মিনিকেট নামে কোন চালের নাম নেই : খাদ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

মিনিকেট নামে কোন চালের নাম নেই, এটা একটা ব্র্যান্ডমাত্র। আর এসব চাল স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো নয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। 

বুধবার সকালে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা জানান। 

এ সময় লাল চাল কেনার পরামর্শ দিয়ে খাদ্য মন্ত্রী বলেন, ভেজাল ও বিষমুক্ত খাবার উৎপাদন ও বিপণনে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে বর্তমানে ১৮টি সংস্থা কাজ করছে বলে জানান তিনি। আসছে রমজান মাসে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার কথা জানান খাদ্য মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম এবং নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইউম সরকার।

আরও পড়ুন:


নোয়াখালীতে সেই নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

স্ত্রী’র দায়েরকৃত মামলায় পুলিশের এসআই কারাগারে

ভালোবাসা দিবসে ভাবিকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত দেবর গ্রেপ্তার

পাঁচ জেএমবি সদস্যকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুপারশপে লোভনীয় অফারের চাপে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

নাঈম আল জিকো

বাহারি রকমের অফার ও অতিরিক্ত মূল্য ছাড়ের নামে সুপার শপ গুলো প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে বলে অভিযোগ, ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের। 

তারা বলছেন, তাদের এসব অফারের কারণে লোকশান গুনতে হচ্ছে তাদের। অনেকে লোকশানের ঘানি টানতে না পেরে এরই মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে চলেও গেছেন। 

রাজধানীর মোহাম্মাদপুর টাউনহল বাজারের দৃশ্য এটি। বাজারে নেই ক্রেতার সমাগম। তাই ব্যবসা কেমন চলছে তা জানতে চাইলে বিক্রেতারা বলছেন, সুপার শপের কারণে দিন দিন ক্রেতা হারাচ্ছেন তারা।

অভিযোগ স্বল্প মূল্যে খারাপ পণ্য গছিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার করার পাশাপাশি তাদের ব্যবসাকেও ক্ষতিগ্রস্থ করছে তারা।  

তাদের কথা যাচাই করতে রাজধানীর সুপার শপগুলো ঘুরে দেখা যায়, চটকদার সব অফার।রয়েছে একটি পণ্যের সাথে আরেকটা ফ্রি। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিক্রি করতে দেখা যায় বেশ কিছু পণ্যও। 


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


প্রতিদিন শত শত মানুষ প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ভিড় করেন এসব বিপণী বিতানে।অথচ সেসব ক্রেতাদের সুবিধার কথা চিন্তা করেও, কোন বিপণীবিতানে রাখা হয়নি টয়লেটের ব্যববস্থা। ঘাপলা রয়েছে কর্মি নিয়োগের ক্ষেত্রেও।

যা নিয়ে কর্মকর্তাদের কথার সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি কর্মচারীদের। রাজধানীতে যানজট সৃষ্টির অনেকগুলো কারণের মধ্যে, সুপার শপের পার্কিং অব্যবস্থাপনা অন্যতম। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রেমিট্যান্স প্রণোদনার আরও ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়

অনলাইন ডেস্ক

রেমিট্যান্স প্রণোদনার আরও ১ হাজার কোটি টাকা ছাড়

অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৮ ( আট) শর্তে রেমিট্যান্সের বিপরীতে প্রবাসীদের নগদ প্রণোদনা দিতে আরও ১ হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে সরকার। সম্প্রতি চলতি (২০২০-২১)অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের রেমিট্যান্স প্রণোদনা বাবদ এই অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ছাড় করা হয়েছে।

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো উৎসাহিত করতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রতি ১০০ টাকায় দুই টাকা করে নগদ প্রণোদনা পাচ্ছেন প্রবাসীরা। এই প্রণোদনা দিতে চলতি অর্থবছরে বাজেটে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গত অর্থবছরেও একই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। 

অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সরকারের রেমিট্যান্স প্রণোদনা খাত থেকে চলতি অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তি বাবদ এই এক হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর আগে গত নভেম্বরে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এই তিন মাসের জন্য দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ এক হাজার ৩২০ কোটি টাকা ছাড় করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। তার আগে আগস্টের শেষের দিকে প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় করা হয়। নিয়মানুযায়ী চার কিস্তিতে রেমিট্যান্স প্রণোদনার অর্থ ছাড় করে আসছে সরকার। তবে রেমিট্যান্সের ঝোড়ো গতির কারণে চলতি অর্থবছরে তিন কিস্তিতে বাজেটে বরাদ্দ অর্থের পুরোটাই শেষ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। তাই চতুর্থ কিস্তির অর্থ অন্য খাত থেকে এনে দেওয়া লাগতে পারে। 

রেমিট্যান্স প্রণোদনার তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রণোদনা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে এক হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ছাড় করা হলো। তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে প্রাপ্ত প্রণোদনা দাবির বিপরীতে সময়ে সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মতিঝিল অফিসে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাবে ক্রেডিট করার মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রণোদনার অর্থ পরিশোধ করবে। তবে এ ক্ষেত্রে আটটি শর্ত পরিপালন করতে হবে।

এগুলো হলো এই ছাড়কৃত অর্থ দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুকূলে খাতভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রণোদনার অর্থ পরিশোধ করতে হবে। দাবি পরিশোধের পর নিরীক্ষায় প্রাপ্য অর্থের চেয়ে বেশি পরিশোধিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অর্থ আদায়পূর্বক গ্রহীতার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অর্থ বিভাগকে অবহিত করতে হবে। এই অর্থ ব্যয়ে প্রচলিত সব আর্থিক বিধিবিধান ও অনুশাসনাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। চলতি অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স প্রণোদনা পরিশোধে বিদ্যমান পদ্ধতি এবং এর প্রভাব সম্পর্কে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন অর্থ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে। কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ সংযুক্ত তহবিল থেকে উত্তোলন করা যাবে। রেমিট্যান্স প্রণোদনা পরিশোধে ছাড়কৃত অর্থের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং এই অর্থের যাতে কোনো ব্যত্যয় না ঘটে সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রদানের বিপরীতে প্রণোদনা প্রদানের নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। 


দেশে গেলে ডাভ সাবান-চকলেট নেওয়ার কারণটা এবার বুঝছি

সৈয়দ আবুল মকসুদের কর্মজীবন

রোজার আগেই পাপুলের আসনে উপনির্বাচনের সম্ভাবনা: কবিতা খানম


এদিকে প্রণোদনা দেওয়ার পর থেকে একের পর এক রেকর্ড হচ্ছে রেমিট্যান্সে। এমনকি মহামারি করোনার মধ্যেও তাতে কোনো ছেদ পড়েনি। উল্টো স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে করোনার সময়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম ১১ দিনেই ৮২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের মাস জানুয়ারির পুরো সময়ে আসে ১৯৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স। সব মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের হিসাবে (জুলাই-জানুয়ারি) রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৪.৯৫ শতাংশ। এ সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৪৯০ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। সেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ১০৪ কোটি ৬৩ লাখ ডলার।

এদিকে সদ্যোবিদায়ি ২০২০ সালে রেমিট্যান্স আহরণে অনন্য রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। গত বছরে দেশে দুই হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ (২১.৭৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে এক বছরে বাংলাদেশে এত রেমিট্যান্স আর কখনো আসেনি। এটি তার আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বা ১৮.৬০ শতাংশ বেশি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসের শুরুতে বোরো ধান উঠবে। এর মধ্যেই আমরা ১০ লাখ টন খাদ্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টন খাদ্য এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম না কমা পর্যন্ত দেশেও এই পণ্যের দাম কমবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

রোববার দুপুর ২টার দিকে রংপুর জেলা পরিষদ চত্বরে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। ১০ লাখেরও বেশি টাকা ব্যয়ে আধুনিক নকশা কারুকাজে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়েছে।

আসন্ন রমজান মাসে খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণসহ দ্বিগুণ খাদ্য আমদানির জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, টিসিবি বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য আমদানির চিন্তা করছে, যাতে কোনো অবস্থায় সাধারণ মানুষের কষ্ট না হয়।


ঘুমের চাইতে নামাজ উত্তম

মেয়েটা সিগারেট খাচ্ছে আর ড্রাইভ করছে পাশে বয় ফ্রেন্ড!

তামিমাকে আমি আর ফেরত নিতে চাই না: রাকিব

তৃতীয় সন্তানের বাবা হচ্ছেন সাকিব


মন্ত্রী আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ছয় মাস আগে তেলের দাম ৭০০ ডলার ছিল। এখন তা বেড়ে সাড়ে ১ হাজার ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। যার কারণে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও তেলের দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যদি না কমে তাহলে আমাদের দেশেও কমানো যাবে না। কারণ আমরা ৯০ ভাগ তেলই আমদানি করি। এজন্য টিসিবির মাধ্যমে কম দামে তেল দিতে চাইছি আমরা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খোন্দাকার ইব্রাহিম খালেদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন

অনলাইন ডেস্ক

খোন্দাকার ইব্রাহিম খালেদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


যে কারণে ইসলাম ছেড়ে ইহুদি ধর্মে কুয়েতের নারী কণ্ঠশিল্পী (ভিডিও)

প্রেমিকের ৫ খণ্ড মরদেহের পাশে বসে ছিলেন প্রেমিকা শাহনাজ

সূরা তাওবায় কেন ‘বিসমিল্লাহ’ নেই, কি বিষয়ে সূরাটি নাযিল

কুরআন শরিফ ছিড়ে গেলে ইসলামের নির্দেশনা কি?


তিনি বলেন, ‘গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। আজ বিকাল থেকে তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তার অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর করা হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

২০২১-২২ অর্থবছরের বিদেশি অনুদানের বরাদ্দ নির্ধারণে বসছে সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২১-২২ অর্থবছরের বিদেশি অনুদানের বরাদ্দ নির্ধারণে বসছে সভা

আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থার বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পগুলোর প্রকল্প সাহায্য বরাদ্দ প্রাক্কলন বা কত বিদেশি বরাদ্দ লাগবে তা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসিতে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি এই বরাদ্দ প্রাক্কলন নির্ধারণ শুরু হবে এবং শেষ হবে ৪ মার্চ। ইতোমধ্যে কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা এডিপির বরাদ্দ চাহিদা না পাঠিয়ে থাকলে জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর অনুরোধও জানিয়েছে ইআরডি।

সম্প্রতি ইআরডি জারি করা এক নথি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, সমাজ কল্যাণ, মহিলা বিষয়ক ও যুব উন্নয়ন এবং গণসংযোগ খাতগুলোর সঙ্গে ২৪ ফেব্রুয়ারি; কৃষি, শিক্ষা ও ধর্ম এবং পানি সম্পদ খাতগুলোর সঙ্গে ২৫ ফেব্রুয়ারি; পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান, ভৌত, পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতগুলোর সঙ্গে ২৮ ফেব্রুয়ারি; জন প্রশাসন, শিল্প, বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতগুলোর সঙ্গে ১ মার্চ; স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ, যোগাযোগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান খাতগুলোর সঙ্গে ৩ মার্চ এবং পরিবহন, তেল, গ্যাস ও প্রাকৃতিক সম্পদ খাতগুলোর সঙ্গে ৪ মার্চ বৈঠক করবে ইআরডি।

সভায় ২০২০-২১ অর্থ-বছরের এডিপি বরাদ্দের জুলাই-জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ব্যয় বা বাস্তবায়ন অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে ২০২১-২১ অর্থবছরের এডিপিতে প্রকল্পভিত্তিক প্রকল্প সাহায্যের বরাদ্দ নির্ধারণ করা হবে।


প্রথমবারের মত ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা’ পদক প্রবর্তন, যারা পেলেন পদক

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়লো উড়োজাহাজ

শিগগিরই কমবে চালের দাম: বাণিজ্যমন্ত্রী


সভার নথিতে বলা হয়েছে, করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি পালন করে সভা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সভায় উপস্থিতি সীমিত আকারে রাখার জন্য নির্ধারিত সংযুক্ত সময়সূচি অনুযায়ী সভায় প্রকল্প পরিচালক (একজন) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের কর্মকর্তা/প্রতিনিধিসহ (একজন) সর্বোচ্চ দুইজন উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সভায় পূর্ণাঙ্গ তথ্যসহ নির্ধারিত সময়ে কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগের কর্মকর্তা, প্রতিনিধি উপস্থিত না হলে পরবর্তীতে কোনো আপত্তি বিবেচনা করা সম্ভব হবে না।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর