২০২২ সালের জুনে পদ্মা সেতু খুলে দেয়া হবে: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২২ সালের জুনে পদ্মা সেতু খুলে দেয়া হবে: ওবায়দুল কাদের

ফাইল ছবি

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০২২ সালের জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ অবকাঠামোর কাজ শেষ করে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

মঙ্গলবার সকালে মাওয়া প্রান্তে পদ্মাসেতুর সর্বশেষ অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শতকরা ৯২ ভাগ এবং পদ্মা বহুমূখী সেতুর  নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৪ ভাগ শেষ হয়েছে। এ সেতুকে ঘিরে দেশের আগামীদিনের উন্নয়ন আবর্তিত হবে। পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে বাংলাদেশে যোগাযোগ খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:


লেখক অভিজিৎ হত্যা: ৫ জনের ফাঁসি, একজনের যাবজ্জীবন

নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে সরস্বতী পূজা

লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন ৪৩২ জন প্রবাসী

সামিয়া রহমান ও মারজানের লেখায় চৌর্যবৃত্তির প্রমাণ মেলেনি, ট্রাইব্যুনালের প্রতিবেদন


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী দিনে আমার প্রথম স্বপ্ন হবে সড়ক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দ্বিতীয়ত, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের পথযাত্রায় ভিষণ ২০২১, ৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে উপযুক্ত শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগকে সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংগঠনে পরিনত করা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতার জবানবন্দি

শাপলা চত্বরের সমাবেশের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন বাবুনগরী : মুফতি ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

শাপলা চত্বরের সমাবেশের আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন বাবুনগরী : মুফতি ফখরুল

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সরাসরি হেফাজতের কর্মসূচীতে ঢুকে জ্বালাও পোড়াও করে সরকারের পতন ঘটাতে চেয়েছিল। শাপলা চত্বরের সমাবেশের ঠিক এক সপ্তাহ আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন জুনায়েদ বাবুনগরী। বিএনপির পক্ষ থেকে ওই আন্দোলনে জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়া হয় বলে  আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির তৎকালীন প্রচার সম্পাদক মুফতি ফখরুল ইসলাম। 

গত সোমবার মুখ্য মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মুফতি ফখরুল বলেছেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র সেই সহিংসতায় তৎকালীন বিএনপি ও জামায়াতের একাধিক শীর্ষ নেতা অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন। সহিংসতায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাও।

 গত ১৪ এপ্রিল লালবাগ এলাকা থেকে মুফতি ফখরুলকে গ্রেফতারের পর পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে সোমবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সরকার আলেমদের না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতকারীদের : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

সরকার আলেমদের না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতকারীদের : তথ্যমন্ত্রী

সরকার কোনো আলেম বা ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করছে না, গ্রেপ্তার করছে দুষ্কৃতিকারীদের বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ।

‘সরকার ধর্মীয় নেতাদের গ্রেপ্তার করছে’ বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ।

আজ রাজধানীতে সরকারি বাসভবন থেকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও এটুআই আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক অনলাইন কর্মশালা উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে সমস্ত দুষ্কৃতকারী ২৬ থেকে ২৮ মার্চ সমগ্র দেশে তাণ্ডব চালিয়েছে, নিরীহ মানুষের ঘরবাড়ি, সহায়-সম্পত্তি, যানবাহন জ্বালিয়ে দিয়েছে, ভূমি অফিসে আগুন দিয়ে সাধারণ মানুষের জমির দলিলপত্র পুড়িয়েছে, ফায়ার স্টেশন ও রেল স্টেশনে হামলা করে ক্ষতি করেছে এবং যারা মানুষের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, তাদের এবং তাদের নির্দেশদাতাদের সরকার গ্রেপ্তার করছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কোনো ভালো আলেম এসব অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, আলেমের মুখোশধারীরাই এসবে যুক্ত এবং সরকার তাদেরকেই গ্রেপ্তার করছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এর আগে বাসসের কর্মশালায় দেওয়া বক্তব্যে সংস্থাটির সব জেলা প্রতিনিধির ল্যাপটপ সরবরাহের ওপর গুরুত্ব দেন। বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং এটুআই প্রকল্প পরিচালক ড. আব্দুল মান্নান অনলাইনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হত্যার বদলে হত্যার হুমকি কাদের মির্জার

অনলাইন ডেস্ক

হত্যার বদলে হত্যার হুমকি কাদের মির্জার

এবার ফেসবুক লাইভে এসে হত্যার বদলে হত্যার হুমকি দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা।

তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র।

আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটার দিকে কাদের মির্জা তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুকে লাইভে এসে এই হুমকি দেন। লাইভটি কাদের মির্জাসহ ২৬ জনের ফেসবুকে ট্যাগ করা হয়েছে।

এর আগে ফেসবুক লাইভে এসে পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, ‘নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি), দুর্নীতিবাজ অতিরিক্ত এসপি শামীম, কোম্পানীগঞ্জের দুর্নীতিবাজ ওসি—এই তিনজন মিলে সিরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মিকনকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করেছেন। একটু আগে আমি খবর পেয়েছি, এই তিনজন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তাকে ক্রসফায়ারে দেবে।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনা কোম্পানীগঞ্জে কখনো ঘটেনি, আমরা করতে দিইনি। আজকে রাহাইচ্ছা (কাদের মির্জার ভাগনে ফখরুল ইসলাম ওরফে রাহাত) থানাকে টাকা দিয়ে ক্রসফায়ারে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ধরনের ঘটনার পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি আমার এক ফোঁটা রক্ত থাকতে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে, তার জবাব কী দিয়ে দিতে হয়, ৪৭ বছরের রাজনীতির অভিজ্ঞতায় আমি অভিজ্ঞ। কীভাবে জবাব দিতে হয়, আমি জানি। হত্যার বদলে হত্যা। এটা ছেড়ে দেওয়া হবে না।’


মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটুনির ১মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

একদিনে করোনা শনাক্ত ৪৫৫৯

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৯১ জন


ওবায়দুল কাদেরের ভাই আবদুল কাদের পুলিশের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমি আজকে ৪৭ বছর রাজনীতি করি। কোনো পুলিশ আমার চোখের দিকে তাকাই কথা বলেনি।’

‘গায়ে হাত দেওয়া তো দূরে থাক। সম্মান করত, শ্রদ্ধা করত প্রত্যেকটা পুলিশ অফিসার। যাদের সাথে আমার লাগালাগি হয়েছে, তারাও কখনো আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলেনি। আমি বিরোধী দল করেছি, তখনো আমাকে সম্মান করত, শ্রদ্ধা করত।’

কাদের মির্জা দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গালি দিয়ে ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘...আজকে আমার গায়ে হাত দেয়। আমাকে গালিগালাজ করে, আমার মাকে ধরে গালিগালাজ করে। আমার ছেলেদের ক্রসফায়ারে দেবে। রক্তের হোলিখেলা কোম্পানীগঞ্জে চলবে, এটা কোনো অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হবে না।’

কাদের মির্জা থানার পুলিশের উদ্দেশে বলেন, ‘চোর-ডাকাত নিয়ে থানায় বসে থাক? যারা ব্যাংক ডাকাতি করেছে, যারা মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে, অস্ত্রবাজি করে, তাদের নিয়ে থানায় বসে তোমরা যুক্তি কর, তাদের মামলা তোমরা বসে বসে ড্রাফট কর, সেটা সাবমিট কর? সাংবাদিক মুজাক্কির, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক আলাউদ্দিন হত্যাকারী বাদইল্যা (মিজানুর রহমান বাদল) কীভাবে থানায় যায়? কোম্পানীগঞ্জে কীভাবে ঘোরফেরা করে?’

তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি, উনিও কোনো ব্যবস্থা নেন নাই। এটা চলতে দেওয়া যায় না।

কোনো অবস্থায় কাউকে, সে পুলিশ হোক, আর যেই হোক, এমপি হোক, মন্ত্রীর স্ত্রী হোক, আর সচিব হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার সন্তানের গায়ে হাত দিয়েছে, কারও সন্তান রেহাই পাবে না, আমি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিচ্ছি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রমজানে মাদ্রাসা শিক্ষক-ছাত্রদের গ্রেপ্তারের নিন্দা শফীপুত্রের

অনলাইন ডেস্ক

রমজানে মাদ্রাসা শিক্ষক-ছাত্রদের গ্রেপ্তারের নিন্দা শফীপুত্রের

পবিত্র রমজানে সারাদেশে আলেম, শিক্ষক ও মাদ্রাসা ছাত্রদের গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ এর আমির মাওলানা আনাস মাদানী বলেছেন, বিচারের নামে নিরপরাধ কাউকে যেন অযথা হয়রানির শিকার না হতে হয় এ বিষয়ে সরকারকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক, এটা আমাদেরও দাবি।

সোমবার রাতে আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ বাংলাদেশের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ সালমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে আল্লামা আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী বলেন, আব্বাজান শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) ছিলেন এদেশের কওমি মাদ্রাসা জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত স্বরূপ। তিনি সবসময় ইসলাম ও মুসলমানের কল্যাণের কথা ভেবেছেন। সকল দল ও মতের মানুষের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রেখে চলছেন।


মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটুনির ১মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

একদিনে করোনা শনাক্ত ৪৫৫৯

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৯১ জন


ইসলামি শিক্ষা তাহজিব ও তমদ্দুনকে সবর্স্তরের জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এদেশের কওমি মাদ্রাসাগুলোর যে বৃহৎ অবদান রয়েছে তাকে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সঠিকভাবে উপস্থাপন করায় তার অবদান অনস্বীকার্য। 

একই সঙ্গে মাওলানা মাদানী সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন, লকডাউনের মধ্যেও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাপদ্ধতির প্রতি সুবিচার করে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় হলেও মাদরাসাগুলোকে অতি দ্রুত খুলে দেওয়া হোক।

news24bd.tv তৌহিদ 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অচিরেই গণজোয়ারে অবৈধ ক্ষমতাসীনরা ভেসে যাবে : মান্না

অনলাইন ডেস্ক

অচিরেই গণজোয়ারে অবৈধ ক্ষমতাসীনরা ভেসে যাবে : মান্না

দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ প্রতিবাদী হয়ে উঠছে। অচিরেই গণ জোয়ার তৈরি হবে এবং সেই জোয়ারে অবৈধ ক্ষমতাসীনরা ভেসে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন উপলক্ষে দেশে যে অরাজকতা ও রক্তপাত হয়েছে তার দায় একান্তই সরকার, সরকারি দল এবং তাদের অঙ্গ সংগঠনের বলে মন্তব্য করেছেন  নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত আলেম ওলামাদের মুক্তি দাবিও জানান তিনি। 

আজ মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাকিব আনোয়ার স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

ডাকসু'র সাবেক এই দুইবারের ভিপি দাবি করেন, ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরকারি দলের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা হেফাজতের কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ মুসুল্লিদের উপর হামলা করে প্রথমে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে। বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে তা স্পষ্ট দেখা গেছে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে যে অরাজকতা তৈরি হয়েছে এবং মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তার সম্পূর্ণ  দায় সরকারকে নিতে হবে। 

মান্না বলেন, এসব ঘটনার পর দায়ের করা মামলা এবং সেই ২০১৩ সালের মামলাসহ বছরের পর বছর ধরে পড়ে থাকা মামলায় হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ তথা দেশের আলেম সমাজের নেতাদের গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে, রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে। একজন নেতার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জাতীয় সংসদে যেভাবে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে বিশোদগার করা হয়েছে, তাতে স্পষ্ট যে সরকারী দল হেফাজতে ইসলামকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তাদের পর্যুদস্ত করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আমি অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত আলেম ওলামাদের মুক্তি দাবি করছি। 

করোনা মোকাবেলায় সরকারের উদাসীনতার উল্লেখ করে মান্না বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, হাসপাতালে অক্সিজেন, আইসিইউ বেড নিশ্চিত করা  এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দুইবেলা খাবার নিশ্চিত করা এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে মামলা, হামলা, রিমান্ড, অত্যাচার, নির্যাতনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে তারা। দেশের সাধারণ জনগণ এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তা মেনে নেবে না। দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ প্রতিবাদী হয়ে উঠছে। অচিরেই গণ জোয়ার তৈরি হবে এবং সেই জোয়ারে অবৈধ ক্ষমতাসীনরা ভেসে যাবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর