জামাতে নামাজের গুরুত্ব

অনলাইন ডেস্ক

জামাতে নামাজের গুরুত্ব

মুমিনের জীবনে ঈমানের পর আবশ্যকীয় একটি বিধান হলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়। এর কল্যাণ বলে শেষ করা যাবে না। এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পদ্ধতিগত বিধান হচ্ছে জামাতে আদায় করা।

ফরজ নামাজগুলো জামাতে পড়ার প্রতি বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জামাতে নামাজ আদায় করার তাগিদ দিয়ে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৩)

২৭ গুণ বেশি সওয়াব: রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জামাতে নামাজের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ বেশি।’ (সহিহ বুখারি)। রাসুলুল্লাহ (সা.) সারা জীবন জামাতের সঙ্গেই নামাজ আদায় করেছেন। এমনকি ইন্তেকালপূর্ব অসুস্থতার সময়ও জামাত ছাড়েননি। সাহাবায়ে কেরামের পুরো জীবনও সেভাবে অতিবাহিত হয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬২৪)

জাহান্নাম থেকে মুক্তি: আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত প্রথম তাকবিরের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে দুটি পুরস্কার দান করবেন। এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন। দুই. মুনাফিকের তালিকা থেকে তার নাম কেটে দেবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১)


সংগীতশিল্পী মিলাকে গ্রেপ্তারে খুঁজছে পুলিশ

ডিজে নেহার কথিত সেই খালাতো ভাই কারাগারে

নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছেন ইসি: রিজভী


জামাত পরিত্যাগকারীকে তিরস্কার: অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার প্রাণ যাঁর হাতে, তাঁর শপথ করে বলছি, আমার ইচ্ছা হয় আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দিই আর নামাজের আজান দেওয়ার জন্য হুকুম দিই। তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করি, যেন সে লোকদের নামাজের ইমামতি করে। আর আমি ওই সব লোকদের দিকে যাই, যারা নামাজের জামাতে হাজির হয়নি এবং তাদের বাড়িঘরগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিই।’ (বুখারি, হাদিস : ৬১৮)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায় যে পাঁচ রাতের ইবাদতে

অনলাইন ডেস্ক


জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায় যে পাঁচ রাতের ইবাদতে

মহান আল্লাহ আমাদেরকে শুধুমাত্র তার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। আর তাই আমরা তার করুনা, অনুগ্রহ ও ক্ষমা পাবার আশায় সর্বদা ইবাদতে মগ্ন থাকার চেষ্টা করবো। আজ আমরা আলোচনা করবো এমন পাঁচটি রাত নিয়ে যে রাতে ইবাদত করলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। 

হযরত মু’আজ ইবনে জাবাল [রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] বলেছেন, “যে ব্যক্তি পাঁচ রাত জেগে ইবাদত করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব। পাঁচটি রাত হলো—

১. জিলহ্বজ মাসের আট তারিখের রাত।
২. জিলহ্বজের ৯ তারিখের রাত।
৩. ঈদুল আযহার রাত।
৪. ঈদুল ফিতরের রাত।
৫. ১৫ই শাবানের রাত।


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


শায়খুল হাদিস জাকারিয়া (রা.) বলেন, অন্তর সজীব থাকার অর্থ হলো, তাদের হৃদয় পাপে আচ্ছাদিত হবে না। এমনকি কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তেও সিঙ্গায় ফুঁক দেওয়ার দিন তারা সজ্ঞান থাকবে (ফাযায়েলে রমজান)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কাবা শরীফের দু’শো বছর আগের বিরল ছবি

অনলাইন ডেস্ক

কাবা শরীফের দু’শো বছর আগের বিরল ছবি

সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের জন্য কাবা শরিফ হলো পবিত্র তীর্থস্থান। এটা সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর মসজিদে হারামের অন্তর্গত। সারাবিশ্বের মুসলমানগণ সদা-সর্বদা নামাজের সময় কাবা শরিফকে ক্বিবলা হিসেবে মেনে এর দিকে মুখ করে ইবাদাত করে থাকে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিলাম সংস্থা সোথেবি’স হাউজ সম্প্রতি বিরল কিছু ঐতিহাসিক ছবি নিলামে তুলছে। এসব ছবির মধ্যে ১৭৯১ সালে প্যানারোমিক এঙ্গেলে আঁকা পবিত্র কাবা শরীফের একটি ছবিও রয়েছে।

১৭৯১ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের পেরায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ড থেকে মাত্র কয়েকটি কপি ছবি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এরপর দীর্ঘদিন এগুলো অপ্রয়োজনীয়, অকেজো অবস্থায় ছিল। ১৮শ’ শতকের প্রখ্যাত তুর্কি কূটনীতিক ইগনেস ডি মুরা’দজা ডি’অহসন-এর তত্ত্বাবধানে ছিল ছবিটি।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম আরব নিউজ জানায়, বাঁধাই করা ৪৩০X৮৬৫ মিমি ছবিটিই সে সময়ের সবচেয়ে বড় ছবি। ছবিটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হজযাত্রীরা আরাফাতের ময়দানে এসে সমবেত হচ্ছেন।

আরাফাতের ময়দান এখন যেমন দেখা যায় তখন এমন ছিল না। অঙ্কনকৃত ছবিতে চারদিকে দেখা যায়, পাহাড়, বেশ কিছু স্থাপনা আর বসতি। এরই মাঝখানে অনেকটা জায়গাজুড়ে অবস্থান করছে পবিত্র কাবা শরীফ।

এ ছাড়া ১৮৪০ সালের পবিত্র মক্কা শরীফ এবং মদিনার দুটি অঙ্কনকৃত ঐতিহাসিক ছবিও নিলামে তুলছে সোথেবি’স হাউজ। ১৩ মে এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শোলাকিয়ায় এবারও হচ্ছে না ঈদ জামাত

অনলাইন ডেস্ক

শোলাকিয়ায় এবারও হচ্ছে না ঈদ জামাত

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে ১৯৪তম ঈদুল ফিতরের জামাত এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। করোনার মহামারির কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এবার ঈদের নামাজ মসজিদে পড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ কমিটির এক জুম মিটিং জেলা প্রশাসক ও কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মাঠে নামাজ পড়া নিয়ে অনেক আলোচনা করা হয়। জুম সভায় শোলাকিয়া মাঠ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। 

বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, সিভিল সার্জন মুজিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কমিটির সদস্যসচিব ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল কাদির মিয়া, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

news24bd.tv / কামরুল    

পরবর্তী খবর

চাঁদ দেখা নিয়ে সৌদির নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক

চাঁদ দেখা নিয়ে সৌদির নির্দেশনা

মধ্যপ্রাচ্যর দেশ সৌদি আরবে আগামীকাল মঙ্গলবার ২৯ রমজান।  চন্দ্র মাস হিসেবে রমজান মাসও ২৯ দিন হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। তাই সৌদিতে বসবাসরত সব মুসলিমকে ২৯ রমজানের সন্ধ্যাবেলা নতুন চাঁদ দেখার নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। 

কোর্টের এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার (১১ মে) সন্ধায় শাওয়ালের চাঁদ দেখতে বলা হয়েছে। কেউ নতুন চাঁদ দেখলে তা সুপ্রিম কোর্টে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। 

বিবৃতিতে, কেউ খালি চোখে বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে নতুন চাঁদ দেখলে নিকটস্থ আদালতে জানাতে ও তার সাক্ষ্য নিবন্ধন করতে বলা হয়। অথবা নিকটস্থ আদালতে পৌঁছাতে সহায়তার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে জানাতে বলা হয়। 

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

ঈদের রাতের ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের রাতের ফজিলত

সমগ্র মুসলিম উম্মাহের জন্য বছরে দু'টি দিন খুবই আনন্দের। একটি হলো রোজার ঈদ তথা ঈদুল ফিতর আর একটি হলো ঈদুল আযহা। নবী করিম (সা.) বলেন, ‘প্রতিটি জাতির উৎসব আছে, আমাদের উৎসব হলো এই দুই ঈদ’ (মুসলিম, তিরমিজি)। মুসলমানদের ধর্মীয় দুটি উৎসব—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা।

ঈদের রাত শুধু আনন্দ-উৎসবের রাতই নয় বরং আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও সেতুবন্ধনের রাতও এটি। ঈদের রাতের ইবাদাত-বন্দেগির ফজিলত, গুরুত্ব ও মর্যাদা অনেক। এ ব্যাপারে হাদিসের অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে।

ঈদের রাতের বড় প্রাপ্তি হলো, এ রাতে দোয়া কবুল করা হয়। কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। বরং আল্লাহতায়ালার দরবারে তা সরাসরি কবুল হয়। তাই এ রাতের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম। 

প্রথম ফজিলত: খোদার জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায় ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতের মাধ্যমে। হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। 

এক. যিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত, দুই. যিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফার রাত), তিন. ঈদুল আজহার রাত, চার. ইদুল ফিতরের রাত এবং পাঁচ. ১৫ শাবানের রাত। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি ২/৯৮, হাদিস : ১৬৫৬)। 

দ্বিতীয় ফজিলত: ঈদের রাতে কৃত দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এ পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭)


মমতার মন্ত্রিসভায় শপথ নেবেন ৪৩ জন, নাম আছে ৬ মুসলিমের

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ

পদ্মার চরে জন্ম নেওয়া সেই শিশুর নাম দেওয়া হলো ‘পদ্মা’

১০ মে, ইতিহাসের এই দিনে


তৃতীয় ফজিলত: ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর কিয়ামতের দিন মরবে না। হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব প্রাপ্তির নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৮২)। 

অন্য বর্ণনায় রয়েছে, হজরত উবাদা ইবনে সামেত (রা.) থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহার রাতকে (ইবাদতের মাধ্যমে) জীবিত রাখবে তার অন্তর ওই দিন মরবে না যেদিন অন্যদের অন্তর মরে যাবে। (আল মুজামুল আওসাত ১/৫৭, হাদিস : ১৫৯)। 

ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতে মশগুল থাকা মুস্তাহাব। যেমন হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) এরশাদ করেন, রমজানের ব্যাপারে আমার উম্মতকে বিশেষভাবে পাঁচটি জিনিস দেয়া হয়েছে, যা পূর্বর্বী উম্মতগণ পায়নি। তন্মধ্যে একটি হল রমজানের শেষ রাতে রোজাদারদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। 

সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ক্ষমার এই রাতটি শবে কদর নয় তো? নবীজি (সা.) বললেন, না, বরং শ্রমিকের কাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই শ্রমের মজুরি দিয়ে দেয়া হয়। (মুসনাদে আহমদ)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর