পেঁয়াজ কাটলে চোখ জ্বালাপোড়া করে কেন?

অনলাইন ডেস্ক

পেঁয়াজ কাটলে চোখ জ্বালাপোড়া করে কেন?

রান্নার ক্ষেত্রে মসলা হিসেবে পেঁয়াজের রয়েছে বিশেষ উপযোগিতা। রান্না করার সময় বিশ্বের প্রায় সকল দেশের মানুষই পেঁয়াজ ব্যবহার করে থাকে। মুখরোচক রসনাপণ্য ছাড়াও পেঁয়াজের রয়েছে বিভিন্ন ঔষধি গুণ। সবার কাছে সমাদৃত এই পণ্যটির একটি বিশেষ অসুবিধাও রয়েছে। যারা নিয়মিত পেঁয়াজ কাটেন বা জীবনে একবার হলেও পেঁয়াজ কেটেছেন, তারা পেঁয়াজের এই বিশেষ অসুবিধা সম্পর্কে জানেন।

হ্যাঁ, পেঁয়াজ কাটার সেই সমস্যাটি হচ্ছে পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালাপোড়া করে ও চোখে পানি আসে। পেঁয়াজ কাটলে কেন এমন হয়, সেটা সবার কাছে একটি কৌতূহলের বিষয়।

আসুন, জেনে নেই পেঁয়াজ কাটলে কেন এমন হয়? মূলত পেঁয়াজ কাটার সময় এক বিশেষ ধরনের এসিডের কারণেই এমনটি হয়। পেঁয়াজের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে এ্যামিনো এসিড। এই এসিডে সাধারণভাবে চোখ জ্বালাপোড়ার কথা নয়। তবে পেঁয়াজ কাটার সময় এই এ্যামিনো এসিডের সালফোক্সাইড উপাদানটি বিক্রিয়া করে সালফিনিক এসিডে পরিবর্তিত হয়, যেটি চোখে জ্বালাপোড়া করার কাজে সহায়ক। 


মিয়ানমারে অভ্যুত্থানবিরোধীদের ২০ বছর কারাদণ্ডের হুঁশিয়ারি

প্রেমিক হতে হলে বিশ্বস্ত হতে হবে: প্রভা

৯ মাসে বিমানের লোকসান ৩ হাজার কোটি টাকা

সালমান খানের ঘোড়ার ছবি দেখে প্রতারিত হলেন এক নারী


পেঁয়াজের মধ্যে আরও এক ধরনের এনজাইম পদার্থ থাকে, যা এই সালফিনিক এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে প্রোপেনথায়োল এস অক্সাইড তৈরি করে। এই এসিডটি আবার দ্রুত উড়ে গিয়ে চোখের পানির সঙ্গে মিশে সালফিউরিক এসিড তৈরি করে।

এই সালফিউরিক এসিডই চোখ জ্বালাপোড়া করা এবং চোখে পানি আনার মতো কাজ করে থাকে। চোখে যখন পেঁয়াজ কাটার সময় সালফিউরিক এসিড এসে পড়ে, তখন সেটি ধুয়ে ফেলার জন্য অতিরিক্ত জল নিঃসৃত হয় চোখে। এর মাধ্যমে চোখ হয়ে পড়ে অশ্রুমতি।

পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালাপোড়া করার এই অসুবিধা থেকে মুক্ত থাকা কষ্টকর। তবে কয়েকটি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই অসুবিধা থেকে কিছুটা হলেও আরাম পাওয়া যায়।

পেঁয়াজ কাটার আগে পেঁয়াজ অনেকক্ষণ ফ্রিজে রাখলে চোখে জ্বালাপোড়া হয় না। কারণ কম তাপমাত্রার কারণে উল্লিখিত উপাদানগুলোর কার্যকারিতা কমে যায় এবং প্রোপেনথায়োল এস অক্সাইড তৈরি হয় না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে যা করবেন

অনেকের ঘামে প্রচুর দুর্গন্ধ হয়। যা যতটা না স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর তার থেকে বেশি নিজের সম্মানের প্রশ্নে। তবে বেশ কিছু উপায় মেনে চললে শরীরের দুর্গন্ধ অনেকাংশে রোধ করতে পারেবেন। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

গোলাপজল

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো গোলাপজলের ব্যবহার। গোসলের পানির সঙ্গে পরিমাণমতো গোলাপজল মিশিয়ে নিয়ে গোসল করুন। এই উপায়টি দীর্ঘক্ষণ দেহকে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে দূরে রাখে। এটি খুব কার্যকরী।

আপেল সিডার ভিনেগার:

আপেল সিডার ভিনেগারে ব্যাকটেরিয়া দূর করার উপাদান রয়েছে। এটি ত্বকের পিএইচের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সামান্য আপেল সিডার ভিনেগার তুলায় নিয়ে বগলের নিচে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসল করার আগে এই উপাদানটি বগলের নিচে ব্যবহার করুন। 

বেকিং সোডা:

বেকিং সোডা ঘাম দূর করতে সাহায্য করে। বেকিং সোডা ও পানি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। বগলের নিচে এবং শরীরের যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেখানে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার গোসল করে ফেলুন।

লেবুর রস:

লেবুর রসের এসিডিক উপাদান শরীরের ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ঘামের জীবাণুও ধ্বংস করে। লেবুর রস সরাসরি বগলের নিচে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও বেশি অ্যালকোহল পান করলে আপনার স্বেদ গ্রন্থি অ্যাসিডিক হয়ে যায়। এর ফলে গায়ে দুর্গন্ধ হয়। যাদের গায়ে দুর্গন্ধ বেশি হয়, তারা এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। সুযোগ থাকলে এই পানীয় বাদ দিবেন তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। 

মানসিকভাবে উদ্বিগ্ন থাকলে দেহের অ্যাপোক্রিন গ্রন্থি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই গ্রন্থি মানুষের সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে আরও উত্তেজিত করে তোলে। এর ফলে সৃষ্ট স্ট্রেস দুর্গন্ধ বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং মানসিক চাপ বেশি নেবেন না।


৮ দিনের লকডাউন শুরু, রাজধানীর সড়কে সুনসান নীরবতা

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

করোনাবিধ্বস্ত জনপদে উৎসবহীন পহেলা বৈশাখ আজ

ফের বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পুতুল


বয়ঃসন্ধিতে অনেকের শরীরেই দুর্গন্ধের সমস্যা হয়। কিন্তু অনেক দিন পেরিয়ে গেলেও সমস্যা চলতে থাকলে বুঝতে হবে বড় কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের অনেক সময় গায়ে দুর্গন্ধ হয়।

অনেক সময় দেখা যায় পেট ভরে না খেলে শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দিলে ঘামে দুর্গন্ধ হয়। এ ছাড়া শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে ঘাম থেকে বাজে গন্ধ হয়। এ ছাড়া শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে ঘাম থেকে বাজে গন্ধ হয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাজার থেকে কেনা খাদ্যদ্রব্য যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন

অনলাইন ডেস্ক

বাজার থেকে কেনা খাদ্যদ্রব্য যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন

বাজার থেকে কিনে আনা খাদ্যদ্রব্য বাড়িতে এনে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। কারণ খাবারের প্যাকেজিং থেকে শুরু করে ফল-শাক-সবজি সবকিছুতেই করোনার জীবাণু থাকতে পারে। কিভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন আসুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।

>> বিশেষ করে কাঁচা শাক-সবজি ও ফল-মূলে করোনাভাইরাস থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ বিভিন্ন ক্রেতারা ফল বা সবজি হাত দিয়ে সম্পর্শ করে থাকেন।

>> বাজার থেকে কেনা সবজি ও ফল খাওয়ার আগে ভালো করে লবণ ও গরম পানিতে ধুয়ে নিন।

>> কাঁচা বাজারের ক্ষেত্রে সবকিছু ট্যাপের নিচে পানি ছেড়ে রেখে দিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।

>> প্লাস্টিকের প্যাকেট, টিনের বা কাঁচের পাত্রে থাকা খাবার ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্পর্শ না করাই ভালো। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে চাইলে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন।


গাজীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

রোজা শুরু কবে, জানা যাবে সন্ধ্যায়

আব্দুস সবুর খান বীর বিক্রম আর নেই

সাগরে ১০ লাখ টন দূষিত পানি ফেলার সিদ্ধান্ত জাপানের


>> পরিষ্কারক হিসেবে ব্লিচ ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ক্ষতিকারক উপাদান থাকে। যা চোখে গেলে ক্ষতি হতে পারে।

>> বাজারে যাওয়ার আগে এবং বাজার থেকে ফিরে সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালো করে হাত ধুতে হবে। গোসল করতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

>> বাজারের ব্যাগ নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন। প্রতিদিনই বাজারের ব্যাগটি ধুয়ে ফেলার অভ্যাস করুন। আর পলিথিনগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন।

>> এ মুহূর্তে অর্থ লেনদেনের পর হাত ভালো করে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সূত্র: বিবিসি

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

ত্বকের যত্ন সবসময়ই নিতে হয়। তবে গরমে ত্বকের যত্ন একটু ভিন্ন। এবার তাহলে গরমে ত্বকের যত্নের পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো-

সাবানের পরিবর্তন : শীতে যে সাবান বা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করতেন তা কখনোই গরমে ব্যবহার করবেন না। কেননা, গরমে মুখের গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল বের হয়। তাই গরমে পৃথক সাবান ব্যবহার করুন, যা আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই।

সানস্ক্রিন ব্যবহার : রোদের তাপে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যায়। ত্বকের এই কালচেভাব থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য মুখ-পাত-পা এবং শরীরের অন্য সকল খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট : অতিরিক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দাম একটু বেশি হলেও ত্বকের যত্নে আপনাকে এটা করতেই হবে।

ফলমূল খাওয়া : বেশি বেশি তাজা ফলমূল খাবেন। এতে শরীরের পানির ঘাটতি দূর হবে। এছাড়া ফলে থাকা ভিটামিন, পুষ্টিগুণ আপনার ত্বক ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


বোনকে খুঁজে না পেয়ে ভাইয়ের জিডি, বলছেন তার বোনকেও বিয়ে করেছেন মাওলানা মামুনুল

সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত

সক্রেটিস আইন মেনে মরলেন, রফিকুল আইন মানেন না

হেফাজতে ইসলামের আয়ের উৎস জানালেন আল্লামা বাবুনগরী


টোনার ব্যবহার : গরমে টোনার ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব হ্রাস পায় এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে।

মেকআপ কম করা : গরমে মেকআপ যত কম করা যায় ততোই ভালো। গরমে ঘাম বেশি হয়। এই সময় যদি মেকআপ করা হয় তাহলে ত্বকে চাপ পড়বে। তাই এমন কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করুন যা ত্বকের কোনো ক্ষতি ছাড়াই ত্বককে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিনি থেকে পিঁপড়া দূরে রাখার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

চিনি থেকে পিঁপড়া দূরে রাখার টিপস

পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে অনেকেই পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ে রাখছেন আবার কেউ শক্ত ঢাকনা-ওয়ালা পাত্রে রাখছেন। অনেকেই আবার পলিথিনে মুড়িয়ে ঢাকনা ওয়ালা পাত্রে রাখছেন। কেউ কেউ তো পিঁপড়ের হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে সেটি পাত্র সমেত ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু এ ভাবে কী আর সব সময় পিঁপড়ার হাত থেকে চিনি বাঁচানো সম্ভব!  

তবে এমন বেশ কয়েকটি উপায় আছে, যেগুলি কাজে লাগালে চিনির পাত্র ঘরের যেখানেই রাখুন, পিঁপড়ে ধরবে না কোনও মতেই। আসুন পদ্ধতিগুলি জেনে নেই।

চিনির পাত্রে একটি তেজপাতা রেখে দিন। ৪-৫ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। তেজ পাতার গন্ধে পিঁপড়ে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না।

মাঝারি মাপের দুই-একটা দারচিনির টুকরো চিনির পাত্রে রেখে দিন। দারচিনির গন্ধে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।


মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়কে ব্যক্তিগত বললেন বাবুনগরী

মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। ৪ থেকে ৫ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। লবঙ্গের গন্ধে পিঁপড়া চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না।

এক টুকরো লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কপালের বলিরেখা দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

কপালের বলিরেখা দূর করার টিপস

কপালের যে ভাঁজ দেখা যায় তাই-ই মূলত কপালের বলিরেখা। ত্বকের বয়স হয়েছে তার প্রকাশ এটি। এছাড়া আরও কিছু কারণ রয়েছে। অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে ঘোরাঘুরি, ফেসিয়াল মুভমেন্ট, বয়স এবং ফ্রি র‌্যাডিকেলস। কপালে বলিরেখা পরার নির্দিষ্ট বয়স নেই। ২০ বছরের বয়সেও বলিরেখা পড়তে পারে আবার ৫০ বছর বয়সেও বলিরেখা মুক্ত থাকতে পারেন। বলিরেখা মূলত জীবনযাপন, খাওয়া-দাওয়া, ত্বকের যতেœর ওপর নির্ভর করে।

দূর করার কিছু পদ্ধতি:

ক্যাস্টর অয়েল :  কয়েক ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল আঙুলে নিয়ে কপালে বলিরেখার ওপর ম্যাসাজ করুন। এটি সারা রাত রেখে দিন। সকালে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ক্যাস্টর অয়েলে রিসিনোলিক অ্যাসিড ত্বক কন্ডিশনিং করে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

লেবুর রস : প্রাকৃতিক ব্লিচিং লেবুর রস ত্বকের দাগ দূর করার সঙ্গে সঙ্গে কপালের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করবে। তুলার বল লেবুর রসে ভিজিয়ে বলিরেখার ওপর ম্যাসাজ করতে থাকুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেনসিটিভ ত্বক যাদের তারা লেবুর রস সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করবেন না। সমপরিমাণ লেবুর রস এবং পানি একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।


জাহাজ আসতে দেখেই নৌকার ২০ যাত্রী নদীতে দিল ঝাঁপ

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে আরও এক মামলা


খাঁটি নারকেল তেল : কপালের বলিরেখা দূর করে নারকেল তেল। কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল নিয়ে কপালে বলিরেখার জায়গায় আস্তে আস্তে মিশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ম্যাসাজ করতে থাকুন।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে করুন। নারকেল তেলের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের র‌্যাডিকেল দূর করতে সাহায্য করে। ফ্রি র‌্যাডিকেল ত্বকের বলিরেখা তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

জোজোবা অয়েল : জোজোবা অয়েল ত্বকের অ্যাসেনশিয়াল উপাদান। কয়েক ফোঁটা জোজোবা অয়েল আঙুলে নিয়ে কপালে ম্যাসাজ করুন। ওপর থেকে নিচের দিকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করুন। জোজোবা অয়েলে আছে ভিটামিন ই, যা ত্বক থেকে বয়সের ছাপ কমিয়ে দিয়ে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।

অ্যালোভেরা জেল : কপালের বলিরেখা দূরীকরণে দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং একটি ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাকটি বলিরেখায় ব্যবহার করুন।

১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন।

অ্যালোভেরা জেল এবং ডিমের সাদা অংশ ভিটামিন ই-এর অন্যতম উৎস। অ্যালোভেরা জেলের ম্যালিক অ্যাসিড ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর