবু পানি

সকালে তাজা লেবুর সাথে এক কাপ গরম পানি পান করুন। এই আপনার বিষাক্ত পদার্থগুলি বের করে দেবে এবং আপনার শরীরকে শুদ্ধ করবে এবং আপনাকে একটি চকচকে ত্বক দেবে।

৪. এক্সফোলিয়েট করতে ভুলবেন না

কখনও কখনও আমাদের ত্বকের জন্য কেবল অতিরিক্ত বাফ দরকার হয় এবং এজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ভাল স্ক্রাব ব্যবহার করে আপনার মুখটি ফুটিয়ে তুলতে হবে। এক্সফোলিয়েশন মৃত ত্বকের কোষ, জড়িত ছিদ্রগুলি থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। আপনার ত্বকের ধরণের উপর নির্ভর করে আপনি সপ্তাহে ২-৩ বার এক্সফোলিয়েট করতে পারেন।


নিয়ন্ত্রণ হারানো চীনের রকেট পড়লো ভারত মহাসাগরে

যাত্রীদের চাপ সামলাতে সব ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন

অবশেষে করোনামুক্ত হলেন খালেদা জিয়া

কাবুলে স্কুলের পাশে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৫


৫. একটি টোনার ব্যবহার করুন

যখনই আমরা আমাদের মুখ পরিষ্কার করি, আমরা টোনার ধাপটি এড়িয়ে যাই, যা স্বাস্থ্যকর স্কিনকেয়ার আনুষ্ঠানিকতার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। টোনার পোস্ট ক্লিনজিং আপনার ত্বককে সতেজ করে রেখে ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৬. প্রচুর পানি পান করুন

স্বাস্থ্যকর এবং ঝলমলে ত্বকের জন্য, আপনি হাইড্রেটেড রয়েছেন তা নিশ্চিত করুন। দিনের বেলা প্রচুর পানি পান করুন। এছাড়াও, নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি ভবিষ্যতে আপনার ত্বকটিকে মসৃণ এবং চুলকানামুক্ত রাখতে প্রতিদিনই ময়শ্চারাইজ করেছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

অনলাইন ডেস্ক

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

ব্যায়ামের উপকারিতা জানা আছে সবারই কমবেশি। কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। যারা জিমে যেতে পারেন না বা খুব হেভি ওয়ার্কআউট যাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়, শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী।

ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এই কথা যেমন সত্যি, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও যে ক্ষতিকর তাও সত্যি। আর তাই এ বিষয়ে খুব সতর্ক হওয়া দরকার। অনেকে ব্যথা সহ্য করেই ব্যায়াম করেন। যা মোটেও সঠিক নয়। ‘নো পেইন, নো গেইন’, ব্যায়ামের অনুপ্রেরণা পেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে ব্যায়াম করাটা স্বাভাবিক মনে হলেও সবসময় তা ঠিক নয়। কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে।

আসুন সেগুলো জেনে নেই:

ব্যায়াম তিন দিন আগে, ব্যথা আছে আজও

ব্যায়াম শুরু করার প্রথম কয়েকদিন ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। এর কারণ হলো মাংসপেশির ছোট টিস্যু ছিড়ে যাওয়া। এই ছেড়া অংশগুলো যখন পুনর্গঠিত হয় তখন পেশি আরও শক্তিশালী হয়। তবে তা একদুদিনের মধ্যেই সেরে যাওয়া উচিট। আরও বেশি সময় ব্যথা থাকলে বুঝতে হবে আপনি মাংসপেশির উপর বেশি চাপ দিয়ে ফেলেছেন।

ব্যথা সেরে যাওয়ার পর ব্যায়ামাগারে যেতে হবে। কারণ এই অবস্থায় ব্যায়াম করলে ব্যায়াম একপেশে হতে পারে। যার কারণে পরে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নির্দিষ্ট ব্যায়ামে ব্যথা পাওয়া

এটিও বিপদের পূর্বাভাস। ব্যথা যদি তীব্র হয় তবে অর্থোপেডিক স্পেশালিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আর সহনশীল ব্যথা হলে ব্যয়ামের আগে শরীরকে ব্যয়ামের জন্য প্রস্তুত করে নেয়ার প্রতি সতর্ক হতে হবে।

ম্যাকআর্থি বলেন, বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে ‘ওয়ার্ম-আপ’ আর ‘স্ট্রেচিং’য়ের প্রতি। আর ব্যয়ামের ফাঁকে পানি পান করতে হবে। অন্যদের সঙ্গে পাল্লা দিতে যাবেন না। ভার উত্তোলনের ব্যায়াম কম ওজন দিয়ে শুরু করতে হবে। আর প্রশিক্ষকের নির্দেশনা সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।

মাংসপেশিতে কাঁপুনি

ম্যাথিউস বলেন, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশির সামান্য কাঁপুনি সমস্যা নয়। তবে থরথর করে কাঁপতে থাকলে এবং শক্তি কমে যেতে থাকলে তা পেশির ক্ষমতা কমে যাওয়ার লক্ষণ। এই অবস্থায় জোর করে ব্যায়াম করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় ব্যায়ামের স্বাভাবিক পারদর্শীতা থাকে না। এসময় ব্যায়াম করলে পেশি ছিড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আকস্মিক ব্যথা

ধীর ও ক্রমবর্ধনশীল ব্যথা স্বাভাবিক। এর মানে হলো ব্যায়ামটি আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা জটিলতার লক্ষণ।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থোপেডিক সার্জন মোরিয়া ম্যাক্কার্থি বলেন, এক্ষেত্রেও জোর করে নির্দিষ্ট ব্যায়াম করা যাবে না। কারণ এতে পেশি ও হাড়ের জোড়ায় আঘাত লাগতে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কোন ত্বকে কোন ফেসিয়াল

অনলাইন ডেস্ক

কোন ত্বকে কোন ফেসিয়াল

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। হাতে সময় খুবই কম। কাজের চাপে ত্বকের যত্ন নেওয়া হয়নি অনেকের। অনেকে ভাবছেন, ‘কালো হয়ে গিয়েছি, ফেসিয়ালটা করে নিলে রং খুলবে- রূপবিশেষজ্ঞরা এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা।

প্রধানত ত্বক তিন ধরনের হয়। যেমন- তৈলাক্ত, শুষ্ক ও মিশ্র বা স্বাভাবিক। আর ত্বকের ধরন বুঝেই ফেসিয়াল করা উচিৎ বলে মত দিয়েছেন তারা।

আসুন জেনে নেই কোন ত্বকে কোন ফেসিয়াল করা যায়।

শুষ্ক ত্বক

শুষ্ক ত্বকের জন্য ফেসিয়ালের উপাদানগুলোর মধ্যে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার থাকা জরুরি। স্ক্রাবার যেন ক্রিমি হয়। শুষ্ক ত্বক অনেক সময় স্পর্শকাতর (সেনসিটিভ) হয়ে থাকে। সেখানে দুধ কিংবা দুধের সর ব্যবহার করা যেতে পারে। এমন ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ফেসিয়াল করা যাবে।

তৈলাক্ত ত্বক

তৈলাক্ত ত্বকে অনেক সময় ব্রণ হয়। তাই ত্বককে শুষ্ক করতে পারে এমন ফেসিয়াল করতে হবে। তৈলাক্ত ত্বক স্পর্শকাতর হলে ফেসিয়ালে ক্রিমজাতীয় উপাদান ব্যবহার না করাই ভালো। ক্রিম ত্বকের তেল শুকাতে দেবে না। পাউডার-জাতীয় উপাদানও এড়িয়ে যেতে হবে। লোমকূপে পাউডার জমে থাকলে ব্রণ হতে সাহায্য করে। ব্রণ থাকলে নিম কিংবা ব্রণ ফেসিয়াল করা যেতে পারে। এ ছাড়া অক্সি ফেসিয়াল করা যাবে।

স্বাভাবিক বা মিশ্র ত্বক

মিশ্র ত্বককে আদর্শ ত্বক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেকোনো ফেসিয়াল, যেকোনো উপাদান দিয়ে নির্দ্বিধায় করতে পারেন।

ত্বকের কোনো স্থান যদি স্পর্শকাতর হয় তাহলে ফেসিয়ালের সময় তা খেয়াল রাখতে হবে। কার ত্বকে কী উপাদান উপযুক্ত, তা বিবেচনা করে ফেসিয়াল করতে হবে। তবে গোল্ড ফেসিয়াল কিংবা ফ্রুট ফেসিয়াল বেশ কার্যকর ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফ্যাশনব্রান্ড ‘সেলাই’ এর ঈদ আয়োজন

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যাশনব্রান্ড ‘সেলাই’ এর ঈদ আয়োজন

একদিকে ঈদের খুশিকে বরণ করার আয়োজন, অন্যদিকে করোনার নতুন প্রভাব। পাকিস্তানী ড্রেসের বাংলাদেশী লাইফস্টাইল ব্রান্ড "সেলাই" তাই এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে রেখেছে দারুণ সব আয়োজন যা ফ্যাশনপ্রিয় নারীদের জন্য হতে যাচ্ছে বাড়তি পাওয়া! 

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় সব স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং নিরাপত্তা বজায় রেখে সেলাই’র সব আউটলেট থেকে পাওয়া যাবে ঈদের সব সেরা কালেকশন। এছাড়াও সব স্বাস্থ্য নিরাপত্তা মেনে ঢাকাসহ সারাদেশে অনলাইনের মাধ্যমে সেলাইর ফেসবুক পেইজে থেকে পণ্য অর্ডার করলেই গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে পছন্দের পোশাক।

বনানীর এইচ ব্লকে প্রতিষ্ঠানটির আউটলেট ঘুরে জানা গেলো, এবারের ঈদ উপলক্ষ্যে পাকিস্তানী ব্রান্ড "জোহরা", "সোবিয়া নাজির", "ইলান", "গুল আহমেদ", "মোঘল ", "মারিয়া বি", "জারা শাহজাহান", " বারিজ", "জয়নব চট্টানী"," সাইরা রেজোয়ান", "নুর বাই সাদিয়া আসাদ", "ইরুম খান", "খুবসুরাত" সহ জনপ্রিয় সব ব্রান্ডের কালেকশন পাওয়া যাচ্ছে সেলাইতে।

ঈদুল ফিতরের এবারের আয়োজনে মেয়েদের জন্য ‘সেলাই’ এনেছে সিঙ্গেল পিস কামিজ, লন থ্রি পিস, আনইস্টিচ লন, আকর্ষনীয় পার্টি থ্রি পিস, এথনিক কূর্তি, ফ্যাশন টপস"। সেলাই’র পাকিস্তানী ব্রান্ডগুলোর বাইরে সেলাই এর সিইও রুবাবা আকতার এর নিজস্ব ব্রান্ড "কালার লাইফ" এর সকল দৃষ্টিনন্দন ড্রেসও মিলছে সেলাইতে।


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

মিষ্টি বিতরণে পুলিশের বাঁধা, ২০ কেজি রসগোল্লা জব্দ

ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় দায়িত্ব: হুথি নেতা

শত বছরের পুরনো বিয়ের রীতি ভাঙলেন ‘হার্ডকোর ফেমিনিস্ট’ যুবক


সেলাই’র সিইও রুবাবা আকতার বলেন, "এবারের ঈদ সব প্রেক্ষাপটেই একটু ভিন্ন। আমরা এখন থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের কাস্টমারদের সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমাদের বনানী আউটলেট ছাড়াও অনলাইনে আমাদের পেইজের মাধ্যমে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছে যায় আমাদের ভালোবাসা। পাকিস্তানী পোশাকের পাশাপাশি আমি যেহেতু একজন ফ্যাশন ডিজাইনার আমি, দেশের জন্য আধুনিক ব্রান্ড গড়ার লক্ষ্যে আমি ব্লুবেরী এবং কালারলাইফ নামের দুটো ব্রান্ড প্রতিষ্ঠা করেও বেশ সাফল্য পেয়েছি।

সেলাইর আউটলেটে আসা বনানীর এক তরুণীর সাথে কথা হলে তিনি জানান," অথেনটিক পাকিস্তানী ব্রান্ডশপের পোশাক দেশে বসে পাচ্ছি সেলাইর মাধ্যমে, সেজন্য সেলাইকে অনেক ধন্যবাদ।"

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর