বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

সামিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফের তদন্ত হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক

সামিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফের তদন্ত হচ্ছে

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচিত সেই জুলকারনাইন সায়ের খান ওরফে সামিউল আহমেদ খান ওরফে সামিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফের তদন্ত হচ্ছে। তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে কাউন্টার টেরোরিজম আন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটকে (সিটিটিসি)।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক টেলিভিশন চ্যানেল আলজাজিরায় সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনায় আসে সামির নাম। এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এই নামটি ছিল অপরিচিত। যে কারণে মামলা থেকেও খালাস পেয়ে যান তিনি। এখন তার পরিচয় প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো।

রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার জানান, গত বছরের মে মাসে সামিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করেছিল র‌্যাব। তদন্তে আসামি শনাক্ত না হওয়ায় চার্জশিট থেকে সামিসহ আটজনকে বাদ দেয়া হয়। তিনজনকে আসামি করে গত ১১ জানুয়ারি চার্জশিট দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘আই এম বাংলাদেশি- নামে একটি পেজ থেকে ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে মামলা হয়েছিল। এতদিন আমরা ওই পেজের মূল ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। আলজাজিরা টেলিভিশনের সাম্প্রতিক খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, ওই পেজের মূল ব্যক্তি হলেন সামি। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মামলাটির অধিকতর তদন্ত করতে বুধবার সিটিটিসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আদালত থেকে এ সংক্রান্ত সব ধরনের নথিপত্র বুঝে নেবেন সিটিসিটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।’

জানতে চাইলে সিটিটিসির যুগ্মকমিশনার ইলিয়াস শরীফ বলেন, ‘শুনেছি আদালত মামলাটির পুনঃতদন্ত করতে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এখনও মামলার নথিপত্র বুঝে পাইনি। আশা করছি দুই-একদিনের মধ্যে নথি বুঝে পাব। এরপর তদন্ত শুরু করব। এর আগে এ নিয়ে তেমন কিছু বলা যাচ্ছে না।’

এ বিষয়ে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘সামি যে একজন প্রতারক এবং অপপ্রচারকারী সে বিষয়টি আমরাই প্রথম উদ্ঘাটন করি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মামলাও করি। তদন্তের দায়িত্ব ছিল থানা পুলিশের ওপর। তদন্ত শেষে যে চার্জশিট দেয়া হয় সেটি আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। এ কারণে আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে র‌্যাবের যোগাযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা যখন যে ধরনের তথ্য পাচ্ছি তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তখনই তা শেয়ার করছি। পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা যাবে বলে আশা করছি।’

তিনি বলেন, ‘একটি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে দেশবিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত বলে আমাদের কাছে তথ্য ছিল। সে তথ্য অনুযায়ী গত বছরের শুরুতে সাইবার জগতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এর মাধ্যমে জানতে পারি ‘আই এম বাংলাদেশি’ নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে অব্যাহতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। র‌্যাবের পর্যালোচনায় জানা যায়, ওই পেজের অ্যাডমিন হলেন সায়ের জুলকারনাইন। 

কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, স্বপন ওয়াহিদ ও লেখক মুস্তাক আহমেদ এডিটর হিসেবে পেজটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনা করছেন। তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নেত্র নিউজের সাংবাদিক তাসনীম খলিল, সাহেদ আলম, ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন, রাষ্ট্র চিন্তার কর্মী দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মিনহাজ মান্নান। পরে গত বছরের মে মাসে এই ১১ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করে র‌্যাব। এ মামলার ৬ নম্বর আসামি ছিল সামি।

রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, আসামি চিহ্নিত করতে না পারায় আটজনকে প্রাথমিকভাবে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট দেয়া হয়েছিল। 

আরও পড়ুন:


সানি লিওনের শুটিং সেটে হামলা, দাবি ৩৮ লাখ

টিকা নিয়ে যাদের ভয় ছিল তা কেটে গেছে: স্বাস্থ্য সচিব

তামিলনাড়ুতে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

দিঘী থেকে ২০০ বছর আগের হাতির কঙ্কাল উদ্ধার


তারা হলেন- সায়ের জুলকারনাইন, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমাখার, স্বপন ওয়াহিদ, তাসনীম খলিল, সাহেদ আলম, আসিফ মহিউদ্দীন ও মিনহাজ মান্নান। তবে চার্জশিট প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছিল, যদি ভবিষ্যতে সন্ধান পাওয়া যায় তাহলে সম্পূরক চার্জশিটে তাদের আসামি করা হতে পারে। এখন যেহেতু সামির সন্ধান পাওয়া গেছে, তাই বাকিদের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ কারণেই আদালত মামলাটির অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। 

ওসি আরও বলেন, দেশের বাইরে থাকার কারণে আমরা জুললকারনাইন সামি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কোনো তথ্য পাচ্ছিলাম না। ওই মামলায় যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছিল তারা হলেন- আহমেদ কবির কিশোর, মুস্তাক আহমেদ ও দিদারুল ভূঁইয়া।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয়ে আর্থিক প্রতারণায় জড়িত থাকার ঘটনায় ২০০৬ সালে সামি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি এখন হাঙ্গেরিতে বসবাস করছেন। পাসপোর্ট তৈরিতে প্রতারণার মাধ্যমে নিজের এবং বাবার নামের অংশবিশেষ পরিবর্তন করেন। ১৯৮৪ সালে জন্মগ্রহণকারী সামি ১৭ বছর বয়সে এক সেনা কর্মকর্তার ট্র্যাকস্যুট চুরি করে ধরা পড়েছিলেন। ২০০০ সালে চোরাই হাতির দাঁত বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন। তথ্যসূত্র; যুগান্তর।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আল্লামা বাবুনগরীর বক্তব্য দেখে হতাশ মাওলানা মামুনুল

অনলাইন ডেস্ক

আল্লামা বাবুনগরীর বক্তব্য দেখে হতাশ মাওলানা মামুনুল

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হক গ্রেপ্তারের পর থেকে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। বর্তমানে ৭ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন তিনি। রিমান্ডের এই ক’দিনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন মামুনুল হক।

গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ২০১৩ সালে বিএনপির পেছনে থেকে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের স্বপ্ন দেখতেন তারা। এখন তিনি মনে করেন, হেফাজতই সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবে আর বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলে তাদের পেছনে থাকবে।

আরও পড়ুন


লকডাউনেও ঢাকায় রাস্তায় যানজট, চলাচল বেড়েছে মানুষের

দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

রংপুর করোনা হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ৫০ আইসিইউ-এর মধ্যে বসেছে মাত্র ২৩টি


রিমান্ডে নেয়ার পর ছাড়া পাওয়ার বিষয়ে মামুনুল হক মনে করতেন, ডিবি অফিসে হামলা চালিয়ে হলেও তার নেতাকর্মীরা তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে। তবে তিনি হতাশ হয়েছেন হেফাজতের আমীর আল্লামা বাবুনগরীর বক্তব্য দেখে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক তার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লকডাউনেও ঢাকায় রাস্তায় যানজট, চলাচল বেড়েছে মানুষের

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনেও ঢাকায় রাস্তায় যানজট, চলাচল বেড়েছে মানুষের

করোনার সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের ‘কঠোর লকডাউন’ দেয়া হয়। এরপর সংক্রমণ না কমায় আবারও ৭ দিন বাড়ানো হয় চলমান লকডাউন। লকডাউনের প্রথম দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতা ও মানুষের সচেতনতায় কিছুটা বিধিনিষেধ মানলেও বর্তমানে অনেকই মানছেন না তা।

এদিকে প্রথম দফার লকডাউনের দু’একদিন পরেই ঢাকার রাস্তায় যানবাহন ও মানুষ চলাচল বেশি দেখা যায়। সাতদিন পরের বর্ধিত সেই লকডাউনেও একই চিত্র। বরং আগের চেয়ে যানবাহন ও মানুষ দুটোই বেড়েছে।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সকালে অনেককেই হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে যেতে দেখা গেছে। অনেককেই রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় অনেকেই গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশে প্রাইভেট কার খুঁজছিলো। কেউ বাড়তি ভাড়া দিয়ে প্রাইভেটকারে করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রাজধানীর প্রায় প্রতিটি সড়কেই ব্যক্তিগত গাড়ির উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।

আরও পড়ুন


দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

রংপুর করোনা হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ৫০ আইসিইউ-এর মধ্যে বসেছে মাত্র ২৩টি

উৎসব মুখর পরিবেশে সুনামগঞ্জের হাওরে ধান কাটা শুরু


খিলক্ষেত, বিমানবন্দর ও হাউজবিল্ডিং এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির চাপে যানজটও দেখা যায়। অন্য দিনের তুলনায় এসব জায়গায় ব্যক্তিগত গাড়ি ছিল অনেক বেশি। এছাড়াও সিএনজি, মোটরসাইকেল ও রিকশার চাপও ছিলো বেশি।

দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট জানায়, অন্য দিনের তুলনায় রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। ‍মুভমেন্ট পাস দেখিয়ে অনেকেই নানা অজুহাতে মানুষ বাইরে বের হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলে কেউ দেখাচ্ছেন প্রেসক্রিপশন আবার কেউ তর্কে জড়াচ্ছেন। 

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর সাড়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ

চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার জন্য ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এসব অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষে জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

news24bd.tv আহমেদ

 

আরও পড়ুন


তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

রংপুর করোনা হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ৫০ আইসিইউ-এর মধ্যে বসেছে মাত্র ২৩টি

উৎসব মুখর পরিবেশে সুনামগঞ্জের হাওরে ধান কাটা শুরু

রিমান্ডে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন ‘শিশু বক্তা’


 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘হাসপাতাল পরিবর্তন করে অন্যদের সংকটে ফেলবেন না’

অনলাইন ডেস্ক

‘হাসপাতাল পরিবর্তন করে অন্যদের সংকটে ফেলবেন না’

গত সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালীর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মার্কেটে চালু হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল। উদ্বোধনের পর থেকেই অনেক করেনা রোগী চিকিৎসার জন্য ভিড় করছেন এই হাসপাতালটিতে।

হাসপাতালটিতে যেন অন্য হাসপাতালের রোগীরা না আসেন সে জন্য  হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নাসির উদ্দিন বলেন, করোনা রোগীরা যারা যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন সেখানেই থাকুন। মঙ্গলবার হাসপাতালটি পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, যারা যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা সেই হাসপাতালেই চিকিৎসা নিন। তারা যেন এখানে না আসেন। এলে নতুন যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের সংকট দেখা দেবে। আপনারা যেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন সেখানেই নিন। তবে যারা নতুন আক্রান্ত হচ্ছেন তারা এখানেই সেবা পাবেন।

ব্রিগেডিয়ার নাসির উদ্দিন বলেন, সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ১৯২ জন রোগী রিপোর্ট করেছেন। ৮৩ জন রোগীকে আমরা ভর্তি করেছি। ৩৪ জন রোগীকে আমরা আইসিইউতে নিয়েছি। তারমধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। এই মুহূর্তে ভর্তি আছে ৭৮ জন। এখন পর্যন্ত ৮০টি আইসিইউ প্রস্তুত আছে।

আরও পড়ুন


কষ্টটা ডায়রির পাতায় শব্দে শব্দে বুনে রেখেছিলাম

বৈঠকতো দূরের কথা, বাবুনগরী কখনোই খালেদা জিয়াকে সামনাসামনি দেখেননি: হেফাজতে ইসলাম

গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র বাবু মারা গেছেন

প্রয়োজন ছাড়া বের না হলে লকডাউনের প্রশ্নই উঠবে না: মোদি


সরেজমিনে দশ মিনিট অবস্থান নিয়ে দেখা গেছে, এই সময়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স এসে দীর্ঘ লাইন লেগে গেছে। এসব অ্যাম্বুলেন্সে আসা অধিকাংশ রোগীরই জটিল পরিস্থিতি।

এ প্রসঙ্গে ব্রিগেডিয়ার নাসির উদ্দিন বলেন, রোগীদের অধিকাংশই সিবিআর সাসপেক্টিভ প্রব্লেম নিয়ে আসছেন। তারা অল্প সময়েই বেশি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। অবস্থা জটিল আকার ধারণ করছে।

হাসপাতাল পরিচালক আরও বলেন, শুরুতে ২৫০ শয্যা দিয়েই হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আমরা এটাকে পাঁচ শতাধিক শয্যায় পরিণত করব এবং এই মাসের মধ্যেই আশা করা যায় এক হাজার শয্যাই আমরা চালু করতে পারবো।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই পর্যন্ত ১০৯ সাংসদ করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু চার

নিজস্ব প্রতিবেদক

এই পর্যন্ত ১০৯ সাংসদ করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু চার

করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। কিন্তু এই লকডাউনের মধ্যে সারা দেশে করোনায় মৃত্যুর সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা।এদিকে এ পর্যন্ত অন্তত ১০৯ জন সাংসদ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে করোনয় মৃত্যু হয়েছে চার জনের। আর মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ সদস্য, এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। আক্রান্তদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ ১২ জন(সংরক্ষিত ৫০ জনসহ সংসদের সদস্য মোট ৩৫০ জন)।  সংসদ সচিবালয় ও দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত বছরের ১৩ জুন মারা যান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোহাম্মদ নাসিম। একই দিনে মারা যান টেকনোক্র্যাট কোটায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ। আর জুলাইয়ে মারা যান নওগাঁ-৬ আসনের সাংসদ ইসরাফিল আলম। সর্বশেষ ১৪ এপ্রিল মারা গেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কুমিল্লা-৫ আসনের সাংসদ আবদুল মতিন খসরু। এর আগে গত মাসে মারা যান সিলেট-৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।

দেশে করোনায় ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৫৮৮ জনের আর মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৭ হাজার ৭৮০ জনে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর