পরমাণু ইস্যু: নিষেধাজ্ঞা ও সমঝোতা একসঙ্গে অসম্ভব মার্কেলকে রুহানি

অনলাইন ডেস্ক

পরমাণু ইস্যু: নিষেধাজ্ঞা ও সমঝোতা একসঙ্গে অসম্ভব মার্কেলকে রুহানি

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে পরমাণু সমঝোতা প্রশ্নে ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতিবাচক ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সাবেক মার্কিন প্রশাসন ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেআইনিভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইউরোপীয় দেশগুলো এ ব্যাপারে শক্তিশালী কোনো ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

রুহানি বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলো যদি সত্যিকার অর্থে এই সমঝোতা রক্ষা করতে চায় তাহলে এতে ইরানকে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি নতুন কোনো বিষয় পরমাণু সমঝোতায় অন্তর্ভুক্ত করাকে ‘অসম্ভব’ উল্লেখ করে বলেন, ইরান ও বিশ্বের ছয় বৃহৎ শক্তি দীর্ঘদিনের আলোচনা শেষে এই সমঝোতা অর্জন করেছে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে এটি আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত হয়েছে। কাজেই এটির গঠনকাঠামোয় কোনো পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:


যে কারণে বনি ইসরাইলদের এতো মর্যাদা দান করেছিলেন আল্লাহ

ইয়েমেন সংকট সমাধানে ইরানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান আমেরিকার

ইদলিব সমঝোতা বাস্তবায়নের আহ্বান ইরান-রাশিয়া-তুরস্কের

বিতরের নামাজ পড়বেন যেভাবে


ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, পরমাণু সমঝোতার ভিত্তিতে তার দেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় কোন যুক্তিতে এই সমঝোতা মেনে চলবে ইরান? তিনি বলেন, আমেরিকাকে কার্যকরভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসতে হবে। তিনি বলেন, এ কাজ করা সম্ভব হলেই কেবল তেহরান পরমাণু সমঝোতায় দেয়া নিজের প্রতিশ্রুতি পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করবে।

টেলিফোনালাপে অ্যাঙ্গেলা মার্কেল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসেবে পরমাণু সমঝোতা রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ সংক্রান্ত চলমান অচলাবস্থা আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করতে হবে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সব দেশের মধ্যে সহযোগিতার আহ্বান জানান। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খাশোগী হত্যা: বাইডেনের কাছে পাঠানো হলো সিআইএর প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক

সাংবাদিক জামাল খাশোগীর হত্যা রহস্য নিয়ে সৌদি যুবরাজের সংশ্লিষ্ট থাকার বিষয়ে আবারো এসেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর এ বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার একটি তদন্ত রিপোর্ট এরইমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেখেছেন। 

যদিও প্রতিবেদনটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়নি। আর এরমাঝে জো বাইডেনের সৌদি বাদশাহ’র সঙ্গে ফোনালাপ হলেও, খাশোগির মৃত্য নিয়ে সরাসরি কোন আলাপ হয়নি বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। 

মার্কিন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতার জোরালো তথ্য উপস্থাপন করেছে। খাশোগির হত্যাকারী দল যুবরাজের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি কোম্পানির প্রাইভেট বিমানে করে তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে উড়ে গিয়েছিল। ‘টপ সিক্রেট’ শিরোনামের এই নথিতে সৌদি আরবের একজন মন্ত্রীরও সই রয়েছে বলে সিএনএন জানিয়েছে।

এদিকে খাশোগি হত্যা সংক্রান্ত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এর একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনটি তিনি দেখেছেন বলে জানালেও এর বেশি সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নে জবাব দেননি বাইডেন।


বিএনপির সমাবেশ ঘিরে খুলনায় পরিবহন চলাচল বন্ধ

১৩৮ বছরের পুরনো পরিত্যক্ত আদালত ভবনে চলে বিচার কাজ

নাইজেরিয়ায় হোস্টেল থেকে কয়েকশ ছাত্রীকে অপহরণ

কুয়েটে শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু


এছাড়া প্রতিবেদনটি পড়ার পরে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এ ফোনালাপে বাইডেন সর্বজনীন মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া গুরুত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। তবে খাশোগি ইস্যুতে কোন কথা হয়েছে কি-না সেটি জানানো হয়নি।

একইসঙ্গে খাশোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনটি অচিরেই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস। আরো জানান, এই ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে সৌদিআরব। কিন্তু সৌদি যুবরাজের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রতিবারই এড়িয়ে যায় রিয়াদ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় হোস্টেল থেকে কয়েকশ ছাত্রীকে অপহরণ

অনলাইন ডেস্ক

নাইজেরিয়ায় হোস্টেল থেকে কয়েকশ ছাত্রীকে অপহরণ

ছবি: আলজাজিরা থেকে নেয়া

নাইজেরিয়ার জামফারা প্রদেশের একটি স্কুলহোস্টেল থেকে কয়েক শ ছাত্রীকে অপহরণ করেছে বন্দুকধারীরা। উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা এলাকায় শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এমন খবর দিয়েছে।

প্রদেশটির তথ্য কমিশনার সুলায়মান তানাউ আনকা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘ঠিক কত বাচ্চাকে তুলে নেয়া হয়েছে, তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়।’

‘অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা গুলি করতে করতে হোস্টেলে ঢুকে মেয়েদের নিয়ে যায়,’ জানিয়ে আনকা বলেন, ‘তারা গাড়িতে এসেছিল বলে তথ্য পেয়েছি। নিরাপত্তাকর্মীরা তল্লাশি চালাচ্ছেন।’


কুয়েটে শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?


নিজের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক জানিয়েছেন, ‘কমপক্ষে ৩০০ মেয়েকে তুলে নেয়া হয়েছে।’

এক অভিভাবক জানিয়েছেন, তার দুই মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না। তাদের বয়স ১০ এবং ১৩।

স্থানীয়দের উদ্ধৃত করে আল-জাজিরা লিখেছে, বন্দুকধারীরা রাতে বালিকা বিদ্যালয়টির হোস্টেলে হানা দেয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে তারা তল্লাশি চালিয়ে মেয়েদের তুলে নেয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বৃটেনে ফিরতে পারবে না আইএস বধু শামিমা

অনলাইন ডেস্ক

বৃটেনে ফিরতে পারবে না আইএস বধু শামিমা

আইএস বধু হিসেবে পরিচিত শামিমা বেগম বৃটেনে ফিরতে পারবেনা বলে রায় দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার জিহাদি সংগঠন ইসলামিক স্টেটে যোগ দেয়া সাবেক এই বৃটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে এ রায় দেয়া হয়। আদালতের রায়ে বলা হয়, নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করতেও শামিমা বৃটেনে প্রবেশের সুযোগ পাবে না।

জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয়ার জন্য ২০১৯ সালে বৃটিশ সরকার শামিমা বেগমের নাগরিকত্ব কেঁড়ে নেয়। সেসময় বৃটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ শামিমাকে বাংলাদেশি বলে দাবি করেছিলেন। তখন শামিমা ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে জানায়, সে বৃটেন ছাড়া অন্য কোনো দেশের নাগরিক নয় এবং সাজিদ জাভিদের ওই সিদ্ধান্ত তাকে রাষ্ট্রহীন করেছে। 


কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক মৃত্যুতে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সকাল ও দুপুরের সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ৬ প্রাণ

যা দেখে নাসিরকে ভালোবেসেছিলেন তামিমা


গত বছরের জুলাই মাসে বৃটেনের আপিল বিভাগ জানিয়েছিল, শামিমাকে বৃটেনে ফেরার অনুমতি দেয়া হলে সে আদালতে তার নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে। কিন্তু নভেম্বরে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বৃটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শামিমা বৃটেনে প্রবেশ করলে তা হবে দেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ন।

বৃটিশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী আইএসে যোগ দেয়া জিহাদিরা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এরপর শুক্রবারের রায়ের মধ্য দিয়ে শামিমার নাগরিকত্ব আবেদনের সুযোগ একেবারে বন্ধ হয়ে গেলো। এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন সাজিদ জাভিদ।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে শামিমা তার দুই বন্ধুর সঙ্গে ইসলামিক স্টেটে যোগ দিতে তুরস্ক হয়ে সিরিয়া যায়। সেসময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫। সিরিয়ায় ইসলামিক খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সেখানে যুদ্ধ করতে যায় জঙ্গিরা। শামিমা ওই খেলাফত রাষ্ট্রের রাজধানী রাক্কায় বাস করতো। সেখানে সে এক আইএস জিহাদিকে বিয়ে করে। তাদের তিনটি সন্তানের জন্ম হলেও তারা সকলেই মারা গেছে। এরপর ইসলামিক স্টেটের পতন হলে তিনি সিরিয়ার আল-রোজ শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয় শামিমা। এই শিবিরগুলো পরিচালনা করে সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নিজের ৭ কোটি টাকা বেতন কমিয়ে বৃদ্ধি করলেন কর্মীদের বেতন

অনলাইন ডেস্ক

নিজের ৭ কোটি টাকা বেতন কমিয়ে বৃদ্ধি করলেন কর্মীদের বেতন

এমন নজির সত্যিই বিরল। কারণ কর্মীরা সব কিছু করতে পারে কিন্তু বেতন নিয়ে কোন ছাড় দেয় না কেউ। অফিসের সকল নিয়ম অনিয়ম মেনে নিলেও একজন কর্মীর অভিযোগের শেষ নেই। কিন্তু এমন একটি সংস্থা রয়েছে যেখানে না চাইতেই এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও কর্মীদের বিপুল পরিমাণ বেতন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কর্মীদের বেতন বাড়াতে গিয়ে নিজের বেতন কমিয়ে দিয়েছেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও! সংস্থা থেকে প্রতি বছরে কর্মচারীদের সমান বেতন নিচ্ছেন তিনিও!

সংস্থাটির নাম গ্রাভিটি পেমেন্টস। আর কর্মীবান্ধব এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে সারাবিশ্বের নজরে এসেছেন সংস্থার সিইও ড্যান প্রাইস। মাত্র ১৯ বছর বয়সে গ্রাভিটি পেমেন্টস সংস্থা চালু করেন তিনি। তখন তিনি কলেজে পড়েন। একটি ঘর থেকেই শুরু হয়েছিল গ্রাভিটি পেমেন্টসের যাত্রা।

গ্রাভিটি পেমেন্টস একটি ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং সংস্থা। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটনের বালার্ডে। ২০০৪ সালে ড্যান প্রাইস এবং তাঁর ভাই লুকাস সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় ক্রেডিট কার্ড সংস্থায় পরিণত হয় এটি। সংস্থাটির গ্রাহকের সংখ্যা এখন ১৫ হাজারেরও বেশি।

শ’দুয়েক কর্মী কাজ করেন এই সংস্থায়। ২০১৫ সালে ছোট্ট এই সংস্থাটি সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যখন এর সিইও ড্যান তাঁর সংস্থার প্রত্যেক কর্মীর বেতন অন্তত ৭০ হাজার ডলার করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ২০১৯ সালে প্রত্যেক কর্মীর বেতন ১০ হাজার ডলার বাড়িয়ে দেন তিনি। প্রতি বছরই এ ভাবে বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মীদের।

আরও পড়ুন:


‘ফ্রান্সের অস্ত্র বিক্রির কারণে বিপর্যস্ত ইয়েমেন’

বরিশালে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া কাল

কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনায় টরন্টো সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতিবাদ


কঠিন সময়ে এবং মূল্যবৃদ্ধির আবহে যাতে কোনও কর্মচারীকেই সমস্যায় না পড়তে হয় তার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিইও ড্যান। ড্যান আগের বছরে সংস্থা থেকে ১০ লক্ষ ডলার বেতন নিতেন। এখন তিনি বছরে মাত্র ৭০ হাজার ডলার বেতন নেন। অর্থাৎ ৯ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার।

ড্যানের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি সংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা এবং তাঁর ভাই লুকাস। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে আইনি লড়াইও চলেছে। তবে দু’ভাইয়ের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও এই সিদ্ধান্তে আখেরে সংস্থার লাভ হয়েছে অনেকটাই। ২০১৪ সালে যা লাভ করছিল সংস্থাটি ওই ঘোষণার পর তা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

২০২০ সালে মহামারির প্রভাব পড়ার আগে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৪০ লাখ ডলার আয় করেছিল সংস্থাটি। ড্যানের এখন বয়স ৩৬ বছর। ৩১ বছরেই ড্যান কোটিপতি হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, যে সমস্ত ধনকুবের নিজেদের আয়ের সামান্য অংশ দান করেন বা হয়তো নিজের নামে কোনও হাসপাতাল বানান, বেশির ভাগই কর ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এমন করে থাকেন। তিনি যে সে পথে হাঁটেত নারাজ তা-ও জানান তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘ফ্রান্সের অস্ত্র বিক্রির কারণে বিপর্যস্ত ইয়েমেন’

অনলাইন ডেস্ক

‘ফ্রান্সের অস্ত্র বিক্রির কারণে বিপর্যস্ত ইয়েমেন’

ফ্রান্স এবং তার মিত্র দেশগুলো সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার কারণে ইয়েমেন এখন বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক সংকটাপন্ন ও বিপর্যস্ত একটি জনপদে পরিণত হয়েছে।

জেনেভায় জাতিসংঘের ইরানি মিশনে নিযুক্ত মানবাধিকার বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সাদাতি নেজাদ গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা বলেছেন। এ কূটনীতিক বলেন, ইয়ামানের এই বিপর্যয়ের জন্য যারা দায়ী তাদের মুখে নীতি-নৈতিকতার কথা মানায় না।

এর আগে গত বুধবার ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লা দ্রিয়াঁ মানবাধিকার পরিষদে দেয়া বক্তৃতায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইরানকে অভিযুক্ত করেছেন। ইরানে আটক ফ্রান্সের দ্বৈত নাগরিক ফারিবা আদেলখার মুক্তিও দাবি করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন:


বরিশালে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া কাল

কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনায় টরন্টো সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতিবাদ

কানাডা ইমিগ্রেশনের মনগড়া তথ্য দিয়ে প্রতারণা, সতর্কতার পরামর্শ


২০১৯ সালে ৬০ বছর বয়সী আদেলখাকে ইরানে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে আটক করা হয়। ফ্রান্সের অভিযোগ নাকচ করে ইরানের কূটনীতিক মোহাম্মদ সাদাতি বলেন, মানবাধিকার ইস্যুতে ফ্রান্স এমন কোনো অবস্থান নেই যে, তারা ইরানের সমালোচনা করতে পারে। আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স এবং জার্মানি ইয়েমেনকে বিশ্বের সবচেয়ে মানবিক বিপর্যয়ের দেশে পরিণত করেছে। তারা সেখানে রীতিমতো যুদ্ধাপরাধ করেছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর