খেলাপি ঋণ কমেছে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক

খেলাপি ঋণ কমেছে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা

এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে পাঁচ হাজার ৫৯৭ কোটি ২৬ হাজার টাকা। ফলে এখন খেলাপি ঋণের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকায়, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে খেলাপি ঋণ ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত সরকারের বিশেষ সুবিধা এবং ছাড় দেয়ায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। তবে সরকারের দেয়া এসব সুবিধা অব্যাহত না থাকলে আগামী বছর আবারও বাড়তে পারে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ।


কোভিডে টরন্টোয় বন্দুক সন্ত্রাস বেড়েছে, বাংলাদেশিদের সতর্কতার পরামর্শ

ইসলামে নাম ব্যঙ্গ করার পরিণাম কী?

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল


বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ২০২০ শেষে ব্যাংকিং খাতের মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৭৫ কোটি ৫৩ লাখ। এর মধ্যে খেলাপি হয়েছে ৮৮ হাজার ৭৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ

দেশীয় বাজারে সিমেন্টের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কাঁচামালের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন সিমেন্ট উৎপাদকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ক্লিংকার প্রস্তুতে ব্যবহৃত জ্বালানি কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্লিংকারের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। চীন হঠাৎ করে কয়লার আমদানি বৃদ্ধি করায় দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। উৎপাদন পর্যায়ে আগে যেখানে প্রতি টন কয়লার মূল্য ছিল ৪০ থেকে ৪২ মার্কিন ডলার, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ ডলারে। সিমেন্টের অন্যতম কাঁচামাল ক্লিংকারের দাম বাড়ছেই। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ক্লিংকারের দাম ৪২ ডলার থেকে বেড়ে ৫৪ ডলার হয়েছে। অন্যান্য কাঁচামালেও প্রতি টনে ৩ থেকে ৪ ডলার দাম বেড়েছে। এ প্রসঙ্গে সিমেন্ট শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিসিএমএ সভাপতি ও ক্রাউন সিমেন্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আলমগীর কবির গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনা-পরবর্তীতে পশ্চিমা দেশগুলোতে পুরোদমে অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও               এশিয়া অঞ্চলে নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ করোনাকালীন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদনের মূল কাঁচামাল উৎপাদন কাক্সিক্ষত অনুযায়ী হয়নি। যার ফলে চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ধরনের ফাঁক তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে কোনো কোনো দেশের প্রয়োজনীয় গুরুত্ব বিবেচনায় বেশি দামে নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামাল এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎপাদিত নির্মাণসামগ্রী ক্রয় করছে। তিনি আরও বলেন, সিমেন্ট এবং স্টিলের মতো অতি প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীর কাঁচামালের উৎস বাংলাদেশে নেই। তাই শতভাগ বৈদেশিক নির্ভরশীলতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে উঠানামার ওপরেই এ দেশে নির্মাণসামগ্রীর মূল্য নির্ভরশীল। তিনি আরও বলেন, চীন এবং ভিয়েতনামেও ব্যাপক উন্নয়নের ফলে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে কাঁচামাল আমদানির যে সোর্সিংগুলো রয়েছে সেগুলোও চীন এবং ভিয়েতনামের ক্রয় নিয়ন্ত্রণেই বেশি কাজ করছে। সূত্র বলছে, বাংলাদেশে সিমেন্ট তৈরির যে কয়টি মূল কাঁচামাল রয়েছে তার সবই আমদানিনির্ভর এবং এরমধ্যে ক্লিংকার অন্যতম। করোনা-পরবর্তী সময় অনেক দেশেই আবার নতুন করে উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাপক হারে শুরু হয়েছে। তাই গত কয়েক মাসে নির্মাণসামগ্রীর বিশ্বব্যাপী চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশে সিমেন্ট খাতের যে মূল কয়টি কাঁচামাল রয়েছে তার সবকটিই আমদানিনির্ভর। সেে ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় বাজারে তৈরি পণ্যের মূল্য পরিবর্তনের সমূহ সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশে সক্রিয় সিমেন্ট উৎপাদন কারখানা রয়েছে ৩৫টি। সারা দেশে সিমেন্টের চাহিদা ৩৫ মিলিয়ন টন হলেও কারখানাগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ৮০ মিলিয়ন টন। আগামী তিন বছরে সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা আরও ১১ মিলিয়ন টন যুক্ত হবে। দেশে সিমেন্টের বার্ষিক চাহিদা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টন। এ খাতে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। ফলে সরকারি কোষাগার প্রতি বছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্বও পায়। পাশাপাশি সরকার সিমেন্ট কোম্পানিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ আয়করও পেয়ে থাকে। এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন। বিসিএমএ সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া, অসমন্বয়যোগ্য অগ্রিম আয়কর, তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে সিমেন্টের নিম্নমুখী দামের প্রবণতা এবং নদীপথে ও সড়কপথে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রায় সব সিমেন্ট কোম্পানি ক্ষতির সম্মুখীন। খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত সিমেন্ট খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

সূত্র- বিডি প্রতিদিন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে অর্থপাচারকারীদের তালিকা জমা দেয়ার নির্দেশ

হাবিবুল ইসলাম হাবিব

বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সুইস ব্যাংকসহ গোপনে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে পানামা পেপারস ও প্যারাডাইস পেপারসে  যাদের নাম এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ। 

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা তাদের পাচার করা অর্থ সুরক্ষিত রাখতে যেসব হাই সিকিউরিটি ব্যাংকের আশ্রয় নেন তার মধ্যে অন্যতম সুইচ ব্যাংক। এই ব্যাংকে অর্থ আছে নাম না জানা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। 

এমনি অবৈধ বা পাচার হওয়ার অর্থ কেলেঙ্কারীর আরো দুই আলোচিত নাম পানামা ও প্যারাডাইস কেলেঙ্কারী। যেখানেও এসেছে দেশের কয়েকজন শীর্ষ ব্যাবসায়ী ও ধনী ব্যাক্তির নাম। কিন্তু নাম আসলেও তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা।

সুইচ ব্যাংকসহ বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি হাইকোর্ট রিট আবেদন করেন দুই আইনজীবী। রিটের শুনানী নিয়ে সুনির্দিষ্ট তদন্তের রুল জারি করেন হাইকোর্ট।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


রুলে পানামা পেপার্স ও প্যারাডাইস পেপার্স কেলেঙ্কারীতে যেসব বাংলাদেশিদের নাম এসেছে তাদের ব্যাপারে দুদকের অবস্থান জানতে চান হাইকোর্ট।

গত ১ ফেব্রুয়ারি আলোচিত ব্যাবসায়ী মুসা বিন শমসেরসহ বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বিশেষ করে সুইস ব্যাংকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

করোনার কারণে সারা দুনিয়া লন্ডভন্ড। ঠিক তখনই পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ ও বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার আইটিসির সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর, এই ১২ মাসে পোশাকের বিশ্ববাজারে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম রফতানি করেছে ২৭ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারের আর বাংলাদেশ করেছে ২৯ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক। 

অর্থাৎ পোশাক রফতানি করে ভিয়েতনামের চেয়ে ১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। অথচ ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত ১১ মাসে বাংলাদেশের চেয়ে ভিয়েতনামের আয় ২ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার বেশি ছিল। ওই সময়ে তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ২৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আর ভিয়েতনামের ছিল ২৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকরা বলছেন, করোনাকালে সরকারের দেয়া প্রণোদনা এই খাতের ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে আরও নীতি ও অর্থ সহায়তা দরকার বলে জানান তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসির। 

ইউরোপের বাজারে ভিয়েতনাম মুক্তবাণিজ্য সুবিধা পেলেও বাংলাদেশ পাচ্ছে না। তাই ভিয়েতনাম এগিয়ে যায়। আর তাদের বাণিজ্য কৌশলও বেশ ভালো। কিন্তু এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। তাই জিএসপি সুবিধা বাতিল হয়েে গেলে সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ।    

 news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুশাসন রক্ষায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিতরণকৃত ঋণের অর্থ উদ্দিষ্ট খাতে বিনিয়োর নিশ্চিত করা জরুরি। নতুন ঋণের মাধ্যমে কোনো গ্রাহক আগের অন্য কোনো ঋণ পরিশোধ করছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি কিস্তিভিত্তিক প্রকল্প ঋণের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কিস্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে পরবর্তী কিস্তি ছাড় না করা বর্তমান সময়ে অত্যাবশ্যকীয় পরিপালনীয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


এতে আরও বলা হয়, ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং তদারকির বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ঋণ নীতিমালায় অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। ঋণের সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত সরেজমিন পরিদর্শনে কোনো গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগকে অবহিত করতে হবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮(ছ) ধারার ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দশ বছরে সাড়ে চারগুণ বেড়েছে বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ

সুলতান আহমেদ

দশ বছরে সাড়ে চার গুন বেড়েছে বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ। ২০০৯-১০ এ ১০ বিলিয়ন রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ছাড়িয়ে গেছে ৪৪ বিলিয়নের ঘর। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে জমাকৃত বৈদিশিক মুদ্রা দিয়ে এক বছরের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। 

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আমদানি কমে যাওয়ায় বাড়ছে বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ। আমদানি কার্যক্রম সহ ব্যবসায়ীক পরিবেশ দ্রুত স্বাভাবিক করার পরামর্শ তাদের। 

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা প্রায় এক কোটির অধিক প্রবাসির পাঠানো অর্থে শক্তিশালি হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। করোনা মহামারিতে যখন অস্বস্তিতে বিশ্বের অর্থনীতি তখনও নতুন নতুন রেকর্ডের জন্ম দিচ্ছে রেমিট্যান্স আর রিজার্ভ।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আর বৈদিশিক সহায়তা সব মিলে অন্যন্য উচ্চতায় বৈদিশিক মুদ্রার রিজার্ভ। দশ বছর আগে ২০০৯-১০ অর্থবছরের জুনে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের রিজার্ভ ছিলো ১০.৭৫ বিলিয়ন ডলার, সেই রেমিট্যান্স ২০ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০১৩-১৪ সালে। তার থেকেও প্রায় পাঁচ বছর পর ২০১৯ এ রেমিট্যান্স ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। 


বিকৃত যৌনাচারে অনুশকার মৃত্যু: যা বললেন সিআইডি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


এরপর মাত্র বছরের ব্যবধানে ২০২০ এর অক্টোবরে রেমিট্যান্স ছাড়ায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের ঘর। করোনার গতি বেড়েছে রেমিট্যান্সের, সবশেষ ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখ তা ৪৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। তবে শঙ্কার জায়গা আমদানি কমে যাওয়া। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি দ্রুত চাঙ্গা করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

নীতি নির্ধারকদের অবশ্য বলছেন, শক্তিশালি অর্থনীতির পরিচয় বহণ করছে রেমিট্যান্স।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৯০ কোটি ডলার, যার প্রবৃদ্ধি ৩৫ শতাংশ।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর